ঢাকা ১ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বাগেরহাটে দোয়া মাহফিল ও বৃক্ষরোপণ জন-আকাঙ্ক্ষার বাজেটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বড় চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশে এসে ২০ বছরের তরুণীকে বিয়ে করলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব আমিরাতের নাগরিক তুমিও হারিয়ে যাও আমাজনের জঙ্গলে সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৫টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র আমরা সব ইরানির জন্য খেলি: তারেমি কালীগঞ্জে আ.লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার ঘিরে মুখোমুখি বিএনপির দুই গ্রুপ ক্যারিয়ার গড়ুন সীমান্ত ব্যাংকে ত্রিশালে সরকারি বইসহ পিকআপ জব্দ, পলাতক মাদরাসা সুপার অবশেষে মায়ামিতে উরুগুয়ে দল খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার তৌহিদ আফ্রিদি ভারতের ভিসা আবেদনের অ্যাপয়েন্টমেন্টে নতুন নির্দেশনা মহাখালী বাস টার্মিনাল সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত, আলোচনায় সায়েদাবাদ-ফুলবাড়িয়া ব্রাজিলে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় মারা গেল গায়ক অ্যামচেমের নতুন সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, সহসভাপতি আলা উদ্দিন নওগাঁয় বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উদযাপন সরকার ২ হাজার মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে: কৃষিমন্ত্রী মাদারীপুরে সংঘর্ষে আহত ১০, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২১৬৭ মামলা কিয়ামতের আদালতে সবচেয়ে ভয়ংকর সাক্ষী কে জানেন? ট্রাফিক মামলা নিষ্পত্তি করলেই ২৫ শতাংশ ছাড় বাজেটে ইতিবাচক উদ্যোগের পাশাপাশি উদ্বেগ জানিয়েছে রিহ্যাব জনবল নেবে ব্র্যাক ব্যাংক ম্যাচ শেষেই নির্বাসন, যুক্তরাষ্ট্রের কড়া বিধিনিষেধে ক্ষুব্ধ ইরানের কোচ ধর্ষণচেষ্টায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার, দল থেকে বহিষ্কার ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান নীল, সাদা রঙে রাঙা রংপুর, আর্জেন্টিনা সমর্থকদের উচ্ছ্বাস তারপরও টুর্নামেন্ট উপভোগের বার্তা কুরাসাও কোচের প্রত্যন্ত অঞ্চলে উদ্ভাবনী সংস্কৃতি ছড়িয়ে দিতে চান মোশাহিদ
Nagad desktop

যারা বেইমান-বির্ধমী বলতেন তারাই জোট বাঁধার চেষ্টা করছেন: নজরুল ইসলাম খান

প্রকাশ: ০৩ আগস্ট ২০২৫, ০৩:১৬ পিএম
আপডেট: ০৩ আগস্ট ২০২৫, ০৩:১৭ পিএম
যারা বেইমান-বির্ধমী বলতেন তারাই জোট বাঁধার চেষ্টা করছেন: নজরুল ইসলাম খান
ছবি: খবরের কাগজ

কিছু আগে যারা একে অপরকে বেইমান-বির্ধমী বলতেন, তারা এখন জোট বাঁধার চেষ্টা করছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

রবিবার (৩ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ লেবার পার্টি কর্তৃক আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ইসলামি দলগুলোর দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, 'সংস্কার প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করার চেষ্টার কারণ হলো কেউ কেউ সংগঠিত হওয়ার জন্য বেশি সময় চাইছেন। আবার কেউ কেউ জোট বাঁধার চেষ্টা করছেন। কিছুদিনে আগেও যারা একে অপরকে বেইমান-বিধর্মী বলে আখ্যায়িত করেছেন, তারা এখন ঐক্যবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করছেন। কিন্তু এসব কারণে কী দেশের জনগণ নির্বাচনের যে আকাঙ্ক্ষা বিলম্ব করবেন? আমরা বিশ্বাস করি, দেশে ইতিমধ্যে নির্বাচন দেওয়ার মতো অবাধ পরিবেশ তৈরি হয়েছে।'

