ঢাকা ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
তিন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার জিতল রাব্বানীর ‌‌'সাঁতার' সাইবার সুরক্ষায় ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে ‘ফিনিক্স সামিট ২০২৬’ সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটিতে ‘হিট’ প্রকল্পের আওতায় ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হাবিপ্রবিতে সহকারী প্রক্টরের ওপর হামলায় নীরব প্রতিবাদ কর্মসূচি জীবের আবাসস্থল অধ্যায় থেকে ১টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান নারীকণ্ঠে কথা বলে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ৩ প্রতারক শাহরাস্তিতে মাকে ভরণপোষণ না দেওয়া ও মারধরের অভিযোগে কারাগারে ইমাম যশোরে নাতনিকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় কুপিয়ে হত্যা একনেকে ৩৮৯১ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন ডামুড্যায় শিক্ষকের ওপর হামলা: ‘ভিডিও করতে গিয়ে’ আসামি গণমাধ্যমকর্মী লোহাগাড়ায় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ৪ মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে মেয়ের হাতে মা খুন যেখানে ফাঁকি দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই নিয়োগ দিচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক গোপালগঞ্জে ইয়াবা ও মদসহ ২ মাদককারবারি আটক গোপালগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ ঘুমধুম সীমান্তে আবারও মাইন বিস্ফোরণ, যুবক নিহত কুমিল্লায় মহাসড়কে পুলিশের গাড়িতে হামলা, ভাঙচুর নেতানিয়াহুর প্রতি ট্রাম্পের অসন্তোষ, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আলোচনা নিয়ে নতুন বার্তা রায়পুরে হাসপাতাল ও ওষুধের দোকানের বর্জ্যে দূষণ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে এলাকাবাসী বেটিং সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান এইচআইভি চিকিৎসায় বড় সাফল্য ছয় বিষয়ের অনার্স কোর্স কি আসলেই বাতিল হচ্ছে? যা জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা গফরগাঁওয়ে কলেজছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা সরকার আ.লীগের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধই রাখতে চায়: তথ্য উপদেষ্টা দুইজনের মৃত্যুর পর ডেঙ্গুর টিকা স্থগিত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় নিয়ে হাইকোর্টের রায় স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নাগরিকত্ব বাতিল অভিযান ট্রাম্প প্রশাসনের লাল বাহাদুর দুধ দিয়ে গোসল করে আর্জেন্টিনা ছেড়ে ব্রাজিল শিবিরে
Nagad desktop

ইরানের বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড দিলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

প্রকাশ: ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:২১ পিএম
আপডেট: ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৩৪ পিএম
ইরানের বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড দিলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

ইরান যদি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে তবে, দেশটির বিরুদ্ধে খুবই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বুধাবার (১৪ জানুয়ারি) বিবিসির এক প্রতিবেদনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এ বক্তব্য তুলে ধরা হয়।

মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, ইরানে সহিংস দমন-পীড়নে এ পর্যন্ত ২,৪০০-এর বেশি সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন।

গত সপ্তাহে ইরানে আটক হওয়া ২৬ বছর বয়সী এরফান সুলতানির আত্মীয়রা বিবিসি পার্সিয়ানকে জানিয়েছেন যে, বুধবার তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার কথা ছিল। তবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে কি না তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

মানবাধিকার সংস্থা হেনগাও-এর একজন প্রতিনিধি বিবিসিকে বলেছেন যে, তারা কখনো কোনো মামলা এত দ্রুত বিচারিক প্রক্রিয়ায় এগোতে দেখেননি।

বিবিসির যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদার সিবিএস নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিক্ষোভকারীদের সম্ভাব্য মৃত্যুদণ্ড সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, ‘তারা যদি তাদের ফাঁসিতে ঝোলায়, তবে আপনারা অনেক কিছু দেখতে পাবেন... তারা এমন কিছু করলে আমরা অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা নেব।’

সুলতানির এক আত্মীয় বিবিসি পার্সিয়ানকে জানান, ইরানের একটি আদালত মাত্র দুই দিনের মধ্যে অত্যন্ত দ্রুত প্রক্রিয়ায় এই মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছে।

ইন্টারনেট বন্ধ থাকার কারণে ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় তারা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে আশঙ্কা করছেন যে, কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই সুলতানির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হতে পারে।

