ঢাকা ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
শেষ যাত্রা জানাজায়, মাঝপথেই থেমে গেল জীবন সাজেকে বিজিবির বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ পিটারসেন অটোমোটিভ মিউজিয়াম অটোমোবাইল ডেস্ক সময় টিভির এমডি জোবায়েরসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ZEEHO Bangladesh ও Riding School BD-এর মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর যুক্তরাষ্ট্রে ৫ হাজার ৮০৭ প্রবাসীর হাতে যাচ্ছে এনআইডি হেরোইনসহ মা-বাবা ও ছেলে আটক, বাড়িতে আগুন সমুদ্রের নিচে চীনের নতুন ডেটা সেন্টার সোনারগাঁয়ে স্কুল ফাঁকি দিয়ে মেঘনায় গোসল, দুই স্কুল ছাত্রের মৃত্যু বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমল ৫ শতাংশের বেশি সোনারগাঁয়ে মেঘনায় গোসলে নেমে ২ শিক্ষার্থীর মৃত্যু নৌবাহিনীর ডকইয়ার্ডে নির্মিত হচ্ছে ৫টি ‘রিভারাইন পেট্রল ভেসেল’ স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসরে স্যামসাংয়ের নতুন ল্যাপটপ গুরুদাসপুরে শিশু ধর্ষণ মামলায় বৃদ্ধের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড টাঙ্গাইল মেডিকেলে হঠাৎ পরিদর্শন, অসন্তোষ প্রকাশ প্রতিমন্ত্রী টুকুর চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্কুল ফিডিংয়ে ১৬ শিক্ষার্থী অসুস্থ দুর্নীতির মামলায় আবেদপুত্র সিয়ামের বিচার শুরু যাত্রা ও সার্কাসে অশ্লীলতা বরদাশত নয় : সংস্কৃতিমন্ত্রী আজকে যে কেউ সরকারের বিরুদ্ধে নির্দ্বিধায় বলতে পারে: প্রধানমন্ত্রী যে জগৎ মানুষের অপেক্ষায় আছে চট্টগ্রামে এইডস ঝুঁকি বাড়াচ্ছে রোহিঙ্গারা মাধবদীর ‘মমতা’ সিনেমা হল বিক্রির বিজ্ঞাপন রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নির্ভর করছে মায়ানমারের সদিচ্ছার ওপর: পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাঠে বসে মেসির হ্যাটট্রিকে আর্জেন্টিনার জয় দেখলেন নাদিয়া-নাঈম যুগোপযোগী পাঠদান শিক্ষার্থীদের শেখার অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করবে: গ্লেনরিচে বক্তারা ফরিদপুরে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু বৈশ্বিক শিল্প ইতিহাসের ভূ-রাজনীতিতে নারী শিল্পী নগরায়ণ, পরিবেশ বিপর্যয় ও বরেন্দ্র জনপদের ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ৩য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র সহিংসতা প্রতিরোধে করণীয় নির্ধারণে অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ
Nagad desktop

ইরান সংঘাতে পাকিস্তান যে কারণে মধ্যস্থতা করছে

প্রকাশ: ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৫ এএম
আপডেট: ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৪ এএম
ইরান সংঘাতে পাকিস্তান যে কারণে মধ্যস্থতা করছে
ছবি এআই

ইরান সংঘাতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা অনেককেই বিস্মিত করেছে। তবে বিষয়টি হয়তো এতটা অপ্রত্যাশিত নয়। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। ট্রাম্প তাকে প্রায়ই ‘আমার প্রিয় ফিল্ড মার্শাল’ বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, মুনির ইরানকে ‘অনেকের চেয়েও ভালো বোঝেন’।

ইরান পাকিস্তানের প্রতিবেশী দেশ। দুই দেশ প্রায় ৯০০ কিলোমিটার সীমান্ত ভাগাভাগি করে। শুধু তাই নয়, দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয়ভাবে ‘ভ্রাতৃত্বপূর্ণ’ সম্পর্কের কথাও বলা হয়।

এ ছাড়া পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সামরিক ঘাঁটি নেই। উপসাগরীয় অঞ্চলের অনেক দেশের মতো এই সংঘাতে সরাসরি জড়িয়ে পড়েনি পাকিস্তান।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, পাকিস্তান নিজেই মধ্যস্থতায় আগ্রহী। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা হলে সেটি পাকিস্তানের স্বার্থেই যাবে। তবে প্রশ্ন উঠেছে, যে দেশ নিজেই আফগানিস্তান ও ভারতের সঙ্গে উত্তেজনায় জড়িত, সে কীভাবে শান্তির বার্তা দিচ্ছে?

