ঢাকা ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ট্রেলারে তুষির চমক সামাজিক জীবনে শান্তিতে থাকার  ১০ উপায় ম্যাচের আগের দিন যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারবেন ইরানের ফুটবলাররা কথা বলতে পারছেন না ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ নির্মাতা ডেঙ্গু রুখতে প্রয়োজনে অতিরিক্ত চিকিৎসক নিয়োগ করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রাথমিকে নতুন বই ও ৬০ হাজার চাকরির ঘোষণা গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর ৫৫ বছর পেরিয়ে নূতন মাগুরায় জার্মানির সাড়ে ৭ কিলোমিটার পতাকা ঈশ্বরদী স্বাস্থ্যে কমপ্লেক্সে মে মাসের বেতন পাননি কর্মচারীরা আসছে শ্রদ্ধার বায়োপিক ‘ইথা’ ইন্টারনেটে ঝড় তুলেছেন ৭৪ বছরের চীনা ‘তরুণী দাদি’ রাজশাহীতে মাহিন্দ্রা-ট্রাক সংঘর্ষে ব্যাংক কর্মকর্তাসহ নিহত ২ আর্টেমিস-৩ মিশনের চার নভোচারীর নাম ঘোষণা নড়াইলে পুকুরে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যু ভোলায় স্ত্রী-সন্তানদের ফিরে পেতে ‘জ্বিনের বাদশা’র বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন ক্রিকেটার নাসির হোসাইন ও তার স্ত্রী তাম্মি খালাস চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে নেই পুশইনের চেষ্টা, সতর্ক বিজিবি পরীক্ষার আগে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ও উদ্বেগ কমাতে অক্সিজেন থেরাপি নিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগে বদলে যাচ্ছে মায়ানমারের গৃহযুদ্ধের চিত্র ভবিষ্যত নিয়ে ভাবছেন না রোনালদো মাধবপুরে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ২ আমাদের ভবিষ্যৎ মিশনগুলো হবে আধুনিক, দূরদর্শী ও প্রযুক্তি নির্ভর: প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানের বিমান হামলায় আফগানিস্তানে নিহত ১২ বেলফাস্টে ছুরিকাঘাতের পর বিক্ষোভকারীদের অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতা ইংল্যান্ড ফেবারিট না হলেও বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখতেই পারে: টুখেল যুক্তরাষ্ট্রে মজুত কমে যাওয়ায় বাড়ল তেলের দাম লাইনচ্যুত বগি উদ্ধার করতে গিয়ে রিলিফ ট্রেনও লাইনচ্যুত! হেলিকপ্টার হারিয়ে ইরানে হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি তেহরানের আজকের মুদ্রার বাজার: ১০ জুন, ২০২৬ বগি লাইনচ্যুত, জামালপুর- ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ
Nagad desktop

কুকুরের শরীরে নেকড়ের ডিএনএ

প্রকাশ: ২৮ নভেম্বর ২০২৫, ০৬:১৮ পিএম
কুকুরের শরীরে নেকড়ের ডিএনএ
ছবি: সংগৃহীত

মানুষের পোষ মানানো প্রথম প্রাণী কুকুর। হাজার হাজার বছর ধরে এরা মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে আছে। তবে এই পোষা প্রাণীর শরীরে এখনো তার বন্য পূর্বপুরুষের জিনগত বৈশিষ্ট্য কতটা অবশিষ্ট আছে, তা নিয়ে বিজ্ঞানীদের কৌতূহলের শেষ নেই। সম্প্রতি এক যুগান্তকারী গবেষণায় বিজ্ঞানীরা কুকুরের প্রায় প্রতিটি প্রজাতির মধ্যে নেকড়ের ডিএনএর সুপ্ত উপস্থিতি শনাক্ত করেছেন। অবাক করা বিষয় সবচেয়ে ছোট প্রজাতির কুকুর হিসেবে পরিচিত চিহুয়াহুয়ার শরীরেও এই বন্য জিনের উপস্থিতি মিলেছে।

এই গবেষণা কুকুর এবং নেকড়ের বিবর্তন ও সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিনের বৈজ্ঞানিক ধারণাকে নতুন করে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।

