ঢাকা ৫ মাঘ ১৪৩১, রোববার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৫

ফেনীর নুসরাত হত্যা মামলা হাইকোর্টে আসামিদের আপিল শুনানি শুরু

প্রকাশ: ০৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ১১:১০ পিএম
আপডেট: ০৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ১১:২৪ পিএম
হাইকোর্টে আসামিদের আপিল শুনানি শুরু
ছবি: সংগৃহীত

বিচারের পাঁচ বছর পর ফেনীর মাদরাসা শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফি হত্যার ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিল এবং জেল আপিলের ওপর হাইকোর্টে শুনানি বুধবার (৪ ডিসেম্বর) শুরু হয়েছে। বিচারপতি মো. হাবিবুল গণি ও বিচারপতি সৈয়দ জাহেদ মনসুরের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি চলছে। 

মামলায় চার আসামির পক্ষে রয়েছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান। তিনি জানান, শুনানি শুরু হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ পেপারবুক উপস্থাপন করছে। এরপর আসামিপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করবো।

২০১৯ সালের ২৯ অক্টোবর আসামিদের মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য (ডেথ রেফারেন্স) মামলার সব ধরনের কার্যক্রম হাইকোর্টে পৌঁছে। এরপর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পেপারবুক (মামলার সব নথি) ছাপানো শেষ করা হয়েছিল। পরে প্রয়োজনীয় কাজ শেষে শুনানির জন্য মামলাটি প্রধান বিচারপতি বরাবর উপস্থাপন করা হয়। এরপর প্রধান বিচারপতি শুনানির জন্য হাইকোর্ট বেঞ্চ নির্ধারণ করেন। ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডাদেশ হলে সে রায় অনুমোদনের জন্য মামলার সব ধরনের কার্যক্রম উচ্চ আদালতে পাঠাতে হয়। সে অনুসারে ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। এছাড়া আসামিরা জেল আপিল ও ফৌজদারি আপিল করেছেন।

২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদ এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে প্রত্যেক আসামিকে (১৬ আসামি) মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। পাশাপাশি আসামিদের প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। একই বছরের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ-উদদৌলার বিরুদ্ধে নুসরাতকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে মামলা করেন তার মা শিরীন আখতার। এই মামলার জের ধরে অধ্যক্ষকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এরপর তার অনুগত কিছু ক্যাডার জনমত গঠন করে সিরাজকে জেল থেকে বের করে আনার জন্য। তিন এপ্রিল খুনিরা সিরাজের সঙ্গে কারাগারে পরামর্শ করে এসে চার এপ্রিল মাদরাসার ছাত্রাবাসে নুসরাতকে খুন করার পরিকল্পনা করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ছয় এপ্রিল নুসরাত মাদরাসায় আলিম পরীক্ষা দিতে গেলে পরিকল্পিতভাবে সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে নিয়ে তাকে হত্যার চেষ্টা চালায় তারা।

ঘটনাস্থল থেকে নুসরাতকে উদ্ধার করে প্রথমে সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। এরপর তাকে স্থানান্তর করা হয় ফেনী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে। অবস্থা সঙ্কটাপন্ন হওয়ায় সেখান থেকে নুসরাতকে নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল মারা যান নুসরাত।

এলিস/মেহেদী  

ছাগলকাণ্ডে আলোচিত এনবিআরের মতিউর কারাগারে

প্রকাশ: ১৮ জানুয়ারি ২০২৫, ০৯:২৬ পিএম
আপডেট: ১৮ জানুয়ারি ২০২৫, ০৯:৩০ পিএম
ছাগলকাণ্ডে আলোচিত এনবিআরের মতিউর কারাগারে
এনবিআর সাবেক কর্মকর্তা মতিউর। ছবি: খবরের কাগজ

ছাগলকাণ্ডে আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমানকে অস্ত্র আইনের মামলায় তিন দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার (১৮ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নাজমিন আক্তার এ আদেশ দেন।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রুবেল মিয়া রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করেন। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

গত ১৫ জানুয়ারি মতিউর রহমানের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছিল।

