ঢাকা ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
পর্তুগালের একাদশে রোনালদো ইরান ও লেবাননে মানবিক সহায়তা দেবে চীন লায়লা বাউলের পাশে দাঁড়াল সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় ফের উত্তপ্ত লেবানন, নতুন হামলা ইসরায়েলের চুক্তি না মানলে ইরানে ফের হামলার হুমকি ট্রাম্পের ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপন অনুষ্ঠান হবে জুনের শেষ সপ্তাহে ঝিনাইদহে মোটরসাইকেল চোরচক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার জোরপূর্বক মানুষকে বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে ভারত—হিউম্যান রাইটস ওয়াচের দাবি মায়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া হবে, ভারত সীমান্তেও পরিকল্পনা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যারা বলে ‘সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না’ তাদের থেকে সতর্ক থাকুন: প্রধানমন্ত্রী রংপুরের ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় ৬৬৫ নারী নাসার আর্টেমিস থ্রি মিশনের নভোচারীদের নাম চূড়ান্ত নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে দুই শ্রমিক নিহত শেষ যাত্রা জানাজায়, মাঝপথেই থেমে গেল জীবন সাজেকে বিজিবির বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ পিটারসেন অটোমোটিভ মিউজিয়াম অটোমোবাইল ডেস্ক সময় টিভির এমডি জোবায়েরসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ZEEHO Bangladesh ও Riding School BD-এর মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর যুক্তরাষ্ট্রে ৫ হাজার ৮০৭ প্রবাসীর হাতে যাচ্ছে এনআইডি হেরোইনসহ মা-বাবা ও ছেলে আটক, বাড়িতে আগুন সমুদ্রের নিচে চীনের নতুন ডেটা সেন্টার সোনারগাঁয়ে স্কুল ফাঁকি দিয়ে মেঘনায় গোসল, দুই স্কুল ছাত্রের মৃত্যু বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমল ৫ শতাংশের বেশি সোনারগাঁয়ে মেঘনায় গোসলে নেমে ২ শিক্ষার্থীর মৃত্যু নৌবাহিনীর ডকইয়ার্ডে নির্মিত হচ্ছে ৫টি ‘রিভারাইন পেট্রল ভেসেল’ স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসরে স্যামসাংয়ের নতুন ল্যাপটপ গুরুদাসপুরে শিশু ধর্ষণ মামলায় বৃদ্ধের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড টাঙ্গাইল মেডিকেলে হঠাৎ পরিদর্শন, অসন্তোষ প্রকাশ প্রতিমন্ত্রী টুকুর চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্কুল ফিডিংয়ে ১৬ শিক্ষার্থী অসুস্থ দুর্নীতির মামলায় আবেদপুত্র সিয়ামের বিচার শুরু
Nagad desktop

শপথ নিলেন হাইকোর্টে নবনিযুক্ত ২৩ বিচারপতি

প্রকাশ: ০৯ অক্টোবর ২০২৪, ১১:৪২ এএম
আপডেট: ০৯ অক্টোবর ২০২৪, ১১:৪৪ এএম
শপথ নিলেন হাইকোর্টে নবনিযুক্ত ২৩ বিচারপতি
শপথ নিচ্ছেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে নতুন নিয়োগ পাওয়া ২৩ বিচারপতি। ছবি: সংগৃহীত

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে নতুন নিয়োগ পাওয়া ২৩ বিচারপতি শপথ নিয়েছেন।

বুধবার (৯ অক্টোবর) বেলা ১১টায় সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে নতুন এই বিচারপতিদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

শপথ অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন ও শপথ নেওয়া বিচারপতিদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা।

শপথ নেওয়া বিচারপতিরা হলেন- মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদার, সৈয়দ এনায়েত হোসেন, মো. মনসুর আলম, সৈয়দ জাহেদ মনসুর, কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা, মো. যাবিদ হোসেন, মুবিনা আসাফ, কাজী ওয়ালিউল ইসলাম, আইনুন নাহার সিদ্দিকা, মো. আবদুল মান্নান, তামান্না রহমান, মো. শফিউল আলম মাহমুদ, মো. হামিদুর রহমান, নাসরিন আক্তার, সাথিকা হোসেন, সৈয়দ মোহাম্মদ তাজরুল হোসেন, মো. তৌফিক ইনাম, ইউসুফ আব্দুল্লাহ সুমন, শেখ তাহসিন আলী, ফয়েজ আহমেদ, মো. সগীর হোসেন, শিকদার মাহমুদুর রাজী ও দেবাশীষ রায় চৌধুরী।