কুকুর ‘গ্রে উলফ’ প্রজাতি থেকে বিবর্তিত হয়েছে। তবে ঠিক কবে, কোথায় ও কতবার কুকুরকে পোষ মানানো হয়েছিল, তা নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে বিতর্ক রয়েছে। প্রাচীন ডিএনএ প্রমাণ বলছে, ইউরেশিয়ার পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলে দুই দফায় কুকুরকে পোষ মানানো হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে এই দুই দল মিশে যাওয়ার ফলে আজকের পৃথিবীর সব কুকুরের পূর্বপুরুষের উদ্ভব ঘটে।

শত শত আধুনিক ও প্রাচীন কুকুরের ডিএনএ বিশ্লেষণ করে ‘মলিকুলার ক্লক’ পদ্ধতিতে বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, প্রায় ২০ থেকে ২২ হাজার বছর আগে কুকুর পোষ মানানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। সেই সময় ইউরেশিয়া ও উত্তর আমেরিকার বিশাল অংশ বরফে ঢাকা ছিল। প্রত্নতাত্ত্বিক রেকর্ডে পাওয়া সবচেয়ে প্রাচীন কুকুরের জীবাশ্মটি জার্মানির বন-ওবারকাসেল শহরে পাওয়া গেছে, যা প্রায় ১৪ হাজার বছরের পুরোনো।

কুকুর ও নেকড়ের এই অভিন্ন ইতিহাস থাকা সত্ত্বেও, বিজ্ঞানীরা এতদিন মনে করতেন যে এই দুই প্রজাতি খুব কম নিজেদের মধ্যে প্রজনন করেছে বা শংকর ছানার জন্ম দিয়েছে। তবে নতুন এই গবেষণা সেই ধারণাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

বিবর্তনীয় জীববিজ্ঞানী ও আণবিক নৃতত্ত্ববিদদের সমন্বয়ে গঠিত একটি দল কুকুর-নেকড়ে শংকরায়ণ সত্যি বিরল ছিল কি না, তা নতুন করে খতিয়ে দেখতে চেয়েছেন।

গবেষকরা বলছেন, অন্যান্য গৃহপালিত প্রাণীর ক্ষেত্রে তাদের বন্য প্রতিপক্ষের সঙ্গে জিনগত মিশ্রণের (জিন ফ্লো) স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়। যেমন- ১০ হাজার বছর আগে নিকট প্রাচ্যে শূকর পোষ মানানো হয়েছিল। তবে যখন প্রাচীন কৃষকরা তাদের ইউরোপে নিয়ে আসে, তখন তারা স্থানীয় বন্য শূকরের সঙ্গে অনেক বেশি শংকর প্রজনন করে। এতে তাদের কাছে প্রাচ্যের প্রায় সব ডিএনএ প্রতিস্থাপিত হয়ে যায়।

তবে নেকড়ে ও কুকুর একই এলাকায় বসবাস করা এবং অবাধে প্রজনন করতে সক্ষম হওয়া সত্ত্বেও, তাদের মধ্যে এমন মিশ্রণের অভাব বিজ্ঞানীদের কাছে আশ্চর্যজনক ছিল। এর একটি কারণ হতে পারে আচরণগত পার্থক্য। নেকড়েরা সাধারণত পারিবারিক দল কাঠামোতে বাস করে, অন্যদিকে কুকুর মানুষের ওপর নির্ভরশীল।

এ বিষয়টি তদন্ত করতে, গবেষকরা আগের প্রকাশিত ২ হাজার ৬৯৩টি জিনোম বিশ্লেষণ করেছেন। এর মধ্যে ছিল প্রায় ১ লাখ বছরের পুরোনো ১৪৬টি প্রাচীন কুকুর ও নেকড়ের নমুনা। তারা ১ হাজার ৮৭২টি আধুনিক কুকুরের জিনোমও পরীক্ষা করেছেন, যার মধ্যে গোল্ডেন রিট্রিভার, চিহুয়াহুয়া, ম্যালমুট এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দুর্লভ প্রজাতিও ছিল। সবশেষে তারা প্রায় ৩০০টি ‘ভিলেজ ডগ’ বা গ্রামীণ কুকুরের জিনোম বিশ্লেষণ করেন। এই কুকুরগুলো পোষা নয়, তবে মানুষের পরিবেশের কাছাকাছি স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকে।

