ঢাকা ৯ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
জাতীয়ভিত্তিক গ্রন্থপাঠ প্রতিযোগিতায় সেরা হলো বাতিঘর আদর্শ পাঠাগার লোহাগাড়ায় দুই বাসের সংঘর্ষে কলেজছাত্রী নিহত জীব ও পরিবেশের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা অধ্যায় থেকে ৩টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও  উত্তর, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান সাতকানিয়ায় যুবলীগ নেতা হাসান মাহমুদ গ্রেপ্তার বেনাপোলে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে শ্রমিক দলের বিক্ষোভ হ্যারি কেইনের ফর্মকে প্রশংসায় ভাসালেন ডেক্লান রাইস নিষিদ্ধ দলের তৎপরতা চোখে পড়া জাতির জন্য ব্যর্থতা: রেলপথমন্ত্রী ইবির কর্মচারীদের নিয়োগ যাচাইয়ে তদন্ত কমিটি, আতঙ্কে নিয়োগপ্রাপ্তরা বহুমাত্রিক সম্পর্কোন্নয়নে ভূমিকা রাখবে শরীয়তপুরে বিএনপির কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ পাঁচবিবিতে ট্রাকচাপায় যুবক নিহত ২৩ জুন: পাউন্ড ছাড়া সব মুদ্রার দাম কমেছে ইউসিটিসিতে ৭ম সিন্ডিকেট মিটিং অনুষ্ঠিত উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ১ লাখ ৯০ হাজার ইয়াবা জব্দ, আটক ১ ভারতের লখনউয়ে অগ্নিকাণ্ডে ১৫ শিক্ষার্থীর মৃত্যু বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা পেল ৬ জেলার সেনা কর্মকর্তারা ২-১ গোলে জর্ডানকে হারিয়ে নকআউটের আশা জিইয়ে রাখলো আলজেরিয়া কাতারে কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ: নিহত ১৩, আহত ৬৬ ইরানের তেল নিষেধাজ্ঞা আংশিক তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র শিরোপার স্বপ্নে ভাসছেন না হালান্ড আশুরা উপলক্ষে ডিএমপির নির্দেশনা তৃণমূলের শীর্ষ পদ থেকে মমতাকে বাদ ১১৫ দিন পর হরমুজ অতিক্রম করল বাংলার জয়যাত্রা পর্তুগাল এখন যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি ঐক্যবদ্ধ: রবার্তো মার্তিনেস বিশ্ববিদ্যালয়ে জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতার চর্চা বাড়াতে হবে: ইবি উপাচার্য ইউএনওর আইডি ব্যবহার করে টেন্ডার কারসাজি টেকনাফে ঝুঁকিপূর্ণ বসতি থেকে সরে যেতে মাইকিং বাউফল উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি কারাগারে জাবিতে রোকনুজ্জামান খান ও বেগম রোকেয়ার জীবনকর্ম নিয়ে আলোচনা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

অন্তর্বর্তী সরকার কঠিন সময়ে উপনীত হয়েছে: মান্না

প্রকাশ: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০২:৫০ পিএম
আপডেট: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৩:৫৭ পিএম
অন্তর্বর্তী সরকার কঠিন সময়ে উপনীত হয়েছে: মান্না
‘নির্বাচন সংস্কার বিশ্লেষণ’ আলোচনা সভায় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ অন্যান্য আলোচকরা। ছবি: খবরের কাগজ

জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের ছয় মাস পেরিয়ে যাওয়া দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে অন্তর্বর্তী সরকার একটা কঠিন সময়ে এসে উপনীত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না।

শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে রাষ্ট্র সংস্কার ফোরামের আয়োজনে ‘নির্বাচন সংস্কার বিশ্লেষণ’ শিরোনামে আলোচনাসভায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘ছয় মাস পরে এসে অন্তর্বর্তী সরকার একটা ক্রুশিয়াল টাইমে এসে পড়েছে। এটা তো সত্যি। ওনি (প্রধান উপদেষ্টা) দেশের অর্থনীতির অবস্থা ভালো করতে পারেন নাই। এত বড় অর্থনীতিবিদ! জিনিসের দাম কমাতে পারেন নাই। ইনভেস্টমেন্ট বাড়েনি, ইনকাম রেট বাড়েনি। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দুর্বল।’

