ঢাকা ৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে যুক্তরাজ্যকে নেতৃত্বের ভূমিকা অব্যাহত রাখার আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অসাধারণ কৃতিত্ব: ৮ মাসে কোরআন হিফজ, সংবর্ধিত আল-আমীন ব্রাজিল ম্যাচ জেতায় মাথা ন্যাড়া করলেন আর্জেন্টিনার সমর্থক ফরিদপুরে ‘গে গ্রুপ’ ইস্যুতে ৩ জন আটক জামায়াত গণতন্ত্র বিশ্বাস করে না: মির্জা ফখরুল ব্যস্ত জীবন, ভার্চুয়াল বিনোদন: আমরা এখন কোন পথে? লেবাননে হামলার জেরে হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা তেহরানের রাবি প্রেসক্লাবের সভাপতি ধ্রুব-সম্পাদক জিসান বরিশাল বিভাগ এসএসসি ১৯৮৬ বাংলাদেশর দিনব্যাপী নৌ-বিহার আগস্টে টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলে মাতোয়ারা ‘প্রচেষ্টা’র এক দিন জিয়াউর রহমান জনগণের বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পরও থামেনি হামলা, লেবাননে নিহত ১৬ হরিণাকুণ্ডুতে আ.লীগ–বিএনপি সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ১৬ ফেরদৌস ওয়াহিদ ও সাঈদা শম্পার ‘মন বোঝে না’ চট্টগ্রামে প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান তৈরির আহ্বান ভূমি প্রতিমন্ত্রীর ‘বাজেটে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে গুরুত্ব দিয়েছে সরকার’ প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের চেয়ারম্যান মনিরুল, মহাসচিব আমান কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র বরেন্দ্র সভ্যতার ইতিহাস-ঐতিহ্য ধারণ করে শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হওয়ার আহ্বান ভূমিমন্ত্রীর বৃহত্তর কুষ্টিয়ার প্রথম পতাকা উত্তোলনকারী আব্দুল জলিলের স্মরণসভা ইবি ছাত্রদলে পদ পাচ্ছে ছাত্রলীগ কর্মীরা! প্রাথমিক পরীক্ষায় শিশুদের থেকে ফি আদায় প্রসঙ্গে গাজীপুরে তেল কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ৩ ইউনিট রাজশাহীতে অটো ভাড়া বৃদ্ধি তিস্তা ইস্যুতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি, পরবর্তী কর্মসূচি ‘ঢাকা ঘেরাও’ নায়িকা ববির কথিত স্বামী আবুল বাশার গ্রেপ্তার সিটি কলেজ ক্যাম্পাস, ষোলশহরে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল সোনারগাঁয় যুবলীগ-ছাত্রলীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার সম্পর্কের পর বিয়ে হয়নি বলে ধর্ষণের অভিযোগ গ্রহণযোগ্য নয়, রায় কোর্টের

আ. লীগকে রাজনীতি করতে দেওয়া হচ্ছে না, যা ঠিক নয়: জিএম কাদের

প্রকাশ: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:২৮ পিএম
আপডেট: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:৪২ পিএম
আ. লীগকে রাজনীতি করতে দেওয়া হচ্ছে না, যা ঠিক নয়: জিএম কাদের
রংপুরে সাংবাদিকদের সামনে কথা বলেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের। ছবি: খবরের কাগজ