গত বুধবার ডিবি পুলিশ মতিউর রহমানকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালায়। তার অবস্থান শনাক্ত করে সকাল পৌনে ৭টার দিকে বসুন্ধরার আবাসিক এলাকার বাসায় প্রবেশ করে তাকে আটকের পর শয়নকক্ষের আলমারি থেকে একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়। 

এ ঘটনায় ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক বেলাল হোসেন ভাটারা থানায় অস্ত্র আইনে মামলা করেন।

মতিউর রহমানের সঙ্গে তার প্রথম স্ত্রী লায়লা কানিজকেও আটক করা হয়। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে একই দিন

(১৫ জানুয়ারি) মতিউরকে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়।

ওই রিমান্ড আবেদনের শুনানির জন্য আজ রবিবার (১৯ জানুয়ারি) দিন ধার্য করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নাবিল/

মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি পেতে আইন উপদেষ্টা ও প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপ কামনা

প্রকাশ: ১৮ জানুয়ারি ২০২৫, ০৩:২০ পিএম
আপডেট: ১৮ জানুয়ারি ২০২৫, ০৩:২৬ পিএম
মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি পেতে আইন উপদেষ্টা ও প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপ কামনা
মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতির জন্য আইন উপদেষ্টা ও প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপ চেয়ে সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ী মো. ইসহাক দুলালের পরিবার। ছবি: খবরের কাগজ

ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যুক্ত থাকার পরও জামিন মিলছে না ঢাকার শাহজাহানপুরের ব্যবসায়ী মো. ইসহাক দুলালের। 

শনিবার (১৮ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন ইসহাক দুলালের ছেলে ইমরান হোসেন হিমেল।

ঢাকার শাহজাহানপুর থানায় করা মামলায় আটক ব্যবসায়ী মো. ইসহাক দুলালকে অব্যাহতি এবং ন্যায়বিচার পাওয়ার আশায় আইন উপদেষ্টা ও প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

পরিবারের অভিযোগ অনৈতিক সুবিধার জন্য প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করতে দুলালকে টার্গেট করে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীর ছেলে অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার বাবাসহ আমাদের পরিবারের সবাই ছাত্র-জনতার আন্দোলনে যুক্ত ছিলাম। তারপরও আমার বাবার নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে পাঠানো হয়েছে। তাকে এখন পর্যন্ত জামিন দেওয়া হচ্ছে না।’

তিনি বলেন, আমরা আওয়ামী লীগের সঙ্গে জড়িত নয়। আমার বাবাকে যখন গ্রেপ্তার করে তখন ছাত্র-জনতার আন্দোলনে জড়িত থাকার নানা প্রমাণ দেখানোর পরও তাকে ছাড়া হয়নি।’

এ বিষয়ে ইসহাক দুলালের মেয়ে জামাই সালাউদ্দিন খন্দকার বলেন, ‘এই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি কারাগারে থাকায় গোটা পরিবারে নেমে এসেছে দুর্বিষহ দুর্ভোগ।’

শফিকুল ইসলাম/সুমন/

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফেরাতে রিভিউ শুনানি রবিবার

প্রকাশ: ১৮ জানুয়ারি ২০২৫, ০২:১০ পিএম
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফেরাতে রিভিউ শুনানি রবিবার
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। ছবি: সংগৃহীত

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফেরাতে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের বিরুদ্ধে রিভিউয়ের (পুনর্বিবেচনা) শুনানি রবিবার (১৯ জানুয়ারি) নির্ধারণ করা হয়ছে।

শনিবার (১৮ জানুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইট থেকে এ তথ্য জানা গেছে। 

সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে দেখা যায়, আপিল বিভাগের রবিবারের শুনানির কার্যতালিকায় এই রিভিউ ১৩ নম্বরে রয়েছে। 

গত বছরের এক ডিসেম্বর প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই রিভিউটি ১৯ জানুয়ারি শুনানির জন্য ধার্য করেন।

আদালতে সেদিন আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, শরীফ ভূঁইয়া ও আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন এটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল সংক্রান্ত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে ১৬ অক্টোবর রিভিউ (পুনর্বিবেচনা) করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 

