ঢাকা ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ভোটের দায়িত্বে মারা গেলে ১০ লাখ টাকা পাবে পরিবার মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি পোশাক শিল্পের জন্য অশনি সংকেত: ড. মোস্তাফিজুর রহমান ইরানকে আলোচনা বিলম্ব করার ‘মূল্য দিতে হবে’: ট্রাম্প আড়াইহাজারে চাঁদাবাজির অভিযোগে এসআই প্রত্যাহার পাবনায় সন্তানের সামনে বাবাকে গুলি করে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ৩ গাজীপুরে বাস উল্টে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩ শিক্ষার্থী আহত সিংগাইরে চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে মৃত্যু: ১৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা চার দিনের সংগীত উৎসবে মেতে উঠছে ঢাকা সরকারি ভাতা বিতরণে নগদের প্রতি আস্থা অব্যাহত আলিয়ঁসে শুরু  হচ্ছে তিন শিল্পীর ‘ত্রিবন্ধন’ জাকসু ভিপি ও জিএসের ছাত্রত্ব শেষ: পদে বহাল থাকা নিয়ে নতুন সংকট ঢাকাসহ ১২ জেলায় রাত ১টার মধ্যে বজ্রবৃষ্টির আভাস ধানমন্ডিতে বহুতল ভবনে আগুন সময়টা কি তবে শেষ! রাসুল (সা.)-এর বর্ণনায় আজকের সমাজ বড় বাজেটের বড় প্রশ্ন সুর-ছন্দের আন্তর্জাতিক মেলবন্ধনে মেতে উঠছে ঢাকা ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে দেশজুড়ে সনি-স্মার্টের ‘গোল্ডেন গোল অফার’ শুরু প্রেমিকার সঙ্গে কথা বলতে বলতেই রাবি শিক্ষার্থীর গলায় ফাঁস ‘ফেসবুক ফার্স্ট’ রতন শেখ চতুর্থবার সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ৫ বছরের মেগা কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে সরকার গণতন্ত্রমুখী বাজেট ও প্রত্যাশার সমীকরণ পশ্চিমবঙ্গে নতুন মন্ত্রিসভার দপ্তর বণ্টন আদ্-দ্বীন হাসপাতালের জবাব সন্তোষজনক নয়, বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সালমান শাহর মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ হাতে টর্চ-লাঠি ও বাঁশি নিয়ে রাতভর পাহারায় পঞ্চগড় সীমান্তের মানুষ ফ্যাটি লিভারের চিকিৎসায় নতুন পথ বের হলো চীনা মহাকাশ স্টেশনে চীনের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও পর্যটনের গল্প পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, সবাই নিহত ছয় দফা দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দারিদ্র‍্য থেকে মুক্তি–পথের সন্ধানে
Nagad desktop

সংবাদপত্রের গুণগত মানোন্নয়নে টাস্কফোর্স গঠন করবে সরকার: তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা

প্রকাশ: ২১ এপ্রিল ২০২৫, ০৯:২৩ পিএম
সংবাদপত্রের গুণগত মানোন্নয়নে টাস্কফোর্স গঠন করবে সরকার: তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা
তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম। ছবি: সংগৃহীত

সংবাদপত্রের গুণগত মানোন্নয়নে টাস্কফোর্স গঠন করবে সরকার বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম।

সোমবার (২১ এপ্রিল) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের (ডিএফপি) অংশীজনের সভায় উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘টাস্কফোর্স স্বচ্ছতার সঙ্গে সংবাদপত্রের প্রকৃত প্রচারসংখ্যা নির্ধারণ, ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন, বিজ্ঞাপন হার নির্ধারণসহ সংবাদপত্রের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবে।’ 

সরকারের নীতিমালা মেনে সংবাদপত্র প্রকাশের ওপর গুরুত্বারোপ করে উপদেষ্টা বলেন, ‘যে-সব সংবাদপত্র সরকারি নীতিমালা মেনে প্রকাশিত হবে, সেসব সংবাদপত্র বিজ্ঞাপনসহ সরকারি সুবিধা পাবে।’

গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানসমূহ ট্যাক্স দেয় কিনা, সে বিষয়টিও যাচাই করা প্রয়োজন। সরকার কোনো সংবাদপত্র বন্ধ করতে চায় না, উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সংবাদপত্র প্রকাশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকটি স্তরে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে এবং বিভিন্ন সংবাদপত্রের মধ্যে প্রতিযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।’ 

তিনি বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে অনেক মন্ত্রী-এমপি বিভিন্নভাবে গণমাধ্যমের মালিক হয়েছেন। এসব গণমাধ্যমের সার্বিক অবস্থা যাচাই করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।’

সভায় গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদ বলেন, ‘যে-সব সংবাদপত্রের মধ্যে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা থাকবে না, সেসব সংবাদপত্রকে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া উচিত নয়। তিনি ইংরেজি সংবাদপত্রের জন্য পৃথক নীতিমালা করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।’

এ সময় কোনো সংবাদপত্র বন্ধ না করার জন্যও সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

সভায় চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খালেদা বেগম বলেন, ‘সংবাদপত্র নিরীক্ষা-ব্যবস্থা সংস্কার করা প্রয়োজন। ডিএফপি যেন চাপমুক্ত হয়ে স্বচ্ছতার সঙ্গে সংবাদপত্রের মানোন্নয়নে কাজ করতে পারে, সে বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।’ 

সভায় সংবাদপত্রের প্রকৃত প্রচারসংখ্যা নির্ধারণ, সংবাদপত্র নিরীক্ষা-ব্যবস্থার মানোন্নয়ন এবং সরকারি বিজ্ঞাপন প্রদানে স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠায় করণীয় বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

সভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. গীতি আরা নাসরীন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ ও দৈনিক মানবজমিনের সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস

সুমন/

ভোটের দায়িত্বে মারা গেলে ১০ লাখ টাকা পাবে পরিবার

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৮:৩৫ পিএম
ভোটের দায়িত্বে মারা গেলে ১০ লাখ টাকা পাবে পরিবার
নির্বাচন কমিশন

নির্বাচনি দায়িত্ব পালন কিংবা ভোটার তালিকা প্রণয়নের কাজে নিয়োজিত অবস্থায় কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিহত হলে তার পরিবারকে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা অনুদান দেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একইসঙ্গে আহত, অসুস্থ ও অক্ষম ব্যক্তিদের জন্যও বিভিন্ন হারে আর্থিক সহায়তার বিধান রেখে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করেছে সংস্থাটি।

বুধবার (১০ জুন) ইসি কর্মকর্তারা এ বিষয়টি জানিয়েছেন। 

ইসির উপ-সচিব রাশেদুল ইসলামের সই করা এ-সংক্রান্ত নীতিমালায় বলা হয়েছে, দায়িত্ব পালনকালে দুর্ঘটনা বা হামলায় নিহত ব্যক্তির পরিবার ১০ লাখ টাকা অনুদান পাবে। গুরুতর আহত বা স্থায়ীভাবে অক্ষম হলে দেওয়া হবে ৪ লাখ টাকা, গুরুতর আহত বা সাময়িক অক্ষমতার ক্ষেত্রে ২ লাখ টাকা এবং সাধারণ আহতদের জন্য সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা সহায়তা মিলবে।

এ ছাড়া দায়িত্ব পালনকালে আকস্মিক অসুস্থতায় মৃত্যু হলে পরিবারকে সর্বোচ্চ ৬ লাখ টাকা, গুরুতর অসুস্থ বা স্থায়ী অক্ষম ব্যক্তিকে ৩ লাখ টাকা এবং সাময়িক অসুস্থতার ক্ষেত্রে ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। ব্যয়বহুল চিকিৎসার জন্য সর্বোচ্চ ৩ লাখ এবং সাধারণ চিকিৎসার জন্য সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা অনুদানের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

অনুদান পেতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা তার পরিবারকে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় আবেদন করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে কমিশনের অনুমোদনের পর অর্থ দেওয়া হবে। ইসি কর্মকর্তাদের মতে, আগে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নীতিমালা না থাকায় অনুদান দেওয়া ও উত্তরাধিকারীদের মধ্যে অর্থ বণ্টন নিয়ে জটিলতা তৈরি হতো। নতুন নীতিমালায় সে সমস্যা দূর হবে।