মান্না বলেন, ‘দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে মানুষ যদি রাস্তায় নামে, তবে এই সরকার কি তা থামাতে পারবে? কোনো একটি রাজনৈতিক দল যদি তা সমর্থন করে হরতাল ডাকে, তবে তা মোকাবিলা করার জন্য কি পুলিশ নামবে? সরকার তো ভারনারাবল। এ রকম সরকার দিয়ে তো দীর্ঘদিন ভালো শাসন চালাতে পারবেন না। যখন তখন সেটা ভেঙে যেতে পারে৷’ 

তবে অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থন যুগিয়ে যাওয়ার যৌক্তিকতায় মান্না বলেন, ‘আমরা সরকারের সমালোচনা করি কিন্তু কাঠগড়ায় তুলি না। আমরা জানি এ সরকার পরাজিত হলে আমরাও পরাজিত হব।’

জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের ১৫টি সংস্কার কমিশনের মধ্যে ছয়টির রিপোর্ট জমা হবে শিগগির। এ প্রসঙ্গে মান্না বলেন, ‘এর পরে মূল কথা কী? ছয়টা সংস্কার কমিশনের মধ্যে কমন কতগুলো কথা পাওয়া যায়। আলোচনা করে কতগুলোতে ঐক্যমত করা যায়, তার ওপর নির্ভর করছে সংস্কারের সফলতা।’

সংস্কার প্রস্তাবনা নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল দ্বিমত পোষণ করছেন এমন পরিস্থিতিতে মান্না তার নিজস্ব ভাবনার কথা বিনিময় করে বলেন, ‘সংস্কারের ওপর রাগটাগ করে লাভ নেই। সংস্কার সর্বাংশে ভালো জিনিস। সংস্কার করার ব্যাপারে সমগ্র জাতি এখন ঐক্যবদ্ধ আছে। প্রশ্নটা হলো সংস্কারটা কতখানি লাগবে। তবে ইউনূস সাহেব বলেছেন- সংস্কারের প্রশ্নে কোনো বিষয়ে নূন্যতম যে বিষয়ে ঐক্যমত হবে সরকার ততটুকু সংস্কার করবে।’ 

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি বলেন, ‘কোনো সংস্কার তিনি চাপিয়ে দেবেন না। এটাই ভাবনার ব্যাপার। কারণ আমাদের এমন একটা বিভাজিত দেশ, যেখানে নিজেদের মধ্যে ঐক্যমত বলতে কিছু নাই। এ পর্যন্ত সংস্কার প্রসঙ্গে যত আলোচনা হয়েছে, তারমধ্যে আমি একটা প্রসঙ্গে ঐক্যমত দেখতে পাচ্ছি, সেটা হলো প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা কমাতে হবে। এর বাইরে অন্য কোনো বিষয়ে ঐক্যমত দেখানে যায়নি।’ 

সংস্কার প্রস্তাবনায় গণতন্ত্রের উত্তরণের বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়ে দেখার পরামর্শ দেন এই রাজনীতিবিদ। 

তিনি বলেন, ‘পুলিশ, ব্যুরোক্রেসি ও ইলেকশন কমিশন সংস্কার করা হয়, তাহলে এটা নিয়ে বেশি বিতর্ক হবে না। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের আগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম থেকে গণঅভ্যুত্থানে পতিত আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনাসহ শীর্ষ নেতাদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার দাবিও উঠেছে।’

তবে কেবল এই প্রক্রিয়া নিয়ে ব্যস্ত থাকলে নির্বাচন আয়োজনে সময় লাগবে বলে মন্তব্য করেন মান্না।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘অনেকে দাবি করছেন আওয়ামী লীগের বিচার করতে হবে, তার আগে ভোট হবে না। কিন্তু দেখা গেলো বিচার করতে করতে ছয় বছর লেগে গেলো। তখন তো জনগণ মেনে নেবে না। তাই সবকিছু আবেগ দিয়ে, রাগ দিয়ে বিচার করলে হবে না।’

সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘এ সরকারের কাছে বলব, এখনো সময় আছে। এখনো যদি পুতুপুতু করেন, কিছু করতে পারবেন না। এখন তাদের ডিসাইসিভ রোল প্লে করতে হবে। এ কারণে যে খুব সম্প্রতি একটা অশুভ ইঙ্গিত পাওয়া গেছে৷’