এর আগে মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) ২৩ বিচারপতি নিয়োগ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ। 

এতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান-এর ৯৮ অনুচ্ছেদ-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত (ক)-(ব) ক্রমিকে উল্লেখকৃত ২৩ জন ব্যক্তিকে শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে অনধিক দুই বছরের জন্য বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক নিয়োগ করেছেন।

মতলু মল্লিক/অমিয়/

সময় টিভির এমডি জোবায়েরসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:০৯ পিএম
সময় টিভির এমডি জোবায়েরসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
সময় টেলিভিশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ জোবায়ের। ছবি: সংগৃহীত

সময় টেলিভিশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ জোবায়েরসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। 

বুধবার (১৭ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান এ পরোয়ানা জারি করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর কলাবাগান থানায় বিশ্বাসভঙ্গ ও ব্যাংক জালিয়াতির অভিযোগে একটি মামলায় গত ১৩ মে তাদের বিরুদ্ধে সমন জারি করা হয়। 

সমনে তাদের স্ব-শরীরে হাজির হয়ে অথবা আইনজীবীর মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়। আদেশ মতে ধার্য তারিখে আইনি কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় তাদের গ্রেপ্তার করতে পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। 

পরোয়ানার আওতায় থাকা অন্যরা হলেন, জোবায়েরের স্ত্রী শামীমা সুলতানা চৌধুরী, দুই সন্তান সারাফ নাওয়ার জয়ীতা, আহমেদ রাফিদ কাদের ঋভু, শেখ মাহমুদ ইয়াসিন এবং সানি চৌধুরী। 

জলিল উজ্জ্বল/নাঈম

দুর্নীতির মামলায় আবেদপুত্র সিয়ামের বিচার শুরু

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৭:২৫ পিএম
দুর্নীতির মামলায় আবেদপুত্র সিয়ামের বিচার শুরু
ছবি: সংগৃহীত

জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে করা দুর্নীতির মামলায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ নেতা সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়ামের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার শুরু হয়েছে। সিয়াম সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) আলোচিত গাড়ীচালক প্রশ্নফাঁস চক্রের হোতা আবেদ আলীর পুত্র।

বুধবার (১৭ জুন) ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বেগম শামীমা আফরোজ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এর মধ্য দিয়ে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।

আগামী ৯ জুলাই সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে। শুনানির আগে আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। দুদকের প্রসিকিউটর দেলোয়ার জাহান রুমি অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করেন।

অন্যদিকে অভিযোগের দায় থেকে অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন তার আইনজীবী রেজাউল করিম। বিচারক উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আসামি দোষী না নির্দোষ, তা জানতে চাইলে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন।

অভিযোগ গঠনের পর আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারি আরিফুল ইসলাম। গত বছরের ৫ জানুয়ারি এ মামলা দায়ের করে দুদক।

মামলার এজাহারে ২০২১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ৩৭ লাখ ৩০ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

তবে, তদন্ত শেষে জ্ঞাত আয় উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৩১ লাখ ৮১ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের মাধ্যমে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন মর্মে একই বছরের ৩০ ডিসেম্বর সিয়ামের বিরুদ্ধে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন দুদকের উপসহকারি পরিচালক জাকির হোসেন।

চলতি বছরের গত ২০ জানুয়ারি গ্রেপ্তার হন সিয়াম। এরপর থেকে কারাগারে আছেন তিনি।

উজ্জ্বল/আমান

চট্টগ্রামে শিশু আয়াত হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৪:১৭ পিএম
চট্টগ্রামে শিশু আয়াত হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড
রায়ের পর আদালত থেকে আসামিকে জেলখানায় নেওয়া হচ্ছে। ছবি: মোহাম্মদ হানিফ।

