ক্ষমতাসীন সরকার দেশের নাগরিকদের হত্যা করে লাশের সংখ্যা প্রকাশ করার প্রয়োজন বোধ করে না, বরং ছাত্র হত্যাকে বিজয় হিসেবে বিবেচনা করছে। ইতোমধ্যে নিহতদের পরিচয় জানার প্রকৃত প্রচেষ্টা না করেই ২১ জনকে বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে দাফন করেছে। কোটা সংস্কার নিয়ে অভূতপূর্ব ছাত্র মহাজাগরণকে কেন্দ্র করে সরকার অগণিত নির্মম হত্যাকাণ্ড ও অজস্র রক্তপাত সংঘটিত করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা জানান স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলক ও ডাকসুর সাবেক ভিপি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব।
আন্দোলনের তীব্রতায় ভীত হয়ে অনুপ্রবেশকারী ঢুকিয়ে সরকার নাশকতার নীল-নকশা বাস্তবায়ন করেছে। এখন সন্ত্রাসী হামলার বয়ান দিয়ে অগণিত মানুষকে হত্যার দায় আড়াল করার অপকৌশল গ্রহণ করেছে।
ক্ষমতা সংহত করতে, আন্দোলন স্তব্ধ করার নামে নিজ দেশের নাগরিকদের নানা অজুহাতে হত্যা করে সন্তুষ্টি জ্ঞাপন করা কোনো রাষ্ট্রের কর্তব্য হতে পারে না। সরকারের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হচ্ছে— প্রতিশোধমূলক, নিবৃত্তিমূলক নয়।
বিজ্ঞপ্তি বলা হয়েছে দেশ ভয়াবহ সংকটে। এ অবস্থায়—১. ছাত্রদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে কতজন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে, তাদের সংখ্যা, নাম ও ঠিকানা দ্রুত প্রকাশ করতে হবে। ২. আবু সাঈদসহ নিহতদের স্মরণে ‘জাতীয় শোক’ পালন করা। ৩. প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ীদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যাবস্থা নেওয়া। ৪. অবিলম্বে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে সকল শিক্ষার্থীদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা। ৫. নির্বিচার গ্রেপ্তারসহ সকল হয়রানি বন্ধ করা। ৬. কারফিউ প্রত্যাহার করা।
উপরোক্ত পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়ন করে দ্রুত রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বন্ধ করতে হবে। বিজ্ঞপ্তি