সচিবালয়ে একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রবিবার (৫ অক্টোবর) থেকে প্রতিটি মন্ত্রণালয়, ক্যান্টিনেও এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রবেশ পথে চেকিং করা হচ্ছে এবং কেউ প্লাস্টিক নিয়ে প্রবেশ করলে তাদের কাগজের ব্যাগ দেয়া হচ্ছে।
বন, পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, এটি ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পর্যবেক্ষন করা হবে।
উপদেষ্টা আরও বলেন, সরকারি অফিসগুলো যেন একবার ব্যবহার্য্য প্লাস্টিক থেকে সরে আসে সে যাত্রা শুরু হলো সচিবালয় থেকে। এরইমধ্যে আমরা সকল মন্ত্রণালয়ে বিষয়টি চিঠি দিয়ে জানিয়েছি। আশা করছি সবাই এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছেন।
তিনি বলেন, আমরা ক্যাবিনেট সচিবের সঙ্গে অন্যান্য সচিবদেরকে নিয়ে মিটিং করেছি, সেখানে এ কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি একজন অতিরিক্ত সচিবকে প্রত্যেক মন্ত্রণালয়ে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বলে এসেছেন এ বিষয়ে। শুধু তাই নয় বাইরে থেকেও যাতে কেউ প্লাস্টিক নিয়ে না আসে সে বিষয়েও প্রবেশ পথে বলা হয়েছে।
রবিবার থেকে যাত্রা শুরু হলো। তিনি বলেন, আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই উদ্যোগ নিয়মিত মনিটর করবো। এটা অভ্যাসের বিষয়। আশা করি ১ জানুয়ারি থেকে সচিবালয় সম্পূর্নভাবে একবার ব্যবহার্য্য প্লাস্টিক বন্ধ হবে। পানির বোতল শুরু থেকেই নিরুৎসাহিত করছি। তারপরও অনেক মন্ত্রণালয় বছরের শুরুতে অনেক বোতল কিনে ফেলে। আমরা যে নানা মিটিং করি সেখানে এখন আর প্লাস্টিক বোতল দেয়া হয়না।
পহেলা জানুয়ারি থেকে আর প্লাস্টিক বোতল দেখা যাবেনা। সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক দেশে নিষিদ্ধ না আমরা শুধু এটা ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করছি। সরকারি লেভেলে যদি সফল হতে পারি। এর আগেও অনেক বিশ্ববিদ্যালয় ও দূতাবাস তাদের আঙ্গিনা সিঙ্গেল ব্যবহার বন্ধ করা হয়েছে।
এর আগে শনিবার (৪ অক্টোবর) বন পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করা এসব পণ্য বন্ধে অনুসরণীয় উদাহরণ সৃষ্টি করতে সরকার এ পদক্ষেপ নিয়েছে। আরো বলা হয়, সচিবালয়ের সব প্রবেশপথে চেকিং করা হবে। ভেতরে পলিথিন বা একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক পাওয়া গেলে তার ব্যবহার রোধ করা হবে। যাদের কাছে নিষিদ্ধ ব্যাগ পাওয়া যাবে, তাদের কাগজের ব্যাগ দেওয়া হবে। প্রবেশপথসহ সচিবালয়ের বিভিন্ন জায়গায় সচেতনতার জন্য বোর্ড বসানো হয়েছে। পুরো বিষয়টি পর্যবেক্ষণে মনিটরিং টিম কাজ করছে।
তপন/এসএন