নজরুল ইসলাম খান বলেন, 'গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ বিদায় করেছি। কিন্তু গণতন্ত্রকে এখনো পুন:প্রতিষ্ঠা করতে পারিনি। কাজেই এই মুহূর্তে প্রধান দাবি হল গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। জনগণ যে অধিকার চর্চা করতে পারেনি, তা ফিরিয়ে দেওয়া। সংস্কারের প্রয়োজন অবশ্যই রয়েছে। সেজন্য আমরা ৩১ দফা দিয়েছি, যা রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের রূপরেখা ছিল। আমাদের চেয়ে সুস্পষ্ট সংস্কারের প্রস্তাব আর কেউ দেয়নি। কিন্তু আমাদেরকে সংস্কারের প্রতিপক্ষ বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, 'যারা দেশে লুটপাট গুম-খুন চালিয়েছে,তাদের বিচার দ্রুত সময়ে করা হোক। সে বিচার ব্যবস্থা ত্বরান্বিত করতে আমরা অনেক আগেই আরেকটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল তৈরির প্রস্তাব দিয়েছিলাম। আমরা চাই সুবিচার হোক, কিন্তু বিলম্বিত বিচার নয়। সংস্কারও যেমন চলমান প্রক্রিয়া, বিচারও তেমন চলমাম প্রক্রিয়া। অনেকে বলেছে, বিএনপি ক্ষমতায় আসলে বিচার প্রক্রিয়া বন্ধ বা বিলম্বিত হতে পারে। তাদের বলতে চাই, আপনাদের কতজন নেতা-কর্মী নির্যাতিত-শহিদ হয়েছে? আমরা নিপীড়িত দল, সুতরাং ক্ষমতায় এলে বিচার ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাবে, এটা মূর্খতা ছাড়া আর কিছুই না।'

বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডাক্তার মুস্তাফিজুর রহমান ইরানের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান প্রমুখ। 

শফিকুল/মেহেদী

কালীগঞ্জে আ.লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার ঘিরে মুখোমুখি বিএনপির দুই গ্রুপ

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৪:২০ পিএম
আপডেট: ১৫ জুন ২০২৬, ০৪:২১ পিএম
কালীগঞ্জে আ.লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার ঘিরে মুখোমুখি বিএনপির দুই গ্রুপ
ছবি: খবরের কাগজ

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় এক আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তারকে কেন্দ্র করে মুখোমুখি অবস্থানে নেমেছে বিএনপির দুই গ্রুপ। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) অপসারণ দাবিতে এক পক্ষ মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সংবাদ সম্মেলন করলেও অন্য পক্ষ পাল্টা কর্মসূচি দিয়ে এর প্রতিবাদ জানিয়েছে। দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিতে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে জেলার রাজনৈতিক অঙ্গন।

দুই গ্রুপের একটির নেতৃত্বে রয়েছেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুল। অপরটির নেতৃত্বে রয়েছেন কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম। সম্পর্কে তারা চাচাতো ভাই। দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় রাজনীতিতে তাদের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে রয়েছে। সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাওয়া নিয়েও তাদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যায়।

জানা গেছে, গত ৬ জুন রাতে রংপুর শহর থেকে কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও আদিতমারী সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আজিজার রহমানকে নাশকতার একটি মামলায় গ্রেপ্তার করে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ। মামলাটির এজাহারে তার নাম রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর তাকে থানায় আনা হলে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম ওসিকে ফোন করে গ্রেপ্তারের কারণ জানতে চান। এ সময় তাকে জানানো হয় যে, তিনি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। এরপর থেকেই ওসির সঙ্গে বিএনপির ওই গ্রুপের দূরত্ব তৈরি হয়।

এদিকে, একই মামলায় গত বুধবার রমজান আলী নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। উপজেলা বিএনপির আহ্বায়কপন্থি নেতারা দাবি করেন, রমজান আলী গোড়ল ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক। তার গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করে উপজেলা বিএনপির একটি অংশ। কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে আমিনুল ইসলাম অভিযোগ করেন, প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতাদের কাছ থেকে সুবিধা নিয়ে তাদের গ্রেপ্তার না করে বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বক্কর সিদ্দিকের অপসারণ দাবি করে ১২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন। অন্যথায় বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

