বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. খন্দকার মারুফ হোসেন বলেছেন, আগামী ৫০ বছরে আওয়ামী লীগ নামে কোনো বর্জ্য এ দেশে থাকবে না। আওয়ামী লীগকে শক্ত হাতে দমন করা হবে। কারো তাবেদারি করার জন্য বাংলাদেশের জন্ম হয়নি। এ দেশ স্বাধীন দেশ। কারো চোখ রাঙানিকে আমরা ভয় করি না।
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) বিকালে দাউদকান্দি পৌরসভার ড. মারুফ ভিলায় উপজেলা ও পৌর বিএনপির আয়োজনে ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ গণ-অভ্যুত্থান স্মরণে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষের ভালোবাসায়, এদেশের মানুষের কল্যাণে ক্ষমতায় এসেছিলেন শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তিনি তলাবিহীন ঝুড়ি একটি দেশকে উন্নয়নের পথে আনলেন। বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করলেন। জিয়াউর রহমানের অনন্য অবদানে বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দলের জন্ম। তার অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছিল।
ড. মারুফ হোসেন বলেন, ৭ম বারের মতো এ নিয়ে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ধানের শীষ প্রতীকে নমিনেশন পেয়েছেন। তার সমকক্ষ এই আসনে নেই। তিনি আপনাদের গর্ব। আপনারা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে নিয়ে গর্ববোধ করতে পারেন।
পৌর বিএনপির সদস্য সচিব কাউছার আলম সরকারের সঞ্চালণায় ও পৌর বিএনপির আহ্বায়ক নূর মোহাম্মদ সেলিম সরকারের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাসেম সরকার, দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপি আহ্বায়ক এম এ লতিফ ভূঁইয়া, সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ভিপি জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সাত্তার ও পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক শওগাত চৌধুরী পিটার, যুগ্ম আহ্বায়ক খন্দকার বিল্লাল হোসেন সুমন, যুগ্ম আহ্বায়ক সালাউদ্দিন সরকার, পৌর সেচ্ছসেবক দলের আহ্বায়ক কামাল হোসেন, সদস্য সচিব জামাল হোসেন মোল্লা প্রমুখ।
আলোচনা সভা শেষে এক বর্ণাঢ্য র্যালি নিয়ে পৌর সদরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। উক্ত অনুষ্ঠানে দাউদকান্দি উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের জনগণ অংশগ্রহণ করেন।
লিটন/মাহফুজ