অন্যদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিধিমালা সংশোধনের লক্ষ্যে আগামী সপ্তাহে কমিশন সভা অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন ইসি সচিব আখতার আহমেদ। অক্টোবরের শেষ বা নভেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে প্রয়োজনীয় বিধিমালা হালনাগাদের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে পোস্টাল ব্যালট বা অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমার মতো বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

এলিস/সালমান/ 

মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি পোশাক শিল্পের জন্য অশনি সংকেত: ড. মোস্তাফিজুর রহমান

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৮:৩১ পিএম
মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি পোশাক শিল্পের জন্য অশনি সংকেত: ড. মোস্তাফিজুর রহমান
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা ‘পারস্পরিক সহযোগিতামূলক বাণিজ্য চুক্তি’ বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য মারাত্মক আশঙ্কাজনক এবং জাতীয় স্বার্থ বিকিয়ে দেওয়ার শামিল বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও সিপিডি’র সম্মানীয় ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান।

তিনি বলেছেন, ‘তৈরি পোশাক শিল্পে লাভ হবে বলে অনেক কথার ফুলঝুরি ছড়ানো হলেও বাস্তবে এই চুক্তি পোশাক শিল্পের জন্য অশনি সংকেত। এর ফলে শ্রমিকরা বেকার হবে।’

বুধবার (১০ জুন) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মিলনায়তনে ‘সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট’ আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘অসম’ বাণিজ্য চুক্তি বাতিল এবং দেশে দেশে সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন ও যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে এই আলোচনার আয়োজন করা হয়।

ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘চুক্তির নাম দেওয়া হয়েছে পারস্পরিক সহযোগিতামূলক বাণিজ্য চুক্তি, কিন্তু বাস্তবে এটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে একতরফা চুক্তি। বাংলাদেশের মতো আর কোন দেশ এভাবে নতজানু হয়ে জাতীয় স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে এই চুক্তিতে আগ্রহী হয়নি। এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোনো মিত্র দেশও এতে স্বাক্ষর করেনি।’ তিনি আরও অভিযোগ করেন, চুক্তি চূড়ান্ত করার আগে যুক্তরাষ্ট্র অনেক অর্থনীতিবিদ, বিশেষজ্ঞ ও আইনজীবী নিয়োগ করলেও বাংলাদেশ গোপনীয়তার অজুহাতে কারও সঙ্গেই কোনো কথা বলেনি।

বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। জোটের পক্ষ থেকে সূচনা বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ জাসদের স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. মুশতাক হোসেন।

বর্তমান সংসদ ও রাজনৈতিক দলগুলোর সমালোচনা করে আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘সংসদে প্রতি মিনিটে ২ লাখ ৭২ হাজার টাকা খরচ করে অপ্রয়োজনীয় অনেক বিষয় নিয়ে হৈচৈ করা হয়েছে। অথচ এই গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনার ফুসরত মিলছে না বিএনপি, জামায়াত বা এনসিপির। এ থেকে বোঝা যায়, তারা সবাই মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় একমত।’ 

বজলুর রশীদ ফিরোজ অন্তর্বর্তী সরকারের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, সাবেক অন্তর্বর্তী সরকার দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে এই দাসত্বের চুক্তি করে গেছে। তারা এক সাম্রাজ্যবাদের কবল থেকে দেশকে আরেক সাম্রাজ্যবাদের হাতে সঁপে দিয়েছে।’

গোলটেবিল বৈঠক থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত এই বাণিজ্য চুক্তি অবিলম্বে সংসদে আলোচনা করে বাতিল করা, অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের কার্যক্রমের শ্বেতপত্র প্রকাশ এবং দেশের কোনো বন্দর বা বিমানঘাঁটি মার্কিনীদের ব্যবহার করতে না দেওয়াসহ ৫ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়।

