ঢাকা ৯ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বিশ্বকাপে মেসির ১৮ গোল: কোন দলের বিপক্ষে কত দেখে নিন যে কারণে বন্ধ ফ্রান্স-ইরাক ম্যাচ এমবাপ্পের গোলে ইরাকের বিপক্ষে প্রথমার্ধে এগিয়ে ফ্রান্স গোল করেই রোনালদোর রেকর্ডে ভাগ বসালেন এমবাপ্পে বর্ণবাদী মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইলেন বোগডানোভিচ জন্মদিনের আগের রাতে ঝলমলে মেসি রাউন্ড ৩২-এ আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কে? আর্জেন্টিনার ৫ গোলের ৫টিই মেসির পাঁচ বছর পর আবারও আইসিসির মাসসেরা মুশফিক বিশ্বকাপে টানা ৬ ম্যাচে গোলের কীর্তিতে নাম লেখালেন মেসি মেসির জোড়া গোলে অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে নকআউটে আর্জেন্টিনা গ্যালারির সবচেয়ে ব্যতিক্রমী মুখটি এবার বিশ্বকাপে মেসির রেকর্ড গড়া গোলে প্রথমার্ধে এগিয়ে আর্জেন্টিনা ক্লোসাকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন মেসি অপ্রত্যাশিত এক রেকর্ড মেসির পেনাল্টি মিস করলেন মেসি বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন জার্মান ডিফেন্ডার পরবর্তী ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম দশমিকের হিসাবে আটকে আছে তামাক কর, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার দক্ষিণ এশীয় শিশু সুরক্ষা সম্মেলনে যোগ দিতে কলম্বো পৌঁছেছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী চীনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সেনা মোতায়েন সাঁথিয়ায় বুদ্ধি প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার একাদশে পরিবর্তন মানিকগঞ্জে মারিয়া হত্যা মামলায় প্রধান শিক্ষকসহ গ্রেপ্তার ৮ গাজীপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ৩৪ নেতাকর্মী আটক সাতকানিয়ায় যুবলীগ নেতা হাসান মাহমুদ গ্রেপ্তার নোয়াখালীতে আসল র‍্যাবের হাতে নকল র‍্যাব সদস্য গ্রেপ্তার সারাদেশে ভূমিকম্প অনুভূত সুরে সুরে শেষ হলো বিশ্ব সংগীত দিবসের বর্ণিল আয়োজন

তারেক রহমান: রাষ্ট্রনায়ক হয়ে ওঠার পথপরিক্রমা

প্রকাশ: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:৪২ পিএম
তারেক রহমান: রাষ্ট্রনায়ক হয়ে ওঠার পথপরিক্রমা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশের মানুষ এবার অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়েছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি এবারের নির্বাচনে এককভাবে ২১১ আসনে জয় পেয়ে সরকার গঠন করেছে। শুরু হয়েছে নতুন সরকারের যাত্রা।

মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সত্যিকারের রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। তবে তার রাষ্ট্রনায়ক হয়ে ওঠার পথ মোটেও সহজ ছিল না।

দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন এবং কণ্টকাকীর্ণ রাজনৈতিক পথ পাড়ি দিয়ে তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন। নির্বাসনে থেকেও তিনি দল ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

জনগণের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা আর ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য বিরামহীন সংগ্রাম করেছেন। 

তারেক রহমানের জন্ম ১৯৬৫ সালের ২০ নভেম্বর। তিনি এমন এক পারিবারিক পরিবেশে বড় হয়েছেন, যেখানে সর্বোচ্চ শৃঙ্খলা ও নৈতিক মূল্যবোধের চর্চা হতো।

তিনি ১৯৮৮ সালে গাবতলী উপজেলা বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদ গ্রহণের মাধ্যমে রাজনীতিতে আত্মপ্রকাশ করেন। গাবতলী উপজেলা হলো তার পিতা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মস্থান, যা উত্তরবঙ্গের বগুড়া জেলায় অবস্থিত।