হেনগাও-এর প্রতিনিধি আউইয়ার শেখি বুধবার বিবিসির ‘রেডিও ৪ টুডে’ অনুষ্ঠানে বলেন, ‘সুলতানিকে আটক করার মাধ্যমে ইরানি সরকার জনগণকে নিয়ন্ত্রণ করার এবং আর কোনো বিক্ষোভ হতে না দেওয়ার চেষ্টা করছে।’

শেখি আরও জানান, সুলতানির বোন- যিনি নিজে একজন আইনজীবী- এই মামলায় হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু কর্তৃপক্ষ তাকে জানিয়েছে যে এ বিষয়ে আর কিছু করার নেই।

ইরানে সাধারণত মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দিদের শেষ মুহূর্তে পরিবারের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ দেওয়া হয়। শেখি জানান, ইরানি কর্তৃপক্ষ পরিবারকে এরফানের মৃত্যুদণ্ডের আগে সাক্ষাতের সুযোগ দেওয়ার কথা বললেও, গ্রেপ্তারের পর থেকে তাকে পরিবারের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করতে দেওয়া হয়নি।

ইরানের একজন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন যে, ২,০০০ মানুষ নিহত হয়েছে, তবে এর জন্য তিনি সন্ত্রাসীদের দায়ী করেছেন।

এর আগে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন যে, তিনি মঙ্গলবার রাতে হোয়াইট হাউসে একটি বৈঠকে অংশ নিয়ে ইরানের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করবেন এবং বিক্ষোভের প্রকৃত নিহতের সংখ্যা জানার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

হোয়াইট হাউসে ফেরার সময় সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, নিহতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য বলে মনে হচ্ছে, কিন্তু আমরা এখনো নিশ্চিতভাবে জানি না। তিনি জানান যে, সংখ্যাটি পাওয়ার পর আমরা সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ জানিয়েছে, ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকা সত্ত্বেও তারা এ পর্যন্ত ১২ জন শিশুসহ ২,৪০৩ জন বিক্ষোভকারীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটি আরও জানায় যে, সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় ১৫০ জন ব্যক্তিও নিহত হয়েছেন।

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা ফার্স জানিয়েছে, বুধবার তেহরানে নিরাপত্তা বাহিনীর ১০০-এর বেশি সদস্য এবং তাদের ভাষায় আরও কিছু শহিদদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার ট্রাম্প তার নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল-এ লিখেছেন যে, এই হত্যাকাণ্ডের জন্য ইরানি কর্তৃপক্ষকে বড় মূল্য দিতে হবে এবং তিনি জনগণকে বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি আরও যোগ করেন, বিক্ষোভকারীদের ওপর কাণ্ডজ্ঞানহীন হত্যাকাণ্ড বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আমি ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব বৈঠক বাতিল করেছি। 

বিক্ষোভ দমনের প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প সামরিক ও অন্যান্য বিকল্প নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করছেন। ইতোমধ্যে তিনি ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা যেকোনো দেশের ওপর ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন।

ইরান সরকার এর জবাবে অভিযোগ করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র সামরিক হস্তক্ষেপের অজুহাত তৈরির চেষ্টা করছে এবং সতর্ক করে দিয়েছে যে, এই কৌশল আগেও ব্যর্থ হয়েছে।

মুদ্রার মান কমে যাওয়া এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির ফলে সৃষ্ট ক্ষোভ থেকে ইরানের ৩১টি প্রদেশের ১৮০টি শহর ও জনপদে এই বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়েছিল। দ্রুতই এটি রাজনৈতিক পরিবর্তনের দাবিতে রূপ নেয় এবং ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এটিই এখন ধর্মীয় শাসকগোষ্ঠীর জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার থেকে বিক্ষোভ ব্যাপক আকার ধারণ করলে কর্তৃপক্ষ মারাত্মক শক্তি প্রয়োগ করে এবং ইন্টারনেট ও যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। এইচআরএএনএ-এর তথ্য অনুযায়ী, চলমান এই অস্থিরতায় এ পর্যন্ত ১৮,৪৩৪ জনেরও বেশি বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর মতো বিবিসিরও ইরানের ভেতর থেকে রিপোর্ট করার সুযোগ নেই, তাই রক্তক্ষয়ের প্রকৃত মাত্রা পরিমাপ করা কঠিন।

তবে রবিবার অনলাইনে পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা গেছে, তেহরানের কাহরিজাক ফরেনসিক সেন্টারে মানুষ তাদের প্রিয়জনদের মৃতদেহ খুঁজছে। বিবিসি ওই ফুটেজে অন্তত ১৮০টি চাদরে মোড়ানো মৃতদেহ এবং বডি ব্যাগ গণনা করেছে। সোমবার প্রকাশিত অন্য একটি ভিডিওতে সেই একই কেন্দ্রে আরও প্রায় ৫০টি মৃতদেহ দেখা গেছে।

