ঢাকা ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
তারার দেশে সাইকেল যাত্রা মহেশপুর সীমান্তে পুশইন রোধে বিজিবি-আনসার-গ্রামবাসীদের যৌথ টহল কুড়িগ্রামে বিজিবির অভিযানে ১৯১ বোতল ভারতীয় মদ ও ৪২ বস্তা জিরা জব্দ সরকারদলীয় এমপিদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ফাইনালে যে একাদশ নিয়ে নামছে বাংলাদেশ সোনারগাঁওয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‌্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন রবিবার দারাজ ৬.৬ মিড-ইয়ার শপিং ফেস্টে থাকছে আকর্ষণীয় অফার, এক্সক্লুসিভ ব্র্যান্ড ডিসকাউন্ট ও পুরস্কার গোপালগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জন সচেতনতামূলক র‌্যালি যৌক্তিক মূল্যে জ্বালানি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব ফরিদপুরে আমের প্রলোভন দেখিয়ে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত আটক মাদারীপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত জাতীয় ফুটবলার রহমত মিয়ার বিরুদ্ধে স্ত্রী ও শাশুড়িকে মারধরের অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তি রামিসা হত্যা মামলার রায় রবিবার, হতাশ আছিয়ার মা ঢাকার পরিবেশ নিয়ে নিজের পরিকল্পনার কথা জানালেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বিএনপি তিন মাসে অজনপ্রিয় সরকারে পরিণত হয়েছে: আসিফ মাহমুদ ভোলায় যুবদলের নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল ভারতীয় সীমান্ত দিয়ে ১১ জনকে পুশইনের চেষ্টা, দিনাজপুরে বিজিবির বাধা কী করে বুঝবেন আপনি মেন্টালি ফিট মেসির চোট নিয়ে যা বললেন স্কালোনি হিলি সীমান্তে ভারতীয় ৫ নাগরিককে পুশইনের চেষ্টা, রুখে দিলো বিজিবি যে কারণে মুভি দেখব মহাকাশে যাচ্ছেন প্রথম শারীরিক প্রতিবন্ধী নভোচারী সময়ের সঙ্গে বদলান লিডারশিপ স্টাইল পঞ্চগড়ে পুশইনের শিকার ১০ জন, নিচ্ছে না কোনো দেশ শিবালয়ে ভিক্ষুককে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পরে চেইন ছিনতাই জীবের আবাসস্থল অধ্যায় থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান সিলেট সীমান্তে জনগণকে সাথে নিয়ে বিজিবির মাইকিং ও টহল বৃদ্ধি গাড়ির দরজা খুলতেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার সাক্ষী থাকল শহর দীর্ঘ ভ্রমণের আগে গাড়ির প্রস্তুতি
Nagad desktop

পশ্চিম রেলের কেনাকাটায় সীমাহীন দুর্নীতি

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৫, ০৮:১৬ এএম
আপডেট: ৩০ জুন ২০২৫, ০৮:২১ এএম
পশ্চিম রেলের কেনাকাটায় সীমাহীন দুর্নীতি
বাংলাদেশ রেলওয়ে

সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে কেনাকাটায় অস্বাভাবিক দাম দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের ঘটনা নতুন নয়। তবে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের ২০২১-২২ অর্থবছরের অডিট প্রতিবেদনে যে অনিয়মের চিত্র উঠে এসেছে, তা চমকে দেওয়ার মতো। মাত্র ৫০০ টাকা দামের প্রিন্টারের টোনার ক্রয়মূল্য দেখানো হয়েছে ৫ হাজার ১৯০ টাকা। বাজারমূল্যের চেয়ে ৭ গুণ বেশি দামে কেনা হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা। এমন অসংখ্য উদাহরণ মিলেছে অডিট রিপোর্টে।

অডিট প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সরকারের আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩২ লাখ ৪৫ হাজার ৩৯২ টাকা। বাজারে প্রতি পিস ৩ হাজার ৫৩০ টাকা করে পাওয়া যায় এমন ৭০টি আইপি সিসিটিভি ক্যামেরা রেলওয়ে কিনেছে ২২ হাজার ৭৯০ টাকা করে। ফটোকপি মেশিন, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, এসি- সবই কেনা হয়েছে প্রায় দ্বিগুণ বা তারও বেশি দামে।

