ঢাকা ৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
নেপালের সঙ্গে দ্রুত বাণিজ্য চুক্তি চায় বাংলাদেশ চুয়াডাঙ্গায় ট্রেন-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ২ সামরিক জীবনে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার আহ্বান সেনাপ্রধানের উখিয়ায় আইওএমের গাড়ির চাপায় অজ্ঞাত শিশুর মৃত্যু ভার্চুয়াল জুয়ার ফাঁদে সমাজ এসএসএফকে জনগণের সঙ্গে সংযোগ অটুট রাখার নির্দেশ তারেক রহমানের গানেই লিজার ব্যস্ততা প্রয়াত বিএনপি নেতা আবদুল্লাহ আল নোমানের নামে আমন্ত্রণপত্র আধ্যাত্মিক ধনী হওয়ার সহজ সমীকরণ আবার জ্বলে ওঠো জার্মানি চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২০০ জাতের আম নিয়ে মেলা শুরু পাহাড়, বন আর নীল জলের অপূর্ব মিলন ৪টি চলচ্চিত্র নিয়ে ‘সামার বাংলা হিট ফেস্ট’ তিন নাটকে প্রশংসিত হিমি পুশ-ইন সমস্যা সমাধানের দাবিতে সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের প্রবাসী নিহত তপ্ত গরমে পশুপাখির প্রতি সদয় হোন সিনচিয়াংয়ে সংস্কৃতি ও পর্যটন উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত সংঘাত নয়, হোক সম্প্রীতির উদযাপন কানসাসের দাবদাহে ‘কুলিং ভেস্টে’ অনুশীলন আর্জেন্টিনার চীনের ছাংছুনে অপটিক্স ও সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তির বিপ্লব বাংলাদেশের বাজারে এল টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো খোকসায় ২০ বছর ধরে অচল কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র, ভোগান্তিতে কৃষক-খামারি কেইনই ইংল্যান্ডের ইতিহাসের সেরা স্ট্রাইকার: লিনেকার বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে পুশইন, সংলাপের পরামর্শ জাতিসংঘের গ্লেনরিচ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র নতুন অ্যান্ড্রয়েড ১৭ সংস্করণে গুগলের বড় চমক কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অবদান রাখায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সনদ পেল মার্কেন্টাইল ব্যাংক এবি ব্যাংক পিএলসির ৪৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

মাফিয়াতন্ত্র বন্ধ না হলে আরেকটি গণ-অভ্যুত্থানের প্রস্তুতি নিতে হবে: নাহিদ ইসলাম

প্রকাশ: ১৮ জুলাই ২০২৫, ০৯:২১ পিএম
আপডেট: ১৮ জুলাই ২০২৫, ০৯:২৪ পিএম
মাফিয়াতন্ত্র বন্ধ না হলে আরেকটি গণ-অভ্যুত্থানের প্রস্তুতি নিতে হবে: নাহিদ ইসলাম
‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’র অংশ হিসেবে শুক্রবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ শহরে এনসিপির নেতাকর্মীরা। ছবি: খবরের কাগজ

দেশে মাফিয়াতন্ত্রের খেলা বন্ধ না হলে আরেকটি গণ-অভ্যুত্থানের প্রস্তুতি নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। আওয়ামী লীগ আমলে দেশে যে মাফিয়াতন্ত্র ও দখলদারত্ব চলতো, এখনও তা চলছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি ও এনসিপির মাসব্যাপী ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’র অংশ হিসেবে শুক্রবার (১৮ জুলাই) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাড়ায় আয়োজিত পথসভায় তিনি এ মন্তব্য করে নতুন বন্দবস্ত না হওয়ার পর্যন্ত মাঠে থাকার হুঁশিয়ারি দেন।

গণ-অভ্যুত্থানের কেন্দ্রীয় এই নেতা বলেন, নারায়ণগঞ্জে পরিবারতন্ত্র, মাফিয়াতন্ত্র ও দলখবাজির রাজনীতি চলতো। এই নারায়ণগঞ্জের মতো মাফিয়াতন্ত্র সারা দেশেও চলেছে। আওয়ামী লীগ আমলে যে মাফিয়াতন্ত্র ও দখলদারত্ব চলতো, এখনও তা চলছে। এগুলো বন্ধ করতে হবে। দেশে যদি মাফিয়াতন্ত্রের এই খেলা বন্ধ না হয়, তাহলে আরেকটা গণ-অভ্যুত্থানের প্রস্তুতি নিতে হবে।

