ঢাকা ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি দাসত্বের আদেশনামা, বাজেটে ঠাঁই হয়নি শ্রমিক-কৃষকের: ওয়ার্কার্স পার্টি এজিই তৈরি করবে জেফ বেজোসের এআই স্টার্টআপ গোপালগঞ্জে ১০ শয্যার আইসিইউ উদ্বোধন: ১০ ভেন্টিলেটরের ৯টিই নষ্ট! মায়ের সঙ্গে অভিমান করে ভারতে যাওয়া সেই কিশোরীকে ফেরত রোমানিয়ার নেতৃত্বে নতুন মুখ, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত আদ্রিয়ান ভেস্তেয়া ‘নতুন কুঁড়ি’ জাতীয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে যাওয়ার বাতিঘর: কবীর আহমেদ ভূঁইয়া প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ১১টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র সফল হয়েও অপরাধবোধে ভোগেন? জেনে নিন ১০টি লক্ষণ সীমান্তে বৃদ্ধকে পুশইনের চেষ্টা, জয়পুরহাটে উত্তেজনা ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে চার শিশুর মৃত্যু কুড়িগ্রাম সীমান্ত দিয়ে ৯ জনকে পুশইনের চেষ্টা গণমাধ্যমকে অন্ধকার থেকে মুক্ত আকাশে বের করেছেন শহিদ জিয়া: তথ্যমন্ত্রী জাহাঙ্গীরনগরে শিবিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ছাত্রদলের বিক্ষোভ যুদ্ধবিরতি আলোচনায় তেহরানে কাতারের প্রতিনিধি দল বন্ধুর ফাঁদে কিশোরী, দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩ কৃষি খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিন শাকিব, পূর্ণিমার ‘চাঁদ তারার গুঞ্জরণ’ মানবতার এক ফোঁটা রক্ত জীবন বাঁচায় নতুন রূপে ফিরছে ঐতিহ্যবাহী আগ্রাবাদ জাম্বুরী মাঠ দেশব্যাপী ‘Go For Gold’ রাইডিং ক্যাম্প শুরু করল উত্তরা মোটর্স প্রযুক্তিকে কাজে লাগানো গেলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের বেসরকারি সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম দ্বিতীয় পত্র ধামরাইয়ে সরকারি টাকায় ব্যক্তিগত যাত্রী ছাউনি, উপকার হচ্ছে না যাত্রীদের উদ্ভাবনের উৎসবের পর্দা নামল মাগুরায়, জাতীয় পর্যায়ে লড়বে বিজয়ী দল বেনজীরকে দ্রুত ফেরাতে সরকার কাজ করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বকাপ উন্মাদনায়ও রুটিন থাকুন নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রামে ২০০ দোকান উচ্ছেদ চিংড়ির ভিন্ন স্বাদে চীনে ক্রায়োজেনিক প্রযুক্তিতে রকেট ট্যাংক ডোমের উৎপাদনে সাফল্য বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকে চাকরির সুযোগ
Nagad desktop

কাফনের কাপড় পরে বিক্ষোভ, হেয়ার কাট বাতিল করে স্বাভাবিক ব্যাংকিংয়ের দাবি

প্রকাশ: ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫২ এএম
আপডেট: ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৪ এএম
কাফনের কাপড় পরে বিক্ষোভ, হেয়ার কাট বাতিল করে স্বাভাবিক ব্যাংকিংয়ের দাবি
ছবি: খবরের কাগজ

হেয়ার কাট বাতিল করে সুদসহ পুরো টাকা ফেরত পাওয়ার পাশাপাশি স্বাভাবিক ব্যাংকিংয়ের দাবিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান ফটকের সামনে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন পাঁচ ব্যাংক একীভূত হয়ে গঠিত হওয়া সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীরা। এ সময় পদ্মা ব্যাংকের আমানতকারীরাও তাদের সঙ্গে যোগ দেন। এ সময় ‘তুমি কে আমি কে, আমানতকারী, আমানতকারী’সহ তাদের বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। এদিকে আমানতকারীদের বিক্ষোভ চলাকালে বাংলাদেশ ব্যাংক সংবাদ সম্মেলন করে জানায়, কোনো গ্রাহক অসুস্থ থাকলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখিয়ে নিজ নিজ ব্যাংক থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত তুলতে পারবেন।

