ঢাকা ১ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
যে ১১ প্রতিষ্ঠানে দান করলে মিলবে আয়করে ছাড় রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার পাঠ থেকে ৩টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা কর্মী ছাঁটাইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিবিসি ট্রাম্পের ইরান চুক্তি ২০১৫ সালের চুক্তির চেয়ে ভালো হবে না : ওবামা গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ পদে চাকরির সুযোগ সুইডিশদের ‘সুইট’ শুরু, সভানবার্গের কীর্তি কালুখালীতে যুবকের হাত-পা বাঁধা অগ্নিদগ্ধ মরদেহ উদ্ধার দিল্লিতে তীব্র দাবদাহ, চরম দুর্ভোগে মানুষ ইকুয়েডরের বিপক্ষে আইভরি কোস্টের কষ্টার্জিত জয় গণপরিবহনে বাধ্যতামূলক চালু হচ্ছে জিপিএস পাকিস্তানের মার্কিন-ইরান চুক্তির খরবে কমল তেলের দাম নেতানিয়াহু ‘অত্যন্ত কঠিন লোক’, বললেন ট্রাম্প রৌমারী সীমান্তে পুশইনের শিকার ৯ জন ২৮ ঘণ্টা ধরে শূন্যরেখায় ইংল্যান্ডের তুরুপের তাস বেলিংহাম: হেন্ডারসন এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা প্রকাশ ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ১ সংসদে বড় দায়িত্ব পেলেন আন্দালিব রহমান পার্থ রাশিয়ায় ইউক্রেনের ড্রোন হামলা, নিহত ৩ বিশ্ব বয়োজ্যেষ্ঠ নির্যাতন সচেতনতা দিবস আজ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান শান্তিচুক্তি: ১৪ দফার খসড়ায় যা যা থাকছে স্বর্ণের সঙ্গে ‍পাল্লা দিয়ে বাড়লো রুপার দামও ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে প্রস্তুত ৪ দেশ ফের স্বর্ণের দামে বড় লাফ, এবার বাড়ল কত? দেশের ১৩ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়ার শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত সোমবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ শহরাঞ্চলে অসংক্রামক রোগ দ্রুত বাড়ছে: কর্মশালায় বক্তরা হরমুজ প্রণালী পুনরায় খোলার খবরে বিশ্ববাজারে কমল তেলের দাম ঢাকার বাতাস আজ ‘মাঝারি’, বায়ুদূষণে শীর্ষে লাহোর ইরানের জব্দ করা ১২ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ছাড় করবে যুক্তরাষ্ট্র শাহবাগে যত্রতত্র ময়লা ফেলা বন্ধে প্রতিমন্ত্রীর ঝটিকা অভিযান
Nagad desktop

প্রতি ঘরে থাকতে পারে অন্তত ১০টি মাকড়সা: বিজ্ঞান কী বলছে?

প্রকাশ: ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:২০ এএম
প্রতি ঘরে থাকতে পারে অন্তত ১০টি মাকড়সা: বিজ্ঞান কী বলছে?
ছবি: সংগৃহীত

আপনার ঘরের কোণে বা আসবাবের আড়ালে ঠিক কতটি মাকড়সা বাস করে? সাধারণ দৃষ্টিতে দু-একটি চোখে পড়লেও বিজ্ঞানের পরিসংখ্যান বলছে ভিন্ন কথা। বিভিন্ন গবেষণা ও পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, একটি সাধারণ বাড়ির প্রতিটি ঘরে গড়ে অন্তত ১০টি করে মাকড়সা থাকতে পারে।

পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণত একটি বাড়িতে গড়ে ৪০টি মাকড়সার উপস্থিতির কথা বলে থাকে। তবে ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনার ৫০টি বাড়িতে চালানো এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৬৫ শতাংশ ঘরে মাকড়সার জাল রয়েছে। যদিও ওই গবেষণায় মাকড়সার সঠিক সংখ্যা গণনা করা হয়নি, তবে ঘর ও বারান্দার আয়তন বিবেচনায় নিলে প্রতি ঘরে গড়ে ১০টি মাকড়সা থাকার বিষয়টি যৌক্তিক মনে হয়।

ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণে অনেক সময় এত বেশি মাকড়সা নজরে আসে না। কিন্তু আমরা কেবল ঘরের দৃশ্যমান অংশগুলো পরীক্ষা করি। মেঝের তক্তা, ফ্রিজের পেছনে, চিলেকোঠা কিংবা গ্যারেজের মতো অন্ধকার ও নির্জন স্থানগুলো হিসাবে নিলে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। ২০১৭ সালের একটি গবেষণাপত্র অনুযায়ী, বাইরের পরিবেশে প্রতি বর্গমিটারে গড়ে ১৩১টি মাকড়সা থাকে। সেই হিসাবে বিশ্বে মোট মাকড়সার সংখ্যা প্রায় ১০ কোয়াড্রিলিয়ন, যা প্রতিটি মানুষের বিপরীতে প্রায় ১০ লাখ।

ঘরের ভেতর মাকড়সার খাবারের জোগান বাইরের তুলনায় কম থাকলেও এখানে তাদের পরম শত্রু পাখি ও কেন্নোর উপদ্রব নেই। ফলে ঘরের নিরাপদ পরিবেশে মাকড়সা দীর্ঘকাল বেঁচে থাকতে পারে। বংশবৃদ্ধির ক্ষেত্রেও এরা বেশ এগিয়ে। একটি মাকড়সা একবারে ১০ থেকে ২৫০টি পর্যন্ত ডিম পাড়তে পারে এবং বছরে অন্তত পাঁচবার ডিম পাড়ে।

যদিও এই ডিম থেকে জন্ম নেওয়া মাকড়সাগুলোর মধ্যে মাত্র এক শতাংশ পূর্ণ বয়স্ক হতে পারে। তবুও যদি শিশু মাকড়সাগুলোকে গণনায় ধরা হয়, তবে যেকোনো নির্দিষ্ট সময়ে আপনার বাড়িতে কয়েক হাজার মাকড়সার বসবাস থাকা অস্বাভাবিক কিছু নয়। আপাতদৃষ্টিতে ঘর পরিষ্কার মনে হলেও বিজ্ঞানের এই পরিসংখ্যান সাধারণ মানুষকে কিছুটা চমকে দেওয়ার মতোই।

চীনে ক্রায়োজেনিক প্রযুক্তিতে রকেট ট্যাংক ডোমের উৎপাদনে সাফল্য

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৪:১২ পিএম
চীনে ক্রায়োজেনিক প্রযুক্তিতে রকেট ট্যাংক ডোমের উৎপাদনে সাফল্য
অ্যালুমিনিয়াম ক্রায়োজেনিক ফর্মিং প্রযুক্তি তৈরি করেছে চীন।