তিনি বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের মধ্যে দিয়ে যে বাংলাদেশ সৃষ্টি হয়েছে, সেখানে নতুন বন্দবস্ত না হওয়ার পর্যন্ত এনসিপি মাঠে থাকবে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, বাংলাদের রাষ্ট্র পরিচালনার সিস্টেম পরিবর্তন করতে হবে। নারায়ণগঞ্জের কিছু পরিবার বছরের পর বছর নিয়ন্ত্রণ করেছে, দখলদারি চাঁদাবাজি করেছে। গত রাতে তোরণ জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে, আগুন দেওয়া হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কেন ঠিক হচ্ছে না সরকারের কাছে এর জবাব চাই। এখনো কেন জুলাই শহিদ আহতদের পরিবারের বাসায় গিয়ে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। শহিদ পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছে। 

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেন, নারায়ণগঞ্জবাসী বুকের রক্ত দিয়ে সন্ত্রাসীদের এবং আওয়ামী লীগকে প্রতিরোধ করেছিল, নারায়ণগঞ্জে ৫৬ জন শহিদ হয়েছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে। নারায়ণগঞ্জে যে সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য করা হয়েছিল তা ভেঙ্গে দেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এর আগে শহরের নিতাইগঞ্জ থেকে নাহিদ ইসলাম নেতৃত্বে পদযাত্রায় অংশ নেয় দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা। এসময় তারা জুলাই আন্দোলনে হতাহত পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। কর্মসূচির ১৮ তম দিনে পদযাত্রাটি শহরের নিতাইগঞ্জ থেকে শুরু করে বি-বি রোড হয়ে চাষাঢ়া চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে বিজয়স্তম্ভের সামনে আয়োজিত পথসভায় অংশ নেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা।

পথসভায় আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন, দলের দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ ও মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী।

কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিনের সভাপতিত্বে পথসভায় অংশ নেন দলটির উত্তরের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন ও সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা, কেন্দ্রীয় সদস্য আহমেদুর রহমান তনু, সংগঠক শওকত আলীসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। পথসভায় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেয়।

পথযাত্রায় এনসিপির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনের স্বপ্ন পূরণ হবে আমাদের মৃত্যুর পর। তাদেরকে দেশের জনগণ উৎখাত করেছে। তিনি বলেন, গোপালগঞ্জের ঘটনার পর এখন আওয়ামী পণ্ড হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগের পতন হয়েছে গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে। শেখ হাসিনার সময় যারা পয়সার জন্য নিজের মগজ বিক্রি করেছে তারা জ্ঞানী পাপী বলেও উল্লেখ করেন হাসনাত আবদুল্লাহ।

পথসভার এনপিসির কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব আখতার হোসেন তার বক্তব্যে আওয়ামী লীগ কোনো রাজনৈতিক দল নয়, তারা ভারতীয় দল বলে অভিহিত করেন। আখতার হোসেন বলেন, জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া সব মানুষই মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত ছিলাম। কোনো সন্ত্রাসীদের দিয়ে হামলা করে লাভ হবে না। দেশের সব এখন সন্ত্রাসী গোপালগঞ্জে গিয়ে আশ্রয় দিয়েছে। সন্ত্রাসীদের দলে জায়গা দিয়ে জনগণের বিরুদ্ধে রাজনীতি করা যায় না। আওয়ামী লীগের বাংলাদেশে রাজনীতি করার সুযোগ কেয়ামত পর্যন্ত নেই। আওয়ামী লীগ কোনো রাজনৈতিক দল নয়, তারা ভারতীয় দল। বাংলাদেশের এক ইঞ্চি জায়গাতেও আর আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্টদের জায়গা হবে না।

এর আগে দুপুর থেকেই পদযাত্রা ও সভাকে ঘিরে বিভিন্ন স্থান থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নগরীতে জড়ো হন নেতাকর্মীরা। বিকেলে নিতাইগঞ্জ চত্ত্বরে পথযাত্রা শেষে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা নারায়ণগঞ্জ থেকে ঢাকার পথে রওনা হন।

এদিন নারায়ণগঞ্জে এনসিপির পথযাত্রাকে ঘিরে সড়ক-মহাসড়ক ও সভাস্থলে বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।