তারেক রহমান ১৯৯৩ সালে বগুড়া জেলা বিএনপির সদস্য হন। এর আগে ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি তার দলের পক্ষে জনমত গঠনের সুযোগ পান। বেগম খালেদা জিয়া যে পাঁচটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, দলের ‘ন্যাশনাল ক্যাম্পেইন স্ট্র্যাটেজি কমিটি’র সদস্য হিসেবে তারেক রহমান সেসব আসনের নির্বাচনি প্রচারের সমন্বয় করেন। ওই পাঁচ আসনে তার মায়ের নিরঙ্কুশ বিজয় প্রমাণ করে, তিনি একজন দক্ষ সংগঠক এবং ভবিষ্যতে দলের নেতৃত্বে আসার যোগ্য হয়ে উঠছেন। তিনি বাবা-মায়ের কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে আদর্শ রাজনৈতিক মূল্যবোধ অর্জন করেন।

তারেক রহমান ২০০১ সালের নির্বাচনেও প্রচারের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি আবারও তার দক্ষ নেতৃত্বের প্রমাণ দেন। বিএনপি প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সেই নির্বাচনে জয়লাভ করে। বিজয়ের পর ২০০২ সালে বিএনপির স্থায়ী কমিটি সর্বসম্মতিক্রমে তাকে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে মনোনীত করে।

রাজনীতিতে তারেক রহমান যখন বিকশিত হচ্ছিলেন, তখন আসে কুখ্যাত সেনা-সমর্থিত অবৈধ ১/১১ তত্ত্বাবধায়ক সরকার। ১/১১ সরকার নিষ্ঠুর, কূটকৌশল ও ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তাকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। 
রাজনীতি থেকে তারেক রহমানকে সরিয়ে দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

নির্মম নির্যাতনে মেরুদণ্ডের গুরুতর আঘাত নিয়ে তিনি চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান এবং বাধ্য হয়ে নির্বাসনে থাকার পথ বেছে নেন। কিন্তু অদম্য মনোবল নিয়ে তিনি যুক্তরাজ্য থেকে অনলাইনে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে দেশের মানুষের মুক্তির জন্য সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন।
নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।

হাসিনার শাসনকালে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে তার অনুপস্থিতিতে ১৭টি মিথ্যা মামলা করা হয়। তিনি ছিলেন ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও অপপ্রচারের পরও তারেক রহমানের জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে।

তারেক রহমান জনগণের নেতা হিসেবে রাজনৈতিক ময়দানে অবিচল ছিলেন। তিনি বাবার প্রতিষ্ঠিত দলকে ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন এবং তার নেতৃত্বে জনসমর্থনের মাধ্যমে দলের তৃণমূলভিত্তি ক্রমাগত বিস্তৃত ও সুদৃঢ় হয়েছে।

২০১৮ সালে মা বেগম খালেদা জিয়া মিথ্যা অভিযোগে কারাগারে বন্দি হন। তাকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মনোনীত করা হয়। তখন থেকেই তিনি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন।

নির্বাসনে থাকলেও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে তারেক রহমান থেমে থাকেননি। অবশেষে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তারেক রহমানের প্রিয় মাতৃভূমিতে ফেরার পথ সুগম হয়। এরপর আসে ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বরের সেই ঐতিহাসিক দিন। সেদিন তিনি বীরের বেশে দেশের মাটিতে পা রাখেন। বিশাল জনসমুদ্রে তার প্রাণবন্ত কণ্ঠে ধ্বনিত হয়, ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান ফর দ্য পিপল অ্যান্ড ফর দ্য কান্ট্রি।’

প্রায় ১৭ বছর পর তাকে ফিরে পেয়ে পুরো জাতি যখন বিজয়ের আনন্দে ভাসছিল, তখন বাংলাদেশ আরেকটি দুঃসংবাদ পেল। তার দেশে ফেরার মাত্র পাঁচ দিন পর মা বেগম খালেদা জিয়া মৃত্যুবরণ করেন। এরপর ২০২৬ সালের ৯ জানুয়ারি তারেক রহমান দলের চেয়ারম্যান হন, যা অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষকের মতে অনিবার্য ছিল।

তারেক রহমানের রাজনৈতিক উত্থান উত্তরাধিকার সূত্রে হয়নি, বরং তিনি তার নেতৃত্ব গুণ, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা, অন্তর্দৃষ্টি, নিষ্ঠা ও প্রজ্ঞার কারণে রাষ্ট্র পরিচালনার শীর্ষে উঠে এসেছেন। কঠোর পরিশ্রম, দক্ষতা ও ধৈর্যের সমন্বয়ে তিনি কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন।
তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জাতিকে অপশাসন, অরাজকতা, নিপীড়ন, জোর-জবরদস্তি ও দমনপীড়নের অচলাবস্থা থেকে বের করে আনবেন। তিনি জনগণকে সেই অধিকার ফিরিয়ে দেবেন। তার সেই প্রতিশ্রুতি মানুষের হৃদয় জয় করেছে এবং এর ফলে জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি বিশাল জয় পেয়েছে।

