ঢাকা ৯ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি ও সংসদ কক্ষের শৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ বিরোধীদলীয় নেতার পোশাক ছাড়া গোসল করলে ওজু থাকবে কি? গুজব ও বিচারাধীন ইস্যুতে সংসদের সময় নষ্ট না করার আহ্বান স্পিকারের চালের বাজারে কারসাজি ঠেকাতে কঠোর নজরদারি চলছে: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী নতুন ও প্রথম আয়কর রিটার্ন  দাখিলকারীর প্রতি পরামর্শ সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জিএম কাদেরের নিন্দা ও উদ্বেগ অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডব্লিউইএফ প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ ওয়ান ব্যাংক থেকে নগদে তাৎক্ষণিক টাকা পাঠানোর সেবা চালু Wisdom of King Soloman বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র শুধু সাফল্য নয়, অনিয়মও তুলে ধরুন—সাংবাদিকদের প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী উন্নত স্বাস্থ্যসেবা ও বিশেষ সুবিধা নিশ্চিতে মাস্টারকার্ড ও অ্যাসেন্ট হেলথ লিমিটেডের অংশীদারিত্ব ক্যালিফোর্নিয়ার আকাশে বাংলাদেশের রং নায়িকা ববি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বললেন বাশার তার স্বামী নন ইউল্যাবে জেন্ডার সমতা, সামাজিক ন্যায়বিচার বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত পানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে এশিয়ার দেশগুলোর সম্মিলিত উদ্যোগের তাগিদ স্পিকারের সাহিত্যের খেলা প্রবন্ধর ৪০টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র প্রাইভেট ব্যাংকে চাকরির সুযোগ সিয়াটলে যাওয়ার অনুমতি পেল না মিশর ডিবি পরিচয়ে ব্যবসায়ীর বাড়িতে তাণ্ডব, আসবাবপত্র ভাঙচুরের পর লুটপাট জর্ডান ম্যাচে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্কালোনির লক্ষ্মীপুরে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে যুবদলের বিক্ষোভ পোড়া ক্ষত সারাতে তেলাপিয়া মাছের চামড়া, চিকিৎসাবিজ্ঞানে নতুন সম্ভাবনা দাউদকান্দি পৌরসভার ৪৩ কোটি টাকার উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা ব্র্যাকের প্রশিক্ষণ শেষে নারীরা পেলেন পেশাদার চালকের সনদ সিএনজি সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য: জিম্মি যাত্রীরা বিপৎসীমার ওপরে তিস্তার পানি, নিম্নাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী অসামান্য গদ্যশৈলীর রূপকার টেকনাফে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে আহত ১০ মুক্তমঞ্চে খেলা দেখা নিয়ে শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ রোবোটিক্স প্রতিযোগিতায় চ‍্যাম্পিয়ন লিডিং ইউনিভার্সিটি দল

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক থমকে আছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রকাশ: ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:২৮ পিএম
ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক থমকে আছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
সাংবাদিকদের উদ্দেশে কথা বলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। ছবি: খবরের কাগজ

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক থমকে থাকার কথা স্বীকার করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। 

তিনি বলেন, ‘নানা কারণে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এই সম্পর্ক খুব একটা মসৃণ ছিল না।’ তবে নতুন যে সরকার আসবে তারা এই অচলাবস্থা কাটিয়ে এগিয়ে নিতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে বিদায়ী মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তৌহিদ হোসেন।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে আমরা ভালো সম্পর্কের কথা বলে আসছি। এটুকু বলতে পারি, আমার দিক থেকে এবং আমার ওপরে যিনি ছিলেন- প্রধান উপদেষ্টা বা সরকারের যে মতামত এতে কোনো দ্বন্দ্ব নেই। পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং দায়দায়িত্বের জায়গা থেকে আমরা আসলেই ভারতের সঙ্গে একটা ভালো সম্পর্ক চেয়েছি। এটা আমরা সব সময় চেয়েছি। সম্পর্ক প্রত্যাশিত মাত্রায় না পৌঁছালেও সফল হয়েছি এটা ঠিক বলতে পারি না। আমি বলব না যে বিরাট কোনো সংকট সৃষ্টি হয়েছে। তবে সম্পর্কটা থমকে আছে।’