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণ নিয়ে যে উত্তেজনা বিরাজ করছে, তা প্রশমনের প্রচেষ্টা সরকারকে করতে হবে বলে মন্তব্য করেন মান্না। তিনি বলেন, ‘কেউ যদি উসকানি দেন আর আপনি উসকান, আর এটা যদি প্রতি তিন মাস পরপর ঘটতে থাকে তো আগামী তিন বছরেও তো ভোট করতে পারবেন না। ভোট করতে তো একটা পরিবেশ লাগবে। আপনি জিততে চান, কিন্তু ফ্যাসিবাদের ওপর রাগ দেখিয়ে কি জিততে পারবেন? লড়াই করে, রক্ত দিয়ে যে বিজয় আমরা অর্জন করেছি, তা বুদ্ধি-স্থিরতা তথা ধীর শক্তি দিয়ে রক্ষা করতে হবে।

আওয়ামী লীগের রাজনীতি কীভাবে মোকাবিলা করা যায়, সে বিষয়েও পরামর্শ দেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি।

মাহমুদুর রহমান মান্না সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনারা গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথ রচনা করুন। তাহলে আওয়ামী লীগের মত ফ্যাসিবাদী একটি দল আর কোনোদিন জনগণের কাছে আসতে পারবে না। এমন একটি নির্বাচন আয়োজন করুন, যার ওপর দাঁড়িয়ে আগামী দিনের গণতন্ত্রের ভিত রচিত হয়। গত ছয় মাসে সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কোনো ডিসকোর্স করে নাই। এখন সেটা করে সংস্কার দ্রুত এগিয়ে নিন। আমি এ কথা কখনো বলব না যে, আগে সংস্কার করুন, তারপরে ভোট।’

আলোচনাসভায় জাতীয় পার্টির (রওশন) সাবেক নেতা গোলাম সারোয়ার মিলন, নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) এর চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন, রাজনৈতিক বিশ্লেষক আমিরুল করিমসহ আরও অনেকে বক্তব্য দেন।

জয়ন্ত সাহা/সুমন/

সাতকানিয়ায় যুবলীগ নেতা হাসান মাহমুদ গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১২:১৩ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ১২:২৪ পিএম
সাতকানিয়ায় যুবলীগ নেতা হাসান মাহমুদ গ্রেপ্তার

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য ও খাগরিয়ার ত্রাস হিসেবে পরিচিত হাসান মাহমুদকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে সাতকানিয়া থানা পুলিশ। 

সোমবার (২২ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার খাগরিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের গনিপাড়া থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হাসান মাহমুদ একই এলাকার শামসুল ইসলামের পুত্র। এ ছাড়াও তিনি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমানের ভাগিনা। তার বিরুদ্ধে সাতকানিয়া থানা এবং চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও ও কোতোয়ালী থানায় সর্বমোট ৬টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তার হাসান মাহমুদ গনিপাড়ায় অবস্থিত তার বাড়ির সামনে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাতকানিয়া সার্কেল) মো. আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে সাতকানিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জহির আমিন ও রোমান হোসেনসহ পুলিশের একটি টিম তাকে গ্রেপ্তার করে। এরপর তাকে থানায় নিয়ে আসা হয়। মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে তাকে আদালতের নিকট সোপর্দ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাতকানিয়া সার্কেল) মো. আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান। এ ছাড়াও এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ সবসময়ই তৎপর রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে খাগরিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আকতার হোসেন ও সাবেক চেয়ারম্যান মোটরসাইকেল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী জসিম উদ্দিনের সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ওই সময় আকতার হোসেনের প্রধান সহযোগী হিসেবে হাসান মাহমুদের নাম উঠে আসে।

আরিফুল ইসলাম/অন্তরা/

বেনাপোলে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে শ্রমিক দলের বিক্ষোভ

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১২:১৩ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ১২:২৪ পিএম
বেনাপোলে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে  শ্রমিক দলের বিক্ষোভ
ছবি: খবরের কাগজ

যশোরের শার্শা উপজেলা ও বেনাপোল পৌর শ্রমিকদল দেশব্যাপী নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অপপ্রচার, শিষ্টাচার বহির্ভূত ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে মিছিল ও বিক্ষোভ করেছে।