তবে এ বিষয়ে জেলা বা কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে, পরে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন নেতাদের জানানো হবে।

অপরদিকে, আওয়ামী লীগ নেতা আজিজার রহমানকে গ্রেপ্তারের পর ওসির অপসারণ দাবিতে বিএনপির একাংশের আন্দোলনের প্রতিবাদে রবিবার দুপুরে কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করে এমপি বাবুল সমর্থিত গ্রুপ। এ সময় বিক্ষোভ মিছিলও অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শামসুজ্জামান বলেন, নাশকতার মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আজিজার রহমানকে গ্রেপ্তার করায় ওসির বিরুদ্ধে আন্দোলন করছেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম। আত্মীয়তার সম্পর্কের কারণে তিনি প্রশাসনের কাজে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

একই সঙ্গে দলের নাম ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ পুনর্গঠন ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টাকারীদের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের বলি হচ্ছেন কালীগঞ্জ থানার ওসি বলে মন্তব্য করছেন।

টিটুল ইসলাম নামে এক ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, “রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের বলির পাঁঠা হচ্ছেন কালীগঞ্জের ওসি।”

এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি স্বীকার করেন যে আজিজার রহমান তার আত্মীয়। তবে গ্রেপ্তারের দিন ওসিকে ফোন করেছিলেন কি না—এ প্রশ্নের সরাসরি উত্তর এড়িয়ে যান।

কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সিদ্দিক বলেন, “আওয়ামী লীগ নেতা আজিজার রহমান নাশকতার মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম ফোন করে গ্রেপ্তারের কারণ জানতে চান। গ্রেপ্তার ব্যক্তি তার নিকটাত্মীয় হওয়ায় তিনি ক্ষুব্ধ হতে পারেন। তবে আমরা সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি। অভিযুক্ত ব্যক্তি কার আত্মীয়, সেটি আমাদের বিবেচ্য বিষয় নয়।”

বকুল/নাঈম

রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অবাস্তব: জিএম কাদের

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০২:৩৫ পিএম
আপডেট: ১৫ জুন ২০২৬, ০৩:৪৫ পিএম
রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অবাস্তব: জিএম কাদের
ছবি: খবরের কাগজ

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেটকে ‘গতানুগতিক’, ‘জনতুষ্টিমূলক’ এবং ‘বাস্তবায়নযোগ্য নয়’ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জি এম কাদের)।

সোমবার (১৫ জুন) সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই বাজেট নিয়ে দলের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানান।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, গত কয়েক বছরের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা কখনোই অর্জিত হয়নি এবং ধারাবাহিকভাবে তা নিম্নমুখী।

তিনি জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১০ মাসের তথ্য অনুযায়ী, বছর শেষে রাজস্ব আহরণ সর্বোচ্চ ৩ লাখ ৯২ হাজার ৩১৪ কোটি টাকা হতে পারে। প্রস্তাবিত বাজেটেও এর চেয়ে বেশি রাজস্ব আয় হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে তিনি দাবি করেন।

সরকারের ঘোষিত ‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক’ বাজেটের দর্শন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে জিএম কাদের বলেন, বাজেটের আয় ও ব্যয়ের যে বিশাল ফারাক দেখানো হয়েছে, তা মূলত অতিরিক্ত ঋণনির্ভর। বাজেট বাস্তবায়নে যে রাজস্ব আয়ের প্রাক্কলন করা হয়েছে, তা বর্তমান আর্থ-সামাজিক বাস্তবতায় অসম্ভব বলে মনে করেন তিনি।

জিএম কাদেরের হিসাব অনুযায়ী, প্রস্তাবিত বাজেটে পরিচালন ব্যয় ৬ লাখ ২১ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা, যা কমানোর সুযোগ নেই। ফলে রাজস্ব আয় ৩ লাখ ৯২ হাজার ৩১৪ কোটি টাকা ধরলে সরকারের পরিচালন খরচেই ঘাটতি থাকে ২ লাখ ২৯ হাজার ৬১১ কোটি টাকা। এর সঙ্গে উন্নয়ন ব্যয়ের জন্য ২ লাখ ৩৬ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা যোগ করলে মোট ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৪ লাখ ৬৬ হাজার ৪৬১ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের প্রায় ৫০ শতাংশ। এই বিশাল ঘাটতি মেটাতে সরকার দেশি-বিদেশি ঋণের ওপর অত্যধিক নির্ভর হয়ে পড়বে, যা অর্থনীতিতে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করবে।

