জাতীয়তাবাদী কৃষিবিদদের সংগঠন এগ্রিকালচারিস্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এ্যাব) এর তিন মাসের আহ্বায়ক কমিটি এখন সাত বছরে। নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠনের উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানালেও কালবিলম্ব করছে বলে অভিযোগ উঠেছে সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে।
নেতা-কর্মীরা অভিযোগ করে বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে জাতীয়তাবাদী কৃষিবিদরা উক্ত আহ্বায়ক কমিটিকে নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করার আহ্বান জানায়। কিন্তু নানাভাবে কালক্ষেপণের পর গত ৭ ফেব্রুয়ারি সদস্যসচিব জি কে মোস্তাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ে এক বিশেষ জরুরি সভা আহ্বান করলেও তা অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে স্থগিত করে। এভাবে নির্বাচন না দিয়ে সংগঠনকে প্রসারিত করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে।
কৃষিবিদদের অব্যাহত দাবির প্রেক্ষিতে শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকালে এক বর্ধিত সভা হওয়ার কথা থাকলেও কৃষিবিদদের তোপের মুখে তারা এ সভাও বাতিল করে।
এই বর্ধিত সভা বাতিলের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সচেতন কৃষিবিদ সমাজ।
জানা গেছে, আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয় ২০১৯ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি। রাশিদুল হাসান হারুনকে আহ্বায়ক, গোলাম হাফিজ কেনেডিকে যুগ্ম আহ্বায়ক ও জি কে মোস্তাফিজুর রহমানকে সদস্যসচিব করে তিন মাসের জন্য কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটির লক্ষ্য ছিল উক্ত সময়ের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করে নতুন কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করা। কিন্তু অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে তারা নির্বাচনের পথ পরিহার করে সংগঠনের গণতান্ত্রিক পথযাত্রাকে রুদ্ধ করে। ফলে প্রাণচাঞ্চল্য হারায় জাতীয়তাবাদী কৃষিবিদদের প্রাণপ্রিয় সংগঠনটি।
এ্যাবের সদস্য মো. এমদাদুল হক দুলুর পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়- আমরা সচেতন কৃষিবিদ সমাজ এ সিদ্ধান্তের প্রতি নিন্দা জ্ঞাপন করছি। আমরা মনে করি, বর্তমান আহ্বায়ক কমিটি নির্বাচন না দিয়ে সংগঠনকে কুক্ষিগত করে রাখার হীন প্রচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। আমরা নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের জোর দাবি পুনর্ব্যক্ত করছি।
এমন অবস্থায়, আমরা সচেতন কৃষিবিদ সমাজ এগ্রিকালচারিস্টস্ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-কে (এ্যাব) সংকট থেকে উত্তরণের জন্য বিএনপির হাইকমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
শফিকুল ইসলাম/অমিয়/