সোমবার একজন অ্যাক্টিভিস্ট বিবিসি পার্সিয়ানকে বলেন, আমার এক বন্ধু তার ভাইয়ের খোঁজে সেখানে (কাহরিজাক) গিয়েছিল এবং সে নিজের দুঃখের কথা ভুলে গেছে। তারা প্রতিটি এলাকা থেকে মৃতদেহ স্তূপ করে রেখেছে। আপনারা সহিংসতার মাত্রার ভগ্নাংশও জানেন না।

লন্ডনভিত্তিক ইরানি ক্যানসার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শাহরাম কোর্দাস্টি মঙ্গলবার বিবিসির ‘নিউজডে’ অনুষ্ঠানে বলেন, ‘তেহরানের এক সহকর্মীর কাছ থেকে তিনি সর্বশেষ যে বার্তাটি পেয়েছেন তাতে লেখা ছিল- অধিকাংশ হাসপাতাল এখন যুদ্ধক্ষেত্রের মতো। আমাদের চিকিৎসা সরঞ্জাম ও রক্তের সংকট দেখা দিয়েছে।’

তিনি আরও জানান, দুই-তিনটি হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন যে তারা শত শত আহত বা নিহত মানুষের চিকিৎসা দিয়েছেন।
কাস্পিয়ান সাগরের তীরের শহর রাশত-এর একজন বাসিন্দা শহরটিকে এখন চেনা যাচ্ছে না বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘সব জায়গায় আগুন জ্বলছে।’

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রধান ভলকার তুর্ক ইরানি কর্তৃপক্ষকে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর সব ধরনের সহিংসতা ও দমন-পীড়ন অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘বিক্ষোভকারীদের সন্ত্রাসী হিসেবে আখ্যা দেওয়া অগ্রহণযোগ্য। সূত্র: বিবিসি

সুমন/

নেতানিয়াহুর প্রতি ট্রাম্পের অসন্তোষ, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আলোচনা নিয়ে নতুন বার্তা

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০১:২২ পিএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ০২:২৬ পিএম
নেতানিয়াহুর প্রতি ট্রাম্পের অসন্তোষ, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আলোচনা নিয়ে নতুন বার্তা
ছবি: সংগৃহীত

ইরান ও ইসরায়েল জানিয়েছে, উভয় দেশের মধ্যে চলমান শত্রুতা আপাতত থেমে গেছে। সাম্প্রতিক পাল্টাপাল্টি হামলা মধ্যপ্রাচ্যে আবারও যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করেছিল।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে কড়া সতর্কবার্তা দেন যে, তেহরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলা চালালে ইসরায়েল ওয়াশিংটনের সমর্থন হারানোর ঝুঁকিতে পড়তে পারে। এরপরই ইসরায়েল হামলা বন্ধ করে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়েখিয়েল লেইটার এ ধরনের ‘চূড়ান্ত সতর্কবার্তা’ বা আল্টিমেটামের খবর নাকচ করেছেন। 

তিনি দাবি করেন, দুই নেতার মধ্যে হওয়া আলোচনাটি ছিল সহযোগিতামূলক। কিন্তু সাংবাদিকরা বিষয়টিকে ভুলভাবে উপস্থাপন করছেন।

ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লেইটার বলেন, তাদের বন্ধুত্ব প্রায় ৪০ বছরের। কখনো কখনো ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের মধ্যেও মতবিরোধ হতে পারে। আলোচনার সময় কিছুটা উত্তেজনা তৈরি হতেই পারে, কিন্তু সেটিই স্বাভাবিক বিষয়।

ইসরায়েলি এই কূটনীতিক আরও বলেন, ট্রাম্পের অনুরোধে নেতানিয়াহু ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের তীব্রতা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তবে ট্রাম্প ভালো করেই জানেন, ইসরায়েল নিজেদের ভূখণ্ডে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের হামলা সহ্য করবে না। অবশ্যই পাল্টা জবাব দেবে।

তিনি বলেন, সামগ্রিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সমন্বয় ও সহযোগিতা রয়েছে এবং উভয় পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া অনেক গভীর।