বর্তমানে পাকিস্তান আফগানিস্তানে বিমান হামলা চালাচ্ছে, আর ভারতের সঙ্গে উত্তেজনা গত বছর পারমাণবিক সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি করেছিল। এখন পর্যন্ত পাকিস্তান ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে চলছে, দুই পক্ষের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান করছে, বিভিন্ন মুসলিম দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের আতিথ্য দিচ্ছে এবং কূটনৈতিক যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছে।

তবে এই ভারসাম্য রক্ষা ঝুঁকিমুক্ত নয়। পাকিস্তান আমদানিকৃত তেলের ওপর অত্যন্ত নির্ভরশীল, যার বড় অংশ আসে হরমুজ প্রণালি দিয়ে। ফলে এই সংঘাত সরাসরি তাদের অর্থনীতিতে আঘাত হানতে পারে। আটলান্টিক কাউন্সিলের বিশ্লেষক মাইকেল কুগেলম্যান বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের বাইরের দেশগুলোর মধ্যে পাকিস্তানের এখানে সবচেয়ে বেশি স্বার্থ জড়িত।’

মার্চের শুরুতে পাকিস্তান সরকার পেট্রল ও ডিজেলের দাম প্রায় ২০ শতাংশ বাড়িয়েছে। জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি কর্মচারীদের জন্য চার দিনের কর্মসপ্তাহও চালু করা হয়েছে। করাচির আইবিএর অধ্যাপক ফারহান সিদ্দিকি বলেন, ‘যুদ্ধ দীর্ঘ হলে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক চাপ ভয়াবহভাবে বাড়বে।’ আরেকটি বড় আশঙ্কা হলো, সংঘাত আরও বিস্তৃত হলে কী হবে।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে পাকিস্তান সৌদি আরবের সঙ্গে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি করে, যেখানে বলা হয়েছে, এক দেশের ওপর হামলা মানে অন্য দেশের ওপর হামলা। যদি সৌদি আরব যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে, তাহলে পাকিস্তানকেও জড়াতে হতে পারে এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সিদ্দিকি বলেন, ‘যদি আমাদের সৌদি আরবের পাশে যুদ্ধে নামতে বলা হয়, তাহলে আমাদের পুরো পশ্চিম সীমান্ত অরক্ষিত হয়ে পড়বে।’ ইতোমধ্যে পাকিস্তান আফগানিস্তানের সঙ্গে প্রায় ‘পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে’ রয়েছে বলে দাবি করছে। তারা অভিযোগ করে, আফগান তালেবান সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দিচ্ছে, যা তালেবান অস্বীকার করে।

দেশীয় চাপও আছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় হত্যার পর পাকিস্তানে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটে হামলার চেষ্টা করা বিক্ষোভকারীদের মধ্যে কয়েকজন নিহতও হয়েছে।

সাবেক কূটনীতিক মালিহা লোধি বলেন, ‘পাকিস্তানে জনমত ব্যাপকভাবে ইরানপন্থি।’ তিনি বলেন, নীতিনির্ধারকরা এ বিষয়টি নিয়ে খুবই সংবেদনশীল। এখানে পাকিস্তানের জন্য একটি বড় সুযোগও আছে। বিশ্ব রাজনীতিতে নিজের অবস্থান শক্ত করার সুযোগ পেয়েছে তারা।