মঙ্গলবার  (২৩ জুন) বেলা ১১টায় বেনাপোল স্থলবন্দরের প্রধান ফটকের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে।

পরে মিছিলটি বেনাপোল বাজার ঘুরে প্রধান ফটকের সামনে এসে শেষ হয়। এ সময় এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন শ্রমিক দলের নেতাকর্মীরা।

সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে শার্শা উপজেলা শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শহীদ আলী বলেন, ‘নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ যেভাবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে দুই হাজার মানুষকে হত্যা করেছে, তেমনি ভাবে আওয়ামী লীগ যদি আবার মানুষের ক্ষতি করার চেষ্টা করে, বাসে অগ্নিসংযোগ করে, নৈরাজ্য করে তাহলে বাংলার মাটি থেকে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নাম চিরতরে মুছে ফেলা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ একটা জঙ্গি সংগঠন, তাদের রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই। ইতোপূর্বেই সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা আছে। নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসী কার্যক্রম করার জন্য গোপন প্রস্তুতি নিচ্ছে, এই বিষয়ে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কোনো নৈরাজ্য করলে তাহলে আমরা তা প্রতিহত করব। আওয়ামী লীগের নিরীহ কর্মী যারা আরামে আছেন- তারা কোনো উসকানিতে পা দিয়েন না, বিদেশে পলাতক নেতাদের উসকানিতে পা দিলে শান্তিতে থাকতে পারবেন না।’

নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অপতৎপরতা রুখতে শ্রমিক দলের নেতাকর্মীরা সবসময় রাজপথে থাকবে বলেও জানান তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বেনাপোল পৌর বিএনপির শ্রমবিষয়ক সম্পাদক তবিবুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক আবুল কাশেম, শ্রমিক নেতা মুজিদ, আব্বাস, রফিকুল ইসলাম, মিল্টন, কামরুল ইসলামসহ বন্দরের শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা ।

নজরুল/খাদিজা রুমি/

নিষিদ্ধ দলের তৎপরতা চোখে পড়া জাতির জন্য ব্যর্থতা: রেলপথমন্ত্রী

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১২:০৪ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ১২:১১ পিএম
নিষিদ্ধ দলের তৎপরতা চোখে পড়া জাতির জন্য ব্যর্থতা: রেলপথমন্ত্রী
সড়ক পরিবহন, সেতু, নৌপরিবহন ও রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ছবি: খবরের কাগজ

নিষিদ্ধ কোনো সংগঠনের তৎপরতা দৃশ্যমান হওয়া জাতির জন্য বড় ব্যর্থতা বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন, সেতু, নৌপরিবহন ও রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, নিষিদ্ধ মানে নিষিদ্ধই, এই দল নিয়ে নতুন করে মন্তব্য করার কিছু নেই।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার চর গলগলিয়া এলাকায় ধলেশ্বরী নদীর উপর নির্মিত রেল সেতুর ঢাকা প্রান্তের ভায়াডাক্টের নিচে বাংলাদেশ রেলওয়ের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘এখন প্রশ্ন, একটা রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ বিষয়টি জাতি কীভাবে দেখে। জাতি নিষিদ্ধ চেয়েছে বিধায় দলটি নিষিদ্ধ হয়েছে। নিষিদ্ধ হওয়ার জন্য জাতি গণ-অভ্যুত্থান করেছে। দেশ থেকে তাদের ভেগে যেতে বাধ্য করেছে দেশের জনগণ। জনগণ রাজনৈতিক দলের বৈধতা দেয়। এখন জনগণও তাদেরকে নিষিদ্ধ করেছে এবং আইনও তাদের নিষিদ্ধ করেছে। অতএব নিষিদ্ধ কোনো বিষয় নিয়ে কথা না বলাই শ্রেয়।’