জি এম কাদের বলেন, বিনিয়োগ শূন্যের কোঠায় এবং রপ্তানি আয় নিম্নমুখী। এরই মধ্যে প্রায় ৪০০টি মিল-কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে, যার বেশিরভাগই শতভাগ রপ্তানিমুখী গার্মেন্টস, টেক্সটাইল ও স্পিনিং মিল।

সরকার জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৬ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণ করলেও বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ ও এডিবি তা ৩ দশমিক ৯ শতাংশ থেকে ৪ দশমিক ৭ শতাংশের মধ্যে থাকবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে।

অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে অপরিহার্য উল্লেখ করে জিএম কাদের বলেন, একটি বড় রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করে এবং তাদের সমর্থকদের দমন-পীড়নের মাধ্যমে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জন সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেল, গ্যাস ও সারের দাম ও সরবরাহে সংকট তৈরি হয়েছে। বাজেটে এই সংকট মোকাবিলায় ভর্তুকির পর্যাপ্ত বরাদ্দ নেই। ফলে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে না পারলে বিনিয়োগ আসবে না, আবার ভর্তুকি না দিলে মূল্যস্ফীতি বাড়বে এবং দরিদ্র মানুষ আরও বিপাকে পড়বে। কৃষকদের সার সরবরাহ নিশ্চিত না করলে খাদ্য সংকটেরও আশঙ্কা রয়েছে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

জয়ন্ত সাহা/থিও

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন মেনে না নিলে দেশে গৃহযুদ্ধ শুরু হতো: শফিকুর রহমান

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১০:১৪ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ১০:১৪ পিএম
১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন মেনে না নিলে দেশে গৃহযুদ্ধ শুরু হতো: শফিকুর রহমান
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: খবরের কাগজ

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন মেনে না নিলে দেশে গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কা ছিল বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

রবিবার (১৪ জুন)  রাত ৯টায় সিলেট সার্কিট হাউসে স্থানীয় ১১ দলের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

নির্বাচনের ফলাফলে কারসাজির অভিযোগ এনে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, ‘আমরা সাড়ে ১৭ বছর একটা কঠিন অবস্থা অতিক্রম করেছি। সাড়ে ১৭ বছর পর এবার একটা অর্থবহ নির্বাচন জাতি আশা করেছিলো। আমার ব্যক্তিগত মত, নির্বাচন সুন্দর হয়েছে। কিন্তু ফলাফল সুন্দর হয়নি। ফলাফলে অনেককিছু করা হয়েছে। যেটা এখন অনেকে স্বীকার করছেন। আমরা দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়েছি। ফলাফল মেনে না নিলে দেশে গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কা ছিলো। আর যেসব দেশে একবার গৃহযুদ্ধ শুরু হয়েছে তারা আর এর থেকে বের হতে পারেনি।’

সাবেক আউজি বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে ডা. শফিকুর বলেন, ‘বেনজীরকে আটক দেশের পুলিশের কৃতিত্ব নয়, এটা ইন্টারপোলের কৃতিত্ব। তার বিরুদ্ধে রেড এলার্টও বর্তমান সরকার জারি করে নাই। তবে বেনজীর আটক বাংলাদেশের একটা অর্জন। কিন্তু তিনি দুবাইর কারাগারে থাকবেন নাকি দেশে আনা হবে তা সরকারের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করছে।’

সীমান্তে অব্যাহত উত্তেজনা চলছে জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘ওপার থেকে উস্কানি দেওয়া হচ্ছে। আমরা দুই দুইবার স্বাধীন হলাম, কিন্তু প্রকৃত স্বাধীনতা পেলাম কী? জাতির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে আমরা কোনো আপোষ করব।’ 

সংসদে নিজেদের ভূমিকা প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় এই নেতা বলেন, ‘সংসদে বিরোধী দল চরমপন্থা ও গরমপন্থা অবলম্বন করবে না, মধ্যমপন্থা অবলম্বন করবে। সংসদকে আর আমরা মমতাজের সংসদ বানাতে চাই না।