গবেষকরা কুকুরের মাইটোকন্ড্রিয়াল ডিএনএ ও ওয়াই ক্রোমোজোম ধরে তাদের বিবর্তনীয় ইতিহাস অনুসন্ধান করেন। অত্যন্ত সংবেদনশীল কম্পিউটেশনাল পদ্ধতি ব্যবহার করে তারা এই প্রাণীগুলোর নিউক্লিয়ার জিনোম বিশ্লেষণ করেন।

ফলাফলে দেখা যায়, বেশির ভাগ কুকুরের জিনোমে বন্য নেকড়ের জিনের উপস্থিতি রয়েছে। একইভাবে প্রায় অর্ধেক বন্য নেকড়ের জিনোমে কুকুরের জিনের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

কুকুরের ক্রোমোজোমে নেকড়ের এই ডিএনএ খুব সামান্য পরিমাণে, প্রায় অদৃশ্যমান ছোট ছোট খণ্ড হিসেবে উপস্থিত। গবেষণায় দেখা যায়, নমুনা হিসেবে নেওয়া দুই-তৃতীয়াংশ প্রজাতিগত কুকুরের মধ্যেই নেকড়ের জিন রয়েছে, যা প্রায় ৮০০ প্রজন্ম আগে ঘটে যাওয়া শংকরায়ণের ফল।

গবেষণায় আরও দেখা যায়, পশুপাল পাহারায় নিযুক্ত বড় আকারের ‘ওয়ার্কিং ডগ’-এর মধ্যে নেকড়ের জিনের পরিমাণ বেশি। তবে এই প্যাটার্নটিও সর্বজনীন নয়। যেমন- সেন্ট বার্নার্ডের মতো বিশাল আকারের কুকুরের মধ্যে নেকড়ের ডিএনএ একেবারে নেই। তবে সম্পূর্ণ বিপরীতভাবে ছোট আকারের চিহুয়াহুয়ার জিনোমের শূন্য দশমিক ২ শতাংশ নেকড়ের ডিএনএ।

গবেষণার সবচেয়ে আশ্চর্যজনক আবিষ্কারটি এসেছে গ্রামীণ কুকুর থেকে। বিজ্ঞানীরা পরীক্ষায় ব্যবহৃত প্রতিটি গ্রামীণ কুকুরের জিনোমে নেকড়ের ডিএনএর খণ্ডাংশ খুঁজে পেয়েছেন।

এই কুকুরগুলো স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করে এবং তাদের জীবন বেশ কঠিন। গবেষকরা দেখেছেন, এই কুকুরগুলোর শরীরে থাকা নেকড়ের ডিএনএর অংশগুলোয় ঘ্রাণশক্তি সম্পর্কিত জিন রয়েছে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, নেকড়ে থেকে পাওয়া এই প্রখর ঘ্রাণশক্তি সম্ভবত এই মুক্ত কুকুরগুলোকে কঠোর ও প্রতিকূল পরিবেশে খাবার খুঁজে পেতে এবং টিকে থাকতে সহায়তা করেছে।

গবেষকরা স্পষ্ট করেছেন, সব কুকুরের ডিএনএ মূলত নেকড়ের ডিএনএ। কারণ নেকড়ে থেকে বিবর্তিত হয়েছে কুকুর। তবে এই গবেষণায় যে ক্ষুদ্র ডিএনএর কথা বলা হচ্ছে, তা সেই আদিম জিন পুল নয়। বরং এটি প্রমাণ করে, পোষ মানানোর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার অনেক পরেও কুকুর ও নেকড়ে নিয়মিত প্রজনন করেছে।

বিষয়টি অনেকটা আধুনিক মানুষ ও নিয়ান্ডারথালের মতো। মানুষ ও নিয়ান্ডারথালের পূর্বপুরুষ এক হলেও, কয়েক হাজার প্রজন্ম আগে এই দুই প্রজাতি ইউরেশিয়ায় মিলিত হয়েছিল এবং তাদের মধ্যে প্রজনন ঘটেছিল। বেশির ভাগ আধুনিক মানুষের জিনোমে যেমন নিয়ান্ডারথালের ডিএনএর ছোট ছোট অংশ পাওয়া যায়, ঠিক সেভাবে কুকুরের জিনোমে নেকড়ের জিনের সন্ধান পাওয়া যায়।