অডিট প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, ফটোকপি মেশিন কেনা হয়েছে প্রায় দ্বিগুণ দামে। ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা দামের মেশিন কেনা হয়েছে ২ লাখ ৫৫ হাজার টাকায়। অপর একটি ফটোকপি মেশিনের বাজার দাম ৬১ হাজার টাকা হলেও কেনা হয়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৯৮০ টাকায়। ১ হাজার ২০০ টাকা দামের পানির ফিল্টার কিট কেনা হয়েছে ৩ হাজার ৫৭০ টাকায়। মিমিব্রেন কেনা হয়েছে ৯২০ টাকার জায়গায় ২ হাজার ৮৬০ টাকায়। এ ছাড়া ৪১ হাজার ৫০০ টাকার প্রজেক্টর কেনা হয়েছে ৮৩ হাজার ৯০০ টাকায়। অপর আরেকটি ৫৫ হাজার টাকার প্রজেক্টর কেনা হয়েছে ৯৯ হাজার ৫০০ টাকায়। ২১ হাজার টাকার প্রিন্টার কেনা হয়েছে ৪৭ হাজার টাকায়। ২০ হাজার টাকার স্ক্যানার মেশিন কেনা হয়েছে ৩৭ হাজার টাকায়। ৬৫ হাজার টাকার এসি কেনা হয়েছে ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকায়। এ ছাড়া ৫০০ টাকার প্রিন্টারের টোনার কেনা হয়েছে ৫ হাজার ১৯০ টাকায়।

শুধু তা-ই নয়, কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে কেনাকাটাই হয়নি। অথচ বিল হয়েছে- এমন নজিরও পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) ফরিদ আহম্মেদ বলেন, ‘আমি নতুন যোগ দিয়েছি। যোগদানের দিনই বিষয়টি সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে জেনেছি। অডিট আপত্তির জবাব আমাদের দিতে হয়। প্রাথমিক ও সেকেন্ডারি জবাবে আপত্তি থেকে গেলে তা সংসদীয় কমিটিতে যায়। কেউ দোষী হলে অবশ্যই তাকে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।’

এ বিষয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন খান মনে করেন, রেলওয়ে দুর্নীতির ‘আদর্শ ক্ষেত্র’ হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, ‘এখানে দুর্নীতির সুযোগ নিয়ে অনেক কর্মকর্তা বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, তাদের চাকরির শুরুতে ও বর্তমান সম্পদের হিসাব নেওয়া দরকার। তবেই প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসবে।’

তিনি আরও বলেন, রেলওয়ে যেন ‘দায়মুক্ত দুর্নীতির ঘাঁটি’। সে জন্য স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন জরুরি। দুদককে আরও সক্রিয় হতে হবে। অডিট নিষ্পত্তির জন্য সময়সীমা বেঁধে দেওয়া উচিত, যাতে পরবর্তী অর্থবছরের আগে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়।

সরকারদলীয় এমপিদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৫:৪৮ পিএম
সরকারদলীয় এমপিদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের সংসদীয় সভা। ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের সংসদীয় সভা শুরু হয়েছে।

শনিবার (৬ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে এ সভা শুরু হয়।

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানান।

সংসদীয় সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ নানা বিষয়ে আলোচনার কথা রয়েছে।

নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন রবিবার

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৫:৩৭ পিএম
নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন রবিবার
ছবি: সংগৃহীত

নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন বসতে যাচ্ছে রবিবার (৭ জুন)।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় এ অধিবেশন বিকেল ৩টায় শুরু হবে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এ অধিবেশন আহ্বান করেছেন।

শনিবার (৬ জুন) জাতীয় সংসদ সচিবালয় এ তথ্য জানিয়েছে। 

এর আগে গত ৭ মে সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়ার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে অধিবেশন আহ্বানের বিষয়টি জানানো হয়।

সংসদ সচিবালয় জানায়, রাষ্ট্রপতির আদেশ জারির পর অধিবেশন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুযায়ী ঢাকার শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে এ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।

মূলত এ অধিবেশনেই ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট পেশ ও পাসের কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। বাজেটকে কেন্দ্র করে সংসদ সদস্যরা সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা ও অর্থনৈতিক লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবেন।

উল্লেখ্য, প্রতি বছর জুন মাসে জাতীয় বাজেট উপস্থাপন ও আলোচনার জন্য সংসদের এ ধরনের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়, যা বাজেট অধিবেশন হিসেবে পরিচিত। এর আগে গত ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়ে ৩০ এপ্রিল শেষ হয়।

