ঢাকা ৭ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ২১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ইতিহাসের পাতায় তিউনিসিয়া-জাপান ম্যাচ: ফুটবল বিশ্বকাপের ১০০০তম লড়াই ঢাকাসহ ১৫ জেলায় ৬০ কিমি বেগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা উত্তরের চার জেলায় বন্যার শঙ্কা, আগামী ৭২ ঘণ্টায় বাড়তে পারে নদ-নদীর পানি আরেকটি বিপ্লবের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে : ডা. শফিকুর রহমান স্পেনের ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ দেয়াল হয়ে দাঁড়ালেন এলোয় রুম: কুরাসাও গোলরক্ষকের বিশ্বরেকর্ড ঢাকার বাতাস আজ ‘সহনীয়’, দূষণের শীর্ষে জাকার্তা টাকার অভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি অনিশ্চিত উখ্যাইংওয়ংয়ের সাম্বা সাম্বা সাম্বা, ফিরে এল সাম্বা নৃত্য ২১ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ড্রাগন-মাল্টার বাগান গড়ে সফল প্রবাসফেরত সাদেক ২১ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় কারাবন্দি এক ম্যাজিস্ট্রেট যশোরে জাপার ২৫ নেতার পদত্যাগ বগুড়ার প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকায় অবকাঠামো নির্মাণ রবিবার বন্ধ থাকবে রাজধানীর যেসব মার্কেট নারায়ণগঞ্জের হাসপাতালে নেই জলাতঙ্কের টিকা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি শতাধিক লেবার এমপি-মন্ত্রীর ইসলামী ব্যাংক দখলের চেষ্টা হলে সরকারবিরোধী আন্দোলন হবে: জামায়াত নেতা নুরুল ইসলাম যুক্তরাষ্ট্র-ইতালি উত্তেজনা ট্রাম্পের মন্তব্যে চটেছেন মেলোনি প্লেগের জীবাণু আবিষ্কার ইকুয়েডরকে রুখে দিয়ে বিশ্বকাপ ফুটবলে প্রথম পয়েন্ট অর্জন করল কুরাসাও এক যুগ পেরোলেও চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি আওয়ামী লীগ কার্যালয় চাঁদাবাজদের আস্তানা! বিশ্বকাপের হাজারতম ম্যাচে নামছে জাপান-তিউনিসিয়া তারকাসমৃদ্ধ বেলজিয়ামের সামনে সংগঠিত ইরান ২১ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি কুকুরেইয়ার ‘জেগে ওঠার ডাক’ স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে নামার আগে ব্রাজিল শিবিরে দুঃসংবাদ শেষ মুহূর্তের রোমাঞ্চে আইভরি কোস্টকে হারাল জার্মানি

সাতক্ষীরায় বিএনপিতে যোগ দিলেন নাগরিক ঐক্যের ২১৭ নেতা-কর্মী

প্রকাশ: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৪১ এএম
সাতক্ষীরায় বিএনপিতে যোগ দিলেন নাগরিক ঐক্যের ২১৭ নেতা-কর্মী
ছবি: খবরের কাগজ

সাতক্ষীরায় বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন জেলা নাগরিক ঐক্যের সভাপতি ড. রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে দলটির বিভিন্ন ইউনিটের ২১৭ জন নেতা-কর্মীরা।

রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শহরের আমতলাস্থ নিরিবিলি কমিউনিটি সেন্টারে এক সমাবেশের মাধ্যমে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন।

​যোগদানকারী নেতা-কর্মীরা সাতক্ষীরা জেলার ৭টি উপজেলা, পৌরসভা এবং বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন শাখার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এইচ এম রহমতুল্লাহ পলাশ, সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলুসহ জেলা বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা।

 

আরেকটি বিপ্লবের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে : ডা. শফিকুর রহমান

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৯:০৩ এএম
আরেকটি বিপ্লবের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে : ডা. শফিকুর রহমান
ডা. শফিকুর রহমান/ ছবি: সংগৃহীত

