ঢাকা ১০ শ্রাবণ ১৪৩১, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪

ভারতের সঙ্গে স্বার্থবিরোধী চুক্তি বাতিল করতে হবে : সমমনা জোট

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৪, ০৩:৫৭ পিএম
আপডেট: ১০ জুলাই ২০২৪, ০৩:৫৭ পিএম
ভারতের সঙ্গে স্বার্থবিরোধী চুক্তি বাতিল করতে হবে : সমমনা জোট
সমাবেশে কথা বলছেন জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের সমন্বয়ক ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী চুক্তি-সমঝোতা স্মারক বাতিল করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের সমন্বয়ক ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ। 

তিনি বলেন, ‘এই অসম সমঝোতা স্মারকগুলোতে দেশের কোনো লাভ হবে না। রেল ট্রানজিটের নামে কার্যত ভারতকে করিডোর দেওয়া হয়েছে।’  

বুধবার (১০ জুলাই) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। 

‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি এবং ভারতের সঙ্গে অসম চুক্তি-সমঝোতা স্মারকের প্রতিবাদে’ জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের উদ্যোগে এই কর্মসূচি হয়।

খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে আন্দোলন চলবে জানিয়ে ফরিদুজ্জামান ফরহাদ বলেন, ‘সরকার গুরুতর অসুস্থ খালেদা জিয়াকে অবিলম্বে মুক্তি না দিলে সামনে আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে। আন্দোলনের মধ্য দিয়েই খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছে। সরকার নির্বাহী আদেশে তাকে সাময়িক মুক্তি দিলেও কার্যত তিনি কারাবন্দি। তিনি আজ গুরুতর অসুস্থ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অবিলম্বে বিদেশে তার উন্নত চিকিৎসা দরকার। কিন্তু শুধু রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে সরকার তাকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দিচ্ছে না।’

সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের দাবিতে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনকে যৌক্তিক আখ্যা দিয়ে তাতে সমর্থন জানান ড. ফরহাদ। 

এনপিপির মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফার সঞ্চালনায় বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন সমমনা জোটভুক্ত জাগপার সভাপতি খন্দকার লুৎফর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এস এম শাহাদাত, গণদলের চেয়ারম্যান এটিএম গোলাম মওলা চৌধুরী, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এনডিপি) চেয়ারম্যান ক্বারী আবু তাহের, বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান এম এন শাওন সাদেকী প্রমুখ।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে পল্টন মোড়ে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

শফিকুল ইসলাম/সালমান/

চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের নেতৃত্বে এনেছে বিএনপি: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৪, ০৩:৪০ পিএম
আপডেট: ২৫ জুলাই ২০২৪, ০৩:৪১ পিএম
চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের নেতৃত্বে এনেছে বিএনপি: ওবায়দুল কাদের
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

বিএনপি বেছে বেছে নতুন নেতৃত্বে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের পদায়ন করেছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, বিএনপি বেছে বেছে নতুন নেতৃত্বে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের পদায়ন করেছে। হামলা পরিচালনার জন্য তাদেরকে পরিকল্পিতভাবে নিয়োগ করা হয়েছে। কোথায় কে হামলা চালাবে সেই নীলনকশা আগেই প্রস্তুত করে রেখেছিল বিএনপি।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে তিনি এই কথা বলেন।

পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে, আন্দোলনকারীরা ঘাপটি মেরে বসে আছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ছাত্রদের ওপর ভর করে বিএনপি-জামায়াত দেশকে ধ্বংস করার পায়তারা করছে। তারেক জিয়াকে লন্ডন থেকে এনে বাংলাদেশে ক্ষমতার মঞ্চে বসানোর নীলনকশার রাজনীতি আজকে জাতির সামনে উন্মোচিত হয়ে গেছে। 