এর আগে এ বিষয়ে রিভিউ করেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার। এ ছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার রিভিউ আবেদন করেন। এসব  রিভিউ আবেদন একসঙ্গে শুনানির জন্য নির্ধারণ করা হয়।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী জাতীয় সংসদে গৃহীত হয় ১৯৯৬ সালে। এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এডভোকেট এম সলিম উল্লাহসহ তিনজন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন। ২০১১ সালের ১০ মে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তনে করা সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে তা বাতিল করেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

রায়ের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিলোপসহ বেশ কিছু বিষয়ে সংশোধনী এনে ২০১১ সালের ৩০ জুন সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পাস হয়। 

গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্তিসংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের ২০ ও ২১ ধারা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন। সূত্র: বাসস

সুমন/

সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত অনুমোদন

প্রকাশ: ১৭ জানুয়ারি ২০২৫, ০৮:০২ পিএম
আপডেট: ১৭ জানুয়ারি ২০২৫, ০৮:০২ পিএম
সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত অনুমোদন
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। ছবি: সংগৃহীত

‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্তভাবে অনুমোদন করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলামের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘অতি শীঘ্রই লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের রুটিন ভেটিং সাপেক্ষে অধ্যাদেশটির খসড়া চূড়ান্ত হবে মর্মে আশা করা যাচ্ছে।’

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘বাংলাদেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ দায়িত্ব গ্রহণের পরই দেশের বিচার বিভাগের মানোন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেন। তারই ধারাবাহিকতায় গত ২১ সেপ্টেম্বর তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ইনার কোর্ট ইয়ার্ডে আইন উপদেষ্টা, সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিরা, অ্যাটর্নি জেনারেল এবং দেশের জেলা আদালতগুলোর বিচারকদের সামনে বিচার বিভাগ আধুনিকায়নের রোডম্যাপ ঘোষণা করেন।’

রোডম্যাপে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগের জন্য একটি স্বাধীন জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিল গঠন করার বিষয়ে প্রধান বিচারপতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়নের বিষয়ে অন্তবর্তী সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

পাশাপাশি গত ২৮ অক্টোবর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত আইন, বিধি-বিধান, উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত ও প্রথাসহ আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিষদ গবেষণা করে একটি প্রস্তাব আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে প্রধান বিচারপতি ঘোষিত বিচার বিভাগ সংস্কার রোডম্যাপের এরকম পর্যায়ক্রমিক বাস্তবায়ন দেশে বিচার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হয়েছে। 

মাহমুদুল আলম/সুমন/এমএ/

সাভারের জাহিদ হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশ: ১৭ জানুয়ারি ২০২৫, ১২:২২ পিএম
সাভারের জাহিদ হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

ঢাকার সাভারে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে জাহিদ হোসেন নামে একজনকে হত্যার মামলায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) ঢাকার ৫ম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ইসরাত জাহান মুন্নি এ আদেশ দেন।

দণ্ডিতরা হলেন- রংপুরের কোতোয়ালি থানার আলমনগর খামারের কাজল, পিরোজপুরের নেছারাবাদ থানার সারেংকাঠির কাজী আহসান তাকবীর এবং সাভারের বন পুকুর এলাকার মৃত আরব উল্লাহর ছেলে লাল চান। এদের মধ্যে কাজল কারাগারে আছেন এবং বাকিরা পলাতক।

রায়ে বলা হয়, আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলো। 

মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে। 

রায় ঘোষণার আগে কারাগারে থাকা একমাত্র আসামি কাজলকে আদালতের এজলাসে হাজির করা হয়। রায় ঘোষণার পর মৃত্যু পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। পলাতক অপর দুই আসামির বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জেরে ২০১৩ সালের ১৭ জুলাই বেলা আড়াইটার দিকে লাল চান তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। সাভার থানাধীন আড়াপাড়ার হিজলা পাড়ায় আসামিরাসহ আরও ৫/৭ জন জাহিদকে কুপিয়ে জখম করে। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান জাহিদ।

এ ঘটনায় জাহিদের বাবা হাজি মো. আনোয়ার হোসেন সাভার থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ৩০ আগস্ট তিনজনকে আসামি করে চার্জশিট দাখিল করেন ঢাকা জেলার গোয়েন্দা শাখা উত্তরের উপ-পরিদর্শক জাহিদুল ইসলাম। ২০১৬ সালের ২ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।