এই গবেষণা প্রমাণ করে, কুকুর ও নেকড়ের মধ্যে শংকরায়ণ বিরল ছিল এই ধারণা সঠিক নয়। যদিও বিপন্ন প্রজাতির নেকড়েদের সংরক্ষণের ক্ষেত্রে কুকুরের সঙ্গে শংকরায়ণ একটি হুমকি হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে এর একটি বিপরীত দিকও রয়েছে। নেকড়েরাও কুকুরের সঙ্গে মিশ্রণের মাধ্যমে পরিবর্তিত পরিবেশে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য জিনগত সুবিধা পেয়ে থাকতে পারে।

গবেষকরা বলেছেন, কুকুর মানুষের সঙ্গী হিসেবে বিবর্তিত হলেও, নেকড়েরা তাদের জন্য একটি ‘জেনেটিক লাইফলাইন’ বা জিনগত জীবনরেখা হিসেবে কাজ করেছে। যখন কুকুর প্রতিকূল জলবায়ু, খাবারের সন্ধান বা পশুপাল রক্ষার মতো চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে, তখন তারা তাদের বিবর্তনীয় টিকে থাকার কিট হিসেবে নেকড়ে পূর্বপুরুষের জিনগত বৈশিষ্ট্যকে ব্যবহার করেছে। সূত্র: দ্য ইনডিপেনডেন্ট

উড়োজাহাজ প্রযুক্তিতে চীনের নতুন মাইলফলক

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০২:১২ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০২:২৩ পিএম
উড়োজাহাজ প্রযুক্তিতে চীনের নতুন মাইলফলক
ছবি সিএমজি


চীনের নিম্ন-আকাশ অর্থনীতি খাতে বড় অগ্রগতি হিসেবে দেশটির প্রথম নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ইলেকট্রিক ভার্টিক্যাল টেকঅফ অ্যান্ড ল্যান্ডিং ইভিটিওএল উড়োজাহাজের ইঞ্জিন উৎপাদন লাইনে এসেছে। শুক্রবার পূর্ব চীনের চিয়াংসু প্রদেশের উসি শহরে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ইঞ্জিন সরবরাহ করা হয়।
চীনের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান অ্যারো ইঞ্জিন করপোরেশন অব চায়না এর অ্যারোইঞ্জিন কন্ট্রোল সিস্টেম ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত এইই২৫ নামের এই বৈদ্যুতিক বিমান ইঞ্জিনটি টর্ক ঘনত্বের ক্ষেত্রে দেশের নতুন রেকর্ড গড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বেশি টর্ক ঘনত্বের ফলে ইঞ্জিনের ওজন কম হয় এবং উড়োজাহাজে বেশি যাত্রী বা পণ্য বহন করা সম্ভব হয়। 
এইই২৫ ইঞ্জিনটি বিমানের ব্যাটারিতে সঞ্চিত বৈদ্যুতিক শক্তিকে রোটর সিস্টেমের জন্য প্রয়োজনীয় উত্তোলন শক্তি  ও থ্রাস্টে রূপান্তর করে।  
ইঞ্জিনটিতে ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান—মূল মোটর ও এর কন্ট্রোলার, কুলিং সিস্টেমের মোটর ও কন্ট্রোলার, এবং ভ্যারিয়েবল-পিচ অ্যাকচুয়েটর ও কন্ট্রোলার—একীভূত করা হয়েছে। এর ফলে বিমান নির্মাতারা সহজে ইঞ্জিনটি স্থাপন করে সরাসরি ব্যবহার করতে পারবেন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সাফল্য চীনের বৈদ্যুতিক বিমান ও নগর আকাশ পরিবহন প্রযুক্তির উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে থাকবে এবং ভবিষ্যতের বিমান চলাচল ব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