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল মিথ্যাচার করছেন দাবি করে কাদের বলেন, তারা লাশের ওপর দাঁড়িয়ে ক্ষমতা নিতে চায়।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বাংলাদেশের জনগণ দেশের শান্তি স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ। বাংলাদেশবিরোধী, মুক্তিযুদ্ধবিরোধী, স্বাধীনতাবিরোধী, উন্নয়নবিরোধী, গণতন্ত্রবিরোধী যে কোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে আওয়ামী লীগ প্রস্তুত।

গুজব-গুঞ্জন প্রতিরোধ করতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, গুজবে কান দেবেন না। গুজব একটি সন্ত্রাস। গুজব আপনার সন্তানকে মাদকের মতো সর্বনাশের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

এ সময় নাশকতাকারীদের পরিকল্পনা প্রতিহত করতে দলের নেতাকর্মীদের নিজ নিজ থানায় সতর্ক অবস্থানে থাকার আহ্বান জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।  

অমিয়/

আন্দোলনে জড়িত থাকলে ঘটনাস্থল থেকে কেন গ্রেপ্তার করা হয়নি, প্রশ্ন ফখরুলের

প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৪, ০৩:২২ পিএম
আপডেট: ২৫ জুলাই ২০২৪, ০৩:২২ পিএম
আন্দোলনে জড়িত থাকলে ঘটনাস্থল থেকে কেন গ্রেপ্তার করা হয়নি, প্রশ্ন ফখরুলের
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর; ফাইল ছবি

বিএনপিসহ বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীরা যদি আন্দোলনে জড়িত থাকে তাহলে তাদেরকে কেন ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়নি? এমন প্রশ্ন করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘এতেই প্রমাণিত বিএনপি বা বিরোধী দলের কেউই আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত নয়। আন্দোলনে ভূমিকা রাখার মিথ্যা অভিযোগে ঢালাওভাবে বিএনপিসহ বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের ওপর সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কতিপয় সদস্য দোষারোপ করছে।’ 

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) এক বিবৃতি তিনি এসব কথা বলেন। 

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গত কয়েক দিন যাবত বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোর নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের অমানবিক ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এই বিবৃতি দেন বিএনপি মহাসচিব। 

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসকে আড়াল করতে এবং উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানোর অপকৌশল হিসেবে বিএনপির নির্দোষ নেতা-কর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। অথবা নেতা-কর্মীদেরকে বাসায় না পেয়ে তাদের সন্তান বা পবিবারের সদস্যদের গ্রেপ্তার ও অশালীন আচরণসহ বাড়ির আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হচ্ছে।’
 
তিনি বলেন, ‘চাকরির ক্ষেত্রে বৈষম্যবিরোধী কোটা সংস্কারের দাবিতে দেশের আপামর শিক্ষার্থীদের যুক্তিসঙ্গত আন্দোলনকে ঘিরে দেশব্যাপী বিএনপিসহ বিরোধী দল ও মতের মানুষদের এখনও নির্বিচারে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, নির্বাহী কমিটির সদস্য তারিকুল ইসলাম তেনজিং ও ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলুর ছেলে (যিনি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নন) সানিয়াত গেপ্তার করেছে। বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থকে বুধবার রাতে বাসা থেকে তুলে নিয়ে গেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও অবিলম্বে তাদের নিঃশর্ত মুক্তির জোর আহ্বান জানাচ্ছি।’

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘শত শত নিরীহ ছাত্র-ছাত্রীদেরকে সরকারি দলের সন্ত্রাসী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা হতাহত করল, অথচ সরকারের ইশারায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি শুধুমাত্র ছয়জনের হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করবে, যা সুকৌশলে পুরো হত্যাকাণ্ডকে ধামাচাপা দেওয়ারই নামান্তর। তাই জনগণের দাবি, পুরো ঘটনা ও হত্যাকাণ্ড নিয়ে আন্তর্জাতিক তদন্ত করা হোক। নইলে ব্যর্থতার সব দায় নিয়ে অবিলম্বে সরকারের পদত্যাগ করা উচিত বলেও জনগণ মনে করে।’

বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘নিহত পুলিশ ও আনসার সদস্যদের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক দুই লাখ নগদ  এবং ৮ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র দেওয়া হয়েছে। অথচ শত শত নিরীহ কোমলমতি শিক্ষার্থীদেরকে গুলি করে গণহত্যা করা হল যা দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছে, যারা এই হত্যার সঙ্গে জড়িত তাদেরকে বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং নিহতদের পরিবারগুলোকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়ারও দাবি জানাচ্ছি। আন্দোলনে পুলিশ ও আনসার সদস্য যারা নিহত হয়েছেন তাদের বিদেহী আত্মার শান্তি ও পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।’

শফিকুল ইসলাম/ইসরাত চৈতী/অমিয়/

বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৪, ০৩:১২ পিএম
আপডেট: ২৫ জুলাই ২০২৪, ০৩:৪০ পিএম
বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ গ্রেপ্তার
বিজেপি চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের প্রধান হারুন-অর-রশিদ।

বুধবার (২৪ জুলাই) রাত ১টার দিকে রাজধানীর গুলশানের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান তিনি। 

তিনি আরও জানান, কোটা সংস্কার আন্দোলনে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়।

সম্প্রতি কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন পোস্ট দিয়েছিলেন ব্যারিস্টার পার্থ।

সাদিয়া নাহার/অমিয়/

কারফিউ দিয়ে বিরোধীদের নির্যাতন করা হচ্ছে, অভিযোগ বাম নেতাদের

প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৪, ০১:০৯ পিএম
আপডেট: ২৫ জুলাই ২০২৪, ০১:০৯ পিএম
কারফিউ দিয়ে বিরোধীদের নির্যাতন করা হচ্ছে, অভিযোগ বাম নেতাদের

কোটা সংস্কার আন্দোলনের পরে দেশব্যাপী সহিংসতা দমনে সরকারবিরোধী দলগুলোর নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার অভিযানে নেমেছে বলে অভিযোগ করেছেন বাম দলগুলোর নেতারা। তারা অভিযোগ করেন, রাজধানীজুড়ে গণগ্রেপ্তার অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা যুক্ত হয়েছেন।

কোটা সংস্কার আন্দোলনের পর দেশব্যাপী সহিংসতায় কত জন হতাহত হয়েছেন তার সঠিক সংখ্যা প্রকাশের দাবি জানিয়েছে সিপিবি, বাংলাদেশ কংগ্রেস। চলমান চিরুনি অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তির পাশাপাশি দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবিও জানাচ্ছে বামপন্থি দলগুলো।

এ ছাড়া সহিংসতায় নিহতদের স্মরণে আগামীকাল শুক্রবার বিকেলে দেশব্যাপী শোক র্যালি করার ঘোষণা দিয়েছে বাম গণতান্ত্রিক জোট, বাংলাদেশ জাসদ ও ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চা। 

হতাহতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা দেশবাসী জানতে চায়: সিপিবি
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে কত সংখ্যক মানুষ হতাহত হয়েছে তা জানতে চেয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। সিপিবি সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম এবং সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন গতকাল এক বিবৃতিতে বলেন, এ পর্যন্ত প্রায় দুই শতাধিক ছাত্র-জনতা নিহত ও কয়েক হাজার মানুষের আহত হওয়ার খবর নানা মাধ্যমে এসেছে। নিহত, আহতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা, আহতদের প্রকৃত অবস্থা দেশবাসী জানতে চায়। সিপিবি নেতারা বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম উন্মুক্ত করা হয়নি। প্রচারমাধ্যমে নানা ধরনের নিষেধাজ্ঞা চলছে। দুর্নীতি-লুটপাটকারীদের ভয়াবহ চিত্র, পাচারের টাকা ও ব্যাংক ডাকাত-ঋণখেলাপিদের খবর প্রকাশিত হতে থাকলেও তা চাপা পড়ে যাচ্ছে। নীতিহীন, ক্ষমতাশ্রয়ী, দুর্বৃত্তায়িত রাজনীতি, লুটপাটের অর্থনীতি আজ এই সংকট তৈরি করেছে।’