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগ দল হিসেবে নিষিদ্ধ নয়। তাদের রাজনীতি করতে দেওয়া হচ্ছে না। যা কোনোভাবেই ঠিক নয়।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে রংপুরের সেন্ট্রাল রোডের দলীয় কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে লাঙলের প্রচারণার পূর্বে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ দল হিসেবে নিষিদ্ধ নয়। তাদের রাজনীতি করতে দেওয়া হচ্ছে না। যা কোনোভাবেই ঠিক নয়। তারা যদি নির্বাচনে আসতে চায়, তাদের ওপর প্রেসার দেওয়া হচ্ছে, তাদের অত্যাচার করা হচ্ছে। তবে আওয়ামী লীগের ভোট বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি চাচ্ছে। তাদের ভোট দিলে ভোট দিতে পারবে। কিন্তু জাতীয় পার্টিকে ভোট দিলে তাদের ভোট দিতে দিবে না। এমন করে দেশের সংখ্যালঘুদের উপরও অত্যাচার করা হচ্ছে, যাতে করে তারা ভোট দিতে না পারে। তাদেরকে একই কথা বলছে। বিএনপি, জামায়াত এনসিপি তাদেরকে ভোট দিতে বলছে। কিন্তু আমাদের ভোট দিলে সমস্যা আছে। তাই আমরা নির্বাচন কমিশনের প্রতি দাবি জানাচ্ছি, আমাদের যেন সুষ্ঠভাবে নির্বাচন করতে দেওয়া হয়। আমাদের ওপর যেন কোনো নির্যাতন করা না হয়, আমাদের নির্বাচনে যেন বাঁধা দেওয়া না হয়।’  

জিএম কাদের বলেন, ‘আমি রংপুরের সন্তান। জাতীয় পার্টি যতদিন ক্ষমতায় ছিল ততদিন রংপুরবাসী শান্তিতে ছিল। জাতীয় পার্টি, চাঁদাবাজি, দখলবাজি করে নাই। জাতীয় পার্টি কাউকে অত্যাচার করে নাই। বিএনপি, জামায়াতসহ সব দলের লোক আমার কাছে যারা এসেছিল, সবার কাছে সমানভাবে দেখা হয়েছে। তাই রংপুরবাসী যদি শান্তি চায়, স্বস্তি চান, সুন্দরভাবে বাঁচতে চান, তাহলে বিগত দিনের মতো আবারও জাতীয় পার্টিকে সমর্থন দিবেন, লাঙল মার্কায় ভোট দিবেন এই কামনা করছি।’

জিএম কাদের বলেন, ‘নানা বাধা বিপত্তির মুখে আমরা নির্বাচনে এসেছি। তারা আমাদের দলকে ভাগ করার চেষ্টা করেছিল, নির্বাচন থেকে সরিয়ে দিতে চেয়েছিল, আমরা তা রুখে দিয়েছি। আমাদের প্রার্থী ও নেতাকর্মীদের নামে মামলা দিয়ে জেলে রাখছে। কোনো জামিন হচ্ছে না। উল্টো আরও মামলা দেওয়া হচ্ছে। আমাদের নির্বাচনে বাঁধা দেওয়া হচ্ছে, রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তথাপিও আমরা আমাদের রাজনীতি করছি। দরকার হলে বুকের রক্ত দিব তবুও আমরা আমাদের অধিকার আদায় করে ছাড়ব। আমরা মারা যাব, তবু আমরা দেশের মানুষর অধিকার প্রতিষ্ঠা করব।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য অনুযায়ী সরকারের নিয়োগকর্তা বৈষম্যবিরোধী নেতারা। যারা পরবর্তীতে এনসিপি গঠন করেছেন। তারাই বর্তমানে সরকারি দল। তাদের অধীনে নির্বাচন হচ্ছে। তাই নির্বাচন ব্যবস্থায় কোনো নিরপেক্ষতা দেখছি না। সরকার ও সরকারি দল মিলে প্রহসনমুলক নির্বাচন করে রাষ্ট্র দখল করতে চায়। রাষ্ট্র নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র আমরা আর মেনে নেবো না।’ 

‘হ্যাঁ’ও ‘না’ ভোট প্রসঙ্গে জিএম কাদের বলেন, ‘গতকাল রংপুরে সরকারের একজন উপদেষ্টা বলেছেন, যারা ‘না’ ভোট চাচ্ছেন তারা স্বৈরাচারের দোসর। আমি বলতে চাই, আমরা দেশ বাঁচাতে ‘না’ ভোটের পক্ষে। আর যারা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে তারা নাৎসীবাদের দোসর।  