কুগেলম্যান বলেন, পাকিস্তান বিশ্বমঞ্চে নিজের প্রভাব নিয়ে সমালোচনার ব্যাপারে সংবেদনশীল। লোধি বলেন, ‘এটি উচ্চঝুঁকির কূটনীতি। সফল হলে পাকিস্তান বৈশ্বিক কূটনীতির শীর্ষে উঠে যেতে পারে।’ তবে ব্যর্থ হলেও বড় ক্ষতি হবে না বলে মনে করেন তিনি। তার মতে, ‘পাকিস্তান অন্তত আন্তরিক চেষ্টা করেছে, এটাই বড় বিষয়।’ তবে কুগেলম্যান সতর্ক করেছেন, যদি আলোচনার পরও যুদ্ধ আরও তীব্র হয়, তাহলে পাকিস্তানকে সরল বা ‘ব্যবহৃত’ হিসেবে দেখা হতে পারে।

কুগেলম্যান বলেন, ‘পাকিস্তান অপ্রচলিত কূটনৈতিক কৌশল খেলতে প্রস্তুত, ভারতের মতো নয়।’ তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানের শীর্ষ নেতারা ট্রাম্পকে প্রশংসা করে ওয়াশিংটনে নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছেন।

তবে শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, পাকিস্তান এখন বহুমুখী কূটনীতি অনুসরণ করছে। সিদ্দিকি বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বে মধ্যম শক্তিগুলো একাধিক শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে।’ তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানকে ইরানের সঙ্গে কথা বলার জন্য উপযুক্ত মনে করা হয়, কারণ তাকে প্রো-ইসরায়েলি বা অতিরিক্ত প্রো-আমেরিকান হিসেবে দেখা হয় না।

এদিকে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশাক দার চীনের আমন্ত্রণে বেইজিং সফরে যাচ্ছেন, যেখানে তার বৈঠক হবে ওয়্যাং ই-এর সঙ্গে।

তবে সবশেষে বড় প্রশ্ন রয়ে গেছে, পাকিস্তান কি সত্যিই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি চুক্তি করাতে পারবে? কুগেলম্যানের মতে, সম্ভাবনা খুব বেশি নয়। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অবিশ্বাস অনেক গভীর, আর দুই পক্ষের দাবিও খুব কঠোর। এই সমীকরণটাই পাকিস্তানের জন্য সবচেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জ।’ সূত্র: বিবিসি

ট্রাম্প-মাখোঁ নৈশভোজের মাধ্যমে সমাপ্ত হচ্ছে জি-৭ সম্মেলন

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:৫২ পিএম
ট্রাম্প-মাখোঁ নৈশভোজের মাধ্যমে সমাপ্ত হচ্ছে জি-৭ সম্মেলন
ছবি: সংগৃহীত

ভার্সাই প্রাসাদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে নৈশভোজের মাধ্যমে জি-৭ সম্মেলনের সমাপ্তি টানছেন আয়োজক দেশ ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে উদ্ভূত নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে বুধবার আলোচনা করবেন জি-৭ নেতারা। সম্মেলনের শেষ দিনে এ বিষয়টিই থাকবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। সবশেষে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে নৈশভোজে অংশ নেবেন ইমানুয়েল মাখোঁ।

বুধবারের (১৭ জুন) আলোচনায় ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়টি প্রাধান্য পাবে। জি-৭-এর কয়েকটি ইউরোপীয় সদস্য দেশ অনলাইন নিরাপত্তা জোরদারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের অসন্তোষের কারণ হয়েছে।

কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতাদের তিন দিনের এ সম্মেলনে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে ইরান যুদ্ধ অবসানে ট্রাম্পের চুক্তি ও ইউক্রেনে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রাশিয়ার ওপর চাপ বাড়ানোর উদ্যোগ।

এদিন নেতাদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান অপেন এআই’র প্রধান  স্যাম অল্টম্যান, অ্যানথ্রোপিক-এর প্রধান ড্যারিও অমোদেই ও ইউরোপীয় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান মিস্ট্রাল এআই এসএএস-এর আর্থার মেনশ।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার সোমবার ঘোষণা দিয়েছেন, যুক্তরাজ্যে ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হবে। ফ্রান্সও একই ধরণের পদক্ষেপ বিবেচনা করছে।