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। এই বিপ্লব কোনো দলকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য নয়, কোনো গোষ্ঠী এবং পরিবারকে তোষামোদ করার জন্য নয়। কোনো আধিপত্যবাদের কাছে মাথা নত করার জন্য নয়। বরং দুনিয়ার বুকে স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে সম্মান, ইজ্জত, শক্তি, সাহস নিয়ে মাথা তুলে দাঁড়ানোর জন্য হবে আগামীর বিপ্লব।

তিনি বলেন, ‘আধিপত্যবাদের কাছে আমরা মাথা নত করব না। সরকার যদি আধিপত্যবাদের কাছে মাথা নত করে, তাহলে আমরা সরকারকেও ছেড়ে কথা বলব না।’

শনিবার (২০ জুন) বিকেলে খুলনা সার্কিট হাউস ময়দানে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ লাঘবসহ বিভিন্ন দাবিতে ১১-দলীয় ঐক্যের খুলনা বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।

জামায়াতের আমির বলেন, ‘বিএনপি জাতির সঙ্গে দেওয়া কথা রাখেনি। আমরা বিএনপিকে বলছি, দেশ এবং জাতির স্বার্থে আপনারা ভুল করছেন, ভুল সংশোধন করে জনগণের কাতারে আসুন। জনরায়কে সম্মান করুন, জনরায়কে অসম্মান করার পরিণতি কী হতে পারে দফায় দফায় দেখার পরেও যদি শিক্ষা না হয়, জীবনেও আপনাদের শিক্ষা হবে না।’

তিনি আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে একটি শোষণ, দুর্নীতিমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত, দলীয় প্রভাবমুক্ত একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ার জন্য যুবসমাজের প্রতি আহ্বান জানান।

শফিকুর রহমান বলেন, ‘শত যন্ত্রণা বুকে নিয়ে নির্বাচনের ফলাফলকে আমরা মেনে নিয়েছি। দেশে একটি গৃহযুদ্ধ শুরু না হোক, সেই জন্য আমরা মেনে নিয়েছিলাম। আমরা কারও বাপ-দাদার চোখ রাঙানোকে পরোয়া করব না।’ তিনি বলেন, ‘খুলনাবাসী আপনারা যে রায় দিয়েছিলেন, সেই রায়টিই আপনাদের কাছে চেয়েছিলাম। আর আমরা বলেছিলাম, এই রায় বাস্তবায়ন করা হবে সংসদে গিয়ে, আমাদের দায়িত্ব। চুরি, ডাকাতি, ইঞ্জিনিয়ারিং করে ভোট কেড়ে নেওয়া হয়েছে, নেওয়া হোক। আমরা সংসদে যা আছি, তাই নিয়ে আমরা সিংহের মতো লড়াই করে যাব। যদি ফয়সালা সংসদে না হয়, তাহলে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, সিলেট, ময়মনসিংহ, রংপুর. রাজশাহী, বগুড়ার মাঠ সব জায়গা থেকে আগ্নেয়গিরি তৈরি হবে। এই আগ্নেয়গিরির দাবানলে সব আবর্জনা পুড়ে ছারখার হয়ে যাবে।’

সীমান্তে অস্থিরতার কথা উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘পুশইনের নামে একটা দেশ তাদের নাগরিকদের অবৈধভাবে আমাদের দেশে ফেলে দিতে চাচ্ছে। আমাদের মুষ্টিমেয় বিজিবি সদস্য সীমান্তে যখন দাঁড়িয়ে গিয়েছে, জনগণ তখন তাদের ডান হাতে পরিণত হয়েছে। এই ডান হাত সারা বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষ। আমরা চাই না আমাদের কোনো প্রতিবেশীর ঘুম এবং শান্তি কেড়ে নিতে। আবার কোনো প্রতিবেশী আমাদের দিকে তাদের কালো হাত বাড়াক, ওইটাও আমরা চাই না। যদি কেউ আমাদের দিকে কালো হাত বাড়ায়, মহান আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে বলছি, সেই কালো হাত ভেঙে দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ।’

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল অলি আহমদ বলেন, ‘আমরা রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছি। ভারত চেয়েছে পাকিস্তানকে দ্বিখণ্ডিত করতে। ভারত লুটপাট করতে এসেছিল, এ দেশের স্বাধীনতার জন্য আসেনি।’

খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক বলেন, বর্তমান সরকারের ওপর শেখ হাসিনার ভূত ভর করেছে। অন্তর্বর্তী সরকার বিএনপির সঙ্গে আঁতাত করে প্রতারণা করেছে।

এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, বাংলাদেশের দুটি পক্ষ। একটি ভারত পক্ষ, আরেকটি বাংলা পক্ষ। যদি আপনি ভারত পক্ষ নেন তাহলে কঠিন লড়াই হবে। তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন সংবিধানের আশ্রয় নিয়ে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জুলাই লড়াইকে অস্বীকার করা হচ্ছে।

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। এ কারণে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে আন্দোলন চলবে।

যশোরে জাপার ২৫ নেতার পদত্যাগ

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৪২ এএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৪৬ এএম
যশোরে জাপার ২৫ নেতার পদত্যাগ
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় পার্টির (জাপা) যশোর জেলা শাখার আহ্বায়ক, সদস্যসচিবসহ বিভিন্ন উপজেলা পর্যায়ের ২৫ জন শীর্ষ নেতা-কর্মী একযোগে পদত্যাগ করেছেন। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক বিশৃঙ্খলা এবং অসাংগঠনিক ও স্বেচ্ছাচারী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তুলে তারা পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

শুক্রবার (১৯ জুন) রাত ৯টার দিকে প্রেসক্লাব যশোরে এক সংবাদ সম্মেলনে তারা যৌথ পদত্যাগের ঘোষণা দেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জেলা জাতীয় পার্টির সদস্যসচিব ডা. মুফতি ফিরোজ শাহ।

লিখিত বক্তব্যে পদত্যাগকারী নেতারা অভিযোগ করেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় পার্টির বিভিন্ন স্তরের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে দলকে সুসংগঠিত করতে এবং দেশের কল্যাণে কাজ করে আসছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি দলের অভ্যন্তরে কোনো সাংগঠনিক শৃঙ্খলা অবশিষ্ট নেই। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় ও ঊর্ধ্বতন নেতাদের অসাংগঠনিক আচরণ ও স্বেচ্ছাচারী কার্যকলাপের কারণে এই দলটি দেশ ও জনগণের জন্য বর্তমান ও ভবিষ্যতে কোনো কল্যাণ বয়ে আনতে পারবে না বলে তারা মনে করছেন।

ইসলামী ব্যাংক দখলের চেষ্টা হলে সরকারবিরোধী আন্দোলন হবে: জামায়াত নেতা নুরুল ইসলাম

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৩১ এএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ০৯:৩১ এএম
ইসলামী ব্যাংক দখলের চেষ্টা হলে সরকারবিরোধী আন্দোলন হবে: জামায়াত নেতা নুরুল ইসলাম
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে সরকারের যেকোনো চক্রান্ত ও দখলচেষ্টা প্রতিহত করতে সর্বোচ্চ পর্যায়ে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। 

  • গ্রাহক ফোরাম যে কর্মসূচি নেবে, সেই কর্মসূচি বাস্তবায়নে গ্রাহকদের একদম ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে
  • ইসলামী ব্যাংক দখলের চেষ্টা হলে সরকারবিরোধী আন্দোলন আরও জোরদার হবে

তিনি বলেন, প্রয়োজনে এ ইস্যুতে সরকারবিরোধী আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে এবং সেই আন্দোলন সরকারের পতনের কারণও হতে পারে।

শনিবার (২০ জুন) এক সাংগঠনিক সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি একই সঙ্গে সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের দায়িত্বশীলদের কঠোর সমালোচনা করেন। 

কর্মসূচির খবর তৃণমূলে পৌঁছানো, উপস্থিতির ভুল তথ্য, দায়িত্ব পালনে অবহেলা এবং সাংগঠনিক দুর্বলতা নিয়ে আত্মসমালোচনার আহ্বান জানান তিনি। 

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে তার এমন একটি অডিও ভাইরাল হয়েছে।

নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘আপনারা আত্মসমালোচনা করেছেন? গতদিন তো অনেক কথা বললাম অনলাইনে। এখন তো আমি বুঝছি অনলাইনের মিটিং। আমি ভাবছিলাম দায়িত্বশীলরা সচেতন, ছোটখাটো কোনো বিষয়ে অনলাইনে নির্দেশ দিলেই কাজ হয়ে যাবে। কিন্তু খবর তৃণমূল পর্যন্ত ঠিকমতো পৌঁছে না। সময়মতো পৌঁছে না, সবার কাছেও পৌঁছে না। আমরা মেসেজ দিয়ে রেখে দিই, ফোন দিয়ে ফলোআপ করি না–খবরটা নিশ্চিত হলো কি না। আবার এমন সময়ে খবর দিই যে, ওই ব্যক্তির আসাটাই কঠিন। তার মানে আমরা গুরুত্বের সঙ্গে কর্মসূচিগুলো নিতে পারছি না।’ 

উপস্থিতির হিসাব নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘উপস্থিতিগত সমস্যা হয়েছে। অথচ যখন আপনারা সংখ্যা দেন, আল্লাহর ওয়াস্তে একটা বিশাল সংখ্যা চলে আসে। আপনাদের প্রতি সম্মানের সঙ্গে, বিনয়ের সঙ্গে অনুরোধ করছি যদি একজনও না আসে, তা-ই লিখবেন। এর বাইরে তো কল্পনা করা যায় না। আপনি সংখ্যা দিয়ে দিচ্ছেন। যার কাছ থেকে নিচ্ছেন, তিনি কীভাবে সংখ্যা দিলেন? ঘরে বসে সংখ্যা দিল, না খোঁজখবর নিয়ে সংখ্যা দিল? এগুলো আমাদের বিব্রত করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের একটি কর্মসূচিতে উপস্থিতি যা হয়েছে, তা যোগ করে দিয়ে দিলেন–এটা কেন? ওয়ার্ড সভাপতি নিয়ে পর্যালোচনা করেন। গতকালের (শুক্রবার) উপস্থিতি নিয়ে পর্যালোচনা করেন। আপনার লোক কতজন এসেছে, কতজন খবর পেয়েছে, কেন খবর পায়নি, আগে খবর দিয়েছেন না পরে দিয়েছেন–এসব খতিয়ে দেখুন।’

দায়িত্বশীলদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বুলবুল বলেন, ‘বেলা ১১টার পরে অনুষ্ঠান। ফজরের পর থেকে নিজেরা সজাগ-সচেতন ছিলেন কি না, নাকি অফিস, ব্যবসা, বাচ্চাকে স্কুলে পৌঁছে দেওয়া এসব নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন? এগুলো করে কি আমরা আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারব?’

এরপর ইসলামী ব্যাংক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, ইসলামী ব্যাংক নিয়ে সরকার যে চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র করছে, আমাদের যতদূর যাওয়া দরকার আমরা ততদূর যাব। কিন্তু ব্যাংক কারও হাতে আমরা ছেড়ে দেব না। ব্যাংক সুরক্ষা করতে গিয়ে যদি সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করা লাগে, তাহলে এই আন্দোলনও তাদের পতনের কারণ হবে। আমরা ঠিক সেভাবেই নেব।’

কর্মসূচির গুরুত্ব অনুধাবনের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘পরিবেশ বুঝতে হবে, সময় বুঝতে হবে, কর্মসূচির গুরুত্ব বুঝতে হবে। সংগঠনের কার্যকর আনুগত্য করার ক্ষেত্রে যদি উদাসীন থাকেন, তাহলে এমনি এমনি আল্লাহ দিয়ে দেবেন–এমনটা হবে না। এখন যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, সেটাকে বাস্তবে পরিণত করতে হলে আগামী দিনে আরও বৃহৎ কর্মসূচির কোনো বিকল্প নেই।’

গ্রাহক ফোরামের কর্মসূচির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘গ্রাহক ফোরাম যে কর্মসূচি নেবে, সেই কর্মসূচির বাস্তবায়নে গ্রাহকদের একদম ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। এগুলোকে হালকাভাবে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।’

সংসদ ও রাজপথ–দুই জায়গাতেই আন্দোলনের ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা সংসদেও ফাইট করব, আমরা বাইরেও ফাইট করব। এ ফাইট সমানতালে চলবে। সরকারের পা কতটা লম্বা হয়েছে, সেটাও আমরা দেখে ছাড়ব, ইন্‌শাআল্লাহ।’