সরকারি দল ইতোমধ্যে স্পষ্টভাবে জাতির সঙ্গে দেওয়া ওয়াদা লঙ্ঘন করেছে দাবি করে জামায়াত আমির বলেন, ‘জনগণের রায় ব্যর্থ হলে টেকসই গণতন্ত্র বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। এ ব্যাপারে সংসদে সমাধান না হলে রাজপথে লড়াই চলবে। তবে সরকার দায়িত্বশীল আচরণ করলে দেশ ভাল থাকবে। নির্বাচন ভালো হলেই শাসক ভাল হবে এর প্রমাণ নেই।’

প্রস্তাবিত বাজেট প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘বাজেটে অনেককিছু ওয়েভার এসেছে। কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও মোটরসাইকেলের ওপর সরকার কর বসাবে কি না সেটা জানতে চান তিনি। দুর্নীতি বন্ধ আর দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে কি না এই দু'টি বিষয়ের স্পষ্ট উল্লেখ নাই বাজেটে।’

রিফাত/

বেরোবিতে শিবিরের বিরুদ্ধে ‘গুমের নাটক’ অভিযোগে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৭:৩৪ পিএম
বেরোবিতে শিবিরের বিরুদ্ধে ‘গুমের নাটক’ অভিযোগে ছাত্রদলের বিক্ষোভ
ছবি: খবরের কাগজ

ছাত্রশিবিরের এক কেন্দ্রীয় নেতার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ভ্রূণ হত্যার মামলার সুষ্ঠু বিচার দাবি এবং ‘গুমের নাটক’ সাজানোর অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) শাখা ছাত্রদল।

রবিবার (১৪ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন।

সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, গুম ও অপহরণের মতো স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের অবমাননা করা হচ্ছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংঘবদ্ধভাবে মিথ্যা প্রচারণা চালানোর অভিযোগও তোলেন তারা। এসব কর্মকাণ্ড বন্ধে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেন বক্তারা।

বেরোবি ছাত্রদলের সভাপতি রাফায়েল ইমতিয়াজ ইয়ামিন বলেন, ‘নারীরা আজ জামায়াত-শিবিরের কারণে অনিরাপদ। কেউ প্রতিবাদ করলে তারা চরিত্রহনন করে। এজন্য বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীরা তাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে পারে না। আমরা দেখেছি, নারীকে লাথি দিয়ে ফেলে দেওয়ায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তারা ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নিয়েছিল। 

এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা জামায়াত-শিবির প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছে। আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাই, জিসান মিয়া প্রধানের বিরুদ্ধে আনা ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ভ্রূণ হত্যার বিচার করতে হবে তাকে ফাঁসিতে ঝুলাতে হবে।জামায়াত-শিবিরকে বলতে চাই, এসব গুমের নাটক করবেন না। গুমের নাটক সাজিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করবেন না।

এদিকে ছাত্রদলের এ কর্মসূচিকে ‘হাস্যকর’ আখ্যা দিয়েছে বেরোবি ছাত্রশিবির। সংগঠনটির নেতা আহমেদুল হক আলবির বলেন, এটি ছাত্রদলের দেউলিয়াত্বের প্রমাণ। জিসান মিয়ার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এখনো অস্পষ্ট। প্রশাসন এখানে বাদী ও বিবাদী কাউকে সামনে আসতে দিচ্ছে না। আর ঘটনাটি এখনো প্রমাণিত হয়নি। অভিযোগ ওঠা আর প্রমাণিত হওয়া এক জিনিস নয়। তাই এ বিষয়ে আমাদের বক্তব্য দেওয়া সমীচীন হবে না।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর লাকসাম থেকে উদ্ধার হন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক জিসান মিয়া প্রধান। পরে তার বিরুদ্ধে এক নারীকে ধর্ষণ এবং জোরপূর্বক ভ্রূণ হত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়।

এ ঘটনায় কুমিল্লা জেলা পুলিশ জানিয়েছে, জিসান মিয়া প্রধান অপহরণের শিকার হননি। পুলিশের দাবি, নিজের পরিচয় গোপন করে এক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের পর আইনি জটিলতা এড়াতে তিনি আত্মগোপনে যান। জেলা পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আজম/রিফাত/

যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি দাসত্বের আদেশনামা, বাজেটে ঠাঁই হয়নি শ্রমিক-কৃষকের: ওয়ার্কার্স পার্টি

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৬:৩৮ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি দাসত্বের আদেশনামা, বাজেটে ঠাঁই হয়নি শ্রমিক-কৃষকের: ওয়ার্কার্স পার্টি
ছবি: খবরের কাগজ

বিএনপি সরকারের ঘোষিত ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক’ বাজেটকে আমজনতার ওপর বাড়তি চাপ হিসেবে আখ্যা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত বাণিজ্য চুক্তি ও ভারতের সীমান্ত নীতির তীব্র সমালোচনা করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি।

দলটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ‘অন্যায়’ বাণিজ্য চুক্তি বহাল থাকলে বাংলাদেশ স্বাধীনভাবে অন্য কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বা বাণিজ্যিক সহযোগিতা গড়ে তুলতে পারবে না। এটি মূলত বাংলাদেশের ওপর এক ধরনের ‘আদেশনামা’।

রবিবার (১৪ জুন) সকালে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পার্টির ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

বিএনপি সরকারের চার মাসের কার্যক্রমের মূল্যায়ন করতে গিয়ে সাইফুল হক বলেন, ‘সরকারের কথিত অন্তর্ভুক্তিমূলক বাজেটে দেশের প্রধান উৎপাদক শ্রেণী শ্রমিক-কৃষকদের বিশেষ কোনো জায়গা হয়নি। সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন স্কেল হলেও শ্রমিকদের জন্য জাতীয় ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠনের কোনো খবর নেই। কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তিও নিশ্চিত করা হয়নি।’

এই ঘাটতি বাজেটের পুরো চাপ শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের ওপরেই বর্তাবে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘মূল্যস্ফীতির লাগাম টেনে ধরতে না পারলে প্রবৃদ্ধির কোনো হিসাবই জনগণের কাজে আসবে না।’ চলমান সংসদ অধিবেশনেই আলোচনা করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা ‘জাতীয় স্বার্থবিরোধী’ চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।’

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর বন্ধুত্বের বার্তাকে স্বাগত জানিয়ে সাইফুল হক বলেন, ‘এই বার্তা যদি আন্তরিক হয়, তবে অবিলম্বে ভারতকে বিএসএফ কর্তৃক সীমান্তে পুশ-ইন ও হত্যাকাণ্ড বন্ধ করতে হবে। ভারত এ পর্যন্ত বাংলাদেশের সৎ প্রতিবেশীর পরিচয় দিতে পারেনি। সমতা, ন্যায্যতা ও সমমর্যাদার ভিত্তিতে অমীমাংসিত সমস্যাগুলো সমাধানে ভারতকে এগিয়ে আসার তাগিদ দেন তিনি।’

গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক ধারায় দেশকে এগিয়ে নেওয়ার যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, তা কোনোভাবেই নষ্ট করা যাবে না উল্লেখ করেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক। 

সাইফুল হক  বলেন, ‘জনপ্রত্যাশা পূরণে সামাজিক-অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সরকার যেটুকু এগিয়েছে, রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সেই অগ্রগতি দেখাতে পারছে না। বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি সরকারের ভালো কাজের যেমন প্রশংসা করবে, তেমনি দেশ ও জনস্বার্থবিরোধী পদক্ষেপের কড়া বিরোধিতা করবে।’

কেন্দ্রীয় নেতা আকবর খানের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য বহ্নিশিখা জামালী ও আবু হাসান টিপু, মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক, মাহমুদ হোসেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য স্নিগ্ধা সুলতানা ইভা, সাইফুল ইসলাম এবং অরবিন্দু বেপারী বিন্দুসহ আরও অনেকে।

সমাবেশ শেষে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন নেতা-কর্মীরা। পরে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা দোয়েল চত্বর, হাইকোর্ট, তোপখানা রোড ও বিজয়নগর প্রদক্ষিণ করে সেগুনবাগিচায় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

জয়ন্ত সাহা/রিফাত/