সম্মেলন শুরুর আগে, ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত এক ভিডিওতে মাখোঁ বলেন, জি-৭ আলোচনায় কীভাবে ‘সাইবার নিরাপত্তা উন্নত করা যায় এবং আমাদের শিশু ও গণতন্ত্রকে সুরক্ষিত রাখা যায়’ এ বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।

বুধবার বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হবে। সাতটি দেশই মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেন বিষয়ে যৌথ চূড়ান্ত বিবৃতিতে একমত হওয়ার চেষ্টা করছে। এরপর গ্রিনিচ সময় দুপুর ১টা থেকে নেতারা পৃথক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেবেন।

হ্রদ তীরবর্তী অবকাশকেন্দ্র এভিয়ানে অনুষ্ঠিত পুরো সম্মেলন জুড়েই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন ট্রাম্প। ফরাসি কর্মকর্তারা সন্তুষ্ট যে তিনি পুরো সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। এর আগে, তিনি কানাডায় অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলন মাঝপথে ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন।

এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ হিসেবে মাখোঁ সম্মেলন শেষে বুধবার বিকেলে প্যারিসের বাইরে অবস্থিত ভার্সাই প্রাসাদে ট্রাম্পকে নৈশভোজের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। মঙ্গলবার ট্রাম্প জানান, তিনি আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। 

তার ভাষায়, ফ্রান্সের ‘সূর্য রাজা’ চতুর্দশ লুইয়ের প্রাসাদ ভার্সাই ‘সোনার প্রলেপ নয়’, বরং ‘আসল জিনিস।’ অন্যদিকে, ট্রাম্পকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দিচ্ছেন এমন সমালোচনা এড়াতে মাখোঁ আগেই বলেছেন, ভার্সাইয়ের এ আয়োজন কোনো ‘গালা ডিনার’ নয়।

ইরান ও ইউক্রেন ইস্যুতে আলোচনা
সম্মেলনে ইরান অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় হিসেবে রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অবসানে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে ট্রাম্পের যে চুক্তি শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে সই হওয়ার কথা, সে বিষয়ে তাকে নানা প্রশ্ন করতে আগ্রহী মিত্র দেশগুলো।

ট্রাম্প বলেন, চুক্তির পর ইরানে বিনিয়োগ করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ‘কোনো বাধ্যবাধকতা’ নেই। মূল লক্ষ্য হলো ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে। আর যদি তা করে, তাহলে দেশটির ওপর ‘ভয়াবহ পরিণতি নেমে আসবে’। ইউক্রেন প্রসঙ্গে ট্রাম্প মস্কোর প্রতি আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। 

তিনি বলেন, রাশিয়ার উচিত ‘একটি সমঝোতায় পৌঁছানো।’ একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, স্থগিত রাখা নিষেধাজ্ঞাগুলো আবারও কার্যকর করতে পারে ওয়াশিংটন।

এ ছাড়া ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর প্রতিও তুলনামূলক সমালোচনামুখর অবস্থান নিয়েছেন ট্রাম্প।

তিনি বলেন, লেবাননের বিষয়ে নেতানিয়াহুর আরও দায়িত্বশীল হওয়া উচিত। তার মতে, সেখানে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরাইলের সামরিক অভিযান ‘অতিরিক্ত দীর্ঘ হয়ে গেছে’। সূত্র: এএফপি

নাঈম/

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান লিখিত চুক্তির আড়ালেও থেকে যাবে অনেক ‘হিসাব’

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:৪৬ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:৪৭ পিএম
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান লিখিত চুক্তির আড়ালেও থেকে যাবে অনেক ‘হিসাব’
প্রতীকী ছবি

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির খসড়া এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়নি। চুক্তিতে কী কী বিষয় থাকছে, ইরানকে কতটা ছাড় দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়েও অস্পষ্টতা রয়েছে। তবে মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, চুক্তির নথিতে কী কী উল্লেখ থাকছে, তা ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। কারণ, দুপক্ষের মধ্যে গোপন আলোচনা এবং প্রতিশ্রুতিগুলির তাতে উল্লেখ নেই।

