দিল্লিতে থাকুক বা যেখানেই থাকুক, আয়নাঘরের চেয়ারে একদিন শেখ হাসিনাকে বসানো হবে- বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক বিরোধীদলীয় চীফ হুইপ জয়নাল আবেদীন ফারুক।
তিনি বলেছেন, ‘আয়নাঘরে প্রাণ দিয়েছে বিএনপির নেতা-কর্মীরা, অত্যাচারিত হয়েছে বিএনপি নেতা-কর্মীরা। সেই অত্যাচার অনুভবের জন্য আয়নঘরের চেয়ারে একদিন হাসিনাকে বসাব। দেখবা সেদিন কেমন ঘুরছে আয়নাঘরের চেয়ারটা। হাসিনা যদি দিল্লিতে থেকে থাকো, তাহলে থাকো। আমরা আয়নাঘরের সেই অত্যাচার ভুলি নাই, হারুনের অত্যাচারও আমরা ভুলি নাই। এই সরকার হারুনকেও এখনো গ্রেপ্তার করতে পারে নাই। যদি তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হতো তাহলে সচিবালয়ে আগুন লাগা কিংবা গাজীপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের ওপর হামলার ঘটনা আমাদের দেখতে হতো না।’
মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কুমিল্লায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও স্বল্প সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবিতে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাবেক এমপি জাকারিয়া তাহের সুমনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় অন্তবর্তী সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের ম্যাপ দিয়েছেন, এখন রাস্তাটা দেখাই দেন কেমনে যাব। সংস্কারের নামে বিলম্ব করবেন না। সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হলে আপনাদের সুনাম নষ্ট হবে। আপনারা ফখরুদ্দিন-মইনুদ্দিন হইয়েন না। আমাদের নেতা তারেক রহমানের মেরুদণ্ড ভেঙ্গে দিয়েছে মইনুদ্দিন, আমাদের নেত্রীকে এক কাপড়ে বের করে দেওয়া হয়েছে। মইনুদ্দিন-ফখরুদ্দিন তিন মাসের কথা বলে দুই বছর কাটিয়েছিল। আপনাদেরকে সাত মাস সময় দেওয়া হয়েছে। আর বিলম্ব করবেন না।’
জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির আহবায়ক উদবাতুল বারী আবু, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান আমির, সদস্য সচিব আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব ইউসুফ মোল্লা টিপুসহ নেতারা।
জহির শান্ত/মাহফুজ