এদিকে, বাজেট অধিবেশন ঘিরে নিরাপত্তায় শনিবার থেকে (৬ জুন) রাজধানীর বেশকিছু এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র বহনসহ সব ধরনের শোভাযাত্রা-বিক্ষোভ ও মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

রিফাত/

ঢাকার পরিবেশ নিয়ে নিজের পরিকল্পনার কথা জানালেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:৫৭ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০৫:০২ পিএম
ঢাকার পরিবেশ নিয়ে নিজের পরিকল্পনার কথা জানালেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী
রাজধানীর বিজয়নগরে ‘দক্ষিণের জানালা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: বাসস

রাজধানী ঢাকার পরিবেশ নিয়ে নিজের অনুভূতি ও পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 

শনিবার (৬ জুন) দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় ‘দক্ষিণের জানালা’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে তিনি নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

মন্ত্রী বলেন, শুধু আন্দোলনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে যথাযথ পদক্ষেপের মাধ্যমে ঢাকাকে বসবাসের উপযোগী করা হবে। সরকার ও মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ব্যক্তিগত কিছু অনুভূতির কথা তুলে ধরে বলেন, মাঝেমধ্যে তার নিজেরই মনে হয় যে ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে গিয়ে থাকবেন। এর কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, ঘর থেকে বের হলেই দূষিত বাতাস ও ‘পলিউটেড অক্সিজেনের’ সম্মুখীন হতে হয়। 

মির্জা ফখরুল বলেন, সিটি করপোরেশন স্থানীয় সরকারের একটি স্বায়তশাসিত প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানে আরও গভীর চিন্তা, দেশপ্রেম ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে কাজ করার প্রয়োজন রয়েছে। শুধু নাগরিকদের সচেতন করলেই ঢাকা শহরের সমস্যার সমাধান হবে না। 

তিনি বলেন, যারা নীতি নির্ধারণ করছেন এবং শহর শাসনের দায়িত্বে আছেন, তারা কতটা পরিকল্পিতভাবে কাজ করছেন। ঢাকা শহরে হাজার হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলেও নগরবাসী কতটুকু উপকৃত হচ্ছে, তা মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বাসযোগ্য নগরী গড়তে কার্যকর পরিকল্পনা, জবাবদিহি ও কাঠামোগত পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। 

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তার ছাত্রজীবনের স্মৃতিচারণা করে বলেন, যখন তিনি ঢাকা কলেজে পড়তেন, তখন বুড়িগঙ্গায় নৌকায় চড়ে ঘুরে বেড়ানো যেত। কিন্তু বর্তমানে বুড়িগঙ্গা ও শীতলক্ষ্যা নদীর পানি এতটাই দুর্গন্ধযুক্ত যে তার কাছে যাওয়াও দায়।

তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, বুড়িগঙ্গাকে দূষণমুক্ত করার জন্য পর্যাপ্ত কার্যকর প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে না। 

প্রকল্প নেওয়ার আগে বিষয়গুলো সামনে নিয়ে এগোনো দরকার জানিয়ে তিনি বলেন, হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ড্রেন তৈরি করা হলেও পানিনিষ্কাশন সঠিকভাবে হচ্ছে না। এ ছাড়া ভূগর্ভস্থ পানির স্তর হাজার মিটার নিচে নেমে যাওয়াকে তিনি ঢাকার জন্য এক ভয়াবহ বিপদ হিসেবে উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতি ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রশাসক আবদুস সালামের সভাপতিত্বে ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিনুল ইসলাম, পরিবেশ ও পানিসম্পদ-বিশেষজ্ঞ আইনুন নিশাত, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাশার, নগরপরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক আদিল মুহাম্মদ খান অংশ নেন।

অমিয়/

ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সম্পদের বিবরণী জমা দেওয়ার নির্দেশ

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৩:৫১ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:১৭ পিএম
ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সম্পদের বিবরণী জমা দেওয়ার নির্দেশ
ছবি: সংগৃহীত

ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মাঠপর্যায়ের রাজস্ব প্রশাসনে কর্মরত কানুনগো, সার্ভেয়ার, ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ও ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব বিবরণী আগামী ২৫ জুনের মধ্যে মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সম্পদের বিবরণী চেয়ে সম্প্রতি জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