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে ইতোমধ্যে একটি খসরা চুক্তি ভার্চুয়াল মাধ্যমে স্বাক্ষরিত হয়েছে। চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে আগামী শুক্রবার।

এরই মধ্যে মার্কিন রক্ষণশীল রাজনীতিকরা দাবি তুলেছেন, চুক্তিতে কী কী রয়েছে, সেই রূপরেখা তাদের দেখাতে হবে। তারা সন্দেহ করছেন, যুদ্ধ শেষ করার নামে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার প্রশাসন ইরানকে অনেক বেশি ছাড় দিয়ে দিচ্ছে। 

যদিও মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, চুক্তিতে যা লেখা থাকছে, তা খুবই অস্পষ্ট। এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো, পরবর্তী সময়ে আরও সুনির্দিষ্ট মুখোমুখি বৈঠকের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা। সেই কারণে চুক্তিটির ভাষ্য এমন রাখা হচ্ছে, যাতে ইরানি প্রশাসন নিজেদের দেশে সেটিকে ‘রাজনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য’ বলে তুলে ধরতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে যে খসরা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, তাকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চান না মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। তার দাবি, ওটি একটি খুবই সাধারণ নথি। 

সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে মার্কিন কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, ইরান বেশ কিছু প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রকে। ওই প্রতিশ্রুতিগুলোর কারণেই যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি স্বাক্ষরে আরও বেশি আগ্রহী হয়েছে। তবে ওই গোপন প্রতিশ্রুতিগুলোর কথা নথিতে উল্লেখ নেই।

ঘটনার পরম্পরা সম্পর্কে জানেন, এমন কর্মকর্তারা এই চুক্তিকে একটি ‘রাজনৈতিক দলিল’ হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন। তাদের কথায়, ‘খসরা চুক্তিতে কী লেখা থাকছে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের বেশি বিশ্লেষণ করা ঠিক হবে না। এই নথির চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো আমাদের পারস্পরিক বোঝাপড়া।’ 

মার্কিন প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘নথিতে মূলত বলা হয়েছে- আমরা নিষেধাজ্ঞা তুলে নেব, পারমাণবিক বিষয় নিয়ে একটি চুক্তি করব এবং লেনদেন বন্ধ থাকা তহবিলগুলি ছেড়ে দেব। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা তোলা হবে, যখন আমাদের আলোচনার অগ্রগতি হবে। জব্দ থাকা তহবিল কী পদ্ধতিতে ছাড়া হবে, তা নিয়ে ঐকমত্য হওয়ার পরেই তা ছাড়া হবে।’ 

ওই মার্কিন কর্মকর্তা আরও জানান, চুক্তিপত্রকে এমনভাবে তৈরি করা হচ্ছে, যাতে ইরান নিজেদের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে একটি সুবিধাজনক জায়গায় থাকার সুযোগ পায়।

চুক্তিপত্রে কী কী থাকছে, তা দেখেছেন এমন এক কর্মকর্তা সিএনএনকে জানান, মজুত থাকা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়ে ইরান কী প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা চুক্তির খসড়ায় নির্দিষ্টভাবে লেখা নেই। 

যদিও ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দাবি, ওই ইউরেনিয়াম ধ্বংসের কাজে তদারকি করবে যুক্তরাষ্ট্র। চুক্তিতে লেখা আছে, ইরান কোনো দিন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না।

তবে ২০১৫ সালে ওবামা প্রশাসনের সঙ্গে হওয়া চুক্তিতেও এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ইরান।

এ ক্ষেত্রে মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, তেহরান ওয়াশিংটনকে ‘গোপনে’ জানিয়েছে, ট্রাম্প পারমাণবিক বিষয়ে যা চাইছেন, তা তারা করবে। এর মধ্যে রয়েছে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সহযোগিতায় ইরানে মজুত ইউরেনিয়াম ধ্বংস করা হবে। এবং সেই কাজে যুক্ত থাকবে যুক্তরাষ্ট্রও।