এই পরিস্থিতির জন্য কাউকে এককভাবে দায়ী করতে চান না তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, ‘ভারত নিশ্চয় তাদের স্বার্থ যেভাবে চিন্তা করে সেভাবে করেছে। আমরা আমাদের স্বার্থ ভেবেছি এবং সেভাবে করার চেষ্টা করেছি। দুটো ঠিক অনেক ক্ষেত্রে মেলেনি। আমাদের দুই পক্ষের নিজস্ব স্বার্থের ধারণার মধ্যে একটা তফাত রয়ে গেছে, যার কারণে অনেক ক্ষেত্রে আমরা এগোতে পারিনি।’

রবিউল/এসজি/

মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি ও সংসদ কক্ষের শৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ বিরোধীদলীয় নেতার

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৭:০১ পিএম
মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি ও সংসদ কক্ষের শৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ বিরোধীদলীয় নেতার
বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার সময় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি এবং সংসদ কক্ষের শৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। এ বিষয়ে তিনি সংসদের কার্যকারিতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, সংসদ অধিবেশনের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনও রাষ্ট্রীয় কাজ নেই এবং সংসদীয় কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের উপস্থিত থাকা অত্যন্ত জরুরি।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৩তম দিন পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, সংসদকে কার্যকর ও প্রাণবন্ত রাখতে শুরু থেকেই স্পিকার সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে আসছেন। কিন্তু বাস্তবে অনেক সময় দেখা যায়, কোনও মন্ত্রণালয় নিয়ে আলোচনা হলেও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী বা দায়িত্বশীল প্রতিনিধি সংসদ কক্ষে উপস্থিত থাকেন না।

তিনি বলেন, সংসদ সদস্যরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন। সেসব বক্তব্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের সরাসরি শোনা প্রয়োজন। বিশেষ করে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা যদি নিয়মিত উপস্থিত না থাকেন, তাহলে সংসদীয় আলোচনার কার্যকারিতা কমে যায় এবং জবাবদিহিও দুর্বল হয়ে পড়ে।

সংসদ কক্ষের শৃঙ্খলার বিষয়েও প্রশ্ন তুলে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, অধিবেশন চলাকালে অনেক সময় কয়েকজন সদস্যকে ছোট ছোট দলে আলাদা আলোচনা করতে দেখা যায়। এতে সংসদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুসরণ করতেও অন্য সদস্যদের অসুবিধা হয়। একদিকে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে, অন্যদিকে আলাদা বৈঠকের মতো পরিবেশ তৈরি হওয়া সংসদের শৃঙ্খলা ও ডিসেন্সির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

জবাবে স্পিকার বলেন, বিরোধীদলীয় নেতার উত্থাপিত বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাজেট অধিবেশনে স্বাস্থ্য, আইন-শৃঙ্খলা, স্থানীয় সরকারসহ বিভিন্ন খাত নিয়ে আলোচনা হয়। এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের উপস্থিত থেকে সংসদ সদস্যদের বক্তব্য শোনা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, “আমি আবারও তাগিদ দিচ্ছি— কোনও রাষ্ট্রীয় কাজ সংসদ অধিবেশনের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়। সব রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডের মধ্যে সংসদ অধিবেশনই সর্বোচ্চ গুরুত্ব বহন করে।”

স্পিকার আরও বলেন, মন্ত্রীদের উচিত যথাসময়ে সংসদে উপস্থিত থাকা, নিজ নিজ মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সংসদ সদস্যদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং উত্থাপিত সমস্যাগুলোর সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া।

সংসদ কক্ষের শৃঙ্খলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মাঝেমধ্যে ছোট ছোট দলে আলোচনা, আসন ছেড়ে অন্যত্র গিয়ে কথাবার্তা বলা এবং এমনকি ‘ফ্লোর ক্রসিং’-এর ঘটনাও তার নজরে এসেছে। তিনি সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ আসনে বসে কার্যক্রমে অংশ নেওয়া এবং সংসদের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

প্রসঙ্গত, সোমবার জাতীয় সংসদে চিফ হুইপ জানিয়েছিলেন, বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যস্ত থাকায় কয়েকজন মন্ত্রী সংসদে উপস্থিত থাকতে পারেননি। পরে পয়েন্ট অব অর্ডার নিষ্পত্তির পর ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনা শুরু হয়।