সূত্র: সিএমজি

মহাকাশে যাচ্ছেন প্রথম শারীরিক প্রতিবন্ধী নভোচারী

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:৩৬ পিএম
মহাকাশে যাচ্ছেন প্রথম শারীরিক প্রতিবন্ধী নভোচারী
ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সির নভোচারী প্যানেলের সদস্য জন ম্যাকফল। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের একজন প্যারালিম্পিয়ান ও সার্জন বিশ্বের প্রথম শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি হিসেবে মহাকাশে গিয়ে ইতিহাস গড়তে যাচ্ছেন। মার্কিন প্রতিষ্ঠানের তৈরি ছোট বাণিজ্যিক মহাকাশ স্টেশনে থাকার বিষয়ে সম্প্রতি যুক্তরাজ্য সরকার একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সির (ইসা) নভোচারী প্যানেলের সদস্য জন ম্যাকফল গত বছর মহাকাশে যাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেন। ২০২৭ সালে উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তাবিত ‘হেভেন-১’ মহাকাশ স্টেশনে তিনি একটি অভিযানে অংশ নিতে পারেন। ক্যালিফোর্নিয়ার নতুন প্রতিষ্ঠান ‘ভাস্ট’ এই হেভেন-১ স্টেশনটি তৈরি করছে। একটি একতলা বাসের চেয়ে কিছুটা ছোট এই স্টেশনে চারজন নভোচারী থাকতে পারবেন। এর ভেতরে রয়েছে ম্যাপল কাঠের আস্তরণ, পৃথিবী দেখার জন্য একটি বড় জানালা এবং একটি গবেষণাগার।

ম্যাকফল বলেন, এটি একটি অত্যন্ত রোমাঞ্চকর সুযোগ। দুই সপ্তাহের এই অভিযানে মহাকাশের পরিবেশ তার শরীরে কেমন প্রভাব ফেলে তা পর্যবেক্ষণ করা হবে। এছাড়া আধুনিক কৃত্রিম অঙ্গ বা প্রস্থেটিক লিম্বসের ওপর মহাকাশের প্রভাব নিয়ে গবেষণা করা হবে। এই আধুনিক কৃত্রিম অঙ্গগুলো সাধারণত সেন্সর এবং মাইক্রোপ্রসেসরের সাহায্যে কাজ করে।

ম্যাকফলের এই গবেষণাটি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য বড় সুবিধা নিয়ে আসতে পারে। এটি হালকা এবং সহজে মানিয়ে নেওয়া যায় এমন কৃত্রিম অঙ্গ তৈরির নকশায় সাহায্য করবে। এছাড়া হাড়ের ক্ষয় ও পেশি কমে যাওয়ার মতো শারীরিক সমস্যাগুলো বুঝতে এটি অবদান রাখবে। অঙ্গ হারানোদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া আরও উন্নত করতে এই গবেষণা পথ দেখাবে।

বিজ্ঞানের লক্ষ্য ছাড়াও ম্যাকফল মনে করেন এই অভিযান প্রতিবন্ধী মানুষের কাজের পরিধি সম্পর্কে প্রচলিত ধারণা বদলে দেবে। তিনি বলেন, আমরা দেখাতে চাই যে, শারীরিক প্রতিবন্ধীরাও নভোচারী হতে পারেন। আমরা প্রমাণ করেছি যে, এটি সম্ভব এবং সুযোগ দিলে তারাও সমান পারদর্শী।

ইউকে স্পেস এজেন্সি এই অভিযানের জন্য তহবিল সংগ্রহে ভাস্টকে সহায়তা করবে। ম্যাকফল ও অন্য নভোচারীরা স্পেসএক্সের ক্রু ড্রাগন ক্যাপসুলে করে ফ্যালকন ৯ রকেটের মাধ্যমে হেভেন-১ স্টেশনে যাবেন। এছাড়া আগামী বছর আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) ভাস্টের একটি ব্যক্তিগত অভিযানে অংশ নেওয়ার বিকল্প সুযোগও তার রয়েছে।

৪৫ বছর বয়সী ম্যাকফল ১৯ বছর বয়সে একটি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তার ডান পা হারান। হাসপাতাল ছাড়ার পর তিনি খেলাধুলায় মনোযোগ দেন এবং ২০০৮ সালের বেইজিং প্যারালিম্পিকে ১০০ মিটার দৌড়ে ব্রোঞ্জ জেতেন। পরে তিনি একজন অর্থোপেডিক সার্জন হিসেবে যোগ্যতা অর্জন করেন। ২০২২ সালে তিনি ইসার ‘ফ্লাই’ প্রকল্পের জন্য নির্বাচিত হন।