একীভূত করা ব্যাংক পাঁচটি হলো ইউনিয়ন, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, গ্লোবাল, সোশ্যাল ইসলামী ও এক্সিম ব্যাংক। এই ব্যাংকের আমানতকারীরা দীর্ঘদিন ধরে নানা কর্মসূচি পালন করে আসছেন। এসব ব্যাংকের ২০২৪ ও ২০২৫ সালের আমানতের ওপর ৪ শতাংশ করে সুদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে, যা ‘হেয়ার কাট’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে কাফনের কাপড় পরে তারা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। ‘ভুক্তভোগী আমানতকারী অ্যাসোসিয়েশন’-এর ব্যানারে আয়োজিত কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে অনেকেই ব্যাংকিংব্যবস্থার ওপর আস্থা হারানোর কথা জানান। এ সময় বক্তারা অভিযোগ করেন, সাবেক গভর্নরের সিদ্ধান্তে আমানতের ওপর গত দুই বছরের ৪ শতাংশ করে মুনাফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা অমানবিক ও অন্যায্য। অনেক আমানতকারী এসব ব্যাংক থেকে মূলধন ও মুনাফা তুলতে পারছেন না। এতে অনেকেই কষ্টে জীবনযাপন করছেন। তারা ‘হেয়ার কাট’ সিদ্ধান্ত বাতিল করে মুনাফাসহ পুরো আমানতের অর্থ ফেরত দেওয়ার দাবি জানান। পাশাপাশি স্বাভাবিক লেনদেন শুরুর দাবি জানান।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া এক আমানতকারী বলেন, ‘ডাকাতের ভয়ে ঘরে টাকা রাখিনি, ব্যাংকে রেখেছিলাম। এখন দেখি এখানেও ডাকাত! তাহলে আমরা কোথায় যাব?’

ইউনিয়ন ব্যাংকের এক গ্রাহক জানান, মেয়াদ শেষ হলেও তিনি নিজের ডিপোজিটের টাকা তুলতে পারছেন না। এতে ঈদের সময় ব্যবসা পরিচালনায় সমস্যায় পড়েছেন। তিনি বলেন, ‘নিজের জমানো টাকা তুলতে না পারা–এটা আমাদের জন্য বড় শাস্তি।’

নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা আরেক গ্রাহক অভিযোগ করেন, ব্যাংকের ভেতরে অনিয়ম ও যোগসাজশের মাধ্যমে ঋণের নামে অর্থ লুটপাট হয়েছে। তাদের দাবি, দায়ীদের সম্পদ বিক্রি করে হলেও আমানত ফেরত নিশ্চিত করতে হবে।

এদিকে আমানতকারীদের বিক্ষোভ চলাকালেই বাংলাদেশ ব্যাংক সংবাদ সম্মেলন ডাকে। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক ও সহকারী মুখপাত্র শাহরিয়ার সিদ্দিক বলেন, কোনো গ্রাহক অসুস্থ থাকলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখিয়ে নিজ নিজ ব্যাংক থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত তুলতে পারবেন। এর বেশি অর্থের প্রয়োজন হলে বাংলাদেশ ব্যাংককে জানাতে হবে। এ বিষয়ে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের প্রশাসকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গ্রাহক সত্যিই অসুস্থ কি না, তা যাচাই-বাছাই করা হবে। কেউ টাকা তুলতে না পারলে বাংলাদেশ ব্যাংকে অভিযোগ জানাতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, আমানতকারীদের টাকা ধাপে ধাপে ফেরত দেওয়া হবে। আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দিতে একটি নির্দিষ্ট স্কিম প্রণয়ন করা হয়েছে এবং সেই অনুযায়ী ধাপে ধাপে আমানত ফেরত দেওয়ার কার্যক্রম চলছে। সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের আমানত ফেরত পেতে আরও কিছুটা ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে শাহরিয়ার সিদ্দিক বলেন, স্কিম অনুযায়ী আমানতকারীরা প্রথম দিন থেকেই ন্যূনতম দুই লাখ টাকা পর্যন্ত তুলতে পারছেন। পরবর্তী ধাপে প্রতি তিন মাস পরপর এক লাখ টাকা করে তোলা যাবে। এভাবে ধাপে ধাপে সর্বোচ্চ ২১ মাসের মধ্যে পুরো অর্থ উত্তোলনের সুযোগ রাখা হয়েছে।