কর্মকর্তাদের দাবি, এই গোপন আলোচনার বিষয়গুলো চুক্তির নথিতে উল্লেখ নেই। আবার ইরানের বন্ধ হওয়া তহবিল ছেড়ে দেওয়ার কথা বলা হলেও, তা কখন এবং কীভাবে করা হবে, সে বিষয়ে কোনো উল্লেখ নেই। এ নিয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমার কথাও বলা হয়নি। -আনন্দবাজার থেকে

‘আমরা সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি’, মোদিকে জর্জিয়া মেলোনি

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১১:৫৬ এএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ১২:১৪ পিএম
‘আমরা সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি’, মোদিকে জর্জিয়া মেলোনি
ছবি: এনডিটিভি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির একটি সংক্ষিপ্ত কথোপকথন সবার নজর কেড়েছে। একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে গ্রুপ ছবির জন্য লাইনে দাঁড়ানোর ঠিক আগমুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং মেলোনি একে অপরকে অভিবাদন জানাচ্ছেন ও করমর্দন করছেন।

ভিডিওর অডিও খুব একটা পরিষ্কার না হলেও, মনে হচ্ছিল প্রধানমন্ত্রী মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের জনপ্রিয়তার বিষয়টি মেলোনির কাছে উল্লেখ করছিলেন।

এর জবাবে ইতালির প্রধানমন্ত্রী হাসিমুখে বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা ইনস্টাগ্রামের সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি।’

এই ঘটনাটি ঘটেছে প্রধানমন্ত্রী মোদির রোম সফরের প্রায় এক মাস পর, যেখানে তিনি মেলোনিকে ইন্টারনেটে ভাইরাল হওয়া ‘মেলোডি’ শব্দের সূত্র ধরে এক প্যাকেট পার্লে-এর ‘মেলোডি’ টফি উপহার দিয়েছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী মোদির এই ‘মিষ্টি’ উপহারের ভিডিওটি নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে শেয়ার করে মেলোনি লিখেছিলেন, ‘উপহারের জন্য ধন্যবাদ’।

ভিডিওটিতে দেখা যায়, ভারতের অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং চকোলেটে ভরপুর এই ক্যান্ডির প্যাকেটটি হাতে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি ও মেলোনি দুজনেই হাসছেন এবং ইন্টারনেট ট্রেন্ডটি উপভোগ করছেন। ভিডিও ক্লিপটিতে ইতালির প্রধানমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদি উপহার হিসেবে খুব চমৎকার একটি টফি নিয়ে এসেছেন’। সূত্র: এনডিটিভি

আজহার/অমিয়/

ইরানি কৌশলেই উপসাগর থেকে গোপনে তেল সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১০:৩৭ এএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ১১:৪৭ এএম
ইরানি কৌশলেই উপসাগর থেকে গোপনে তেল সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
ছবি: রয়টার্স

ইরানের কৌশল ব্যবহার করেই এবার উপসাগর থেকে তেল বের করে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

স্যাটেলাইট চিত্র ও আন্তর্জাতিক শিপিং ডেটা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, গত মে মাসের শুরু থেকে হরমুজ প্রণালীর কাছে অত্যন্ত গোপনে মার্কিন তত্ত্বাবধানে জাহাজ থেকে জাহাজে তেল স্থানান্তরের কাজ চলছে।

এই অপারেশনে এ পর্যন্ত অন্তত ৯২টি তেলবাহী জাহাজ অংশ নিয়েছে এবং প্রায় ৯ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ও জ্বালানি পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে পাঠানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ওমানের 'সোহার' বন্দর এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের 'ফুজিরাহ' উপকূলের কাছে এই গোপন তেল স্থানান্তর করা হচ্ছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী এই পুরো প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রণ করছে।

হামলা এড়াতে এবং নিজেদের আড়াল করতে মার্কিন ড্রোন ও হেলিকপ্টারের পাহারায় তেলবাহী ট্যাংকারগুলো হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশের আগেই একটি নির্দিষ্ট পয়েন্টে জড়ো হয়। এরপর জাহাজের ট্র্যাকিং সিস্টেম বন্ধ করে এবং বাতি নিভিয়ে রাতের অন্ধকারে একে একে প্রণালী পার হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, এই গোপন অপারেশনের ফলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ঠিক রাখা সম্ভব হলেও অন্ধকার রাতে ট্র্যাকিং সিস্টেম ছাড়া জাহাজ চলাচলের কারণে পারস্য উপসাগরে বড় ধরনের নৌ-দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। তবে সম্প্রতি মার্কিন-ইরান শান্তি চুক্তি ও হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের সমঝোতা চলায় এই গোপন অপারেশন শিগগিরই বন্ধ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সূত্র: এনডিটিভি