এলিস/নাঈম

গুজব ও বিচারাধীন ইস্যুতে সংসদের সময় নষ্ট না করার আহ্বান স্পিকারের

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৬:৫২ পিএম
গুজব ও বিচারাধীন ইস্যুতে সংসদের সময় নষ্ট না করার আহ্বান স্পিকারের
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। ছবি: সংগৃহীত

সাম্প্রতিক বিভিন্ন আলোচিত বক্তব্য ও গুজব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ। তবে এসব বিষয়কে পয়েন্ট অব অর্ডারের আওতাভুক্ত নয় উল্লেখ করে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, গুজব কিংবা বিচারাধীন বিষয় নিয়ে সংসদের মূল্যবান সময় ব্যয় করা যাবে না।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৩তম দিন  পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিষয়গুলো উত্থাপন করেন পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ।

তিনি বলেন, বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা ও সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস দেশের একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ এবং সংসদের অভিজ্ঞ সদস্য। তার বর্তমান শারীরিক অবস্থা, শপথ গ্রহণসংক্রান্ত পরিস্থিতি এবং কবে সংসদে যোগ দিতে পারবেন— এ বিষয়ে সংসদকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা প্রয়োজন।

এ সময় তিনি সরকারদলীয় দুই সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে আলোচিত ঋণখেলাপি ও মামলাসংক্রান্ত বিষয়গুলোর বর্তমান অবস্থাও জানতে চান। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য এবং শরীফ ওসমান হাদিকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিচারসংক্রান্ত আলোচনা ও গুজবের বিষয়েও সরকারের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা দেওয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন।

জবাবে স্পিকার বলেন, মির্জা আব্বাস ইতোমধ্যে সংসদ সচিবালয়কে চিঠি দিয়ে তার শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থার ক্রমাগত উন্নতি হচ্ছে এবং তিনি সুস্থ হয়ে যথাসময়ে সংসদে যোগ দেবেন।

গুজব ও বিচারাধীন বিষয় প্রসঙ্গে স্পিকার আরও বলেন, “কে কী বলেছে বা কার সম্পর্কে কী বলা হয়েছে এসব নিয়ে জাতীয় সংসদের সময় নষ্ট করা যায় না। যেসব বিষয় আদালতে বিচারাধীন রয়েছে, সেসব বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্তের পর প্রয়োজনীয় তথ্য জানানো হবে। কারও সংসদ সদস্যপদ নিয়ে সাংবিধানিক বা আইনি কোনও সিদ্ধান্ত হলে সংসদকে যথাসময়ে তা অবহিত করা হবে।”

এ সময় চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেন, আদালতে বিচারাধীন বিষয় এবং গুজব নিয়ে সংসদে আলোচনা করার সুযোগ নেই। পয়েন্ট অব অর্ডারের নামে যাতে সংসদের মূল্যবান সময় অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ে ব্যয় না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

পরে স্পিকার সংসদ সদস্যদের চলমান ও সংসদ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পয়েন্ট অব অর্ডার উত্থাপনের আহ্বান জানান এবং অপ্রয়োজনীয়ভাবে সংসদের সময় ব্যয় না করার পরামর্শ দেন।

এলিস/নাঈম

চালের বাজারে কারসাজি ঠেকাতে কঠোর নজরদারি চলছে: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৬:৪৯ পিএম
চালের বাজারে কারসাজি ঠেকাতে কঠোর নজরদারি চলছে: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী
খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। ছবি: সংগৃহীত

চালের বাজারে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি এবং কৃত্রিম সংকট তৈরির অপচেষ্টা ঠেকাতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। তিনি বলেন, বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত মনিটরিংয়ের পাশাপাশি অবৈধ মজুতদার ও বাজার কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) জাতীয় সংসদে নওগাঁ-৩ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য মো. ফজলে হুদার টেবিলে উত্থাপিত এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

খাদ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বর্তমান সরকার বাজারে চালের দাম স্থিতিশীল রাখতে বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে সার্বক্ষণিক বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।”
তিনি জানান, নিম্নআয়ের ও হতদরিদ্র মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল যথাসময়ে ও সঠিকভাবে বিতরণ নিশ্চিত করতে সরকার ডিজিটাল ব্যবস্থাপনায় যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে। এ জন্য খাদ্যবান্ধব ডাটাবেজের মাধ্যমে চাল বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ডিজিটাল পদ্ধতির মাধ্যমে উপকারভোগীদের তথ্য সংরক্ষণ ও যাচাই সহজ হবে। এতে প্রকৃত সুবিধাভোগীরা নির্ধারিত সময়ে খাদ্য সহায়তা পাবেন এবং বিতরণ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়বে।

