আগামীতে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীও থাকবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
তিনি বলেন, ‘জামায়াতের সঙ্গে জোটে ছিলাম। জামায়াতের সঙ্গে আমাদের দূরত্বের তেমন কিছু নেই। আমরা আশা করি, আগামী দিনেও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আমরা সবাই থাকব, তারাও (জামায়াত) থাকবে।’
শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন। বেলা সোয়া ১১টায় বৈঠক শুরু হয়ে চলে ঘণ্টাব্যাপী। বৈঠকে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান।
এক প্রশ্নের জবাবে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘দূরত্বের কিছু নেই। তারাও (জামায়াত) গণতন্ত্র ও নির্বাচন চায়। তারা মানুষের অধিকারের কথা বলে, আমরাও বলি। কিন্তু যদি কেউ কখনো বলেন যে, তারা শুধু দেশপ্রেমিক, তাহলে আমাদের কষ্ট লাগবেই। আমরা সবাই দেশপ্রেমিক। আমরা আশা করব, এ রকম কথা কেউ না বলুক।’
জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের প্রধান সমন্বয়ক ফরিদুজ্জামান ফরহাদ বলেন, ‘শেখ হাসিনার পতন ও জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে আমরা ১৫ বছর ধরে আন্দোলন করেছি। এর সফলতা আসে ২০২৪-এর ৫ আগস্টে। প্রথম দফায় আমরা সফলতা অর্জন করেছি। দ্বিতীয় দফা হচ্ছে এ দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা, জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।’
আইন ন্যূনতম সংস্কার করে অতি দ্রুত নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার আহ্বান জানান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ। তিনি বলেন, ‘সংসদ নির্বাচন হলে দেশের অর্ধেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। অন্যান্য সংস্কার নির্বাচিত সরকার করবে।’
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন জাগপার সভাপতি খন্দকার লুৎফর রহমান, গণদলের চেয়ারম্যান এ টি এম গোলাম মওলা চৌধুরী, বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান এম এন শাওন সাদেকী, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নুরুল ইসলাম, এনডিপির চেয়ারম্যান আবু তাহের, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের সভাপতি নাসিম খান, ডেমোক্র্যাটিক লীগের (ডিএল) সাধারণ সম্পাদক খোকন চন্দ্র দাস এবং জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি এস এম শাহাদাত প্রমুখ।