তিনি জানান, শুধু সাধারণ সঞ্চয়ী বা চলতি হিসাব নয়, এফডিআর (মেয়াদি আমানত) ও ডিপিএসসহ বিভিন্ন ধরনের আমানতের ক্ষেত্রেও অর্থ ফেরতের ব্যবস্থা নির্ধারণ করা হয়েছে। যেসব এফডিআর বা ডিপিএস মেয়াদপূর্তির সময়ে পৌঁছাবে, সেগুলো থেকে প্রাথমিকভাবে এক লাখ টাকা উত্তোলন করা যাবে। বাকি অর্থ নতুন করে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী নবায়ন করা হবে। প্রতিবার নবায়নের সময় আমানতকারী তাদের মুনাফা তুলে নেওয়ার সুযোগ পাবেন, যদিও মূল অর্থ অপরিবর্তিত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, তিন মাস মেয়াদি আমানতের ক্ষেত্রে তিনবার নবায়নের সুযোগ থাকবে। ছয় মাস মেয়াদি আমানতের ক্ষেত্রে দুবার এবং এক বছর বা দুই বছর মেয়াদি আমানতের ক্ষেত্রেও নির্ধারিত সময় অনুযায়ী পুনঃনবায়নের মাধ্যমে ধাপে ধাপে অর্থ উত্তোলনের সুযোগ থাকবে।

এর আগে গত ৩০ মার্চ দেশে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে দেশের শীর্ষস্থানীয় শরিয়াহ্‌ বিশেষজ্ঞদের ‘ইসলামী ব্যাংকিংয়ের বর্তমান পরিস্থিতি, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেও শরিয়াহ্‌ বিশেষজ্ঞরা সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ারের অস্তিত্ব ও বাজারমূল্য স্বীকার করা এবং তাদের অসন্তোষ দূর করার পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

গোপালগঞ্জে ১০ শয্যার আইসিইউ উদ্বোধন: ১০ ভেন্টিলেটরের ৯টিই নষ্ট!

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৬:২৫ পিএম
গোপালগঞ্জে ১০ শয্যার আইসিইউ উদ্বোধন: ১০ ভেন্টিলেটরের ৯টিই নষ্ট!
ছবি: খবরের কাগজ

গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে বহুল প্রতীক্ষিত ১০ শয্যার আইসিইউ (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) বিভাগের উদ্বোধন করা হয়েছে। তবে, উদ্বোধনের পরপরই ২০২০ সালে ক্রয় করা ১০টি শয্যার মধ্যে ৯টি ভেন্টিলেটরই অকেজো থাকার বিষয়টি সামনে এলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ সংশ্লিষ্টরা।

রবিবার (১৪ জুন) দুপুরে গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে এ আইসিইউ বিভাগের উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধন শেষে ডা. কে এম বাবর বলেন, “আজকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের যে আইসিইউ ওয়ার্ড উদ্বোধন করা হলো, এর ভেন্টিলেটারগুলো ২০২০ সালে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। ২০২০ সালে কোভিডের সময় আইসিইউর সব যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হয়। প্রতিটি বেড প্রস্তুত ছিল, ভেন্টিলেটর, মনিটরসহ সব ধরনের যন্ত্রপাতি ছিল, কিন্তু এখানে যে ভেন্টিলেটারগুলো দেওয়া হয়েছে, সেগুলো একেবারেই নিম্নমানের ও সস্তা। ফলে চালু করার আগেই সেগুলো নষ্ট হয়ে গেছে। এখন চালু করতে গিয়ে দেখা গেছে, ১০টি ভেন্টিলেটর মেশিনের মধ্যে ৯টিই নষ্ট। এটি যখন তৈরি করা হয়েছিল তখন এটি ছিল সাবেক প্রধানমন্ত্রীর জেলা এবং সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নির্বাচনি এলাকা। তাহলে ২০২০ সালে কেন এটি চালু হয়নি? এমন প্রশ্ন তোলেন এই রাজনৈতিক নেতা”

গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজের সাবেক পিডি এবং গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সাবেক সহকারী পরিচালক ডা. অসিত মল্লিকের নাম উল্লেখ করে সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর বলেন, ডা. অসিত মল্লিক গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট
হাসপাতালটি লুটপাট করে খেয়েছেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এই দুটি প্রতিষ্ঠানের লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের নাম বেরিয়ে আসবে।

সংসদ সদস্য আরও বলেন, “আমি গোপালগঞ্জবাসীকে আপনাদের মাধ্যমে জানাতে চাই, গত ছয় বছর ধরে এখানে যন্ত্রপাতিগুলো কেন অকেজো হয়ে পড়ে ছিল? কেন আমরা এটি চালু করতে পারিনি? আমাদের সরকারের বয়স সাড়ে তিন মাসও হয়নি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে আজ সারা বাংলাদেশের ১০টি জেলায় এই আইসিইউ উদ্বোধন হয়েছে, যার মধ্যে গোপালগঞ্জও রয়েছে। ২০২০ সালে যারা এসব ভুয়া যন্ত্রপাতি সরবরাহ করেছে, বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মাধ্যমে আমরা তাদের বিচার চাই। গোপালগঞ্জবাসী গত ছয় বছর কেন এই সেবা থেকে বঞ্চিত হলো? বিগত সরকার কী করেছে? কেন এই ছয় বছর আইসিইউটি চালু করা হয়নি?

এমপি ডা. বাবর আরও বলেন, আমি এ বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব। দ্রুততম সময়ের মধ্যে নতুন ভেন্টিলেটর মেশিন এনে ১০ শয্যাবিশিষ্ট আইসিইউটি চালু করব, যাতে গোপালগঞ্জবাসী পূর্ণাঙ্গ আইসিইউ সেবা পায়।

তবে এ বিষয়ে ডা.অসিত মল্লিকের মুঠোফোনে বলেন, এই প্রকল্প গ্রহণ করা হয় ডিজি অফিস থেকে। এটা শুধু গোপালগঞ্জ নয় সারা দেশেই হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে পিডির মাধ্যমে। এখানে আমার বা লোকাল কোনো অফিসারের হস্তক্ষেপ ছিল না।

হাসপাতালটির তত্ত্বাবধায়ক ডা. জীবিতেশ বিশ্বাস বলেন, মুমূর্ষু রোগীদের লাইফ সাপোর্টের জন্য ভেন্টিলেশন সুবিধাসহ ১০ শয্যার আইসিইউর যাবতীয় মালামাল ২০২০ সালে তৎকালীন সরকারের আমলে ক্রয় করা হয়। এগুলো একদিকে যেমন নিম্নমানের, অন্যদিকে দীর্ঘদিন যন্ত্রগুলো ফেলে রাখায় এখন একদমই ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি আইসিইউ ওয়ার্ডটি সার্বক্ষণিকভাবে সচল রাখার জন্য যে পরিমাণ দক্ষ জনবল দরকার, বর্তমানে তাও পর্যাপ্ত নেই।

বাদল সাহা/নাঈম

২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে চার শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৫:৩৫ পিএম
২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে চার শিশুর মৃত্যু
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

রবিবার (১৪ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে চারজনের মৃত্যু হয়েছে এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ৫৬০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি। তবে গত ১৫ মার্চ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ৫২ জন। গত ১৫ মার্চ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৮৫ হাজার ৯৫১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৭৫ জন। গত ১৫ মার্চ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১০ হাজার ৩২৩ জন।

আরও বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭০ হাজার ৫৭৯ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৮৪১ জন।

এসএন/

গণমাধ্যমকে অন্ধকার থেকে মুক্ত আকাশে বের করেছেন শহিদ জিয়া: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৫:২২ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০৫:২৭ পিএম
গণমাধ্যমকে অন্ধকার থেকে মুক্ত আকাশে বের করেছেন শহিদ জিয়া: তথ্যমন্ত্রী
আজ জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে এক আলোচনা সভায় বিশেষ বক্তা হিসেবে কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। ছবি: সংগৃহীত