শুক্রবার দেশব্যাপী শোক র্যালি
কোটা সংস্কার আন্দোলনের পরে দেশব্যাপী সহিংসতায় নিহতদের স্মরণে সারা দেশে শোক র্যালি করার ঘোষণা দিয়েছে বাম গণতান্ত্রিক জোট। কেন্দ্রীয় কর্মসূচি হিসেবে কাল শুক্রবার বিকেল ৩টায় ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এই শোক র্যালি অনুষ্ঠিত হবে। বাম জোটের এই কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়েছে বাংলাদেশ জাসদ, ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চা। বাম জোট, বাংলাদেশ জাসদ ও ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চা যৌথ বিবৃতিতে সারা দেশে ছাত্র-শ্রমিককে গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা জানানো হয়। দলগুলোর নেতারা গণগ্রেপ্তার বন্ধ, গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তি, কারফিউ প্রত্যাহার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি জানান। পাশাপাশি সহিংসতার ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার, নিহতদের ক্ষতিপূরণ, আহতদের সুচিকিৎসার দাবি জানান তারা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের নিরাপত্তার দাবি জানান তারা। 

কারফিউ চলাকালে ব্যাপক পুলিশি নির্যাতন-হয়রানি: জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল
সহিংসতার পরে সারা দেশে জারি হওয়া কারফিউয়ের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সাধারণ-নিরীহ ছাত্র-জনতাকে ধরপাকড় করছে বলে অভিযোগ করেছে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় ওয়ার্কিং টিম। গতকাল দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল সম্পাদক ফয়জুল হাকিমের সভাপতিত্বে ওয়ার্কিং টিমের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সভায় দলের নেতারা বলেন, ‘কারফিউ শিথিল করার মধ্যেও অলিগলিতে চিরুনি অভিযানের নামে নির্যাতন চলছে। মেস ও ছাত্রাবাসগুলোতে এই অভিযানে অনেক ছাত্রকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এই অভিযানে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের ওপরে পুলিশ নির্যাতন চালিয়েছে, গ্রেপ্তার করেছে। এই কাজে পুলিশকে সহায়তা করছে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা।’

ক্ষমতাসীনদের গণবিচ্ছিন্নতার প্রকাশ ঘটেছে: বাংলাদেশ জাসদ
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ‘ছাত্র গণঅভ্যুত্থান’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে বাংলাদেশ জাসদ নেতারা বলেছেন, ‘এই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাসীনদের গণবিচ্ছিন্নতার প্রকট প্রকাশ ঘটেছে।’ দেশব্যাপী সহিংসতায় নিহতদের স্মরণে গতকাল রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ জাসদের প্রধান কার্যালয়ে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়। দলের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধানসহ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। চলমান পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশ জাসদ নেতারা বলেন, ‘সরকার সৃষ্ট রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক সংকটই এ পরিস্থিতির কারণ। পাইকারি হারে ছাত্র-জনতাকে হত্যা, গণগ্রেপ্তার ও গণনির্যাতন করে ছাত্রজনতার রক্তে জমা বারুদে বিস্ফোরণ ঠেকানো যাবে না।’

সরকার নারকীয় তাণ্ডব চালিয়েছে: বাংলাদেশ কংগ্রেস
কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিকে সহনশীল ও স্বাভাবিকভাবে মেনে না নিয়ে জেদের বশীভূত হয়ে সারা দেশে নারকীয় তাণ্ডব চালিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ কংগ্রেসের নেতারা। গতকাল দলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট কাজী রেজাউল হোসেন ও মহাসচিব অ্যাডভোকেট ইয়ারুল ইসলাম যুক্ত বিবৃতিতে বলেছেন, ‘সরকার গাধার মতো জল ঘোলা করে খেয়েছে। জল ঘোলা করতে গিয়ে সারা দেশে তারা কার্যত গণহত্যা, গ্রেপ্তার ও নারকীয় তাণ্ডব চালিয়েছে। সরকার এখন নিজেদের অপরাধ ঢাকতে উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে।’