চীনের একটি গবেষণা দল অত্যাধুনিক ক্রায়োজেনিক বা অতিশীতল ফর্মিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে রকেটের প্রপেল্যান্ট ট্যাংকের গম্বুজ অংশের বড় আকারের উৎপাদন সফলভাবে শুরু করেছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে উৎপাদন সময় ৯০ শতাংশেরও বেশি কমেছে, যা মহাকাশ শিল্পে একটি বড় অগ্রগতি।
গবেষণাটি পরিচালনা করেছে তালিয়ান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা কারিগরি প্রকৌশল স্কুল। তারা বিশ্বের প্রথম বড় আকারের ক্রায়োজেনিক ফর্মিং প্রেস তৈরি করেছে, যা দুই মিটারের বেশি ব্যাসের অ্যালুমিনিয়াম সংকর ধাতুর একখণ্ড রকেট ট্যাংক ডোম তৈরিতে সক্ষম।
একটি চীনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে বর্তমানে এই প্রযুক্তির মাধ্যমে বছরে প্রায় ১,০০০টি ট্যাংক ডোম উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জিত হয়েছে চীনের।
তালিয়ান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন কারিগরি প্রকৌশল স্কুলের গবেষক ফান সিয়াওবো বলেন, ‘ক্রায়োজেনিক ফর্মিং-এর মূল চাবিকাঠি হলো বড় প্লেটগুলোকে ক্রায়োজেনিক জোনে শীতল করা। সরঞ্জামটি বড় আয়তনের তরল নাইট্রোজেনের দ্রুত পরিবহন ও সুনির্দিষ্ট তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করেছে। একইসঙ্গে তাপমাত্রা, চাপসহ একাধিক প্যারামিটারের সমন্বিত লোডিং নিয়ন্ত্রণও সম্ভব করেছে। এটি মাইনাস ১৯০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় তরল নাইট্রোজেন নিয়ন্ত্রণ, শীতলীকরণ এবং বড় যন্ত্রাংশের স্থিতিশীল উৎপাদন সম্ভব করেছে।’
এই প্রযুক্তির মূল বিষয় হলো বৃহৎ ধাতব পাতকে অতি নিম্ন তাপমাত্রায় নিয়ন্ত্রিতভাবে শীতল করা। ফলে আগে যেখানে একটি ট্যাংক ডোম তৈরি করতে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় লাগত, সেখানে এখন তা মাত্র কয়েক ঘণ্টায় সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে।
সাধারণভাবে ধাতু অত্যন্ত ঠান্ডায় ভঙ্গুর হয়ে যায়। কিন্তু এই গবেষণায় দেখা গেছে, নির্দিষ্ট অবস্থায় অ্যালুমিনিয়াম সংকর ধাতু ক্রায়োজেনিক তাপমাত্রায় আরও নমনীয় ও শক্তিশালী হয়ে ওঠে।
এই বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করেই দলটি প্রথমবারের মতো অ্যালুমিনিয়াম ক্রায়োজেনিক ফর্মিং প্রযুক্তি তৈরি করেছে।
এই প্রযুক্তিতে মাত্র ৪ মিলিমিটার পুরু অ্যালুমিনিয়াম পাত থেকে এক ধাপে সম্পূর্ণ ট্যাংক ডোম তৈরি করা যায়। উৎপাদিত অংশে পুরুত্বের বিচ্যুতি ০.৩ মিলিমিটারেরও কম। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই অংশগুলো তৈরি হওয়ার পর আর কোনো ওয়েল্ডিং বা মিলিংয়ের প্রয়োজন হয় না। ফলে কাঠামো হয় আরও শক্তিশালী, হালকা এবং নির্ভরযোগ্য।
এই প্রযুক্তিতে তৈরি ট্যাংক ডোম ইতোমধ্যে চীনের লং মার্চ ১২ ও লং মার্চ ৭-এ রকেটের সফল মিশনে ব্যবহার করা হয়েছে।
গবেষণা দলের প্রধান ছি ছাং বলেন, এই প্রযুক্তিতে এমন  ট্যাঙ্ক ডোম তৈরি সম্ভব, যা পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে এটি বিমান, মানববিহীন ব্যবস্থা, নতুন শক্তিচালিত যানবাহন এবং উচ্চগতির রেল শিল্পেও ব্যবহার করা যেতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, চীনের এই প্রযুক্তি শুধু মহাকাশ শিল্প নয়, বরং উন্নত উৎপাদন প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তন আনতে পারে। সূত্র: সিএমজি

লুপাস চিকিৎসায় যুগান্তকারী সাফল্য, জিন থেরাপিতে সুস্থ ৫ রোগী

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৮:৪৬ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০৮:৫০ এএম
লুপাস চিকিৎসায় যুগান্তকারী সাফল্য, জিন থেরাপিতে সুস্থ ৫ রোগী
ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন হাসপাতালে কার টি-সেল থেরাপির এনএইচএস ট্রায়ালের পর যে রোগীদের মারাত্মক লুপাস রোগ সেরে গিয়েছিল (রেমিশনে গিয়েছিল), কেটি টিঙ্কলার ছিলেন তাদের মধ্যে একজন। ছবি: লুসি নর্থ/পিএ