মঙ্গলবার তিনি বাংলাদেশের ১৩তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। দেশের মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করে তাদের নেতা বেছে নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শুরু হয়েছে তারেক রহমানের পথ চলা।

সূত্র: বাসস

 

গাজীপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ৩৪ নেতাকর্মী আটক

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১০:০৫ পিএম
গাজীপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ৩৪ নেতাকর্মী আটক
ছবি: খবরের কাগজ

গাজীপুরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৩৪ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রবিবার (২১ জুন) সকাল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত মহানগরের বিভিন্ন থানা এলাকায় এ বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

জানা গেছে, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের বিভিন্ন থানার সদস্যরা অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এর মধ্যে রবিবার চারজন এবং সোমবার ৩০ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে গাজীপুরের বাসন থানায় ২৬ জনের বিরুদ্ধে এবং সদর থানায় আটজনের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়েছে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া শাখার কর্মকর্তা ও পুলিশ পরিদর্শক জালাল উদ্দিন মাহমুদ জানান, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তাদের দলীয় পদবি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, মহানগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সম্ভাব্য নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

পলাশ/রিফাত/

চবি ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের মোটরসাইকেল শোডাউন

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৮:২১ পিএম
চবি ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের মোটরসাইকেল শোডাউন
চবি ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের মোটরসাইকেল শোডাউন। ছবি: সংগৃৃহীত

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের মোটরসাইকেল শোডাউনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। 

ভিডিওতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সহ-সভাপতি আবরার শাহরিয়ারকে শোডাউনে নেতৃত্ব দিতে এবং বক্তব্য রাখতে দেখা যায়।

ভাইরাল ভিডিওতে আবরার শাহরিয়ারকে বলতে শোনা যায় ‘৫ আগস্টের সময় ষড়যন্ত্র করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছে। আমরা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কথা দিয়েছিলাম, আমরা ফিরে আসব। আমরা কথা রেখেছি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে কোনোদিন জামায়াত-শিবিরের রাজাকারদের মিনি ক্যান্টনমেন্ট বা আতুড়ঘর হতে দেব না।’

তবে ভিডিওটি কবে এবং কোন প্রেক্ষাপটে ধারণ করা হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর অন্তর্বর্তী সরকার সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ এর আওতায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। 

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর নুরুল হামিদ কানন বলেন, ‘ভিডিওটি আমি দেখেছি। তবে এটি কখন ধারণ করা হয়েছে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলতে পারছি না। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এর আগে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেন, ঝুপড়িসহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পোস্টার সাঁটানোর অভিযোগ ওঠে। এসব পোস্টারে সংগঠনটির বিভিন্ন স্লোগান ও বার্তা দেখা যায়।

পোস্টার সাঁটানোর ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই মোটরসাইকেল শোডাউনের ভিডিও সামনে আসায় ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ সংগঠনটির তৎপরতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, ভাইরাল ভিডিওটির উৎস, ধারণের সময় এবং এতে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের পরিচয় যাচাই করা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আল আরাফ/রিফাত/

সিরাজগঞ্জে আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৬:৩৭ পিএম
সিরাজগঞ্জে আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল
ছবি: খবরের কাগজ

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলায় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য নৈরাজ্য, হানাহানি ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল।

সোমবার (২২ শে জুন) বিকেলে উপজেলা যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিভিন্ন স্থানে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।

এ সময় বক্তারা বলেন, ‘দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সব রাজনৈতিক দলকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। কোনো ধরনের সহিংসতা, নৈরাজ্য বা জনদুর্ভোগ সৃষ্টির অপচেষ্টা জনগণ মেনে নেবে না। তারা শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।’

বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম আজম, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান সরকার, সাবেক সদস্যসচিব বনি আমিন, শফিকুল ইসলাম শফি, মনোয়ার হোসেন শামীম, হেলাল উদ্দিন প্রামানিক, মোহাম্মদ আলী ভূইয়া, শামীম সরকার, আলম প্রামানিক, রাজিব সরকার এবং  খায়রুল ইসলাম আইয়ুবসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