নেতানিয়াহুর ওপর ট্রাম্পের বিরক্তি

বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহুর প্রতি ট্রাম্প ক্রমেই বিরক্ত হয়ে উঠছেন। এর আগে তিনি ইসরায়েল ও ইরান- উভয় দেশকেই হামলা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। একই সঙ্গে তিনি বলেছিলেন, শান্তির লক্ষ্যে ‘চূড়ান্ত আলোচনা’ এগিয়ে নিতে হবে এবং অজ্ঞতা বা বোকামি যেন শান্তির পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়।

অন্যদিকে, টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে নেতানিয়াহু বলেন, তিনি ট্রাম্পকে জানিয়েছেন যে, ইসরায়েলের আত্মরক্ষার পূর্ণ অধিকার রয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আমরা সেই অধিকার প্রয়োগ করছি।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, ইসরায়েল প্রয়োজন অনুযায়ী যতদিন দরকার অভিযান চালিয়ে যেতে প্রস্তুত ছিল। এছাড়া নতুন করে ইরানে নির্মিত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা স্থাপনের পর পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনাগুলোতেও হামলা চালানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

ইরানের কড়া বার্তা

অন্যদিকে, ইরানের কর্মকর্তারাও কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। আধাসরকারি তাসনিম সংবাদ সংস্থার বরাত দিয়ে এক সামরিক সূত্র জানিয়েছে, তেহরান দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের জন্য প্রস্তুত। প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের বিরুদ্ধে আবারও হামলা চালাতে পারে।

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রতি আস্থার ঘাটতি ভবিষ্যতেও আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়াবে।

এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, কাগজে-কলমে যুদ্ধবিরতি এবং বাস্তবে তার বারবার লঙ্ঘনের যে সমীকরণ ছিল, আমরা তা ভেঙে দিয়েছি। যতদিন আপনারা আস্থা তৈরির প্রকৃত ইচ্ছা দেখাতে ব্যর্থ হবেন, ইরানের প্রতিক্রিয়াও ঠিক তেমনই হবে। সূত্র: এনডিটিভি

খাদিজা রুমি/

দুইজনের মৃত্যুর পর ডেঙ্গুর টিকা স্থগিত

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১২:৫৩ পিএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ০১:২২ পিএম
দুইজনের মৃত্যুর পর ডেঙ্গুর টিকা স্থগিত
ছবি; সংগৃহীত

সন্দেহজনক মৃত্যুর ঘটনার পর বিশ্বের প্রথম এক ডোজের ডেঙ্গু ভ্যাকসিনের ব্যবহার সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে ব্রাজিল সরকার।

সরকারি উদ্যোগে তৈরি এই ভ্যাকসিনটি গত বছরের নভেম্বরে স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের অনুমোদন পায় এবং চলতি বছরেই প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ মানুষকে এই ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।

মশাবাহিত ডেঙ্গু ভাইরাসের বিরুদ্ধে এটিই ছিল বিশ্বের প্রথম এক ডোজের টিকা। 

সাধারণত ডেঙ্গু হলে তীব্র জ্বর, মাথাব্যথা, পেশিতে ব্যথা, বমি বমি ভাব এবং ত্বকে র‍্যাশ দেখা দেয়, যা কিছু ক্ষেত্রে মারাত্মক বা প্রাণঘাতী হতে পারে।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে যে ৫ লাখ ১ হাজার ৪৪ জনকে এই টিকা দেওয়া হয়, এর মধ্যে ৩ হাজার ৭০৩ জনের শরীরে ডেঙ্গুর মতো উপসর্গ দেখা দেয়। ৪২ জনের শরীরে তুলনামূলক তীব্র পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

গুরুতর অসুস্থ তিনজনের মধ্যে দুজন মারা গেছেন। এর মধ্যে একজন ৫৮ বছর বয়সী পুরুষ এবং একজন ৪৮ বছর বয়সী নারী। এছাড়া ৩৮ বছর বয়সী এক নারী আইসিইউতে ভর্তি হলেও পরে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

ব্রাজিলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী আলেকজান্দ্রে পাদিলহা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘টিকা দেওয়ার কারণেই এই তিনটি গুরুতর ঘটনা বা মৃত্যু ঘটেছে- এমনটি নিশ্চিত করার মতো যথেষ্ট তথ্য এখনও আমাদের কাছে নেই। তবে এটি আমাদের জন্য একটি সতর্ক সংকেত।’