যুক্তরাজ্যে চিকিৎসাক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী সাফল্য এসেছে। একটি অভিনব জিন থেরাপি চিকিৎসার মাধ্যমে তীব্র লুপাস রোগে আক্রান্ত পাঁচজন রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ (রেমিশন) হয়ে উঠেছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এই চিকিৎসা পদ্ধতি লুপাস রোগীদের চিরতরে আরোগ্য লাভের পথ দেখাতে পারে।

লুপাস একটি দীর্ঘমেয়াদি অটোইমিউন রোগ। এই রোগে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা বা ইমিউন সিস্টেম উল্টো নিজের সুস্থ টিস্যু ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে আক্রমণ করে। এর ফলে কিডনি, ফুসফুস ও হার্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে তীব্র প্রদাহ ও ক্ষতি তৈরি হয়। বিশ্বজুড়ে প্রায় ৫০ লাখ মানুষ এই রোগে আক্রান্ত। এদের বেশির ভাগই নারী।

এই গবেষণায় রোগীদের শরীর থেকে টি-সেল বা টি লিম্ফোসাইট নামের এক ধরনের শ্বেত রক্তকণিকা বের করে নেওয়া হয়। এই কোষগুলো সাধারণত শরীরে সংক্রমিত বা ক্ষতিগ্রস্ত কোষ খুঁজে বের করে ধ্বংস করে। চিকিৎসকরা ল্যাবরেটরিতে এই কোষগুলোকে জিনগতভাবে পরিবর্তন বা মডিফাই করেন, যাতে তারা রোগটিকে চিনে ধ্বংস করতে পারে। পরে ইনফিউশনের মাধ্যমে এই পরিবর্তিত কোষগুলো আবার রোগীর শরীরে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এটি রোগীর রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে নতুন করে সেট বা ‘রিসেট’ করে।

এই পদ্ধতিটির নাম ‘কার (সিএআর) টি-সেল থেরাপি’। এটি ইতোমধ্যে ক্যানসার চিকিৎসায় বড় পরিবর্তন এনেছে। এবার লন্ডনের চিকিৎসকরা তীব্র লুপাসে আক্রান্ত ১৯ থেকে ৫০ বছর বয়সী পাঁচজন এনএইচএস রোগীর ওপর এটি সফলভাবে প্রয়োগ করেছেন। চিকিৎসকরা জানান, এই থেরাপি রোগীদের মাত্র একবারই নিতে হয়। এটি সফল হলে লুপাসের চিকিৎসায় আমূল পরিবর্তন আসবে ও রোগীদের আজীবন ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজন থাকবে না।

ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন হসপিটালস ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট (ইউসিএলএইচ) এবং ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের (ইউসিএল) যৌথ পরিচালনায় এই এনএইচএস ট্রায়াল বা পরীক্ষাটি চালানো হয়। এতে তীব্র লুপাসে আক্রান্ত মোট নয়জন রোগীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। তারা এর আগে কোনো চিকিৎসায় সুস্থ হচ্ছিলেন না। তাদের বেশির ভাগেরই ‘লুপাস নেফ্রাইটিস’ ছিল, যা কিডনির একটি মারাত্মক জটিলতা।

পরীক্ষায় ছয়জন রোগীকে কার-টি থেরাপির কম ডোজ ও তিনজনকে বেশি ডোজ দেওয়া হয়। কম ডোজ পাওয়া রোগীদের গড়ে ১১ মাস ধরে পর্যবেক্ষণ করা হয়। তাদের মধ্যে পাঁচজন মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই সুস্থ হয়ে ওঠেন। বেশি ডোজ পাওয়া তিনজনকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিন মাস পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। তবে চিকিৎসকরা আশা করছেন, তারাও সুস্থ হয়ে উঠবেন। বিভিন্ন পরীক্ষায় দেখা গেছে, রোগীদের শারীরিক অবস্থার দ্রুত উন্নতি হয়েছে ও লুপাসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কিডনির কার্যকারিতা স্থিতিশীল বা উন্নত হয়েছে।