বিল্লাল হোসাইন/মাহফুজ

 

প্রয়াত বিএনপি নেতা আবদুল্লাহ আল নোমানের নামে আমন্ত্রণপত্র

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৭:০২ পিএম
প্রয়াত বিএনপি নেতা আবদুল্লাহ আল নোমানের নামে আমন্ত্রণপত্র
ছবি: খবরের কাগজ

বিএনপির সিনিয়র নেতা ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমান এর নামে একটি রাষ্ট্রীয় টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত পর্বের আমন্ত্রণপত্র পাঠানোকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক অবহেলার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার সময় তিনি প্রায় দেড় বছর আগে মৃত্যুবরণ করলেও তার নাম ব্যবহার করে আমন্ত্রণ পাঠানো হয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আগামী ২০ জুন ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য একটি রাষ্ট্রীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত আসরের জন্য এই আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়। ১৭ জুন জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমানের ডেস্কে চিঠিটি পৌঁছালে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানান ছেলে সাঈদ আল নোমান। তিনি লেখেন, সংসদ এখনো তার প্রয়াত পিতার নামকে সম্মান ও স্মৃতিতে ধারণ করছে—এমন অনুভূতি তার মনে গভীর আবেগ সৃষ্টি করেছে।

তিনি লিখেন, আজ ১৭ই জুন ২০২৬ আমার জীবনের বিশাল এক বিমূর্ত প্রাপ্তির দিন। অধিবেশন চলাকালীন এ মুহূর্তটি আমার আবেগের জগতকে দারুণভাবে আন্দোলিত করেছে। আমার ডেস্ক-এ একটি দাওয়াতপত্র পৌঁছলো, যেখানে “আবদুল্লাহ আল নোমান” নামটি লেখা।

হয়তো এটি কেবল একটি প্রশাসনিক ভুল। কিন্তু অনুভূতির জগতে এর অর্থ একেবারেই অন্যরকম। আমার মনে হলো, জাতীয় সংসদ এখনও বিশ্বাস করে—“আবদুল্লাহ আল নোমান” সংসদে উপস্থিত আছেন; তিনি এখনও বেঁচে আছেন মানুষের অনুভূতিতে, তাঁদের শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায়। তাই প্রশ্ন জাগে মনে — “মৃত নোমান কি জীবিত নোমানের চেয়েও শক্তিশালী?” উত্তর নিঃসন্দেহে ‘হ্যাঁ’!

এসএন/

পুশ-ইন সমস্যা সমাধানের দাবিতে সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৬:২৭ পিএম
পুশ-ইন সমস্যা সমাধানের দাবিতে সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান
ছবি: সংগৃহীত

সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইন সমস্যা সমাধানের দাবিতে সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল সাড়ে ১০ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, নির্মমতার মধ্য দিয়ে পুশ ইনের মুখোমুখি হয়েছে ছাত্র নামধারী রাজাকারদের সমর্থকগোষ্ঠীর উল্টা-পাল্টা কথা আর আচরণের কারণে।

একথাও সত্য প্রমাণিত হয়েছে- বাংলাদেশের মানুষের সাথে প্রতারণা করে যে জুলাইয়ের জন্ম দিয়েছে ছাত্র নামধারী যুদ্ধাপরাধীদের সমর্থকগোষ্ঠী, সেই জুলাইয়ের কারণে আজ যুদ্ধাপরাধীরা সংসদ সদস্য হতে পেরেছে, জাতীয় সংসদ সদস্য হয়েছে ছাত্র নামধারী বিশ্ববাটপার গোষ্ঠীর সমন্বয়করা। যারা ৫ আগস্টের আগে যারা স্লোগান দিয়েছে ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যেও ঠাঁই নাই; তারাই পরে স্লোগান দিলো ‘দিল্লি না ঢাকা; এখন আর আবার সেই দিল্লিতেই চিকিৎসার জন্য বাপ-দাদা চৌদ্দ গোষ্ঠীকে নিয়ে যায়।

