ইউরোপিয়ান ফুটবলে মুসলমান খেলোয়াড়দের রোজা পালন শেষ করে মাঠে নামার নজির রয়েছে। উদাহরণ হিসেবে মোহাম্মদ সালাহর নামটা চলেই আসে। সেই তালিকায় আছেন নাসের মাজরাউই এবং ওমর মারমৌশরার নামও।
তবে কেবল এই তিনজনই নন। এই তালিকায় আছেন বার্সেলোনার তরুণ তুর্কি লামিনে ইয়ামালও। বার্সেলোনার এই গুরুত্বপূর্ণ সদস্যের বাবা মরক্কোর আর মা গিনির। মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়া ইয়ামালও রোজ়া পালন করছেন। রোজা রেখেই খেলেছেন লা লিগা ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচ।
গুঞ্জন উঠেছিল রোজা রাখার ক্ষেত্রে তিনি বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছেন ক্লাব দ্বারা। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোতে বেনফিকার বিপক্ষে ম্যাচে তাকে দ্রুত উঠিয়ে নেয় কোচ হান্সি ফ্লিক। অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন রোজা পালনের কারণেই তাকে উঠিয়ে নেওয়া হয়।
পরে স্প্যানিশ গণমাধ্যম ডিয়ারিও এএস জানিয়েছে, ট্যাকটিকাল কারণেই সেদিন এই তরুণকে উঠিয়ে নেন কোচ ফ্লিক।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমগুলোর সূত্রে জানা যায়, রোজা পালনে কোনোপ্রকার বিধিনিষেধ ছিল না ইয়ামালের ওপর। বরং যাতে করে রোজ়ায় তার কোনো সমস্যা না হয় সে জন্য ক্লাবের নিজস্ব পুষ্টিবিদের মাধ্যমে ইয়ামালের সাহরি এবং ইফতারের মেন্যু ঠিক করে দেয়া হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।
বার্সেলোনার জার্সিতে মাঠ মাতানোর সময় ফ্র্যাংক কেসি ও ওসমান দেম্বেলেরও রমজান মাসে রোজা রাখার নজির রয়েছে। এতে করে স্পষ্ট যে ইয়ামালের রোজা রাখা নিয়ে ক্লাবের ভেতর কোনো বিধিনিষেধ কিংবা অস্বস্তি নেই।