ইউসিএলএইচের (ইউসিএলএইচ) বায়োমেডিকেল রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক কার্ল পেগস বলেন, ‘এই ফলাফলগুলো সত্যিই যুগান্তকারী ও লুপাস নিয়ে বেঁচে থাকা মানুষদের জন্য নতুন আশা জোগাচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যদিও আরও গবেষণার প্রয়োজন, তবে কার টি-সেল থেরাপি যে ইমিউন সিস্টেম রিসেট করতে পারে এবং রোগীদের দীর্ঘমেয়াদি অটোইমিউন রোগের চক্র থেকে মুক্ত করতে পারে, তা একটি অসাধারণ অগ্রগতি। যদি বড় পরিসরের গবেষণায় এই ফলাফলের সত্যতা নিশ্চিত হয়, তবে লুপাস নিরাময়ের সম্ভাবনা আর অধরা থাকবে না।’

এই চিকিৎসায় সুস্থ হওয়া ৫২ বছর বয়সী কেটি টিঙ্কলার ৩১ বছর ধরে এই রোগে ভুগছিলেন। ২০ বছর বয়স থেকে তীব্র লুপাসের কারণে তিনি ফিটনেস ইনস্ট্রাক্টরের চাকরি ছাড়তে বাধ্য হন। এই রোগের কারণে তার জয়েন্টগুলো ফুলে যেত এবং প্রচণ্ড ব্যথা হতো। তার কিডনি, ফুসফুস ও হার্টের ক্ষতি হয়েছিল এবং রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা তৈরি হয়েছিল। একপর্যায়ে তিনি সেপসিস ও মাল্টি-অর্গান ফেইলিউরের শিকার হন এবং তাকে ইনটেনসিভ কেয়ারে কোমায় রাখা হয়েছিল।

এখন সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠা সারে-র গিল্ডফোর্ডের বাসিন্দা কেটি বলেন, ‘আগের জীবন এবং এখনের জীবনের কথা ভাবলে মনে হয় দিন আর রাত।’ তিনি আরও বলেন, ‘লুপাসের কারণে আমার পুরো শরীর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। জয়েন্টগুলোতে এত ব্যথা ছিল যে, মাঝেমাঝে আমি হাঁটতে পারতাম না। হাত দিয়ে মগ তুলে নিতে পারতাম না। আমার কিডনি, হার্ট ও ফুসফুস—সবই খারাপের দিকে যাচ্ছিল। কিন্তু এখন আমার আর এই সমস্যাগুলো নেই। এটি আমার জন্য একটি অলৌকিক ঘটনা। দুই বছর আগের জীবন আর এখনের জীবনের মধ্যে কোনো মিল নেই। নিজেকে ভাগ্যবান মনে হচ্ছে।’
তিন দশকেরও বেশি সময় পর কেটি এখন লুপাসের প্রধান লক্ষণগুলো থেকে মুক্ত। তিনি গত এক দশকের মধ্যে এই প্রথম স্কিইং করতে পেরেছেন এবং নিজের মেয়ের বিয়েতে নাচতেও পেরেছেন।

উড়োজাহাজ প্রযুক্তিতে চীনের নতুন মাইলফলক

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০২:১২ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০২:২৩ পিএম
উড়োজাহাজ প্রযুক্তিতে চীনের নতুন মাইলফলক
ছবি সিএমজি