চট্টগ্রামে বহুল আলোচিত শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত অপহরণ ও হত্যা মামলার রায় দিয়েছেন আদালত। অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে প্রধান আসামি মো. আবিরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম মহানগরের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আলী আক্কাস এ রায় দেন। এ সময় আসামি আবির আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি জালাল উদ্দিন বলেন, ‘শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত অপহরণ ও হত্যা মামলায় ৩৩ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। আদালত তার পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেছেন, ঘটনাটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত, নিষ্ঠুর, নৃশংস এবং সমাজে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, সুরতহাল প্রতিবেদন, ময়নাতদন্ত রিপোর্ট, উদ্ধারকৃত আলামত এবং সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন।’

নিহত আয়াতের বাবা সোহেল রানা বলেন, ‘আমার পাঁচ বছর বয়সী নিরপরাধ মেয়েটিকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ বিচার চেয়েছি। আদালতের রায়ে আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি।’

মামলার তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ বছর বয়সী শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড থানাধীন নয়ারহাট ওয়াছমুন্সী বাড়ি এলাকায় বসবাস করত। ২০২২ সালের নভেম্বর মাসে বাসার পাশের মক্তবে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়ে সে নিখোঁজ হয়। পরে তদন্তে বেরিয়ে আসে, পরিবারের পরিচিত ও প্রতিবেশী মো. আবির আলী মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে শিশুটিকে অপহরণ করে। কিন্তু পরিকল্পনায় ব্যর্থ হয়ে সে শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করে এবং লাশ টুকরো টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেয়।

গ্রেপ্তারের পর আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে আসামি এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে। তদন্ত চলাকালে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বটি, আয়াতের জুতা এবং বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করে। পাশাপাশি আবিরের বাসা থেকে সংগ্রহ করা রক্তের নমুনার ডিএনএ পরীক্ষায় তা আয়াতের ডিএনএর সঙ্গে মিলে যায়।

২০২২ সালের ৩০ নভেম্বর আউটার রিং রোডের আকমল আলী ঘাটসংলগ্ন এলাকা থেকে আয়াতের দুই পা এবং পরদিন তার খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করা হয়। তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের অক্টোবরে পিবিআই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

রিফাত/

জামালপুরে স্ত্রী হত্যায় মৃত্যুদণ্ড ও শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:৫৮ পিএম
আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬, ০৪:১৯ পিএম
জামালপুরে স্ত্রী হত্যায় মৃত্যুদণ্ড ও শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন
প্রতীকী ছবি

জামালপুরে স্ত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড ও এক মাদরাসাশিক্ষার্থীকে ধর্ষণ মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুানাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এসব রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির নাম আলাল শেখ (৫৩) এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির নাম রাজীব হোসেন (৩৮)। 

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক খবরের কাগজকে বলেন, ’দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ রহিমপুর গ্রামে ২০০৮ সালের ২৬ মে রাত হতে ২৭ মে সকালের মধ্যে কোনো এক সময় আলাল শেখ তার স্ত্রী নাইফুল বেগমকে যৌতুকের দাবিতে মারধর করে আহত করে ও পরে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করেন।

এ ঘটনায় নাইফুলের বাবা আব্দুল খালেক ২০০৮ সালের ৫ জুন মামলা করেন। মামলায় ৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আজ রায় ঘোষণা করেন বিচারক। আসামি আলাল শেখ পলাতক থাকায় তার অনুপস্থিতিতেই রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ে আলাল শেখকে মৃত্যুদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

মামলায় আসামি পক্ষের কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।

ধর্ষণ মামলায় কারাদণ্ড

দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া মাদরাসাশিক্ষার্থীকে ধর্ষণ মামলায় রাজীব হোসেন নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন একই আদালত।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক খবরের কাগজকে জানান, ২০১৫ সালের ৭ জুন রাতে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাঘারচর গ্রামে ঘরের জানালা খুলে এক মাদরাসাশিক্ষার্থীর শয়নকক্ষে ঢুকে তার মুখ চেপে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের শিকার শিক্ষার্থীর চিৎকারে পরিবার ও স্বজনরা উপস্থিত হলে রাজীব হোসেন হাতেনাতে ধরা পরলেও ধস্তাধস্তি করে পালিয়ে যান।