সংসদে দেওয়া তথ্যে তিনি বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম আরও জোরদার করছে। বিশেষ করে মূল্যস্ফীতির প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত নিম্নআয়ের মানুষের চাপ কমাতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিকে কার্যকর রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাজারে চালের সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের বিভিন্ন সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে। একই সঙ্গে বাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি ও অভিযানও পরিচালনা করা হচ্ছে।

এলিস/এসএন

অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডব্লিউইএফ প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৬:৩১ পিএম
অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডব্লিউইএফ প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ
ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও সিইও এবং প্রধানমন্ত্রী | ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগি।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় চীনের দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে আলোইস জভিংগি সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশের মতো অন্যান্য ডেল্টা রাষ্ট্র এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর সহযোগিতায় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামকে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ আগামী পাঁচ বছরে ২৫০ মিলিয়ন বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল পুনঃখননের মাধ্যমে পানির প্রবাহ পুনরুদ্ধার, বন্যার ঝুঁকি হ্রাস এবং পরিবেশ সুরক্ষায় বাংলাদেশের উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

তিনি আরও জানান, নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে উৎসাহ প্রদানের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে কর-সুবিধা প্রদান করেছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

আলোইস জভিংগি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিজ্ঞতা ও উদ্যোগকে বৈশ্বিক পরিসরে কাজে লাগানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

আলোইস জভিংগি বলেন, বাংলাদেশের জলবায়ু সহনশীলতা ও টেকসই উন্নয়ন উদ্যোগ আন্তর্জাতিক অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান ও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ তৈরি করবে।

তিনি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে উত্থাপিত বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দিয়ে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।

আলোইস জভিংগি প্রধানমন্ত্রীকে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান।

এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।

এসএন/

শুধু সাফল্য নয়, অনিয়মও তুলে ধরুন—সাংবাদিকদের প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৬:১২ পিএম
শুধু সাফল্য নয়, অনিয়মও তুলে ধরুন—সাংবাদিকদের প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী
কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াসিন। ছবি: সংগৃহীত

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ সাংবাদিকদের প্রতি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের ইতিবাচক অর্জনের পাশাপাশি অনিয়ম, সীমাবদ্ধতা ও নেতিবাচক দিকগুলোও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সচিবালয়ে নিজ দফতরে ফিশারিজ অ্যান্ড লাইভস্টক জার্নালিস্টস ফোরামের (এফএলজেএফ) নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎকালে এফএলজেএফের সভাপতি তরিকুল ইসলাম সুমন এবং সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান সংগঠনের পক্ষ থেকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের টেকসই উন্নয়ন ও গণমাধ্যমের কার্যকর ভূমিকা বিষয়ে বিভিন্ন প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।

এ সময় মন্ত্রী সাংবাদিকদের মতামত মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং খাতটির বিদ্যমান নানা চ্যালেঞ্জ ও সীমাবদ্ধতার বিষয়েও আলোচনা করেন। তিনি বলেন, মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন দপ্তরগুলোর সাফল্যের খবর যেমন গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়া প্রয়োজন, তেমনি সমস্যা ও দুর্বলতাগুলোও তুলে ধরা উচিত। এতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত হবে এবং সেবার মান আরও উন্নত হবে।

সৌজন্য সাক্ষাৎকালে মন্ত্রীর একান্ত সচিব পঙ্কজ বড়ুয়া, সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মো. মামুন হাসান এবং সহকারী একান্ত সচিব মো. আমিনুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া এফএলজেএফের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ নঈমুদ্দীন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বায়েজীদ মুন্সী, অর্থ সম্পাদক শাহজাহান মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত আলী, দপ্তর সম্পাদক মো. বেলাল হোসেন, কার্যনির্বাহী সদস্য কাওসার আজম, নাসির উদ্দিন, শাহাদাৎ হোসেন বিপ্লব এবং সদস্য গোলাম সামদানি ভূঁইয়া ও আরিফুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

তপন/এসএন