ভূমি মন্ত্রণালয় মাঠ পর্যায়ের রাজস্ব প্রশাসনে কর্মরত বিভিন্ন শ্রেণির কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব বিবরণী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দেওয়ার জন্য পুনরায় নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মাঠ পর্যায়ের ব্যবস্থাপনা ও রাজস্ব প্রশাসনে কর্মরত কানুনগো, সার্ভেয়ার, ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা, ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা, প্রসেস সার্ভার, অফিস সহায়ক, চেইনম্যান ও নিরাপত্তা প্রহরীসহ উপজেলা ভূমি অফিস, রাজস্ব সার্কেল অফিস এবং ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সব কর্মচারীর সম্পদের হিসাব নির্ধারিত ছকে মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর জন্য পূর্বে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

তবে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদধারীদের এ তালিকার বাইরে রাখা হয়েছে।

ভূমি মন্ত্রণালয় জানায়, সরকারি কর্মচারীদের সম্পদের তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সরকারি চাকরিতে কর্মরত কর্মকর্তাদের সম্পদ অর্জন ও আর্থিক অবস্থার তথ্য নিয়মিতভাবে সংরক্ষণ ও পর্যালোচনার অংশ হিসেবেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, বিশেষ করে মাঠ পর্যায়ের রাজস্ব প্রশাসনে কর্মরত কানুনগো, সার্ভেয়ার, ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এবং ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব বিবরণী এখনো পাওয়া যায়নি। ফলে সংশ্লিষ্ট সব জেলা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য প্রেরণ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে কোনো ধরনের গাফিলতি গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়েছে চিঠিতে। 

এ নির্দেশনার মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের ভূমি প্রশাসনে কর্মরত কর্মকর্তাদের সম্পদ সংক্রান্ত তথ্য হালনাগাদ ও কেন্দ্রীয়ভাবে সংরক্ষণের কার্যক্রম আরও জোরদার হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পাশাপাশি সরকারি প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আমান/

জাতিসংঘের সর্বোচ্চ সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশের ৬ শান্তিরক্ষী

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০১:৪২ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০২:১১ পিএম
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশের ৬ শান্তিরক্ষী
ছবি: সংগৃহীত

সুদানে জাতিসংঘের দায়িত্ব পালনকালে প্রাণ হারানো বাংলাদেশের ছয় শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর জাতিসংঘের মর্যাদাপূর্ণ ‘ড্যাগ হ্যামারশোল্ড মেডেল’ প্রদান করা হয়েছে। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

শুক্রবার (৫ জুন) আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত স্মারক অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত সালাউদ্দিন নোমান চৌধুরীর হাতে পদকগুলো তুলে দেন।

পদকপ্রাপ্ত বাংলাদেশি ছয় শান্তিরক্ষী হলেন- কর্পোরাল মো. মাসুদ রানা, প্রাইভেট মো. জাহাঙ্গীর আলম, প্রাইভেট মো. সবুজ মিয়া, প্রাইভেট মো. মোমিনুল ইসলাম, প্রাইভেট শামীম রেজা এবং প্রাইভেট সান্তো মন্ডল।

২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর সুদানের কাদুগলির আবেই অঞ্চলে জাতিসংঘের অন্তর্বর্তী নিরাপত্তা বাহিনীতে (ইউএনআইএসএফএ) দায়িত্ব পালনকালে এক ড্রোন হামলায় তারা নিহত হন।

জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনকালে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকারী সামরিক, পুলিশ ও বেসামরিক সদস্যদের মরণোত্তর ড্যাগ হ্যামারশোল্ড মেডেল প্রদান করা হয়।

দায়িত্ব পালনকালে প্রাণ হারানো শান্তিরক্ষীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের স্মরণে অনুষ্ঠানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন জাতিসংঘ মহাসচিব। এ সময় এক মিনিট নীরবতাও পালন করা হয়।

চলতি বছর শান্তিরক্ষা দায়িত্ব পালনকালে প্রাণ হারানো জাতিসংঘের ৩৩টি সদস্য রাষ্ট্রের ৬৮ জন সামরিক, পুলিশ ও বেসামরিক শান্তিরক্ষীকে ড্যাগ হ্যামারশোল্ড মেডেল প্রদান করা হয়েছে।

অনুষ্ঠান শেষে রাষ্ট্রদূত সালাউদ্দিন নোমান চৌধুরী জাতিসংঘ সদর দপ্তরের শোকবইয়ে স্বাক্ষর করে নিহত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

আমান/