ম্যাকফল বলেন, একজন ভালো নভোচারী হওয়া এবং নিজের কাজ সঠিকভাবে করা আমার মূল অগ্রাধিকার। আমি এটিকে কোনো প্রচারণার অংশ বানাতে চাই না। আমি একজন পথপ্রদর্শক হিসেবে নতুন কিছু করতে পেরে আনন্দিত। তবে সবার আগে আমি এমন কাজ করতে চাই যা মহাকাশ বিজ্ঞান এবং পৃথিবীর সমাজ উভয়ের জন্য মূল্যবান হয়।

এই অভিযান সফল হলে ২০১৬ সালের পর ম্যাকফল হবেন মহাকাশে যাওয়া প্রথম ব্রিটিশ নাগরিক। তার এই যাত্রাকে অন্তর্ভুক্তিমূলক মানব মহাকাশ অভিযানের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

/আবরার জাহিন

থিয়েনচিনের বুদ্ধিমান শিল্প প্রদর্শনীতে নতুন যা দেখা গেল

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৫:৩০ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:৪৫ পিএম
থিয়েনচিনের বুদ্ধিমান শিল্প প্রদর্শনীতে নতুন যা দেখা গেল
থিয়েনচিনে হয়ে গেল ২০২৬ বিশ্ব বুদ্ধিমান শিল্প এক্সপো

চীনের উত্তরাঞ্চলীয় থিয়েনচিনে হয়ে গেল ২০২৬ বিশ্ব বুদ্ধিমান শিল্প এক্সপো। চার দিনের এই আয়োজন যৌথভাবে আয়োজন করেছে থিয়েনচিন ও ছোংছিং প্রশাসন। স্মার্ট ইন্ডাস্ট্রি খাতে ক্ষেত্রে জ্ঞান বিনিময়, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে এই প্রদর্শনী।

 

 

এবারের বুদ্ধিমান শিল্প প্রদর্শনীতে ছিল ছয়টি থিমভিত্তিক অঞ্চল—যার মধ্যে ছিল কোর এআই প্রযুক্তি, এমবডিড ইন্টেলিজেন্স ও স্মার্ট লিভিং। পাশাপাশি ছিল একটি নিমজ্জিত অভিজ্ঞতা অর্জনের অঞ্চল, যেখানে স্মার্ট প্রযুক্তির সবচেয়ে সর্বাধুনিক উদ্ভাবন ও পণ্য প্রদর্শিত হয়েছে।

থিয়েনচিন মিউনিসিপ্যাল ব্যুরোর শিল্প ও তথ্য প্রযুক্তি গবেষণা অফিসের পরিচালক শেন মামাও জানালেন, ‘এই বছরের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এটি একই সঙ্গে পেশাদার ও সর্বজনীন। একজন পেশাদার ক্রেতা কিংবা একজন বিজ্ঞানী—উভয়েই এখানে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী প্রযুক্তি খুঁজে পাবেন।’

এক্সপোয় অংশ নিয়েছিল ফরচুন গ্লোবাল-৫০০ কোম্পানির ২৮টি প্রতিষ্ঠান, ৩৭টি চীনের শীর্ষ ৫০০ প্রতিষ্ঠান এবং ৪০০টিরও বেশি স্মার্ট ইন্ডাস্ট্রি কোম্পানি।

এবারের আয়োজনে আরও ছিল এআই থিম ডে, এন্টারপ্রাইজ ইকোলজি কনফারেন্স, বাজারভিত্তিক ফোরাম, ব্র্যান্ড প্রতিযোগিতা, বিনিয়োগ প্রচার এবং চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান। এক্সপো চলাকালে থিয়েনচিনে ৮৫টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