আজহার/অমিয়/

ঘণ্টায় ১০ লাখ ডলার খরচ করলেও ১১৪ বছরে শেষ হবে না মাস্কের সম্পদ

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১০:২৮ এএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ১১:০৮ এএম
ঘণ্টায় ১০ লাখ ডলার খরচ করলেও ১১৪ বছরে শেষ হবে না মাস্কের সম্পদ
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্ক নতুন এক আর্থিক মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি বিশ্বের প্রথম ব্যক্তি যিনি এক ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি সম্পদের মালিক হয়েছেন।

গত ১২ জুন মাস্কের মহাকাশযান প্রস্তুতকারক এবং মহাকাশ যাত্রা সেবা প্রদানকারী কোম্পানি স্পেসএক্স ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন শুরু হয় প্রতি শেয়ার ১৫০ ডলারে, যা নির্ধারিত তালিকামূল্যের (১৩৫ ডলার) চেয়েও বেশি। ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আইপিও হিসেবে এ প্রক্রিয়ায় ৭৫ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করে স্পেসএক্স। এর ফলে কোম্পানিটির বাজারমূল্য দাঁড়ায় প্রায় ১ দশমিক ৭৭ ট্রিলিয়ন ডলার।

স্পেসএক্স ও টেসলায় থাকা নিজের শেয়ারের মূল্য মিলিয়ে বর্তমানে ইলন মাস্কের মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ দশমিক ২৬ ট্রিলিয়ন ডলার।

এই বিপুল সম্পদের পরিমাণ বোঝাতে বিশ্লেষকরা একটি উদাহরণ দিয়েছেন। যদি কেউ প্রতি ঘণ্টায় ১০ লাখ ডলার করে, দিনে ২৪ ঘণ্টা ও বছরে ৩৬৫ দিন খরচ করেন, তাহলেও ১ ট্রিলিয়ন ডলার শেষ করতে ১১৪ বছরের বেশি সময় লাগবে। অর্থাৎ মাস্কের সম্পদ এতটাই বিশাল যে তিনি এখন থেকে টানা ওই হারে অর্থ ব্যয় করলেও প্রায় ২১৪০ সাল পর্যন্ত তা চলতে পারে।

তবে এই সম্পদের বেশিরভাগই কাগুজে সম্পদ (পেপার ওয়েলথ)। অর্থাৎ এটি ব্যাংকে জমা থাকা নগদ অর্থ নয়, বরং টেসলা ও স্পেসএক্সের শেয়ারের বাজারমূল্যের ওপর ভিত্তি করে হিসাব করা হয়েছে। ভবিষ্যতে বিনিয়োগকারীদের মূল্যায়নের পরিবর্তনের সঙ্গে এ সম্পদের পরিমাণও ওঠানামা করতে পারে।

মাস্কের সম্পদের ব্যাপ্তি বোঝার আরেকটি উপায় হলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনীতির সঙ্গে এর তুলনা করা। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের মাত্র ২০টি দেশের অর্থনীতির আকার ১ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি। অর্থাৎ বিশ্বের অধিকাংশ দেশের পুরো অর্থনীতির চেয়েও বেশি সম্পদের মালিক এখন ইলন মাস্ক।

এদিকে ব্লুমবার্গ বিলিয়নিয়ার্স ইনডেক্স অনুযায়ী, মাস্কের সম্পদের পরিমাণ গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন এবং অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসের সম্মিলিত সম্পদের চেয়েও বেশি। এমনকি তার সম্পদ বিনিয়োগ গুরু ওয়ারেন বাফেটের সম্পদের প্রায় সাত গুণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।সূত্র: এনডিটিভি

খাদিজা রুমি/অমিয়/