এ সময় তিনি আরও বলেন, 'সরকারের যত জায়গা আছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে সে সমস্ত জায়গা চিহ্নিত করা হচ্ছে। এরমধ্যে কিছু জায়গা যেগুলো এক একরের বেশি সেগুলো এক রকমের চিহ্নিত করা হচ্ছে। এক একরের নিচে আছে সেগুলোকে একরকম চিহ্নিত করা হচ্ছে। তিন একরের উপরে যেগুলি আছে সেগুলোকে আবার আরেক রকম করে চিহ্নিত করা হয়েছে। তিন একরের উপর যেখানে জায়গা আছে সেখানে এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। তিন একরের অধিক জায়গা চিহ্নিত করে সেখানে সোলার স্থাপন করা হবে। সেখানে স্থানীয়ভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হবে এবং জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ দেওয়া হবে। অর্থাৎ সোলার প্যানেল স্থাপন করে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা হবে।' 

এ সময় মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী ও পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম উপস্থিত ছিলেন।

মঈনুদ্দিন আহমেদ/আজহার/

শরীয়তপুরে বিএনপির কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১১:৫৫ এএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ১২:১৬ পিএম
শরীয়তপুরে বিএনপির কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ
ছবি: খবরের কাগজ

শরীয়তপুরের গোসাইরহাটে বিএনপির একটি স্থানীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।

গতকাল সোমবার রাতে উপজেলার হাটুরিয়া বাজারে অবস্থিত নলমুড়ি ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

রাতের আধারে কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা নিশ্চিত করতে পারেনি বিএনপির নেতারা।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন গোসাইরহাট উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কে এম সিদ্দিক আহম্মেদ।

স্থানীয়, দলীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে নলমুড়ি ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে আজের্ন্টিনা ও অস্ট্রিয়ার ফুটবল ম্যাচ দেখেন স্থানীয় লোকজন ও দলীয় নেতাকর্মীরা। এরপর তারা চলে গেলে ক্লাবের কক্ষে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর চালায় দুষ্কৃতকারীরা।

এ সময় তারা নেতাকর্মীদের ব্যানার ফেস্টুন কার্যালয়ের বাইরে ফেলে দেয়। বিষয়টি টের পেলে বাজারের পাহারাদাররা এগিয়ে আসলে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে তারা পানি দিয়ে আগুন নেভায়। বিষয়টি নেতাকর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা নেতাকর্মী ও পুলিশকে জানায়। তবে আগুনে তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

এ ব্যাপারে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কেএম সিদ্দিক আহম্মেদ বলেন, ‘আমি কিছুক্ষণ আগে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাধ্যমে খবর পেয়েছি। নলমুড়ি ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে কে বা কারা অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর চালিয়েছে। আমরা ধারণা করছি আমাদের বিরোধী দলের লোকজন এটি ঘটাতে পারে। আমরা এ ব্যাপারে আইনি পদক্ষেপ নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি। দল থেলে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হবে।’ 

বিষয়টি নিয়ে গোসাইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বোরহান উদ্দিন বলেন, নলমুড়ি ইউনিয়ন বিএনপি স্থানীয় একটি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করার খবর পেয়েছি। আমরা এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।

বিধান মজুমদার অনি/তামান্না রুপা/

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১০:২৬ এএম
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ
খবরের কাগজ ইনফোগ্রাফ

কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পুরান ঢাকার কে এম দাস লেনের ঐতিহাসিক রোজ গার্ডেনে তৎকালীন পাকিস্তানের প্রথম প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দল হিসেবে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।

দলের প্রথম কাউন্সিলে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী সভাপতি এবং শামসুল হক সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। সে সময় তরুণ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান কারাগারে বন্দি ছিলেন। বন্দি অবস্থায় তাকে সর্বসম্মতিক্রমে দলের প্রথম কমিটির যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।

১৯৫৩ সালে ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় কাউন্সিলে মওলানা ভাসানী সভাপতি এবং শেখ মুজিবুর রহমান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরে ১৯৫৫ সালের ২১ থেকে ২৩ অক্টোবর ঢাকার সদরঘাটের রূপমহল সিনেমা হলে অনুষ্ঠিত তৃতীয় কাউন্সিলে দলের নাম থেকে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দেওয়া হয়। এরপর দলের নাম হয় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ। স্বাধীনতার পর দলটির নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

বর্তমানে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে।

ঐতিহাসিক ছয় দফা ঘোষণার প্রাক্কালে ১৯৬৬ সালের ১ মার্চ শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। তার নেতৃত্বে দলটি পরবর্তীকালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

রিফাত/