দীর্ঘদিন ধরেই অর্থনৈতিক সংকটে দেশ। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে দেশের অর্থনীতি যে খাদের কিনারে পড়েছিল, অন্তর্বর্তী সরকার সেই জায়গা থেকে টেনে তোলার চেষ্টা করলেও যথাযথ পদক্ষেপের অভাবে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। কোনো কিছুতেই অর্থনীতির হারানো তেজ ফেরানো যাচ্ছে না। দিন যতই যাচ্ছে, বিভিন্ন সূচকে ভালো করার সুখবরগুলোও হারিয়ে যেতে বসেছে। এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব নিয়েছে বিএনপি। দায়িত্ব গ্রহণের কিছুদিনের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা শুরু হয়। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ বিশ্ব অর্থনীতিতে। সব মিলিয়ে অর্থনীতিতে অশনিসংকেত দেখা দিয়েছে।
বিভিন্ন সংস্থার হালনাগাদ তথ্য বলছে, অর্থনীতির প্রায় সব সূচকই এখন নিম্নমুখী। সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তা তৈরি হয়েছে রেমিট্যান্স নিয়ে। আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যেও চলছে স্থবিরতা, বিনিয়োগেও মন্দাবস্থা। বিশ্ব মন্দার প্রভাবে জ্বালানিসংকটের পাশাপাশি সরকারের ব্যয় বাড়ছে। প্রতিদিনের যন্ত্রণা হয়ে উঠেছে দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা ঊর্ধ্বমুখী মূল্যস্ফীতি। এটি একদিকে মানুষের সঞ্চয়ের টুঁটি চেপে ধরছে, অন্যদিকে ক্রেতার সক্ষমতায় চিড় ধরিয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বাজারে। এতে সার্বিক ব্যবসা-বাণিজ্যেও যেমন তৈরি হয়েছে স্থবিরতা, তেমনি সরকারের রাজস্ব আয়েও বিরাট ঘাটতি তৈরি হয়েছে। আবার সরকারের আয় কমে যাওয়ায় ব্যাংক থেকে ঋণ করার প্রবণতা বাড়ছে, যা কমিয়ে দিচ্ছে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ। বৈদেশিক বিনিয়োগ ও ঋণ পরিস্থিতিতেও চলছে ভাটা। শেয়ারবাজারের পরিস্থিতি তো আরও করুণ। ব্যাংক ও অর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ভেতরকার চিত্রও উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো। সব মিলিয়ে অর্থনীতিতে আপাতত কোনো সুখবর মিলছে না।
ইনস্টিটিউট ফর ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. মুস্তফা কে মুজেরী খবরের কাগজকে বলেন, ‘অর্থনীতির মানদণ্ড নির্ধারক গুরুত্বপূর্ণ সব সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতা খুব খারাপ লক্ষণ। চরম সংকটাপন্ন অবস্থারই বহিঃপ্রকাশ বলা যায়।’
তিনি দাবি করেন, ‘বর্তমান অর্থনীতির কাঠামোগত অনেক সমস্যা আছে। মূল সমস্যা রাজস্ব আদায়ে। আয়ের তুলনায় ব্যয় বেশি বলেই সরকারকে ধার করতে হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংককেও বাধ্য হয়ে সময়ে সময়ে টাকা ছাপাতে হচ্ছে। এতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাচ্ছে। অথচ এ সমস্যাটি একেবারেই আমলে নেওয়া হয়নি। গত ১৫ বছর এ খাতে কোনো সংস্কার হয়নি।’
তিনি বলেন, ‘ব্যাংকিং খাতে কাঙ্ক্ষিত সংস্কার না হলে পরিস্থিতির উন্নয়ন সম্ভব নয়। মধ্যপ্রাচ্যে যে অস্থিরতা চলছে, তাও সহসাই কাটবে বলে মনে হচ্ছে না। ফলে সরকারের ব্যয় আরও বাড়বে। এখন রাজস্ব আদায় বাড়াতে না পারলে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণের চাহিদা বাড়বে। ফলে বেসরকারি খাত আরও সংকুচিত হবে। রপ্তানি আয় কমার অন্যতম কারণ হচ্ছে পণ্য বৈচিত্র্য না থাকা। অর্থনীতির এই সংকটগুলোকে যদি চিহ্নিত না করা হয়, তাহলে এই অবস্থার কোনো উন্নতি হবে না, বরং আরও বাড়বে।’
করোনা মহামারির আঘাত থেকে ক্ষয়িষ্ণু অর্থনীতির পুনরুদ্ধার চেষ্টায় দেশ সফল হলেও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব মোকাবিলায় তা অনেকটাই ম্লান। এর মধ্যে নতুন করে যুক্ত হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা। চলমান সংকটে উদ্বিগ্ন সরকারও। পরিস্থিতি সামলাতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হলেও প্রকৃতপক্ষে তা খুব একটা কাজে আসছে না।
