বিএনপি জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবে কিনা তা জানতে হলে অপেক্ষা করতে হবে আগামীকাল পর্যন্ত। একটু টেনশনে থাকতে হবে সাংবাদিকদের। সাংবাদিকরা খুব টেনশনে আছে বিএনপি সই করবে কিনা— এমন মন্তব্য করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, যে জিনিসটা মানুষ বোঝে না সহজে, ওই জিনিসটাই বারবার আমাকে বলতে হয়। যে পরিবর্তনগুলো আমরা চেয়েছি সেই পরিবর্তনগুলোকেই বলা হচ্ছে সংস্কার। এই সরকার ছয়টি রিফর্ম কমিশন করেছিল, তার মধ্যে সংবিধান রিফর্ম কমিশনে রয়েছে। প্রায় সাত মাস বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলো এ বিষয়ে উপরে আলোচনা করেছে, কথা বলেছে। প্রায় ১৯টা বিষয়ে একমত হতে পেরেছে, অনেকগুলোতে পারেনি। যেগুলোতে একমত হয়েছে সেগুলোতে রাজনৈতিক দলগুলো সই করবে। আর যেগুলো বিষয়ে একমত হতে পারেনি, যেগুলোতে আমরা নোট অফ ডিসেন্ট অর্থাৎ আমরা একমত হতে পারিনি— আমাদেরটা আমরা বলছি। সেগুলোর উল্লেখ থাকবে এবং সেই সনদে আমরা স্বাক্ষর করব বলে আমরা বলেছি।
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলের ৮নং রহিমানপুর ইউনিয়নবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি আরও বলেন, আজকের লেটেস্ট সিচুয়েশন আমরা জানিনা। শেষ পর্যন্ত কী দাঁড়িয়েছে সেটা আমি জানি না। কিন্তু কয়েকটা দল তারা বলছে পিআর না হলে আমরা স্বাক্ষর করব না। পিআর টা কী? পিআর তো জটিল বিষয়, এটি কি বুঝানো যায় এতো সহজে? পিআরের সাথে আমরা একমত হতে পারিনি। আমরা পরিষ্কার করে বলে দিয়েছি- আমরা এই পিআরের সাথে নেই। পিআর হলে আমরা তার মধ্যে থাকব না। আমরা আমাদের কথা স্পষ্টভাবে বলেছি। সরকারের দায়িত্ব তারা কী ব্যবস্থা নেবেন। জনগণের ওপর সমস্ত কিছু চাপিয়ে দেওয়া যাবে না। জনগণ যেটা নেবে সেটাই দিতে হবে।
পরিশেষে তিনি বলেন, আমি আপনাদের মানুষ। আপনাদের সাথে ছিলাম। এই নির্বাচনটাই আমার শেষ নির্বাচন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলি, পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফ, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন তুহিনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীরা।
নবীন হাসান/মাহফুজ