কাঠামোনির্ভর বুদ্ধিমত্তা বা এমবডিড এআই, মূল এআই প্রযুক্তি, বুদ্ধিমান সংযুক্ত যানবাহন, নিম্ন-উচ্চতার অর্থনীতি ও বাণিজ্যিক মহাকাশ অনুসন্ধান, ইন্টেলিজেন্ট ম্যানুফ্যাকচারিং এবং স্মার্ট লিভিং-এর জন্য ছয়টি বিশেষ জোন ছিল প্রদর্শনীতে।

 

 

নজর কেড়েছে এমন কিছু রোবট, যেগুলো কফি তৈরি, সকালের নাস্তা বানানো, রান্না করা ও ক্লাসিক্যাল চীনা বোর্ড গেম ‘গো’ খেলতে পারে। এমনকি বক্সিং করতে সক্ষম রোবটও ছিল এতে। আরেকটি বিশেষ আকর্ষণ ছিল সিঁড়ি বেয়ে উঠতে সক্ষম একটি হুইলচেয়ার।

স্মার্ট ম্যানুফ্যাকচারিং, নিম্ন-উচ্চতার অর্থনীতি এবং ইন্টেলিজেন্ট টার্মিনালের মতো ক্ষেত্রগুলোর উদ্ভাবনী সাফল্যও তুলে ধরা হয়। প্রদর্শনী এলাকায় ছিল বেশ কয়েকটি ব্রেইন-কম্পিউটার-ইন্টারফেস (বিসিআই) পণ্য। এগুলোয় ছিল স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ, চোখ পরীক্ষা, খেলাধুলায় সহায়তা এবং পুনর্বাসন প্রশিক্ষণের সুবিধা।

 

 

হাইহ্য ব্রেইন-কম্পিউটার ইন্টারঅ্যাকশন গবেষণাগার ও মানব-যন্ত্র সমন্বিতকরণ বিভাগের উপ-পরিচালক লিউ সিয়ুইয়ুন জানালেন, ‘মস্তিষ্ক-কম্পিউটার ইন্টারফেস একটি বহুশাস্ত্রীয় গবেষণার ক্ষেত্র। আমাদের বিভিন্ন শাখার বিজ্ঞানীদের একত্রিত হয়ে মতামত বিনিময় করে নতুন ধারণা তৈরি করতে হবে এবং এই ক্ষেত্রে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।’

মস্তিষ্কের প্রযুক্তি শিল্পের ভবিষ্যৎ কোন দিকে যাচ্ছে, তা জানতে শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞদের এক ছাদের নিচে এনেছে এই এক্সপো। সূত্র: সিএমজি

মহাকাশভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে নজর চীনের

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৫:২১ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:৪৬ পিএম
মহাকাশভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে নজর চীনের
দীর্ঘমেয়াদে এই প্রযুক্তির মাধ্যমে মহাকাশ থেকে তারবিহীন পদ্ধতিতে সরাসরি পৃথিবীতে বিদ্যুৎ পাঠানো সম্ভব হবে।

বিশ্ব সৌরশক্তি খাতে নিজেদের নেতৃত্ব আরও শক্তিশালী করতে চীনের শীর্ষস্থানীয় ফোটোভোল্টাইক কোম্পানিগুলো এখন মহাকাশভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন প্রযুক্তিতে নজর দিচ্ছে। মঙ্গলবার শাংহাইয়ে অনুষ্ঠিত ১৯তম আন্তর্জাতিক ফোটোভোল্টাইক বিদ্যুৎ উৎপাদন ও স্মার্ট এনার্জি সম্মেলন ও প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ১৩টি শীর্ষ সৌর ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে স্পেস এনার্জি ডেভেলপমেন্ট অ্যালায়েন্স গঠন করা হয়।

জোটটির লক্ষ্য সৌরবিদ্যুৎ, শক্তি সঞ্চয়, হাইড্রোজেন শক্তি, কম্পিউটিং এবং চার্জিং প্রযুক্তিকে একত্রিত করে মহাকাশ শিল্প ও সবুজ জ্বালানি খাতের মধ্যে সমন্বয় গড়ে তোলা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ও দিন-রাতের সীমাবদ্ধতা ছাড়াই মহাকাশে সৌরশক্তি সংগ্রহ করা সম্ভব। একই সঙ্গে পুনঃব্যবহারযোগ্য রকেট প্রযুক্তির উন্নতির কারণে উৎক্ষেপণ ব্যয়ও কমছে, যা মহাকাশভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পকে অর্থনৈতিকভাবে বাস্তবসম্মত করে তুলছে।