যত দুশ্চিন্তা রাজস্ব: চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) শুল্ককর আদায়ে ঘাটতি হয়েছে ৭১ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা। অর্থবছর শেষে ঘাটতি এক লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এনবিআরের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে ৩ লাখ ২৫ হাজার ৮০২ কোটি টাকার শুল্ককর আদায়ের লক্ষ্য ছিল এনবিআরের। এ সময়ে আদায় হয়েছে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৩৩০ কোটি টাকা। প্রতিবছরের মতো শুল্ককর আদায়ের ঘাটতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না এনবিআর। চলতি অর্থবছরের শুরু থেকেই রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য অর্জন থেকে পিছিয়ে রয়েছে এনবিআর। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সংকট মোকাবিলায় সরকারের আয় বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই।
ঘাটতি পূরণে রেকর্ড ঋণে সরকার: ঘাটতি মোকাবিলায় চলতি অর্থবছরের মাত্র ৯ মাসেই ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে ঋণ গ্রহণের বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছে সরকার। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৩০ মার্চ পর্যন্ত সরকার ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ৬ হাজার ৫০ কোটি ৬১ লাখ টাকা নিট ঋণ নিয়েছে, যেখানে পুরো অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ বাজেট বছরের শেষ প্রান্তিকে পৌঁছানোর আগেই লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা বেশি ঋণ নেওয়া হয়ে গেছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সরকারের ঋণ বৃদ্ধির পেছনে প্রধান কারণগুলো হলো রাজস্ব আহরণে ঘাটতি, উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় বৃদ্ধি, ভর্তুকি ও পরিচালন ব্যয়ের চাপ, ব্যাংক একীভূতকরণে সরকারি মূলধন সহায়তা ও বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে অতিরিক্ত ব্যয়। বিশেষ করে রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি সরকারকে ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর আরও নির্ভরশীল করে তুলেছে, যা পুরো অর্থনীতিতে সংকট আরও বাড়িয়ে দেবে।
তাদের মতে, সরকারের এই বাড়তি ঋণনির্ভরতা বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহে চাপ তৈরি করছে। বিশেষ করে শিল্প, বাণিজ্য ও উৎপাদনমুখী খাতে নতুন বিনিয়োগের জন্য ব্যাংকঋণ পাওয়া কঠিন হয়ে উঠতে পারে। এতে কর্মসংস্থান, উৎপাদন ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। শুধু তা-ই নয়, সরকার যদি কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা ওভারড্রাফটের মাধ্যমে ঋণ বাড়ায়, তাহলে তা সরাসরি অর্থ সরবরাহ বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতিতে চাপ সৃষ্টি করবে।
রেকর্ড রেমিট্যান্সেও শঙ্কা: সদ্য বিদায়ী মার্চের পুরো সময়ে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার বা পৌনে ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। স্বাধীনতার পর এটিই দেশের ইতিহাসে একক কোনো মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সপ্রবাহ। কিন্তু রেকর্ড রেমিট্যান্সেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান খবরের কাগজকে বলেন, ‘রেকর্ড রেমিট্যান্সেও আমরা খুব বেশি খুশি হতে পারছি না। কারণ রেমিট্যান্সের মূল উৎস মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে অস্থিরতা বিরাজ করছে। ফলে মার্চে যে রেমিট্যান্স এসেছে, সেটি কি ঈদের কারণে নাকি যুদ্ধের দীর্ঘমেয়াদি আশঙ্কার কারণে সেটি আগে নিশ্চিত হতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক সেই বিষয়ে কাজ করছে। যদি যুদ্ধের কারণে হয়, তাহলে আগামীতে আমাদের অর্থনীতিতে আরও বড় ধরনের চাপ তৈরি হবে।’
কমছে আমদানি: বাংলাদেশের মতো আমদানির্ভর অর্থনীতির দেশে দীর্ঘদিন ধরে আমদানিতে চলছে কড়াকড়ি ও নানা বিধিনিষেধ। ফলে চাহিদা পূরণে প্রয়োজনীয় পণ্য ও সেবার আমদানি হচ্ছে না। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) পণ্য আমদানির এলসি খোলার পরিমাণ সামান্য বাড়লেও ডলারসংকটের কারণে এলসি নিষ্পত্তি কমেছে। শুধু তা-ই নয়, দীর্ঘদিন ধরে ডলারের দাম স্থিতিশীল থাকলেও সম্প্রতি আমদানিতে ডলারের দাম প্রায় ৫০ থেকে ৬০ পয়সা বেড়েছে।
