গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় তার এই ভাষণ শুরু হয়।
এর আগে, বিকেলে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক সাংবাদিকদের সিইসির ভাষণের বিষয়টি জানান।
ইসি সূত্র জানায়, আসন্ন নির্বাচন ও গণভোটের প্রাক্কালে ভোটারদের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে এ ভাষণ দিচ্ছেন সিইসি। ভাষণে নির্বাচন সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রস্তুতি, ভোটারদের করণীয়, ভোটকেন্দ্রে উপস্থিতি, নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং ভোট গণনার স্বচ্ছতা নিয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে বলে ইসি সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
জনসংযোগ পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভাষণটি বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি), বাংলাদেশ বেতারসহ সব বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে একযোগে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। পাশাপাশি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে ভাষণের অংশবিশেষ প্রচার করা হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, ভাষণে ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানানো হবে। ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার সময় প্রয়োজনীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখার অনুরোধ, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের নির্দেশনা মানা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। একই সঙ্গে গুজব ও ভুয়া তথ্য থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হতে পারে।
গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হওয়ায় ভোটারদের জন্য কিছু অতিরিক্ত নির্দেশনা থাকতে পারে ভাষণে।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, দুই ধরনের ব্যালট ব্যবহারের পদ্ধতি, ভোটকক্ষে প্রবেশ ও বের হওয়ার নিয়ম এবং ভোটের গোপনীয়তা রক্ষার বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হবে।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সারা দেশে গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকে ঘিরে সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক মোতায়েন রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা, ব্যালট পরিবহন, ফলাফল সংগ্রহ ও ঘোষণা-সব ক্ষেত্রেই বিশেষ নজরদারি রাখা হয়েছে।
ইসি কর্মকর্তারা মনে করছেন, সিইসির এ ভাষণ ভোটারদের মধ্যে আস্থা ও উৎসাহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
নির্বাচন কমিশনের মতে, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে কমিশন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে রয়েছে এবং ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণই নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করবে।
এলিস/এসজি/