অতিরিক্ত আলোচনা করলে রাষ্ট্র পুনর্গঠন থেমে যাবে এবং দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মন্তব্য করছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘যদি আমরা নিজেদের স্বার্থে তর্ক করি, তাহলে পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচারই সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে।’
শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের আব্বাস উদ্দিন খান মডেল কলেজ মাঠে জেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এই কথা বলেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘আগামীতে সংসদ কীভাবে পরিচালিত হবে, সংসদের মেয়াদ কত দিন হবে এবং একজন ব্যক্তি কতবার প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন- এসব বিষয়ে আলোচনা করে সমাধান করা সম্ভব। তবে এসব বিষয়ে অতিরিক্ত আলোচনা করলে রাষ্ট্র পুনর্গঠন থেমে যাবে এবং দেশের জন্য ক্ষতিকর হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘গত ১৫ বছর জনগণ ভোট দিতে পারেনি। ভোটের অধিকার অস্ত্রের মাধ্যমে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। এর ফলে ডামি নির্বাচন ও ভোটার বিচ্ছন্নতার ঘটনা ঘটেছে। লাখো কোটি টাকা পাচার হয়েছে। দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়েছে।’
তারেক রহমান বলেন, ‘নির্বাচন ও বিচারব্যবস্থা পুনর্গঠন করতে হবে। রাষ্ট্র কাঠামো যত দ্রুত পুনর্গঠন হবে, দেশ তত দ্রুত উন্নতি করবে।’ তিনি দাবি করেন, ‘বিএনপির নেতৃত্বেই দেশের পুনর্গঠন সম্ভব। এ জন্য দেশের উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’
সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এম এ মান্নান। এতে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল ও নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ শামীম প্রমুখ।