আইপিএল খেলতে গিয়ে হাঁটুতে পাওয়া চোটে মাঠের বাইরে ছিলেন কেন উইলিয়ামসন। এই চোটই জাগিয়ে তুলেছিল তার ভারত বিশ্বকাপ খেলতে না পারার শঙ্কা। সেই শঙ্কাতে উড়িয়ে মাঠে নামলেও খেলতে পারেননি বিশ্বকাপে সব ম্যাচ। পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকার কারণে খেলেননি বাংলাদেশের বিপক্ষে ঘরের মাঠে সদ্যসমাপ্ত দুই সিরিজ।
তবে এখন তার পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। এবার পুরোপুরি মাঠে ফিরছেন উইলিয়ামসন। ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি সিরিজে খেলবেন তিনি। পাঁচ ম্যাচ সিরিজের তৃতীয়টিতে বিশ্রামে থাকবেন তিনি। বাকি ম্যাচে তার কাঁধেই থাকবে দলের নেতৃত্ব। আর তার পরিবর্তে তৃতীয় ম্যাচে নেতৃত্ব দেবেন অলরাউন্ডার মিচেল স্যান্টনার।
চলতি মাসের ১২ তারিখ শুরু হবে সিরিজটি। এই সিরিজে উইলিয়ামসনের পাশাপাশি দলে ফিরেছেন ডেভন কনওয়েও। এই ওপেনারও ছিলেন না বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজে। অন্যদিকে চোট কাটিয়ে ফিরেছেন দুই পেসার লকি ফার্গুসন ও ম্যাট হেনরি। বিশ্বকাপে চোট পাওয়া দুই পেসার প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক ম্যাচ আবার খেলতে নামবেন।
সতীর্থেরা চোট কাটিয়ে ফিরলেও পেসার কাইল জেমিসন ও স্পিনার মিচেল ব্রেসওয়েলের কপাল খোলেনি। চোটের কারণে আসন্ন সিরিজেও তাদের মাঠের বাইরে থাকতে হচ্ছে। তাঁরা চোটের কারণে সুযোগ না পেলেও বিশ্বকাপে দুর্দান্ত খেলা রাচিন রবীন্দ্রকে বিশ্রাম দিয়েছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড।
প্রথম বিশ্বকাপে ৫৭৮ রান করা অলরাউন্ডার রাচিনকে বিশ্রাম দেওয়ার প্রসঙ্গে নিউজিল্যান্ডের কোচ গ্যারি স্টিড বলেছেন, ‘নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটে রাচিনের মতো তরুণ খেলোয়াড়ের মূল্য অপরিসীম। তার ভালোর ওপর জোর দিতে চাই। গত পাঁচ মাস ধরে বিরামহীন পাঁচটি দেশে ভ্রমণ করা সেই সে দলের একমাত্র সদস্য। যা সহজ বিষয় নয়। জুনের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সে আমাদের পরিকল্পনায় খুব ভালোভাবেই আছে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ দিয়ে ফেব্রুয়ারিতে ফিরবে।’
নিউজিল্যান্ড স্কোয়াড
কেন উইলিয়ামসন (অধিনায়ক), ডেভন কনওয়ে, ফিন অ্যালেন, টিম সেইফার্ট, ড্যারিল মিচেল, গ্লেন ফিলিপস, মার্ক চ্যাপম্যান, জশ ক্লার্কসন, মিচেল স্যান্টনার, ম্যাট হেনরি, ইশ সোধি, টিম সাউদি, লকি ফার্গুসন, অ্যাডাম মিলনে ও বেন সিয়ার্স।