এ সময় নেতারা বলেন, ‘জনগণের জানমাল রক্ষা এবং এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তারা সবসময় সচেতন রয়েছেন। যেকোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি মোকাবিলায় দলীয় নেতা-কর্মীদের সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তারা।’

বিক্ষোভ মিছিলে বিএনপি, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।

আলামিন/রিফাত/

ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ধরিয়ে দিলে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা রাবি ছাত্রদলের

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৩:৫৯ পিএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ০৪:১৪ পিএম
ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ধরিয়ে দিলে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা রাবি ছাত্রদলের
ছবি: খবরের কাগজ

নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কোনো নেতাকর্মীকে ধরিয়ে দিতে পারলে নগদ ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রদল। 

সোমবার (২২ জুন) দুপুরে ছাত্রলীগ ও নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীদের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপচেষ্টার প্রতিবাদে আয়োজিত এক বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এই ঘোষণা দেন শাখা ছাত্রদল সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বরের পেছনে অবস্থিত দলীয় টেন্ট থেকে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পরিবহন চত্বরে মিলিত হয়।

মিছিল চলাকালে নেতাকর্মীরা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ‘ছাত্রলীগের আস্তানা, ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’; ‘ছাত্রলীগ বাড়িস না, পিঠের চামড়া থাকবে না’; ‘খুনি হাসিনার আস্তানা, ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’; ‘ধর ধর ধর লীগ ধর, ধরে ধরে জেলে ভর’; ‘আপা আপা করিস না, পিঠের চামড়া থাকবে না’; ‘ভারতের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান’; ‘পাক ভারতের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান’ স্লোগান দেন।

​সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী সরকারের কাছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিচারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত সবাইকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে হবে। আওয়ামী লীগ ও তাদের অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো ক্যাম্পাস ও রাজশাহী জেলাকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছে। সব নেতাকর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দিচ্ছি। এসব সংগঠনের কোনো নেতাকর্মীকে কেউ যদি ধরিয়ে দিতে পারেন, তবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের পক্ষ থেকে তাকে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।’

​সমাবেশে শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি শাকিলুর রহমান সোহাগ বলেন, ‘বিগত ১৬ বছর ধরে ফ্যাসিস্ট সরকারের হাতে এ দেশের জনগণ গুম, খুন ও হত্যার শিকার হয়েছে। শেষ মুহূর্তে এসে ছাত্র-জনতা হত্যা করেও তাদের মধ্যে কোনো অনুশোচনা কাজ করেনি। তারা এখন স্বাভাবিক রাজনীতিতে ফিরতে চাইলেও বাংলাদেশের জনগণ তাদের আর গ্রহণ করবে না। যেখানে তারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চাইবে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাদের হাত-পা সব ভেঙে চুরমার করে দেবে।’

এ সময় তিনি নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মী ‘দেখামাত্রই পেটানো’র ঘোষণা দেন।

​বিক্ষোভ মিছিলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ও বিভিন্ন হল সংসদের নেতাকর্মীসহ ছাত্রদলের প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

শাকিবুল হাসান/থিওটোনিয়াস

মানবতাবিরোধী অপরাধ হাসানুল হক ইনুর মামলার রায় ৩০ জুন

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৩:৩৬ পিএম
হাসানুল হক ইনুর মামলার রায় ৩০ জুন
ছবি: সংগৃহীত

চব্বিশের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুর বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায় আগামী ৩০ জুন।

সোমবার (২২ জুন) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ রায়ের এই দিন ধার্য করেন।ট্রাইব্যুনালে এই মামলায় প্রসিকিউশন পক্ষে শুনানিতে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর ফারুক আহমেদ।

হাসানুল হক ইনুর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী।

জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান দমনে শেখ হাসিনার সঙ্গে তার কথোপকথনের মাধ্যমে কমান্ড রেসপন্সিবিলিটি ও কুষ্টিয়ায় ছয় জনকে হত্যার ঘটনায় ইনুর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় অভিযোগ আনা হয়। 

গত বছরের ২৬ আগস্ট রাজধানীর উত্তরা থেকে হাসানুল হক ইনুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বর্তমানে বিভিন্ন মামলায় কারাগারে রয়েছেন তিনি।

আমান/