সারা দেশে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখার সমালোচনা করে বাসদের (মার্কসবাদী) সমন্বয়ক মাসুদ রানা বিবৃতিতে বলেন, ‘প্রচারমাধ্যমে স্বাধীনতা খর্ব করে এবং ইন্টারনেট বন্ধ করে আন্দোলনকারীদের নির্মমভাবে দমন করার চেষ্টা সরকারের দেউলিয়াত্ব প্রমাণ করে।’

আবার আড়ালে বিএনপি নেতা-কর্মীরা

প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৪, ০২:৩০ এএম
আপডেট: ২৫ জুলাই ২০২৪, ১২:০০ এএম
আবার আড়ালে বিএনপি নেতা-কর্মীরা

দেশব্যাপী সাঁড়াশি অভিযানের মুখে আবারও আত্মগোপনে চলে গেছেন বিএনপি-জামায়াতসহ বিরোধী দলগুলোর নেতা-কর্মীরা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মহানগর থেকে শুরু করে জেলা, থানা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের কোনো নেতা এখন আর ঘরে থাকছেন না। তারা আড়ালে চলে গেছেন।

এর আগে গত বছরের ২৮ অক্টোবর রাজধানীর নয়াপল্টনে সৃষ্ট সহিংস ঘটনার পরেও বিএনপি নেতারা আড়ালে চলে গিয়েছিলেন। ওই সময় বিএনপির দাবি অনুযায়ী ২৫ হাজারের বেশি নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। আর কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে গতকাল পর্যন্ত প্রায় ২ হাজারের বেশি নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে বিএনপি দাবি করেছে। এখনো রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় গ্রেপ্তার অভিযান চলছে। 

এরই মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির দুই সদস্যসহ দুই ডজন কেন্দ্রীয় নেতাকে। এ ছাড়া জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, ১২ দলীয় জোটের সমন্বয়ক সৈয়দ এহসানুল হুদাসহ একাধিক নেতা গ্রেপ্তার হয়েছেন। বিএনপির দলীয় সূত্র দাবি করেছে এ পর্যন্ত সারা দেশে দুই সহস্রাধিক নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

নির্বাচনের আগে গত বছরের ২৮ অক্টোবর নয়াপল্টনে সমাবেশকে কেন্দ্র করে সহিংসতার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাত থেকে বাঁচতে অনেকেই আত্মগোপনে ছিলেন। যদিও সেসময় অনেককেই গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। দীর্ঘদিন কারাভোগের পর অনেকেই কারামুক্ত হলেও এক বছর না ঘুরতেই আবার জেলে যেতে হয়েছে কয়েকজন সিনিয়র নেতাকে। দলটির মিডিয়া উইংয়ের সদস্যরা জানিয়েছেন, দলের নেতা-কর্মীরা এখন নতুন করে ঘরছাড়া। কমবেশি সবার ফোন বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়া হোয়াটসঅ্যাপসহ যেসব মাধ্যমে তারা সক্রিয় থাকতেন ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় তাদের পাওয়া যায়নি। ফলে পরিস্থিতি জানতে একাধিক নেতার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের কাউকেই পাওয়া সম্ভব হয়নি। 

বিএনপির সূত্রমতে, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, জহির উদ্দিন স্বপন, বেগম খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, কোষাধ্যক্ষ রশিদুজ্জামান মিল্লাত, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইয়েদুল আলম বাবুল, প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় সমবায়বিষয়ক সম্পাদক নাজমুল হক, নির্বাহী কমিটির সদস্য (দপ্তরে সংযুক্ত) তারিকুল ইসলাম তেনজিং, ঢাকা জেলার সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু, উত্তরের আহ্বায়ক সাইফুল আলম নিরব, সদস্য সচিব আমিনুল হক, বিএনপি নেতা এস এম জাহাঙ্গীর, বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এম এ সালাম, দিনাজপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচি, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর, পেশাজীবী নেতা ইঞ্জিনিয়ার সাখাওয়াত হোসেনসহ অনেক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