এ ঘটনায় নির্যাতনের শিকার ওই শিক্ষার্থী ২০১৫ সালের ১১ জুন দেওয়ানগঞ্জ থানায় মামলা করেন। মামলায় ৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আজ আসামি রাজীব হোসেনের উপস্থিতিতেই রায় ঘোষণা করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম।

আসিফ/থিওটোনিয়াস

চিকিৎসক ধীপ্রার মৃত্যুতে স্বামী-শ্বশুরসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা, তদন্তে সিআইডি

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০৭:৫২ পিএম
আপডেট: ১৬ জুন ২০২৬, ১০:২২ পিএম
চিকিৎসক ধীপ্রার মৃত্যুতে স্বামী-শ্বশুরসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা, তদন্তে সিআইডি
চিকিৎসক ধীপ্রা। ছবি: সংগৃহীত

চিকিৎসক নাফিসা তাবাসসুম ধীপ্রার মৃত্যুর ঘটনায় তার স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়িসহ চারজনের বিরুদ্ধে নালিশি (সিআর) মামলা হয়েছে। মামলায় আনা অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। 

এর আগে নিহত চিকিৎসকের স্বজন মো. মশিউর রহমান শাহ বাদী হয়ে নালিশি (সিআর) মামলা করেন। মামলায় অবহেলাজনিত মৃত্যু, নির্যাতন এবং পোস্টমর্টেম ছাড়াই দাফনের মাধ্যমে আলামত গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলায় ধীপ্রার শাশুড়ি সিদ্দিকা সুলতানা, স্বামী ডা. রহমত রশীদ, শ্বশুর ডা. মোহাম্মদ আব্দুর রশীদ (বারডেম হাসপাতালের কার্ডিয়াক বিভাগের প্রধান) এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ‘ইয়ার্কি’র সম্পাদক শিমু নাসেরকে আসামি করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, বাদীর আইনজীবী ফরহাদ হোসাইন।

মামলার আবেদনে বলা হয়, শিক্ষার্থী থাকাবস্থায় ডা. নাফিসা তাবাসসুম ধীপ্রা ও ডা. রহমত রশীদের মধ্যে পরিচয় থেকে প্রেম হয় ও পরে তারা বিয়ে করেন। তাদের দুই বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে।

বিয়ের পর থেকেই পারিবারিকভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন ধীপ্রা। দীর্ঘদিনের মানসিক চাপে ডিপ্রেশন (মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত), সন্তান জন্মের পর পোস্ট-পার্টাম ডিপ্রেশন, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন। ধীপ্রাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সহায়তা থেকেও বঞ্চিত করা হয়েছে এবং এফসিপিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি গ্রহণের ক্ষেত্রেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছিল। 

মৃত্যুর আগে ‘ফিমেল ডক্টরস ইন বাংলাদেশ’ নামের একটি ফেসবুক গ্রুপে ধীপ্রা নিজের ওপর হওয়া নির্যাতনের বিষয়ে লিখেছিলেন।

গত ২ জুন থেকে টানা তিন দিন তাকে একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়। তখন তাকে খাবার দেওয়া হয়নি, সন্তানকেও দেখতে দেওয়া হয়নি। 

আবেদনে আরও বলা হয়েছে, ৪ জুন ধীপ্রার মা ধানমন্ডির বাসভবনে গিয়ে মেয়েকে তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখতে পান। দরজা খুলে দেওয়ার পর অসুস্থ ধীপ্রা মেঝেতে পড়ে যান। তখন দ্রুত তাকে নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়ার পরিবর্তে তার চিকিৎসাতেও বিলম্ব করা হয়। কিন্তু বারডেম হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয় এবং যথাযথ তদন্ত বা ময়নাতদন্ত ছাড়াই দ্রুত দাফনের ব্যবস্থা করা হয়। 

বিচারকের সামনে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে শুনানিতে বাদী এটিকে স্বাভাবিক মৃত্যু নয় বরং এর পেছনে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রয়েছে বলে অভিযোগ করেন এবং ঘটনার সত্যতা যাচাই ও প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত করার আবেদন করেন। 

জলিল উজ্জ্বল/নাঈম