এরপর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে রংপুরে লাঙলের প্রচার-প্রচারণা শুরু করেন এবং নগরীর সেন্ট্রাল রোড, পায়রা চত্বর ও জাহাজ কোম্পানিসহ বিভিন্ন মোড়ে পথচারী, ব্যবসায়ীসহ সবার কাছে লিফলেট দিয়ে লাঙলের ভোট চান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য আজমল হোসেন লেবু, এস এম ইয়াসীরসহ অন্যান্য নেতারা। 

সেলিম সরকার/সুমন/

হরিণাকুণ্ডুতে আ.লীগ–বিএনপি সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ১৬

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৭:০৪ পিএম
হরিণাকুণ্ডুতে আ.লীগ–বিএনপি সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ১৬
ছবি: খবরের কাগজ

ঝিনাইদহ হরিণাকুন্ডু উপজেলার ফলসি ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামে  আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব বিরোধ নিয়ে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। আহতরা হরিণাকুন্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

শনিবার (২০ জুন) সকালে এ ঘটনা ঘটে।

গ্রামবাসী জানায়, শুক্রবার পুকুরের মাছ ধরা নিয়ে সন্দেহের জেরে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা রকিবুল ইসলামকে মারধরের ঘটনা ঘটে। মারধরের শিকার রকিবুল ইসলাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান বজলুর রহমানের ছোট ভাই।

ওই ঘটনার জেরে শনিবার সকালে বোয়ালিয়া গ্রামে বজলুর রহমান চেয়ারম্যান গ্রুপের লোকজনের সাথে বিএনপি সমর্থিত মশিয়ার রহমান (সাবেক ইউপি সদস্য) সমর্থকদের বাকবিতন্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন, মতিয়ার রহমান (৫০), ছানোয়ার হোসেন ছনো (৫৫), মিজান আলী (৪৫), বিভান আলী (২২), ঝন্টু মিয়া (৪৫), আক্তার মোল্লা (৩২), রাশিদুল ইসলাম (৩৫), বরকত মোল্লা (৪০), ফেন্টু মিয়া (৫০), মশিয়ার মেম্বার (৪২), গোলাপফার (৪৯), তোজিবার মোল্লা (৬৫), কবির মন্ডল (৩০), কাবিল (৪০), তোতা মিয়া (৩৪), নুর আলী (৫৪), বাচ্চু মিয়া (৩২) ও রুবেল মন্ডল (৩২)।

গুরুতর আহত পাঁচজনকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল ও তিনজনকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।

সাবেক ইউপি সদস্য মশিয়ার রহমান বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমাদের সমর্থকদের ওপর হামলা চালায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যানের লোকজন। আমাদের ৬/৭ জন আহত হয়েছেন।

এ ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা বজলুর রহমানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

হরিণাকুণ্ডু থানার ওসি (তদন্ত) অসিত কুমার রায় বলেন, এ ঘটনায় এখনও কোনো পক্ষ থেকে অভিযোগ পাইনি। আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানতে পেরেছি। বোয়ালিয়া গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।

মাহফুজুর রহমান/এসএন

ইবি ছাত্রদলে পদ পাচ্ছে ছাত্রলীগ কর্মীরা!

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৫:৪৭ পিএম
ইবি ছাত্রদলে পদ পাচ্ছে ছাত্রলীগ কর্মীরা!
ছবি: সংগৃহীত

যেকোনো সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা হতে পারে। এ নিয়ে সংগঠনটির নেতা-কর্মীদের মধ্যে চলছে নানা আলোচনা। পদ পেতে কেন্দ্রে সিভিও জমা দিয়েছেন তারা। তবে নতুন কমিটি গঠন হওয়ার আগেই বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, ইবি ছাত্রদলের নতুন কমিটিতে পদ পেতে যাচ্ছে ছাত্রলীগ কর্মীরা। ফলে বঞ্চিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ত্যাগী ও সক্রিয় নেতা-কর্মীদের। এতে ক্ষোভে ফেটে পড়ছে পদপ্রত্যাশি নেতা-কর্মীরা।