১৯৭৫ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী এবং ১৬ জুনের সংবাদপত্র বাতিলের কালো আইনের মধ্য দিয়ে দেশের গণমাধ্যম যে অন্ধকার গলিতে ঢুকে পড়েছিল, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্ম না হলে সেখান থেকে গণমাধ্যমকে আবার মুক্ত আকাশে বের করা সম্ভব হতো কিনা-ইতিহাসে সেই প্রশ্ন রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের গণমাধ্যমকে যুগ যুগ ধরে শহিদ জিয়াউর রহমানকে সসম্মানে স্মরণ করতে হবে, কারণ তিনি স্বাধীন গণমাধ্যমের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে কাজ করেছেন।’

রবিবার (১৪ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘গণমাধ্যম ও শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় বিশেষ বক্তা হিসেবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজের সভাপতিত্বে এবং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ূব ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শহীদ জিয়ার ঐতিহাসিক নেতৃত্বের কথা স্মরণ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাত দুইটার সময় কারো নির্দেশ বা প্ররোচনা ছাড়াই ৩৬ বছর বয়সের একজন বাঙালি মেজর একটি প্রতিষ্ঠিত সামরিক শক্তি সম্পন্ন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। কেবল নিজের সততা, মূল্যবোধ, চেতনা ও দেশপ্রেমের ওপর ভর করে তিনি ক্যান্টনমেন্ট ও দেশবাসীর সামনে সংকটকালীন সময়ের সমাধানের পুরুষ হিসেবে হাজির হয়েছিলেন।

তিনি বলেন, যারা ইতিহাস সম্পর্কে অবগত তারা জানেন, ২৫ মার্চের সেই রাতে তিনি যুদ্ধ ঘোষণা না করলে জাতি দিকনির্দেশনাহীন থাকতো। একইভাবে ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতা যদি তাকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে নিয়ে না আসতো, তবে দেশে শান্তির ছায়া নেমে আসতো না।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, জিয়াউর রহমান একজন সামরিক কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও তার মনোজগৎ ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রমাণ করেছে তিনি একজন মহান রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন।

তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তার ওপর হওয়া অসম্মানজনক আচরণকে তিনি যেভাবে রাষ্ট্রনায়কের মতো হজম করেছেন এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর ভর করে দেশের সকল ভিন্ন মতের জন্য সমালোচনা করার রাস্তা তৈরি করে দিয়েছেন, তা নজিরবিহীন।’

মন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ জিয়া বঞ্চিত রাজনৈতিক দলগুলোকে রাজনীতির মাঠে এনে গঠনমূলক তর্ক-বিতর্কের সুযোগ করে দিয়েছিলেন। তিনি চতুর্থ সংশোধনীর সমস্ত বেড়াজাল ভেঙে দিয়ে কবর দেওয়া পার্লামেন্টকে নতুন জীবন দিয়েছিলেন। ভিন্ন মতকে সম্মান করা এবং বহুমাত্রিক চিন্তার মধ্য দিয়ে উন্নয়নের গতি নির্ধারণ করাই ছিল তার রাষ্ট্রনায়কোচিত বৈশিষ্ট্য।

গণমাধ্যম সম্পর্কে শহিদ জিয়ার দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর কোনো নেতাই জননন্দিত রাষ্ট্রনায়ক হতে পারেন না, যদি না তিনি গণমাধ্যমের প্রতি সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি চর্চা করেন। শহীদ জিয়া শুধু গণমাধ্যমকে অবকাঠামোগত বা আর্থিক সুবিধাই দেননি, বরং গণমাধ্যম যাতে রাষ্ট্র ও সমাজের পরিচ্ছন্ন আয়না হিসেবে কাজ করতে পারে-সেই স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন। তাঁর সেই অবদানের কারণেই আজ সমাজ ও রাষ্ট্র জনগণের কাছে সার্বক্ষণিকভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি শহীদুল ইসলাম এবং দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদার।

নাঈম/

প্রযুক্তিকে কাজে লাগানো গেলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৪:৫৬ পিএম
প্রযুক্তিকে কাজে লাগানো গেলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। ছবি: খবরের কাগজ

প্রযুক্তিকে কাজে লাগানো গেলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

তিনি বলেন, আমরা একটি আলাদা ল্যান্ডফিলের ব্যবস্থা করছি। সেখানে শিল্প-কারখানা ও পৌরসভার বর্জ্য ফেলা হবে। বর্তমানে অনেক বিদেশি প্রতিষ্ঠান বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ, জৈব সার ও গ্যাস উৎপাদনের প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে। তাই প্রযুক্তিকে কাজে লাগানো গেলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।