চীনের নিম্ন-আকাশ অর্থনীতি খাতে বড় অগ্রগতি হিসেবে দেশটির প্রথম নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ইলেকট্রিক ভার্টিক্যাল টেকঅফ অ্যান্ড ল্যান্ডিং ইভিটিওএল উড়োজাহাজের ইঞ্জিন উৎপাদন লাইনে এসেছে। শুক্রবার পূর্ব চীনের চিয়াংসু প্রদেশের উসি শহরে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ইঞ্জিন সরবরাহ করা হয়।
চীনের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান অ্যারো ইঞ্জিন করপোরেশন অব চায়না এর অ্যারোইঞ্জিন কন্ট্রোল সিস্টেম ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত এইই২৫ নামের এই বৈদ্যুতিক বিমান ইঞ্জিনটি টর্ক ঘনত্বের ক্ষেত্রে দেশের নতুন রেকর্ড গড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বেশি টর্ক ঘনত্বের ফলে ইঞ্জিনের ওজন কম হয় এবং উড়োজাহাজে বেশি যাত্রী বা পণ্য বহন করা সম্ভব হয়। 
এইই২৫ ইঞ্জিনটি বিমানের ব্যাটারিতে সঞ্চিত বৈদ্যুতিক শক্তিকে রোটর সিস্টেমের জন্য প্রয়োজনীয় উত্তোলন শক্তি  ও থ্রাস্টে রূপান্তর করে।  
ইঞ্জিনটিতে ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান—মূল মোটর ও এর কন্ট্রোলার, কুলিং সিস্টেমের মোটর ও কন্ট্রোলার, এবং ভ্যারিয়েবল-পিচ অ্যাকচুয়েটর ও কন্ট্রোলার—একীভূত করা হয়েছে। এর ফলে বিমান নির্মাতারা সহজে ইঞ্জিনটি স্থাপন করে সরাসরি ব্যবহার করতে পারবেন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সাফল্য চীনের বৈদ্যুতিক বিমান ও নগর আকাশ পরিবহন প্রযুক্তির উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে থাকবে এবং ভবিষ্যতের বিমান চলাচল ব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

সূত্র: সিএমজি

মহাকাশে যাচ্ছেন প্রথম শারীরিক প্রতিবন্ধী নভোচারী

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:৩৬ পিএম
মহাকাশে যাচ্ছেন প্রথম শারীরিক প্রতিবন্ধী নভোচারী
ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সির নভোচারী প্যানেলের সদস্য জন ম্যাকফল। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের একজন প্যারালিম্পিয়ান ও সার্জন বিশ্বের প্রথম শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি হিসেবে মহাকাশে গিয়ে ইতিহাস গড়তে যাচ্ছেন। মার্কিন প্রতিষ্ঠানের তৈরি ছোট বাণিজ্যিক মহাকাশ স্টেশনে থাকার বিষয়ে সম্প্রতি যুক্তরাজ্য সরকার একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সির (ইসা) নভোচারী প্যানেলের সদস্য জন ম্যাকফল গত বছর মহাকাশে যাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেন। ২০২৭ সালে উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তাবিত ‘হেভেন-১’ মহাকাশ স্টেশনে তিনি একটি অভিযানে অংশ নিতে পারেন। ক্যালিফোর্নিয়ার নতুন প্রতিষ্ঠান ‘ভাস্ট’ এই হেভেন-১ স্টেশনটি তৈরি করছে। একটি একতলা বাসের চেয়ে কিছুটা ছোট এই স্টেশনে চারজন নভোচারী থাকতে পারবেন। এর ভেতরে রয়েছে ম্যাপল কাঠের আস্তরণ, পৃথিবী দেখার জন্য একটি বড় জানালা এবং একটি গবেষণাগার।

ম্যাকফল বলেন, এটি একটি অত্যন্ত রোমাঞ্চকর সুযোগ। দুই সপ্তাহের এই অভিযানে মহাকাশের পরিবেশ তার শরীরে কেমন প্রভাব ফেলে তা পর্যবেক্ষণ করা হবে। এছাড়া আধুনিক কৃত্রিম অঙ্গ বা প্রস্থেটিক লিম্বসের ওপর মহাকাশের প্রভাব নিয়ে গবেষণা করা হবে। এই আধুনিক কৃত্রিম অঙ্গগুলো সাধারণত সেন্সর এবং মাইক্রোপ্রসেসরের সাহায্যে কাজ করে।

ম্যাকফলের এই গবেষণাটি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য বড় সুবিধা নিয়ে আসতে পারে। এটি হালকা এবং সহজে মানিয়ে নেওয়া যায় এমন কৃত্রিম অঙ্গ তৈরির নকশায় সাহায্য করবে। এছাড়া হাড়ের ক্ষয় ও পেশি কমে যাওয়ার মতো শারীরিক সমস্যাগুলো বুঝতে এটি অবদান রাখবে। অঙ্গ হারানোদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া আরও উন্নত করতে এই গবেষণা পথ দেখাবে।