তিনি জানান, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে টিকাদান কর্মসূচি সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। এর আগে ১৪টি রাজ্যে ১৬ হাজারের বেশি স্বেচ্ছাসেবকের ওপর যখন এই ভ্যাকসিনের ট্রায়াল বা পরীক্ষা চালানো হয়েছিল, তখন এ ধরনের কোনো অপ্রত্যাশিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। এমনকি পরীক্ষার সময় এই ভ্যাকসিনটি ডেঙ্গুর মারাত্মক রূপ প্রতিরোধে ৯১ দশমিক ৬ শতাংশ কার্যকর প্রমাণিত হয়েছিল।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, বর্তমানে বাজারে থাকা একমাত্র ডেঙ্গু ভ্যাকসিন (TAK-003) নিতে দুটি ডোজ প্রয়োজন হয় এবং একটি ডোজ থেকে পরবর্তী ডোজের মধ্যে তিন মাসের ব্যবধান রাখতে হয়। সেই তুলনায় এক ডোজের ভ্যাকসিন গণ-টিকাদান কর্মসূচিকে অনেক সহজ ও দ্রুত করতে পারে।

২০২৪ সালে ব্রাজিলে ডেঙ্গুতে রেকর্ড ছয় হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়, যা সে বছর বিশ্বজুড়ে ডেঙ্গুজনিত মোট মৃত্যুর প্রায় অর্ধেক। তবে গত বছর থেকে পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসতে শুরু করেছে। সূত্র: এনডিটিভি

তামান্না রুপা/অমিয়/

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নাগরিকত্ব বাতিল অভিযান ট্রাম্প প্রশাসনের

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১২:৪১ পিএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ০১:০৯ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নাগরিকত্ব বাতিল অভিযান ট্রাম্প প্রশাসনের
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ঘোষণা করেছে, অভিবাসন জালিয়াতি বা অন্যান্য অপরাধের অভিযোগে ১৭ জন মার্কিন নাগরিকের নাগরিকত্ব বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ সিদ্ধান্ত মার্কিন ইতিহাসে নাগরিকত্ব বাতিলের সবচেয়ে বড় উদ্যোগ। এর মাধ্যমে প্রশাসন তাদের নজিরবিহীন ‘নাগরিকত্ব বাতিল’ কর্মসূচি আরও বিস্তৃত করছে।

নাগরিকত্ব বাতিলের এ অভিযানে যাদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, তাদের মধ্যে কেউ কেউ শিশুদের বিরুদ্ধে যৌন অপরাধসহ সহিংস বা গুরুতর অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। অন্যরা প্রতারণা বা অভিবাসন জালিয়াতির অভিযোগে অভিযুক্ত।

দেশের বিভিন্ন ফেডারেল আদালতে করা মামলায় বিচার বিভাগের আইনজীবীরা দাবি করেছেন, মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার অন্যতম শর্ত হলো ‘সৎ নৈতিক চরিত্র’। বর্তমানে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার সময় তাদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড গোপন করেছিলেন।

ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল টড সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘মাদক ব্যবসায়ী, যৌন অপরাধী ও প্রতারকদের মতো অপরাধী অভিবাসীরা তাদের অতীত অপরাধের তথ্য গোপন করে নাগরিকত্ব গ্রহণ করে। এখন থেকে এ ধরনের সব ক্ষেত্রে বিচার বিভাগ শূন্য-সহনশীলতা নীতি অনুসরণ করবে।’

অন্যদিকে, মার্কিন অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগের কর্মকর্তা মুলিন বলেছেন, ‘ট্রাম্প প্রশাসন নাগরিকত্ব বাতিল ও অপরাধী বিদেশিদের অপসারণে আইনের আওতায় থাকা সব পথ ব্যবহার করবে। কারণ মার্কিন নাগরিকত্ব একটি বিশেষ অধিকার, যা সততার সঙ্গে অর্জন করতে হয়। কেউ যদি এখানে এসে আইন ভঙ্গ করেন এবং অভিবাসন প্রক্রিয়ায় মিথ্যা তথ্য দেন, তাহলে তিনি সেই অধিকার হারাবেন।’

উল্লেখ্য, মার্কিন আইনে দীর্ঘদিন ধরেই বিদেশে জন্ম নেওয়া এমন নাগরিকদের নাগরিকত্ব বাতিলের সুযোগ রয়েছে। বৈধ ও অবৈধ- উভয় ধরনের অভিবাসনের বিরুদ্ধে বৃহত্তর অভিযানের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রশাসন নাগরিকত্ব বাতিলের এ উদ্যোগ ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত করেছে।