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক কয়েকজন কর্মী পদ পেতে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতার মাধ্যমে লবিং করছেন। এমনকি তারা কেন্দ্রে সিভিও জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে। পদে আসার গুঞ্জনে থাকা ছাত্রলীগ কর্মীরা হলেন- আইন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের এনামুল হক ইমন ও ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ফজলে রাব্বী আহমেদ ইসমাইল, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের মুফতাইন আহমেদ সাবিক, দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ফারুক আহমেদ ফারহান, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ওয়াশিকুর রহমান, ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের সাদ উসমান, ল’ অ্যান্ড ল্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের হুজ্জাতুল্লাহ। 

ক্যাম্পাস সূত্রে, গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে ছাত্রলীগ কর্মীরা কর্মী সংকটে ভোগা ছাত্রদলে সুযোগ বুঝে ঢুকে পড়ে। ৫ আগস্টের আগে শাখা ছাত্রলীগের বিভিন্ন মিছিল-মিটিংয়ে নিয়মিত অংশ নিতে দেখা গেছে এসব কর্মীদের। এ নিয়ে গণমাধ্যমে বারবার নিউজ প্রকাশ হলেও ওসব ছাত্রলীগ কর্মীদের আশ্রয় দিয়েছেন সাহেদ-মিথুনের নেতৃত্বাধীন ইবি ছাত্রদল। এদিকে তারা ছাত্রদলের নতুন কমিটিতে পদ পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। অভিযোগ রয়েছে, ছাত্রলীগের এসব কর্মীদের প্রশ্রয় দিয়েছেন আহ্বায়ক সাহেদ আহমেদ, সদস্যসচিব মাসুদ রুমী মিথুন, সদস্য নূর উদ্দিন ও রাফিজ আহমেদ। এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, ছাত্রদলের সক্রিয় ও ত্যাগী নেতা-কর্মীদের বিভিন্ন সময়ে সাংগঠনিক কার্যক্রমে সাইড করে রাখারও চেষ্টা চালিয়েছে তারা। 

এ বিষয়ে ছাত্রদল কর্মী পুলক আহমেদ বলেন, ‘৫ আগস্টের পরে বেশ কয়েকজন ছাত্রলীগ কর্মীকে ছাত্রদলে পুনবার্সন করা হয়েছে। আহ্বায়ক, সদস্যসচিব ও আহ্বায়ক কমিটির ২-১ জন সদস্য এসব কর্মীদেরকে নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেয় এবং তাদেরকে সামনের সারিতে রাখে। অথচ একনিষ্ঠ জাতীয়তাবাদী আদর্শ বহনকারী সক্রিয় ও ত্যাগী ছাত্রদলের কর্মীদেরকে সাইড করে রাখা হয়েছে, সামনের সারিতে জায়গা দেওয়া হয়নি। আমি চাই কোনো ফ্যাসিস্টের দোসর যাতে ছাত্রদলের কমিটিতে জায়গা না পায়।’

এ বিষয়ে ছাত্রদলের কর্মী অঙ্কন বলেন, ‘আমি জানতে পেরেছি ছাত্রলীগের কিছু ফ্যাসিস্ট ছাত্রদলে পদ পাওয়ার জন্য সিভি জমা দিয়েছে। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের প্রতি আমার বিশ্বাস ছাত্রলীগ মুক্ত এবং ত্যাগি ও বঞ্চিতদের দিয়ে সুন্দর একটি কমিটি আমাদের উপহার দিবে। একই সঙ্গে যারা অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত, দলীয় শৃঙ্খলা ও সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে তাদেরকেও কোনোভাবেই কমিটিতে স্থান দেওয়া উচিত নয়।’

