বহিরাগত জামায়াত কর্মীদের আনাগোনায় নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন নোয়াখালী-৫ আসনের বিএনপির প্রার্থী মো. ফখরুল ইসলাম।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কোম্পানীগঞ্জের চরকাঁকড়া ইউনিয়নের পন্ডিতেরহাট এলাকায় উঠান বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কাছে এ শঙ্কার কথা জানান তিনি।
মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনের পরিবেশ এখন পর্যন্ত ভালো। তবে পার্শ্ববর্তী নোয়াখালী-২ আসনের সেনবাগে জামায়াতের প্রার্থী না থাকায় ওই দলের সেখানকার কর্মীরা নোয়াখালী-৫ আসনে এসে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করতে পারে।’
তিনি দাবি করে বলেন, ‘নোয়াখালী-৫ আসন নদী বেষ্টিত এলাকা। এখানকার পাশের এলাকা ফেনীর দাগনভূঞা ও সোনাগাজী এবং নোয়াখালীর সেনবাগ এলাকায় জামায়াতের গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থী না থাকায় ওই এলাকা থেকে শত শত জামায়াত-শিবির কর্মীরা এখানে আসতে শুরু করেছে।’
প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ কামনা করে বিএনপির এ প্রার্থী বলেন, ‘১৭ বছর জনগণ ভোট দিতে পারেনি। এবার ভোটে লোকজন ঈদের আনন্দের মতো উপভোগ করছে। আমাদের প্রতিটি পথসভা জনসভায় রূপান্তরিত হচ্ছে। তা দেখে প্রতিপক্ষরা নানা ষড়যন্ত্র করছে।’
ফখরুল ইসলাম সুষ্ঠু পরিবেশের দাবি করে বলেন, ‘ভোটের দিনে কেন্দ্রে যেতে ভোটারদের যাতে কেউ বাধা দিতে না পারে প্রশাসনকে সে ব্যবস্থা করতে হবে। তা না হলে লোকজন কেন্দ্রে যেতে নিরাপদ বোধ করবে না।’
এসময় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নুরুল আলম শিকদার, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. ফখরুল ইসলামের মেয়ে ডা. শাহীন সুলতানা জলি, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ফজলুল কবির ফয়সাল, সদস্য সচিব মো. জাহিদুর রহমান রাজন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
তবে বিএনপি প্রার্থীর এ বক্তব্যকে নাকচ করেছে জামায়াত নেতারা। বসুরহাট পৌর জামায়াতের আমির ও নোয়াখালী-৫ আসনের দাঁড়িপাল্লার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মো. মোশাররফ হোসাইন বলেন, ‘বিএনপি প্রার্থীর এমন দাবি সত্য নয়। সেনবাগে আমাদের ১১ দলের পক্ষে এনসিপির প্রার্থী রয়েছে। ওই এলাকায় আমাদের লোকজন তার পক্ষে কাজ করছেন।’
ইকবাল হোসেন/সুমন/