২০২৫ সালে বিচার বিভাগ এমন নাগরিকদের নতুন কয়েকটি শ্রেণি নির্ধারণ করে, যাদের বিরুদ্ধে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মে মাসেও এক ডজনের বেশি নাগরিকত্ব বাতিলের মামলার ঘোষণা দেওয়া হয়, যা তখনকার সময়ে কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় উদ্যোগ ছিল। যদিও ১৯৯০ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বিচার বিভাগ গড়ে বছরে মাত্র ১১টি মামলা করেছিল, যেগুলোর লক্ষ্য ছিল কোনো ব্যক্তির মার্কিন নাগরিকত্ব বাতিল করা। সূত্র: সিবিএস নিউজ

থিও/অমিয়/

হরমুজ প্রণালীর কাছে মার্কিন সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১১:১৮ এএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ১১:৪৩ এএম
হরমুজ প্রণালীর কাছে মার্কিন সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত
ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালীর কাছাকাছি মার্কিন সেনাবাহিনীর একটি অ্যাপাচি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে নিউ ইয়র্ক টাইমস। সোমবার (৮ জুন) দুর্ঘটনার পর হেলিকপ্টারের দুই ক্রুকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।

তবে এই ঘটনাটি কোনো শত্রুভাবাপন্ন দেশের আক্রমণ, যান্ত্রিক ত্রুটি নাকি অন্য কোনো কারণে ঘটেছে- তা এখনো নিশ্চিত করা হয়নি।

মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেননি।

উদ্ধার অভিযান শেষ হওয়ার পর পুরো পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের শেষদিকে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই হরমুজ প্রণালী একটি প্রধান যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। বিশ্বের মোট খনিজ তেলের এক-পঞ্চমাংশ এই রুট দিয়ে পরিবাহিত হয়। ইরান এই প্রণালীতে পশ্চিমা ও ইসরায়েলপন্থি বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর অবরোধ তৈরি করায় মার্কিন নৌ ও বিমানবাহিনী সেখানে নিয়মিত টহল দেয়। এই চরম সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়, যা এই অঞ্চলে সংঘাতের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেয়। সূত্র: এনডিটিভি

তামান্না রুপা/অমিয়/

ইরান-ইসরায়েলের হামলা বন্ধ হলেও হুমকি চলছে

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১১:১১ এএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ১২:০০ পিএম
ইরান-ইসরায়েলের হামলা বন্ধ হলেও হুমকি চলছে
ছবি: আল জাজিরা

ইরান ও ইসরায়েল চালানো পারস্পরিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা বন্ধ হয়েছে, তবে দুটি দেশই হুমকি দেওয়া অব্যাহত রেখেছে। 

সোমবার (৮ জুন) বিকেলে ইরান হামলা বন্ধের ঘোষণা দিলেও সতর্ক করে দিয়েছে যে, লেবাননসহ অন্যান্য স্থানে ইসরায়েল যদি আরও আগ্রাসন চালায়, তবে পুনরায় হামলা শুরু হবে।

ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুরোধে ইসরায়েলি বাহিনী ইরানে হামলা থেকে বিরত থাকবে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ইসরায়েল তেহরানে আঘাত হানার পর হামলা বন্ধ করেছে। তবে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী লেবাননে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখবে। 

তিনি ইরানকে হুমকি দিয়ে বলেন, ইরান যদি ভুল করে এবং আমাদের ওপর পুনরায় হামলা করে, তবে আমরা তার জবাব দেব।

এতে অঞ্চলটিতে আবারও পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কা বেড়েছে। ফলে বৈশ্বিক জ্বালানিসংকট আরও তীব্র হতে পারে।

সোমবার বিকেলে দুই দেশ যুদ্ধবিরতিকে সম্মান জানিয়ে অঞ্চলজুড়ে বিমানবন্দরগুলো পুনরায় খোলার অনুমতি দিয়েছে। তবে তেল আবিব এবং তেহরান জোর দিয়ে বলেছে যে, তারা দ্রুত সামরিক পদক্ষেপে ফিরতে প্রস্তুত।

এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ট্রাম্পের অনুরোধে ইরানের ওপর বিমান হামলা বন্ধ করতে সম্মত হয়েছি, কিন্তু লেবাননে আমাদের অভিযান পূর্ণ শক্তিতে চলবে।

ইরানি কর্মকর্তারা বলছেন, যদি আমাদের বাহিনীর পক্ষ থেকে নতুন করে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন হয়, তবে তা অনেক বেশি কঠোর হবে। সূত্র: আল জাজিরা

থিও/অমিয়/