এ বিষয়ে ছাত্রদলের সদস্যসচিব মাসুদ রুমী মিথুন বলেন, ‘ছাত্রদলে ছাত্রলীগের কারও জায়গা নেই। তবে যারা জুলাই আন্দোলনের সময় ছাত্রলীগের বিরোধিতা করেছেন এবং আন্দোলনের সামনের সারিতে ছিলেন, তাদের তো বাদ দেওয়া যায় না। আমার প্রশ্রয়ে ছাত্রলীগের কেউ ছাত্রদলে আসেনি।’

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি জহির রায়হান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সত্যিকারে কেউ যদি ছাত্রলীগ-সংশ্লিষ্ট থাকে তারা কেউ ছাত্রদলের কমিটিতে আসতে পারবে না। তবে অনেকেই প্রথম বর্ষে থাকতে বাধ্য হয়ে মিছিল-মিটিংয়ে গিয়েছে।’ 

নিয়ামতুল্লাহ মুনিম/রিফাত/

সিটি কলেজ ক্যাম্পাস, ষোলশহরে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৫:২১ পিএম
সিটি কলেজ ক্যাম্পাস, ষোলশহরে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজ ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের একটি ঝটিকা মিছিলের খবর পাওয়া গেছে। অপরদিকে নগরীর ষোলশহর ২ নম্বর গেইট এলাকায় উত্তর জেলা ছাত্রলীগও মিছিল করেছে।

শনিবার (২০ জুন) দুপুরে পৃথকভাবে এই মিছিল দুটি বের করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে হঠাৎ করেই কলেজের ভেতরে ১০-১৫ জনের একদল যুবক নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের পক্ষে স্লোগান দিয়ে একটি ঝটিকা মিছিল বের করে। মিছিলটি ক্যাম্পাসের মূল ভবনসংলগ্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। হঠাৎ সংঘটিত এই ঘটনায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে কিছুটা আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। তবে তাদের পৌঁছানোর আগেই মিছিলকারীরা ক্যাম্পাস ত্যাগ করে পালিয়ে যায়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বর্তমানে কলেজ ক্যাম্পাস ও এর আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ সংগঠনের এমন আকস্মিক তৎপরতায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

২ নম্বর গেইটে উত্তর জেলা ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, নেতৃত্বে তপু

এদিকে নগরের ২ নম্বর গেইট এলাকায় শনিবার দুপুরে ছাত্রলীগের ব্যানারে আরেকটি ঝটিকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিছিলটির নেতৃত্বে ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হোসাইন তপু।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, দুপুরে হঠাৎ করেই একদল নেতা-কর্মী মিছিল নিয়ে সড়কে বের হন। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং কয়েক মিনিট অবস্থান করার পর দ্রুত এলাকা ত্যাগ করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও মিছিল সংক্রান্ত ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের একাধিক ঘটনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর আগে জিইসি মোড় ও ২ নম্বর গেইটসহ নগরের বিভিন্ন স্থানে অনুরূপ মিছিলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল।

এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সহকারী কমিশনার ও মুখপাত্র আমিনুর রশিদ খবরের কাগজকে বলেন, ‘নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের একটি মিছিলের ভিডিও ফেসবুকের মাধ্যমে পাওয়া গেছে। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখে অভিযান চালাবে।’

রিফাত/

সোনারগাঁয় যুবলীগ-ছাত্রলীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ০৫:১৪ পিএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ০৫:১৯ পিএম
সোনারগাঁয় যুবলীগ-ছাত্রলীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
ছবি: খবরের কাগজ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তাররা হলেন পিরোজপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী শাকিল আহমেদ আয়ান এবং সোনারগাঁ পৌর যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুস সালাম।

শুক্রবার (১৯ জুন) রাতে উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের নয়াগাঁও এলাকায় নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে শাকিল আহমেদ আয়ানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 তিনি নয়াগাঁও গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে এবং পিরোজপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী ছিলেন।

এদিকে শনিবার (২০ জুন) দুপুরে মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকা থেকে সোনারগাঁও পৌর যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুস সালামকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 তিনি পৌরসভার নোয়াইল গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে।