এ ছাড়া জামায়াতে ইসলামীর তথ্যমতে, কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোবারক হোসাইন ও কেন্দ্রীয় ছাত্রশিবির সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলামসহ অসংখ্য নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদিকে, কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত নেতাদের পাশাপাশি সরকারবিরোধী জোটে যুক্ত কয়েকটি দলের নেতারাও গ্রেপ্তার হয়েছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, ১২ দলীয় জোটের নেতা এহসানুল হুদা, গণ অধিকার পরিষদের যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমান। 

গত শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে প্রথম গ্রেপ্তার হন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এরপর রাজধানী ও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিএনপি ও অন্যান্য জোটের সিনিয়র নেতাদের গ্রেপ্তার করা হয়। কেন্দ্রীয় কার্যালয় বন্ধ থাকায় গ্রেপ্তারদের সঠিক হিসাব বের করার সুযোগ নেই বলে জানান বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। 

সরকারের উচ্চ পর্যায় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচিকে সহিংস করে তোলার পেছনে বিএনপির উসকানি রয়েছে এবং গত কয়েক দিনের সহিংসতায় জড়িতদের সঙ্গে বিএনপির নেতাদের সম্পৃক্ততা রয়েছে। ফলে দেশের বিভিন্ন স্থানে দায়ের করা মামলায় যাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে তারা বেশির ভাগই বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মী। জানা গেছে, এ পর্যন্ত শুধু ঢাকায় ১১৯টি মামলা হয়েছে। আরও মামলা রুজু করা হচ্ছে। আর এসব মামলায় রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে চলছে ব্যাপক ধরপাকড়। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলায়ও বিএনপি, জামায়াত ও অন্যান্য বিরোধী দলের নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া গেছে। নারায়ণগঞ্জে নাশকতার একাধিক মামলায় তারাব পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আহাদ, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা ছাত্রদল সভাপতি হীরা, ফতুল্লা থানা জামায়াতের আমির মাসুদ মেম্বার, ফতুল্লা থানা যুবদল নেতা মামুনসহ ৩০০-এর বেশি গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের বেশির ভাগই বিএনপি-জামায়াতের নেতা-কর্মী। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ২০টির বেশি মামলায় বিএনপির বেশকিছু নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

গ্রেপ্তারের পাশাপাশি বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের বাসায় পুলিশি তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তাহসীনা রুশদি লুনা, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলসহ অন্য নেতাদের বাসায় পুলিশি তল্লাশির ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া গত সোমবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের নয়াপল্টনের কার্যালয়ে ছাত্রলীগ-যুবলীগ ভাঙচুর চালিয়েছে বলে দলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। এসব ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, বিএনপি নেতা-কর্মীদের বাসায় বাসায় তল্লাশি, গ্রেপ্তার ও রিমান্ডে নিয়ে চরম নির্যাতন করা হচ্ছে। গ্রেপ্তার হওয়া নেতাদের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি ও বিএনপির সিনিয়র নেতাকর্মীদের বাসায় পুলিশি তল্লাশি বন্ধের জোর আহ্বান জানান বিএনপি মহাসচিব। নির্যাতন-নিপীড়ন ও গ্রেপ্তারের পথ পরিহার করে জনগণের দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে, গত ১৭ জুলাই মধ্য রাতে ডিবির অভিযানের পর থেকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় বন্ধ রয়েছে। কার্যালয় বা এর আশপাশে বিএনপি নেতা-কর্মীদের কোনো ধরনের উপস্থিতি নেই। অনেকের আশঙ্কা, কোটা সংস্কার আন্দোলনে নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার হতে পারেন বিরোধী দলের আরও অনেক নেতা।