আল্লাহর জন্য ভালোবাসার পরিমাণ হচ্ছে, তুমি তাদেরকে ততটুকু ভালোবাসবে, যতটুকু তারা আল্লাহকে ভালোবাসে, যতটুকু তারা আল্লাহর আনুগত্য করে, যতটুকু তারা আল্লাহর আদেশ মেনে চলে। তাদের প্রতি ততটুকু ঘৃণা পোষণ করবে, যতটুকু তারা আল্লাহর থেকে দূরে থাকে, যতটুকু পরিমাণে আল্লাহর আদেশের অবাধ্য হয়।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য ভালোবাসে, আল্লাহর জন্য শত্রুতা করে, আল্লাহর জন্য দান করে, আল্লাহর জন্য দান-খয়রাত থেকে বিরত থাকে, সে ইমান পূর্ণ করল।
রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও বলেন, আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে এমন মানুষ আছে, যারা নবিও নন, শহিদও নন। কিন্তু কিয়ামতের দিন নবিগণ ও শহিদগণ আল্লাহর কাছে তাদের মর্যাদা দেখে ঈর্ষা করবেন। সাহাবিগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসুল (সা.)!, আমাদের বলবেন যে, তারা কারা?
রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, তারা হলো সেসব মানুষ, যাদের মধ্যে আত্মীয়তার সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও এবং লেনদেন না থাকা সত্ত্বেও তারা পরস্পরকে ভালোবাসে। আল্লাহর কসম, তাদের চেহারা নুরের আলোয় আলোকিত হবে, তারা নুরের ওপর থাকবে। অন্যরা যখন ভয়ার্ত থাকবে, তারা তখন ভয় পাবে না, অন্যরা যখন চিন্তিত হবে তারা তখন চিন্তিত হবে না।' এরপর তিনি এ আয়াত পাঠ করলেন, أَلَا إِنَّ أَوْلِيَاءَ اللَّهِ لا خوف عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ জেনে রেখো, নিশ্চয় আল্লাহর বন্ধুদের কোনো ভয় নেই, আর তারা চিন্তিতও হবে না।
তাই আল্লাহর কাছে প্রার্থনা, তিনি যেন আমাদের মনে মুমিনদের প্রতি কোনো বিদ্বেষ না রাখেন। অন্যদিকে আমাদের কর্তব্য হচ্ছে, সেসব জিনিস থেকে দূরত্ব বজায় রাখা, যেসব জিনিস আমাদের মধ্যে দূরত্ব ও বিদ্বেষের কারণ হয়। মহান রব আমাদের সাঠিক পথের অনুসারি করুন আমিন ।
লেখক: আলেম ও সাংবাদিক