রবিবার (১৪ জুন) সকালে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে গোলাকান্দাইল গোলচত্বর, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ও ঢাকা বাইপাস সড়কের পাশের ময়লা অপসারণ কার্যক্রম পরিদর্শন ও বৃক্ষ রোপণ শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ঈদের ছুটিতে এখানে ময়লা ফেলা হয়েছে। বিষয়টি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হওয়ায় আমাদেরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গত দুই দিন ধরে ময়লা অপসারণের কাজ চলছে। ভবিষ্যতে যেন আর কোনোভাবেই মহাসড়কের পাশে ময়লা ফেলা না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ ১ আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলাম, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মারজানুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাহফুজুর রহমান হূমায়ুন, সাধারণ সম্পাদক বাছির উদ্দিন বাচ্চু, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক খোকনসহ আরও অনেকে।

রুবেল/নাঈম

বেনজীরকে দ্রুত ফেরাতে সরকার কাজ করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৪:৩১ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০৪:৪৫ পিএম
বেনজীরকে দ্রুত ফেরাতে সরকার কাজ করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: সংগৃহীত

দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের মামলায় অভিযুক্ত বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 রবিবার (১৪ জুন) জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এই তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন।

সংসদে দেয়া বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, গত ১২ জুন সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডাইরেক্টরেট জেনারেল অব ফেডারেল ক্রিমিনাল পুলিশ ও ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) আবুধাবি থেকে পাঠানো একটি ই-মেইলের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারকে এই গ্রেপ্তারের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। বেনজীর আহমেদ বর্তমানে সেখানে পুলিশি হেফাজতে আটক আছেন।

বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইন অনুযায়ী গ্রেপ্তারের ৩০ দিনের মধ্যে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ (এক্সট্রাডিশন) আবেদন করতে হবে। সরকার ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত কার্যক্রম শুরু করেছে।


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দুদকের মামলা, গ্রেফতারি পরোয়ানা ও তদন্ত সংক্রান্ত দলিলাদি প্রস্তুত করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক্সট্রাডিশন প্রপোজাল অনুমোদন করেছে এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তা ইউএই কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হচ্ছে। আবুধাবির সঙ্গে সমন্বয় করে অতি দ্রুতই তাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হবে।

অভিযোগের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, বেনজির আহমেদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা এবং বাংলাদেশ পাসপোর্ট অর্ডার ১৯৭৩-এর ১১ ধারায় মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ ইন্টারপোলের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করেছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে গত ১১ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে ইন্টারপোলে আবেদন পাঠানো হয়েছিল। পরে আমরা এটি মনিটর করেছি। ইন্টারপোল ২০২৫/২৩৯ নম্বর ফাইল ও ৫৭৪ অব ২০২৫ কন্ট্রোল নম্বরের মাধ্যমে বেনজির আহমেদের প্রতি রেড নোটিশ জারি করে। এ রেড নোটিশের মাধ্যমে ইন্টারপোল কর্তৃক সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে গ্রেপ্তারের জন্য অনুরোধ করা হয়।<p>

এটিকে বাংলাদেশ পুলিশের একটি ‘ঐতিহাসিক সাফল্য’ হিসেবে অভিহিত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এর মাধ্যমে আমরা বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে আসতে সক্ষম হব। এই ঘটনা প্রমাণ করে, অপরাধী যত শক্তিশালী হোক না কেন, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। এটি দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৪ মে বেনজীর আহমেদ দেশ ছেড়েছেন বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়। তবে, সেদিন তিনি কোন দেশে গিয়েছিলেন সে ব্যাপারে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানা যায়নি। এরপর থেকে লোকচক্ষুর আড়ালে রয়েছেন সাবেক এ আইজিপি।

বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আইজিপি ছিলেন। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার ও র‌্যাবের মহাপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে র‍্যাবের সাত কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। ওই সময় র‌্যাবের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের পাশাপাশি এই বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তারাও নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিলেন। যার মধ্যে বেনজীর আহমেদের নামও ছিল। যুক্তরাষ্ট্র যখন নিষেধাজ্ঞা দেয়, তখন আইজিপির দায়িত্বে ছিলেন বেনজীর আহমেদ।

এসএন/