সমাবেশে প্রেসিডিয়াম মেম্বার কাজী মুন্নি আলম, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, যুগ্ম মহাসচিব মনির জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক হরি দাস সরকারসহ সাংগঠনিক সম্পাদক আফতাব মন্ডল, হাশেম মোল্লা, নতুনধারার মিডিয়া সেল সদস্য সোনিয়া দেওয়ান প্রীতি, জাতীয় শ্রমিকধারার আহ্বায়ক বাবুল মিয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ আহমেদ ফারুক, গীতিকার রুবেল, রাব্বি হোসেন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

সংহতি প্রকাশ করেন সংবাদযোদ্ধা গাজী তুষার আহমেদ ও মানবাধিকারকর্মী নূরে আলম আকন্দ। সমাবেশ শেষে পররাষ্ট্র মন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন নতুনধারার নেতৃবৃন্দ।

স্মারকলিপিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে লেখা হয়- নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবি গত ১৩ বছর ধরে অন্যায়-অপরাধ, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, দুর্নীতি, খুন, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকে রাজপথে কথা বলার পাশাপাশি সীমান্ত হত্যা বন্ধ, মাদকদ্রব্যসহ সব চোরা চালান বন্ধের দাবিতে সোচ্চার ছিলো, এখানো আছে, আগামীতেও থাকার প্রত্যয়ে ঐক্যবদ্ধ আছে। সেই পথচলায় আজকের এই স্মারকলিপি প্রদান করছি। যাতে করে সীমান্তে বিএসএফ সদস্য ও ভারতীয় নাগরিকদের দ্বারা প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার পরিহার করা হয়, কঠোর নজরদারির মাধ্যমে মাদকদ্রব্যসহ কোনো প্রকার চোরাচালান যেন না করতে পারে সে জন্য নিরবিচ্ছিন্ন তদারকি দুই দেশের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।

সীমান্ত হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সীমান্তে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও স্বাভাবিক অবস্থা নিশ্চিত করতে জবাবদিহিতা বৃদ্ধিরও দাবি জানাচ্ছি ছাত্র-যুব-জনতার রাজনৈতিক মেলবন্ধন নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির পক্ষ থেকে। পরিশেষে আশা করবো যে, আন্তরিক, সৎ ও সমন্বিত প্রচেষ্টা, প্রচলিত আইন অনুসরণ এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে মানুষের জীবনের কথা ভেবে সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার, যৌথ টহল বৃদ্ধি, নজরদারি বাড়ানো এবং অবৈধভাবে আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য নিবেদিত থাকবেন ও রাখবেন।

 চলমান পুশ-ইনের শিকার ব্যক্তিদের অনেকেই চরম দুর্দশার মধ্যে রয়েছেন। তাদের মধ্যে ক্ষুধা ও রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি যেমন রয়েছেন, তেমনি রয়েছেন নারী, শিশু ও জরুরি চিকিৎসাসেবার প্রয়োজন এমন প্রবীণ মানুষও। কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে যাচাই করা হলে প্রচলিত দ্বিপাক্ষিক প্রত্যাবাসন ব্যবস্থার মাধ্যমে তাকে দ্রুত গ্রহণ করা আর বাংলাদেশি না হলে সসম্মানে ভারতে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করত চলমান সমস্যা সমাধানেরও বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।’ এর দুপুর দেড়টায় বাংলাদেশস্থ ভারতীয় হাই কমিশনে হাই কমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর বরাবর পুশ ইন সমস্যা সমাধানের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করতে গেলে কমিশন থেকে জানানো হয়- আপাতত পুশ ইন সংক্রান্ত কোনো স্মারকলিপি গ্রহণ করা হবে না। এ বিষয়ে নতুনধারার চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী বলেন, ইমেইলে স্মারকলিপি পাঠানো হবে, তাদের উত্তরের পর আমরা গণমাধ্যমের সাথে এ বিষয়ে কথা বলবো।

এসএন/

কসবায় বিএনপির দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৪:৫৭ পিএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:১৮ পিএম
কসবায় বিএনপির দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি
ছবি: খবরের কাগজ গ্রাফিকস

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় উপজেলায় একই স্থানে বিএনপির দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে ঘিরে সংঘাতের আশঙ্কায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুর ২টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত কসবা উপজেলার কুটি ইউনিয়নের কুটি দক্ষিণবাজার ও আশপাশ এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি থাকবে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা ও আখাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন৷ এজন্য বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় কুটি দক্ষিণবাজারে আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ ডাকে তার কর্মী-সমর্থকরা। কুটি ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ব্যানারে এ আয়োজনের নেতৃত্বে আছেন কুটি ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান উজ্জল মিয়া।

