১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধ কমপ্লেক্স এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে।
শুক্রবার (১৫ আগস্ট) ভোর থেকেই সমাধি সৌধ কমপ্লেক্সের ভেতরে ও বাইরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতা লক্ষ করা গেছে। ভেতরে কাউকেই যেতে দেওয়া হচ্ছে না।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) থেকেই সমাধি সৌধ কমপ্লেক্স এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছিল। আজ তা আরও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। ভিতরে প্রবেশ তো দূরের কথা, কাউকে সমাধির আশপাশে দাঁড়াতেও দেওয়া হচ্ছে না।
শুক্রবার আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানোসহ নানা কর্মসূচি ঘোষণা করার কথা থাকলেও সকাল থেকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি এলাকা বা আশপাশের এলাকায় আওয়ামী লীগ বা সহযোগী সংগঠনের কোনো নেতাকর্মীকে দেখা যায়নি। এমনকি কোনো উৎসুক জনতাকেও দেখা যায়নি।
শুধু টুঙ্গিপাড়া সমাধিসৌধ এলাকাতেই নয়, গোপালগঞ্জ জেলা সদরসহ পুরো জেলাতেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের টহল দিতে দেখা গেছে। জেলায় যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
পতিত শেখ হাসিনা সরকারের গত তিন মেয়াদে এ দিনে টুঙ্গিপাড়ায় নানা রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি পালন করা হতো। এ দিনটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করে পালন করা হতো। পতিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ দিনে তার বাবার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে যেতেন। সেই সঙ্গে যেতেন তার সরকারের মন্ত্রী-এমপি ও রাষ্ট্রীয় পদস্থ কর্মকর্তারাও।
তবে ২০২৪ এর জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছেড়ে ভারতে পালানোর পর পরিস্থিতি বদলে গেছে। এবার পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে মুজিবের জন্মস্থানে কোনো ধরনের কর্মসূচি পালিত হচ্ছে না।
বাদল সাহা/মাহফুজ