বিজ্ঞানের লক্ষ্য ছাড়াও ম্যাকফল মনে করেন এই অভিযান প্রতিবন্ধী মানুষের কাজের পরিধি সম্পর্কে প্রচলিত ধারণা বদলে দেবে। তিনি বলেন, আমরা দেখাতে চাই যে, শারীরিক প্রতিবন্ধীরাও নভোচারী হতে পারেন। আমরা প্রমাণ করেছি যে, এটি সম্ভব এবং সুযোগ দিলে তারাও সমান পারদর্শী।

ইউকে স্পেস এজেন্সি এই অভিযানের জন্য তহবিল সংগ্রহে ভাস্টকে সহায়তা করবে। ম্যাকফল ও অন্য নভোচারীরা স্পেসএক্সের ক্রু ড্রাগন ক্যাপসুলে করে ফ্যালকন ৯ রকেটের মাধ্যমে হেভেন-১ স্টেশনে যাবেন। এছাড়া আগামী বছর আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) ভাস্টের একটি ব্যক্তিগত অভিযানে অংশ নেওয়ার বিকল্প সুযোগও তার রয়েছে।

৪৫ বছর বয়সী ম্যাকফল ১৯ বছর বয়সে একটি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তার ডান পা হারান। হাসপাতাল ছাড়ার পর তিনি খেলাধুলায় মনোযোগ দেন এবং ২০০৮ সালের বেইজিং প্যারালিম্পিকে ১০০ মিটার দৌড়ে ব্রোঞ্জ জেতেন। পরে তিনি একজন অর্থোপেডিক সার্জন হিসেবে যোগ্যতা অর্জন করেন। ২০২২ সালে তিনি ইসার ‘ফ্লাই’ প্রকল্পের জন্য নির্বাচিত হন।

ম্যাকফল বলেন, একজন ভালো নভোচারী হওয়া এবং নিজের কাজ সঠিকভাবে করা আমার মূল অগ্রাধিকার। আমি এটিকে কোনো প্রচারণার অংশ বানাতে চাই না। আমি একজন পথপ্রদর্শক হিসেবে নতুন কিছু করতে পেরে আনন্দিত। তবে সবার আগে আমি এমন কাজ করতে চাই যা মহাকাশ বিজ্ঞান এবং পৃথিবীর সমাজ উভয়ের জন্য মূল্যবান হয়।

এই অভিযান সফল হলে ২০১৬ সালের পর ম্যাকফল হবেন মহাকাশে যাওয়া প্রথম ব্রিটিশ নাগরিক। তার এই যাত্রাকে অন্তর্ভুক্তিমূলক মানব মহাকাশ অভিযানের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

/আবরার জাহিন

থিয়েনচিনের বুদ্ধিমান শিল্প প্রদর্শনীতে নতুন যা দেখা গেল

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৫:৩০ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:৪৫ পিএম
থিয়েনচিনের বুদ্ধিমান শিল্প প্রদর্শনীতে নতুন যা দেখা গেল
থিয়েনচিনে হয়ে গেল ২০২৬ বিশ্ব বুদ্ধিমান শিল্প এক্সপো

চীনের উত্তরাঞ্চলীয় থিয়েনচিনে হয়ে গেল ২০২৬ বিশ্ব বুদ্ধিমান শিল্প এক্সপো। চার দিনের এই আয়োজন যৌথভাবে আয়োজন করেছে থিয়েনচিন ও ছোংছিং প্রশাসন। স্মার্ট ইন্ডাস্ট্রি খাতে ক্ষেত্রে জ্ঞান বিনিময়, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে এই প্রদর্শনী।

 

 

এবারের বুদ্ধিমান শিল্প প্রদর্শনীতে ছিল ছয়টি থিমভিত্তিক অঞ্চল—যার মধ্যে ছিল কোর এআই প্রযুক্তি, এমবডিড ইন্টেলিজেন্স ও স্মার্ট লিভিং। পাশাপাশি ছিল একটি নিমজ্জিত অভিজ্ঞতা অর্জনের অঞ্চল, যেখানে স্মার্ট প্রযুক্তির সবচেয়ে সর্বাধুনিক উদ্ভাবন ও পণ্য প্রদর্শিত হয়েছে।