অন্যদিকে, একই সময় ও স্থানে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে কুটি ইউনিয়ন বিএনপির একাংশ ৷ কুটি ইউনিয়ন বিএনপির নবনির্বাচিত সভাপতি মাহবুবুল ইসলাম শাহীনকে সংবর্ধনা দিতে এ কর্মসূচির ডাক দেয় ইউনিয়ন বিএনপি। দুই পক্ষের এ পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিতে উত্তেজনা দেখা দেয়। এ ঘটনায় সংঘাত এড়াতে দুপুর ২টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করে উপজেলা প্রশাসন।

কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজনীন সুলতানা জানান, ১৪৪ ধারার জারিকৃত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। কেউ বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ছামিউল ইসলাম জানান, দুইপক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির কারণে সংঘাত এড়াতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে৷ রাত ১২টা পর্যন্ত ওই এলাকায় সভা-সমাবেশ ও গণজমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

আজিজুল সঞ্চয়/এসএন

জামায়াতের সংসদ সদস্যকে মাইক্রোওভেন দিতে চাইলেন পার্থ

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৪:৫৭ পিএম
জামায়াতের সংসদ সদস্যকে মাইক্রোওভেন দিতে চাইলেন পার্থ
সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থ/ ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনের আলোচনার সময় জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যের জন্য মাইক্রোওভেন দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থ। একই সঙ্গে তিনি সংসদ সদস্যের উত্থাপিত ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওভেন ও পর্দা সংক্রান্ত দাবিকে ঘিরে সংসদের আলোচনার শিষ্টাচার ও মানদণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের দশম দিনের আলোচনা শুরুর আগে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

পার্থ বলেন, “জামায়াতের এমপির এই ডিমান্ড—ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ, অ্যান্ড কার্টিনস—এটা আমাকে অনেক লজ্জা দেয়।” তিনি বলেন, সংসদ সদস্যরা জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে এখানে জনগণের সমস্যা ও রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরবেন, ব্যক্তিগত সুবিধা নয়।

তিনি আরও বলেন, সংসদ সদস্যরা শুধু সংসদের ভেতরে নয়, দেশের বাইরে গিয়েও সংসদকে প্রতিনিধিত্ব করেন। তাই সংসদে দেওয়া বক্তব্যের প্রভাব আন্তর্জাতিক ও সামাজিকভাবে পড়ে। “একজন এমপি যখন ওয়াশিং মেশিন বা মাইক্রোওভেনের দাবি নিয়ে কথা বলেন, তখন তা সংসদের মর্যাদাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে,” বলেন তিনি।

গত সংসদে গণতন্ত্র ও সংসদীয় সংস্কৃতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উল্লেখ করে পার্থ বলেন, নতুন সংসদে সেই মানদণ্ড বজায় রাখা জরুরি। তিনি আরও বলেন, “আমরা গাড়ি বা প্লট নেব না—এ ধরনের ঘোষণার পরও যদি সংসদে এমন ব্যক্তিগত চাহিদা নিয়ে আলোচনা হয়, তা দুঃখজনক।”

এ সময় তিনি বিষয়টি নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে কাউকে বিব্রত করতে চান না বলেও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “যদি উনার এসব প্রয়োজন থাকে, আমি ব্যক্তিগতভাবে মাইক্রোওভেন দিতে প্রস্তুত।”

তিনি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের দাবি বিবেচনার অনুরোধ জানান এবং সংসদে আলোচনার মান বজায় রাখার আহ্বান জানান।

এর আগে বুধবার (১৭ জুন) বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান সংসদ সদস্যদের জন্য বরাদ্দ ফ্ল্যাটে ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রোওভেন এবং দরজা-জানালায় পর্দা দেওয়ার দাবি জানান।

সংসদ/এলিস/আমান

ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করেছে: জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১১:৪৪ পিএম
ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করেছে: জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল
ছবি: সংগৃহীত

সীমান্তে ভারত কর্তৃক অবৈধ পুশইনের বিরুদ্ধে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশ করে।

বুধবার ( ১৭ই জুন) বিকেল ৫টায় জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী ফয়জুল হাকিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সৌরভ রায়, মনোয়ারুল ইসলাম ও হেমন্ত দাষ। 