তাদের সোনারগাঁ থানায় করা রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে নারায়ণগঞ্জ আদালতে পাঠিয়েছে।

সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম সারোয়ার বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মহাসড়কে মিছিল করে রাজনৈতিক পরিবেশ অস্থিতিশীল করার অভিযোগ রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ইমরান হোসেন/এসএন

সরকার ও দলে উপেক্ষিত অভিমানে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ছেন বিএনপির অনেক নেতা

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১০:০৮ এএম
আপডেট: ২০ জুন ২০২৬, ১০:১৬ এএম
অভিমানে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ছেন বিএনপির অনেক নেতা
ছবি: সংগৃহীত

বিগত দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে বিএনপির লাখ লাখ নেতা-কর্মী হামলা-মামলা, গ্রেপ্তার, কারাবরণ, গুম, নির্যাতন ও প্রাণহানির ঝুঁকি নিয়ে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। অনেকেই পরিবার-পরিজন ছেড়ে বছরের পর বছর কাটিয়েছেন আত্মগোপনে। নেতা-কর্মীদের অনেকের প্রত্যাশা ছিল–দল ক্ষমতায় এলে তাদের ত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন হবে। তবে দল সরকার গঠনের পর কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত রাজপথের অনেক পরিচিত মুখ, ত্যাগী ও জ্যেষ্ঠ নেতা এখন নিজেদের উপেক্ষিত মনে করছেন। তাই অভিমানে তাদের অনেকে এখন রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ছেন।

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস জুলাই বিপ্লবে দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সবচেয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাস মহিলা দলের সভানেত্রী হিসেবে আওয়ামী লীগ সরকারবিরোধী আন্দোলনে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন। এত কিছুর পরও মন্ত্রিসভায় ঠাঁই হয়নি মির্জা আব্বাসের, সান্ত্বনা হিসেবে দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার পদ। মন্ত্রিসভায় জায়গা না হওয়ায় মির্জা আব্বাসের সমর্থক ও নেতা-কর্মীদের অনেকেই হতাশ।

অন্যদিকে, দুঃসময়ে রাজপথের লড়াকু নেত্রী ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাসকে দেওয়া হয়েছে ‘জাতীয় মহিলা সংস্থা’র চেয়ারম্যান পদ। এই নিয়োগের পর আফরোজা আব্বাস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, ‘তারপরও আলহামদুলিল্লাহ’। এর মাধ্যমে কার্যত তার হতাশাই প্রকাশ পেয়েছে।

বিএনপির অন্যতম শীর্ষ নেতা ও স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে এখনো সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হয়নি। স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খানকে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির প্রধান এবং নজরুল ইসলাম খানকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা করা হয়েছে। দলের দুঃসময়ের অন্যতম কান্ডারি ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা।

সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া সত্ত্বেও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক, শীর্ষ আইনজীবী নেতা জয়নুল আবেদীন, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সাবেক ডাকসু ভিপি আমানুল্লাহ আমান এবং সাবেক জি এস খায়রুল কবির খোকনের মতো হেভিওয়েট নেতারা মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি। 

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলও কাঙ্ক্ষিত মূল্যায়ন পাননি বলে দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে আলোচনা রয়েছে। গত ১৭ বছরে রাজনৈতিক কারণে তার বিরুদ্ধে চার শতাধিক মামলা হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাননি তিনি। সরকার গঠনের পরও গুরুত্বপূর্ণ কোনো দায়িত্ব বা পদে তাকে দেখা যায়নি, যা নিয়ে তার সমর্থক ও নেতা-কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে।