বিকিরণ-প্রতিরোধী প্রযুক্তির পরীক্ষাগুলো সফল হলে আগামী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে মহাকাশে সৌরবিদ্যুতের বাস্তব প্রয়োগ শুরু হতে পারে বলে জানান তারা।

দীর্ঘমেয়াদে এই প্রযুক্তির মাধ্যমে মহাকাশ থেকে তারবিহীন পদ্ধতিতে সরাসরি পৃথিবীতে বিদ্যুৎ পাঠানো সম্ভব হবে। এতে দীর্ঘ বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন বা গ্রিডের প্রয়োজন কমে যাবে এবং দুর্গম এলাকায় দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যাবে। সূত্র: সিএমজি

ভুট্টায় প্রোটিন বাড়ানোর জিন আবিষ্কার

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৩:৩০ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:৪৭ পিএম
ভুট্টায় প্রোটিন বাড়ানোর জিন আবিষ্কার
ছবি চায়না ডেইলি

চীনের বিজ্ঞানীরা ভুট্টায় প্রোটিন উৎপাদন বাড়াতে সহায়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ জিন শনাক্ত করেছেন। গবেষকদের মতে, এই আবিষ্কার ভুট্টার পুষ্টিমান উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে এবং পশুখাদ্যের জন্য আমদানিকৃত সয়াবিনের ওপর চীনের নির্ভরতাও কমাবে।

চীনের বিজ্ঞান একাডেমির সেন্টার ফর এক্সেলেন্স ইন মলিকুলার প্ল্যান্ট সায়েন্সেস, শাংহাইয়ের নরমাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং সিছুয়ান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ গবেষণা দলের ১৫ বছরের গবেষণার ফলাফল বুধবার বিজ্ঞান সাময়িকী নেচারে প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, নতুন আবিষ্কৃত টিএইচপি৩-টি নামের জিনটি ২০২২ সালে আবিষ্কৃত টিএইচি৯-টি নামের আরেকটি জিনের সঙ্গে একত্রে ব্যবহার করলে সাধারণ ভুট্টার প্রোটিনের পরিমাণ ১০ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব। একই সঙ্গে চীনে ব্যাপকভাবে চাষ হওয়া বাণিজ্যিক হাইব্রিড ভুট্টার প্রোটিনের পরিমাণ ৮ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ১২–১৩ শতাংশে উন্নীত হতে পারে।

গবেষক উ ইয়োংরুই জানান, টিএইচপি৩-টি জিনটি নাইট্রোজেন বিপাক প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি উদ্ভিদকে আরও দক্ষতার সঙ্গে নাইট্রোজেন গ্রহণ ও ব্যবহার করতে সাহায্য করে, ফলে বেশি অ্যামিনো অ্যাসিড ও প্রোটিন উৎপাদন সম্ভব হয়।

গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, এই দুই জিন একসঙ্গে কাজ করলে ভুট্টা কম নাইট্রোজেনযুক্ত মাটিতেও উচ্চ প্রোটিন উৎপাদন করতে পারে। এতে রাসায়নিক সার ব্যবহারের প্রয়োজনও কমবে। বর্তমানে চীনে পশুখাদ্যে ব্যবহৃত প্রোটিনের প্রধান উৎস সয়াবিন, যার প্রায় ৮০ শতাংশই চীন আমদানি করে। 

বিশেষজ্ঞদের হিসাব অনুযায়ী, যদি সারা দেশে পশুখাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত ভুট্টার প্রোটিনের পরিমাণ গড়ে ৪ শতাংশ বাড়ানো যায়, তাহলে বছরে প্রায় ৩ কোটি টন সয়াবিন আমদানির প্রয়োজন কমে যেতে পারে।

গবেষকদের মতে, উচ্চ প্রোটিন ভুট্টা পশুখাদ্যে ব্যবহৃত সয়াবিন মিলের ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত প্রতিস্থাপন করতে পারবে। হাঁস-মুরগির খামারেও সয়াবিনের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে। সূত্র: চায়না ডেইলি