থিয়েনচিন মিউনিসিপ্যাল ব্যুরোর শিল্প ও তথ্য প্রযুক্তি গবেষণা অফিসের পরিচালক শেন মামাও জানালেন, ‘এই বছরের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এটি একই সঙ্গে পেশাদার ও সর্বজনীন। একজন পেশাদার ক্রেতা কিংবা একজন বিজ্ঞানী—উভয়েই এখানে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী প্রযুক্তি খুঁজে পাবেন।’

এক্সপোয় অংশ নিয়েছিল ফরচুন গ্লোবাল-৫০০ কোম্পানির ২৮টি প্রতিষ্ঠান, ৩৭টি চীনের শীর্ষ ৫০০ প্রতিষ্ঠান এবং ৪০০টিরও বেশি স্মার্ট ইন্ডাস্ট্রি কোম্পানি।

এবারের আয়োজনে আরও ছিল এআই থিম ডে, এন্টারপ্রাইজ ইকোলজি কনফারেন্স, বাজারভিত্তিক ফোরাম, ব্র্যান্ড প্রতিযোগিতা, বিনিয়োগ প্রচার এবং চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান। এক্সপো চলাকালে থিয়েনচিনে ৮৫টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

কাঠামোনির্ভর বুদ্ধিমত্তা বা এমবডিড এআই, মূল এআই প্রযুক্তি, বুদ্ধিমান সংযুক্ত যানবাহন, নিম্ন-উচ্চতার অর্থনীতি ও বাণিজ্যিক মহাকাশ অনুসন্ধান, ইন্টেলিজেন্ট ম্যানুফ্যাকচারিং এবং স্মার্ট লিভিং-এর জন্য ছয়টি বিশেষ জোন ছিল প্রদর্শনীতে।

 

 

নজর কেড়েছে এমন কিছু রোবট, যেগুলো কফি তৈরি, সকালের নাস্তা বানানো, রান্না করা ও ক্লাসিক্যাল চীনা বোর্ড গেম ‘গো’ খেলতে পারে। এমনকি বক্সিং করতে সক্ষম রোবটও ছিল এতে। আরেকটি বিশেষ আকর্ষণ ছিল সিঁড়ি বেয়ে উঠতে সক্ষম একটি হুইলচেয়ার।

স্মার্ট ম্যানুফ্যাকচারিং, নিম্ন-উচ্চতার অর্থনীতি এবং ইন্টেলিজেন্ট টার্মিনালের মতো ক্ষেত্রগুলোর উদ্ভাবনী সাফল্যও তুলে ধরা হয়। প্রদর্শনী এলাকায় ছিল বেশ কয়েকটি ব্রেইন-কম্পিউটার-ইন্টারফেস (বিসিআই) পণ্য। এগুলোয় ছিল স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ, চোখ পরীক্ষা, খেলাধুলায় সহায়তা এবং পুনর্বাসন প্রশিক্ষণের সুবিধা।

 

 

হাইহ্য ব্রেইন-কম্পিউটার ইন্টারঅ্যাকশন গবেষণাগার ও মানব-যন্ত্র সমন্বিতকরণ বিভাগের উপ-পরিচালক লিউ সিয়ুইয়ুন জানালেন, ‘মস্তিষ্ক-কম্পিউটার ইন্টারফেস একটি বহুশাস্ত্রীয় গবেষণার ক্ষেত্র। আমাদের বিভিন্ন শাখার বিজ্ঞানীদের একত্রিত হয়ে মতামত বিনিময় করে নতুন ধারণা তৈরি করতে হবে এবং এই ক্ষেত্রে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।’

মস্তিষ্কের প্রযুক্তি শিল্পের ভবিষ্যৎ কোন দিকে যাচ্ছে, তা জানতে শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞদের এক ছাদের নিচে এনেছে এই এক্সপো। সূত্র: সিএমজি