সভাপতির বক্তব্যে ফয়জুল হাকিম বলেন, ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে, বাংলাদেশের জনগণের বিরুদ্ধে এক দীর্ঘস্থায়ী ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করে চলেছে।  গত কিছুদিন ধরে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে ভারতের সীমান্ত রক্ষী বিএসএফ ভারতের বাংলাভাষী মুসলমানদের সীমান্তে অবৈধভাবে "পুশইন" করে বাংলাদেশের ভিতরে ঠেলে দিচ্ছে। ভারতে "অবৈধভাবে" অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের পুশ ইন করে পাঠানোর কথা ভারত দাবি করে আসলেও কার্যত ভারত কর্তৃক আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে অবৈধভাবে পুশ ইন করার ঘটনা প্রমাণ করে যে ভারতের দাবি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।  

ফয়জুল হাকিম আরও বলেন, গত প্রায় দুই দশকের অধিককাল ধরে ভারতের সীমান্ত রক্ষী বিএসএফ কর্তৃক সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের বিচার বহির্ভূতভাবে হত্যার ঘটনা বিশ্ববাসীর নিকট কোনো অজানা ঘটনা নয়। এসব ঘটনায় বাংলাদেশের প্রতি ভারতীয় কর্তৃপক্ষের মনোভাব বুঝা যায়। তিনি ভারতের সাথে সম্পাদিত হাসিনা-মনমোহন চুক্তি, হাসিনা- মোদী চুক্তি সহ সকল অসম, অধীনতামূলক চুক্তি, সামরিক চুক্তি বাতিলের জোর দাবি জানান। 

সৌরভ রায় বলেন, সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার নির্বাচন হয়ে গেল। এই নির্বাচনে ভারতের কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকার ও শাসক দল বিজেপির পশ্চিম বঙ্গ শাখা ভারতের পশ্চিম বঙ্গের সাধারণ জনগণের মাঝে ব্যাপকভাবে বাংলাদেশ বিরোধী, মুসলমান বিদ্বেষী প্রচারণা চালিয়েছিলো। এখনো চালিয়ে যাচ্ছে। এইভাবে সাম্রাজ্যবাদী ভারত রাষ্ট্র, একচেটিয়া বড় পুজির দালাল, উগ্র হিন্দুত্ববাদী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার নিজ দেশের সম্প্রদায় নির্বিশেষে জনগণের ঐক্যকে বিনষ্ট করে রাজনৈতিক ফায়দাই নিচ্ছে না উপরন্তু সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের মধ্যে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে দিয়ে চলেছে। উপমহাদেশের জনগণের ঐক্যে বিভাজন তৈরি করে ভারতে ফ্যাসিস্ট শাসন দীর্ঘায়িত করে চলেছে।

সৌরভ রায় বলেন, ভারতীয় কর্তৃপক্ষের এই প্রতিক্রিয়াশীল ও গণবিরোধী ভূমিকা রুখে দাঁড়াতে সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলা আজ এক গণতান্ত্রিক কর্তব্য । 

মনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ভারতীয় সাম্রাজ্যবাদের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলে সীমান্তের জনগণ এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন। দিল্লিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টার সাথে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের আচরণের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, বাংলাদেশকে ভারতের মক্কেল রাষ্ট্র বানানোর দিন গত হয়ে গিয়েছে এই বাস্তবতা ভারত সরকারকে বুঝতে হবে।

হেমন্ত দাষ বলেন, ভারতের আরএসএস, বিজেপি প্রভৃতি উগ্র হিন্দুত্ববাদী প্রতিক্রিয়াশীল দলগুলো একদিকে ভারতে  সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে জনগণের একতা বিনষ্ট করে চলেছে অন্যদিকে বাংলাদেশে জামাতে ইসলামীসহ ধর্মের রাজনৈতিক ব্যবহারকারী দলগুলো মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের পদলেহন করে চলেছে। এরা মাজারে,বাউলগানের অনুষ্ঠানে তৌহিদী জনতার ব্যানারে হামলা চালাচ্ছে।এসবের তীব্র নিন্দা জানিয়ে হেমন্ত দাষ বলেন, মানুষের চিন্তার স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে দেশে দেশ প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি ভয় পায়। এদের রুখে দাঁড়াতে হবে।

এসএন/