ইসলামী ব্যাংকের পাশাপাশি সংগঠনের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের বিষয়েও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তারা যদি ইসলামী ব্যাংক তাদের মতো করে দখল করতে পারে, তাহলে এখানকার হাসপাতাল–ইবনে সিনা থেকে শুরু করে মানারাত এবং সংগঠনের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের দিকেও নজর দেবে। এগুলো দখল করতে তাদের বেশি সময় লাগবে না। কাজেই সূচনায় রাস্তা বন্ধ করতে হবে, প্রথম রাতেই বিড়াল মারতে হবে।’ 

সভার বক্তব্য প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘এগুলো আবার এডিট করার জন্য কাউকে দিও না। কেউ আমার ফেসবুকে দিও না। আল্লাহর ওয়াস্তে আপনারা বিষয়গুলো সিরিয়াসলি নেবেন। আজকে যে সিদ্ধান্ত হয়েছে, সেই সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যেন আমাদের তাওফিক দান করেন।’

আওয়ামী লীগ কার্যালয় চাঁদাবাজদের আস্তানা!

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৮:০৯ এএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ০৮:০৯ এএম
আওয়ামী লীগ কার্যালয় চাঁদাবাজদের আস্তানা!
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর গুলিস্তানে অবস্থিত ১০ তলাবিশিষ্ট কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়। চব্বিশের ৫ আগস্টের প্রেক্ষাপটে দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত ভবনটি এখন প্রভাবশালী চাঁদাবাজ চক্রের আস্তানা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

  • মুক্তিপণ দিতে বাধ্য করতে মারধর করার সময় পরিবারকে দেওয়া হয় ভিডিও কল
  • নেতৃত্ব দেন যুবদল নেতা পরিচয়ধারী ছবি ও ইমন
  • ভবনের ছবি তুলতে গেলে হুমকি ও হয়রানির শিকার ফটোসাংবাদিক
  • টয়লেট ব্যবহারকারীদের থেকেও টাকা নিচ্ছে চাঁদাবাজরা

ভুক্তভোগী কয়েকজন অভিযোগ করেছেন, ভবনটিকে ব্যবহার করা হচ্ছে বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে। হকারদের মালামাল রাখার জন্য ভাড়া আদায় থেকে শুরু করে টয়লেট ব্যবহারের ক্ষেত্রেও টাকা নেওয়া হচ্ছে। এমনকি আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী সন্দেহে লোকজনকে আটকে রেখে মারধর ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনাও ঘটছে। এ ছাড়া রাতদিন চলছে মাদক সেবন ও ব্যবসা।

গত কয়েক দিন কার্যালয়টির আশপাশে ঘুরে এবং হকার ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেও বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, যুবদলের পরিচয় ব্যবহারকারী মাসুদ রানা ওরফে ছবি এবং তার সহযোগী ইমন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়কেন্দ্রিক চাঁদাবাজির নেতৃত্ব দিচ্ছেন। একসময় গুলিস্তানের হকার ছিলেন এই ছবি ও ইমন। বর্তমানে তারা নিজেদের যুবদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্যসচিব রবিউল ইসলাম নয়নের ঘনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকেন। এমনকি ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর যুবদলের নাম ব্যবহার করে এই চক্র নিজেরাই এখন হকারদের নিয়ন্ত্রণ করছে। এ ছাড়া গুলিস্তানে সব ধরনের ‘মব’-এর নেতৃত্ব দিয়েছেন এই ছবি ও ইমন। 

গত সপ্তাহে দেখা গেছে, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কজুড়ে তিন স্তরে হকাররা বসে ব্যবসা করছেন। দিনে এসব হকারের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করা হয়। রাত হলে হকারদের বস্তাভর্তি মালামাল, ভ্যান, ফুচকার স্টল ও অন্য সরঞ্জাম আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের ভেতরে রাখা হয়। হকাররা জানিয়েছেন, মালামালের মালিকদের কাছ থেকে আকার ও পরিমাণ অনুযায়ী প্রতি রাতে ১০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়। একই সঙ্গে ভবনের টয়লেট ব্যবহারের জন্য পথচারীদের কাছ থেকেও ১০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। টাকা দিলে অনেক হকারকে ভবনের ভেতরে রাত কাটানোর সুযোগও দেয় চক্রের সদস্যরা।

হকারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ১০ তলা এই ভবনটির প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় হকারদের মালামাল রাখা হয়। এসব মালামাল সংরক্ষণ ও তদারকির দায়িত্বে রয়েছেন আল আমিন এবং চাঁদা তোলেন বাবু ও ইমন। অন্যদিকে পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম তলায় চলে মাদক সেবন ও বিক্রির কার্যক্রম। দিন-রাত সমানতালে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এ কাজে বিল্লাল, আল আমিন, হাসান, মোস্তফা, মোশারফ, কালা নবীসহ কয়েকজন জড়িত। 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ভুক্তভোগীদের একজন খবরের কাগজকে বলেন, ‘ওই দিন বিকেল ৪টার দিকে আমি ও আমার এক বন্ধু কার্যালয়ের বিপরীতে দাঁড়িয়ে চা খাচ্ছিলাম। হঠাৎ কয়েকজন এসে আমাদের ঘিরে ধরে। তাদের মধ্যে একজন ফোন করার পর ছবি নামে ওই নেতা এবং সিআইডির সদস্য পরিচয় দেওয়া শাহিন সেখানে আসেন। পরে আমাদের ধরে নিয়ে গিয়ে সেখানে মোবাইল ফোন তল্লাশি করা হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি মারধর করা হয়।’

তিনি বলেন, ‘একপর্যায়ে আমার পরিবারের কাছে ফোন করে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। বিষয়টি জানার পর আমার পরিবার স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির এক শীর্ষ নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করে। তিনি আমাদের ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করলেও ছবি ও শাহিন তাতে রাজি হননি। তখন ছবি ওই ওয়ার্ড বিএনপির নেতার উদ্দেশে ‘বিএনপির প্রধান সারির এক নেতার সঙ্গে চলাফেরা করেন’ বলে উল্টো হুমকি দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ছবি তাদের মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে হুমকি দেন। পরে মুক্তিপণের ১০ লাখ টাকা থেকে কমিয়ে দর-কষাকষি শেষে ভুক্তভোগীদের পরিবার ২ লাখ টাকা পরিশোধ করে রাতেই মুক্ত করে নিয়ে আসেন। এ ঘটনায় বিচার চাইতে স্থানীয় থানা-পুলিশের কাছে গিয়েও কোনো লাভ হয়নি।’

চাঁদাবাজির শিকার এমন ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থক হিসেবে সন্দেহ হলেই তাদের ধরে ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয়। আগে থেকে মোতায়েন করে রাখা সোর্সরা এ বিষয়ে খবর দেয় কথিত যুবদল নেতা ছবি ও ইমনের কাছে। তাদের নির্দেশে টার্গেট ব্যক্তিকে ভবনের চতুর্থ কিংবা পঞ্চম তলায় নিয়ে ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন চেক করে মারধর করা হয়।

একাধিক ভুক্তভোগীর দাবি, মারধরের একপর্যায়ে ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যদের ভিডিও কলে যুক্ত করা হয় এবং তাকে উদ্ধার করতে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। মুক্তিপণের অঙ্ক শুরু হয় ৫০ হাজার টাকা থেকে। ভুক্তভোগীর আর্থিক সক্ষমতা অনুযায়ী তা কয়েক লাখ টাকা পর্যন্ত পৌঁছায়। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের কোনো পদধারী নেতা হলে তো কথাই নেই, তার কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত আদায় করার ঘটনাও ঘটেছে। কয়েকজনের কাছ থেকে ‘বিকাশ’-এর মাধ্যমেও অর্থ আদায় করেন যুবদল নেতা ছবি, ইমন, ২০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা মুরশেদ ও বেলপট্টি ইউনিট বিএনপির সভাপতি গোলাম নবী। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, শুধু আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিরাই নন, সাধারণ পথচারীরাও ওই চক্রের হয়রানির শিকার হচ্ছেন। 

এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ছবি তুলতে গেলে খবরের কাগজের একজন আলোকচিত্রীকে হয়রানি করা হয়। ভবনের সামনে ক্যামরা বের করলে ৪ থেকে ৫ জনের একটি চক্র ওই আলোকচিত্রীকে ঘিরে ধরেন। সংবাদপত্রের পরিচয় দেওয়ার পরেও তাকে ছবিগুলো ডিলিট করতে বাধ্য করা হয়। হুমকি দিয়ে বলা হয়, ‘ছবি ডিলিট না করলে এখান থেকে যেতে পারবেন না।’ 

চাঁদাবাজি ও মুক্তিপণ আদায়ের বিষয়ে জানতে চাইলে মাসুদ রানা ওরফে ছবি খবরের কাগজকে বলেন, ‘আমিই খুবই ব্যস্ত রয়েছি। আপনার সঙ্গে পরে কথা বলব।’ 

যদিও পরে একাধিকবার তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি আর সাড়া দেননি।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিন থেকেই কেন্দ্রীয় কার্যালয়টিতে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এরপর দীর্ঘ সময় ভবনটি কার্যত অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে ছিল। এ সময় ভবনের বিভিন্ন অংশে মাদক কারবার এবং মল-মূত্র ত্যাগ করতেন পথচারী ও হকাররা। পরে ২০২৫ সালের জুলাই মাসে ভবনের সামনে ‘আন্তর্জাতিক ফ্যাসিজম ও গণহত্যা গবেষণা ইনস্টিটিউট’ নামের একটি ব্যানার টানানো হয় এবং ভবনটি অফিস হিসেবে ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। যদিও বর্তমানে সেখানকার চিত্র এখন ভিন্ন।

ঈশ্বরগঞ্জে আ.লীগের সাবেক এমপির ফ্যাক্টরিতে লুটপাট

প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১০:৪৬ পিএম
ঈশ্বরগঞ্জে আ.লীগের সাবেক এমপির ফ্যাক্টরিতে লুটপাট
স্পার্ক ভিশন লিমিটেড ফ্যাক্টরি। ছবি: খবরের কাগজ

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে সাবেক সংসদ সদস্য ও উপজেলা আ.লীগের যুগ্ম-সম্পাদক মাহমুদ হাসান সুমনের মালিকানাধীন ফ্যাক্টরির গোডাউনে লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।

জানা যায়, মাহমুদ হাসান সুমনের মালিকানাধীন স্পার্ক ভিশন লিমিটেড ফ্যাক্টরির গোডাউনে এ লুটপাটের ঘটনা ঘটে।

শুক্রবার (১৯ জুন) রাত ৯টার দিকে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের দত্তপাড়া রহমতগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্পার্ক ভিশনের নিরাপত্তা কর্মী সুরুজ আলী জানান, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি তার ছেলে ইমনকে পাহারার জন্য পাঠান। এ সময় তার সঙ্গে মালেক নামে আরেক নিরাপত্তা কর্মীও ছিলেন। লুটপাটের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা জানতে পারেন, দুর্বৃত্তরা তাদের বেঁধে ২টি পিকআপে রিফ্লেক্টিভ স্টিকারসহ মালামাল নিয়ে যায়।

সুরুজ আলীর ছেলে ইমন জানান, মুখোশধারী প্রায় ৬০-৭০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল ফ্যাক্টরিতে প্রবেশ করে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাদের হাত-পা বেঁধে ফেলে। এরপর গোডাউনের তালা ভেঙে লোহার বিভিন্ন মালামাল লুট করে ২টি পিকআপে ভর্তি করে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর বাজার কমিটির লোকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

পৌর বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলীর সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, ‘খবর পেয়ে সভাপতি-সহ কয়েকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে দুর্বৃত্তদের কাউকে দেখতে পাননি।’

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল আজম বলেন, ‘খবর পেয়ে টহল পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে কাউকে পায়নি। লুটপাটের ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। ফ্যাক্টরি ইনচার্জ তারেক মাহমুদ ওরফে বাবুকে আটক করা হয়েছে। পরে আটককে বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৮(১)(ক)/২৫ ধারায় করা মামলায় আদালতে পাঠানো হয়।

ফয়সল আহমেদ/রিফাত/