জয়ন্ত সাহা/এসএন

ঢাকাসহ ১২ জেলায় রাত ১টার মধ্যে বজ্রবৃষ্টির আভাস

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৭:২৭ পিএম
ঢাকাসহ ১২ জেলায় রাত ১টার মধ্যে বজ্রবৃষ্টির আভাস
ছবি: সংগৃহীত

দেশের ১২ জেলায় রাত ১টার মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বুধবার (১০ জুন) বেলা ৩টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, রাজশাহী, পাবনা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, কুমিল্লা এবং সিলেট অঞ্চলগুলোর ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। 

এ ছাড়া এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

সালমান/

ধানমন্ডিতে বহুতল ভবনে আগুন

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৭:০৮ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ০৭:১১ পিএম
ধানমন্ডিতে বহুতল ভবনে আগুন
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার সাত মসজিদ রোডের ২৭ এর পশ্চিম মাথায় একটি বহুতল ভবনে আগুন লেগেছে।

নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের দুই ইউনিট।

বুধবার (১০ জুন) বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে আগুন লাগে। খবর পেয়ে মোহাম্মদপুর ফায়ার স্টেশনের দুই ইউনিট কাজ করছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার ফরিদা ইয়াসমিন।

তিনি জানান, সাত মসজিদ রোডের পাঁচ তলা ভবনের ছাদের একটি রুমে আগুন লেগেছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুই ইউনিট কাজ করছে।

ভবনে ইলেকট্রনিকস পণ্য ও বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সি প্রতিষ্ঠানের অফিস রয়েছে।

আগুনের সূত্রপাত ও হতাহতের বিষয় এখনো কিছু জানা যায় নি।

এসএন/

সংসদে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ৫ বছরের মেগা কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে সরকার

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৬:১০ পিএম
নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ৫ বছরের মেগা কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে সরকার
সংসদে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে আগামী পাঁচ বছরের জন্য একটি মেগা কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। 

তিনি বলেন, ‘সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার কর্মসূচি, ২০২৬-২৭ অর্থবছর এবং পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য পৃথক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে এবং বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।’

বুধবার (১০ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে লিখিত ও মৌখিক প্রশ্নোত্তরে এসব তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রী। 

তিনি বলেন, “প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষা জোরদারে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আওতায় নারীপ্রধান পরিবারকে মাসিক আড়াই হাজার টাকা দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ, ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ এবং ই-হেলথ কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”

প্রধানমন্ত্রী জানান, কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ৫ লাখ সরকারি চাকরি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই, শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস এবং ‘ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। হাই-টেক পার্কগুলো কার্যকর করা এবং দেশে পেপ্যাল সেবা চালুর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে নতুন প্রণোদনা ঘোষণা করে তারেক রহমান বলেন, ‘প্রবাসী বাংলাদেশি বা বিদেশি নাগরিক কেউ দেশে বিনিয়োগ নিয়ে এলে মোট বিনিয়োগের ওপর ১ দশমিক ৫ শতাংশ ইনসেনটিভ বা কমিশন দেওয়া হবে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত কিন্তু সম্ভাবনাময় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ৬ হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল গঠন করেছে, যেখান থেকে ৯ শতাংশ সুদে ঋণ পাওয়া যাবে।’

বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির অংশ হিসেবে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মুনাফা দেশে ফেরত নেওয়ার ক্ষেত্রে বিদ্যমান বাধা দূর করতে প্রয়োজনীয় আইনি সংস্কারের কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী।

সংসদে বিরোধী দলের সদস্যদের প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, ‘বর্তমান সরকার সুষম উন্নয়নে বিশ্বাস করে। সরকারি দলের মতো বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের এলাকাতেও সমানভাবে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হবে।’ 

তিনি বলেন, ‘আমরা দেশের সম-উন্নয়নে বিশ্বাস করি। সরকারি দলের পাশাপাশি বিরোধী দলের প্রতিনিধিদের এলাকাতেও সরকারের পূর্ণ সহযোগিতা থাকবে।’

একই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী। ফলে গঠনমূলক সমালোচনা গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সরকার সব সময় প্রস্তুত থাকবে।’

এলিস/সালমান/