বিএনপির ত্যাগী ও সিনিয়র নেতাদের অভিযোগ, বিগত দিনে আন্দোলনে যাদের দেখা যায়নি, এমন অনেক ‘হাইব্রিড’নেতা এখন বিএনপিতে জেঁকে বসেছেন এবং সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন, ত্যাগীরা হচ্ছেন উপেক্ষিত। বিএনপির এসব সিনিয়র নেতা প্রকাশ্যে অসন্তোষ প্রকাশ করেন না। কিন্তু ঘনিষ্ঠজনদের সঙ্গে ঘরোয়া আলোচনায় নিয়মিতই হতাশা প্রকাশ করেন। বিএনপির এসব ত্যাগী ও সিনিয়র নেতাদের সমর্থক নেতা-কর্মীরাও ক্ষুব্ধ।  

ঢাকা মহানগরের সাবেক এক বিএনপি নেতা আক্ষেপ করে খবরের কাগজকে বলেন, আমাদের দুঃসময়ের সহযোদ্ধারা অভিমানে নিষ্ক্রিয় হয়ে যাচ্ছে। অবশ্য তিনি আশা প্রকাশ করছেন, আগামীতে মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ হলে বিএনপির পরীক্ষিত সিনিয়র ও ত্যাগী নেতাদের জায়গা হতে পারে। তখন তাদেরও মূল্যায়ন হবে।

সবচেয়ে বেশি হতাশা বিরাজ করছে বিএনপির সাবেক ছাত্রদল নেতাদের একটি অংশের মধ্যে। ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক একরামুল হক নয়ন বলেন, বিগত সময়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তিনি শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি বিপুল অঙ্কের ঋণের বোঝা বহন করছেন। অথচ যারা একসময় আন্দোলনের ‘তথ্য ছাত্রলীগ ও পুলিশকে সরবরাহ করত’। তারাই এখন প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে তুলে বহালতবিয়তে রয়েছেন।

অনুরূপ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিএনপি নেতা ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর শাহনেওয়াজ সিনা। তিনি বলেন, ২০১৫ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের করা ‘ক্রসফায়ার’ তালিকায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় তার নাম ছিল এক নম্বরে। গ্রেপ্তার হলেও অলৌকিকভাবে বেঁচে যান এই নেতা। এখন সরকার গঠনের পর তাদের খোঁজ নেওয়ার কেউ নেই।

তিনি বলেন, ১৯৮২ সাল থেকে রাজনীতি করে এখন শুনতে হয়, আমরা নাকি গুপ্ত জামায়াত। তীব্র অভিমান থেকে তিনি এখন পুরোপুরি নিষ্ক্রিয়। একই সঙ্গে জেলার অভ্যন্তরীণ গ্রুপিংয়ের কারণে তিনটি আসনে দলের পরাজয়ের বিষয়টি হাইকমান্ডের খতিয়ে দেখা উচিত বলে তিনি মনে করেন।
দলের সাবেক ছাত্রনেতা, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও মহিলা দলের অনেক ত্যাগী নেতা-কর্মী হাইব্রিডদের কারণে এখন সংগঠন থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছেন বলে আলোচনা রয়েছে নানা মহলে।

তাদের অনুসারীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিতেই ক্ষোভ প্রকাশ করে যাচ্ছেন। জানতে চাইলে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও যুবদলের সাবেক নেতা মামুন হাসান খবরের কাগজকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যন তারেক রহমান সরকার গঠন করেছেন মাত্র ৩ মাস। ধ্বংস হওয়া রাষ্ট্রকে নতুন করে গোছাতে হচ্ছে। তিনি যোগ্যতা অনুযায়ী সবাইকে মূল্যায়ন করবেন। এখন সবার উচিত ধৈর্য ধরে সরকারকে সহযোগিতা করা।’

বিএনপির নেতারা মনে করেন, দলের ত্যাগী ও রাজপথের সহযোদ্ধাদের যথাযথ মর্যাদা ও মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে। মাঠপর্যায়ের কর্মীদের মধ্যে যদি এই বার্তা যায় যে, ত্যাগের মূল্যায়ন হয় না। তবে তৃণমূলে স্থায়ী হতাশা তৈরি হতে পারে। এটি দীর্ঘমেয়াদে দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও ভবিষ্যতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।