বাড়ছে মূল্যস্ফীতি: সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি দিয়েও মূল্যস্ফীতির পাগলা ঘোড়ার লাগাম টানা যাচ্ছে না। বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ নানা বাস্তবতায় এক বছরের বেশি সময় ধরে দেশে মূল্যস্ফীতি ডাবল ডিজিটের দ্বারপ্রান্তে ঘোরাফেরা করছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রতিবেদন বলছে, গত মার্চে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। যদিও মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে।
বিনিয়োগে স্থবিরতা: অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন পদক্ষেপে একদিকে কমেছে আমদানি, অন্যদিকে বেড়েছে ব্যাংকঋণের সুদহার। ফলে নতুন বিনিয়োগে যেতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা। এতে বেসরকারি খাতে ঋণের চাহিদাও অনেক কমে গেছে। সর্বশেষ গত ফেব্রুয়ারিতে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ, যা গত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে সামনের দিনগুলোতে উৎপাদন এবং কর্মসংস্থানে বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।
রপ্তানি আয়েও নেতিবাচক প্রবণতা: দেশে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস রপ্তানি খাত। নেতিবাচক ধারা থেকে বেরোতে পারছে না দেশের পণ্য রপ্তানি। গত ফেব্রুয়ারিতে টানা সপ্তম মাসের মতো রপ্তানি কমেছে। গত মাসে ৩৫০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই রপ্তানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১২ শতাংশ কম। টানা সাত মাস রপ্তানি কমায় চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) দেশের সামগ্রিক পণ্য রপ্তানি কমেছে ৩ দশমিক ১৫ শতাংশ। এ সময়ে রপ্তানি হয়েছে ৩ হাজার ১৯১ কোটি ডলারের পণ্য, যা দেশীয় মুদ্রায় ৩ লাখ ৮৯ হাজার ৬৭৯ কোটি টাকার সমান।
রপ্তানি বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, ইরান ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলা-পাল্টা হামলা এবং ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা রপ্তানি মন্দাকে দীর্ঘায়িত করতে পারে।
তবে রপ্তানিকারকরা এই সংকোচনের পেছনে একাধিক চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করেছেন। এমন বাস্তবতায় গভর্নরের কাছে ইডিএফ ফান্ডের আকার বাড়ানো এবং সুদের হার কমানোর দাবি জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের সবচেয়ে বড় সংগঠন এফবিসিসিআই। ব্যবসায়ীরা বলছেন, রপ্তানিকারকদের সহায়তায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে গঠিত ইডিএফ তহবিল একসময় ৭ বিলিয়ন ডলার থাকলেও বর্তমানে তা কমে প্রায় ২ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। ব্যবসায়ী সমাজের পক্ষ থেকে এ তহবিল পাঁচ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার দাবি জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে সুদের হার ও বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখার দাবি জানানো হয়েছে।
উদ্বেগ বাড়াচ্ছে খেলাপি ঋণ: সরকারের রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির অভাব ও ছাড় দেওয়ার মানসিকতার কারণে ব্যাংকিং খাতে বিদ্যমান খেলাপি ঋণের চিত্র অর্থনীতিতে আরও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। লাফিয়ে বাড়ছে খেলাপি ঋণ। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৮৩১ কোটি ৮৮ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এই বিপুল অঙ্কের খেলাপি ঋণ দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে এবং এর প্রভাবে ২৩টি ব্যাংকে ২ লাখ ৮২ হাজার কোটি টাকার মূলধন ঘাটতি তৈরি হয়েছে, যা ব্যাংক খাতের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।
জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ ড. মুস্তফা কে মুজেরী বলেন, ‘দেশে ঋণখেলাপিদের তিরস্কারের পরিবর্তে পুরস্কার দেওয়া হয়। যার ফলে আজ এমন ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এটি ব্যাংক খাতের জন্য অশনিসংকেত।’