ঢাকা ১০ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
মাঠে হেঁটেই সফল মেসি রোনালদোর রেকর্ডের রাতে পর্তুগালের গোল উৎসব ৪১ বছরেও থামেননি রোনালদো, ভাঙলেন মেসির রেকর্ড পর্তুগিজ কিংবদন্তিতে ছাড়িয়ে শীর্ষে রোনালদো রোনালদোর বিশ্বরেকর্ড, প্রথমার্ধে উজবেকিস্তানের জালে ৩ গোল পর্তুগালের গোল করেই ইতিহাস গড়লেন রোনালদো ফ্রান্স ম্যাচ নিয়ে ভাবছেন না হালান্ড তৃণমূল থেকে ফিরহাদ-অরূপসহ ৮ নেতা বহিষ্কার উপদেষ্টা জাহেদের ফেরা ছিল তার নিজের সিদ্ধান্ত: জয়সওয়াল কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় সিএফমোটো বাংলাদেশের নতুন শোরুম উদ্বোধন পর্তুগালের একাদশে ২ পরিবর্তন ব্লিং লেদার প্রোডাক্টস লিমিটেড ঘুরে দেখলেন রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি বিস্ফোরক সংকটে বন্ধ মধ্যপাড়া পাথরখনির উত্তোলন কার্যক্রম জলবায়ু অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর হরমুজ প্রণালিতে রেকর্ড তেল রপ্তানির তথ্য দিলেন ট্রাম্প কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণবিরোধী মানববন্ধন আলোচিত কৃষক কবির হোসেন আর নেই ‘জুয়া প্রতিরোধ বিল, ২০২৬’ সংসদে উত্থাপন আদব মানুষকে সম্মানিত করে, আদবহীনতা মর্যাদা নষ্ট করে: ছারছীনার পীর ছাহেব কারা পাবেন হেদায়েতের এই পরম নিয়ামত? রেকর্ড তাপপ্রবাহে ফ্রান্সে ট্র্যাজেডি, পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু জাইমা রহমানের ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, রিমান্ডে আইনজীবী বাংলাদেশের সঙ্গে ৫৮ দেশের বাণিজ্য ঘাটতি, শীর্ষে চীন ও ভারত: বাণিজ্যমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কড়া বক্তব্য দিলেন এমপি রেহানা রানু টিআর-কাবিটা প্রকল্পে অনিয়মের তদন্ত চলছে: ত্রাণমন্ত্রী এক অর্থবছরে প্রবাসী আয় ৩০.৩২ বিলিয়ন ডলার: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ফ্যান্টাসী কিংডম-খবরের কাগজ প্রতিদিনের অনলাইন কুইজ বিজয়ী ডিজিটাল নকল প্রতিরোধে কঠোর নজরদারির আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে সাত দশকের অগ্রগতির দাবি প্রশ্নবিদ্ধ: সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি ও সংসদ কক্ষের শৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ বিরোধীদলীয় নেতার

পঞ্চপাণ্ডবের বিদায় দেখেনি ঘরের মাঠ

প্রকাশ: ১৪ মার্চ ২০২৫, ১১:১৯ এএম
আপডেট: ২২ মার্চ ২০২৫, ১২:১০ পিএম
পঞ্চপাণ্ডবের বিদায় দেখেনি ঘরের মাঠ
পঞ্চপাণ্ডব। ছবি: সংগৃহীত

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের অবসরে বাংলাদেশ ক্রিকেটের তৃতীয় অধ্যায়ের শুরু হয়েছে। এই কথাটি ভুল প্রমাণিত হওয়ার সুযোগ কম যদি প্রথম অধ্যায়টা ১৯৮৬-২০০৬ পর্যন্ত ধরা হয়। যেখানে বীজ বপন হয়েছে ভবিষ্যতের। পরে ২০০৭ থেকেই জাতীয় দলে খেলছেন পঞ্চপাণ্ডবের সবাই। সেই থেকে ২০২৫-এর শুরুর অংশ পর্যন্ত সময়টাকে দ্বিতীয় অধ্যায় ধরাই যায়। এই অংশেই আছে বেশ কিছু সাফল্যের গল্প। বড় শিরোপার গল্প না থাকলেও দ্বিপক্ষীয় সিরিজে ঘরের মাঠে বাংলাদেশের অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠাটা এই সময়েই, যা হয়েছে পঞ্চপাণ্ডবের হাত ধরেই। সিংহভাগ সফলতাই হোম অব ক্রিকেট মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। 

এই মাঠকে আপাদমস্তক মুখস্থ খেলোয়াড়দের। অথচ তাদের অবসরের বেলায় সেই মাঠই অবহেলিত! পঞ্চপাণ্ডবের তিন জনেরই কাগজে-কলমে শেষ জাতীয় দলের অধ্যায়। কেবল সাদাপোশাকে আছেন মুশফিকুর রহিম। মাশরাফি টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেও ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেননি। তাই কাগজে-কলমে তার অবসরের ঘোষণা এখনো বাকি। যদিও সে সম্ভাবনা কমই। 

জাতীয় দলে পঞ্চপাণ্ডবের অবদান নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই। সিনিয়রদের মধ্যে মাশরাফি ছাড়া সবাই ক্যারিয়ারের গোড়াপত্তন করেছেন দেশের বাইরে। তবে পাঁচজনের কারোরই অবসরের সাক্ষী হয়নি দেশের মাঠ ও সমর্থকরা। মাঠ থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েও সেটি বাস্তবে রূপ দিতে পারেননি সাকিব আল হাসান। মূলত রাজনৈতিক কারণেই সম্ভব হয়নি তার অবসর নেওয়া।

যে মাশরাফি সবার আগে ২০০১ সালে শুরু করেছিলেন ক্যারিয়ার। একমাত্র তিনিই দেশের মাটিতে শুরু করেন আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার। ২০১৪ সালে বাংলাদেশ যখন একের পর এক ম্যাচ ডুবিয়ে যাচ্ছিল তীরে এসে তরী, তখন ইনজুরিপ্রবণ মাশরাফির কাঁধেই আসে অধিনায়কত্বের গুরুদায়িত্ব। এরপর দলকে পাল্টে দিয়েছিলেন তিনি। তার নেতৃত্বেই ২০১৫ ওানডে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল ও ২০১৭ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে খেলে বাংলাদেশ। ভারত, পাকিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথমবারের সিরিজ জয়ও এসেছে তারই হাত ধরে। ২০২০ সালে অধিনায়কত্ব ছাড়ার পর তাকে সিলেটের মাঠে সম্মাননা জানায় বিসিবি। তবে করোনা-পরবর্তী সময়ে আর তাকে দলে রাখা হয়নি। গেল ৫ বছর জাতীয় দলের বাইরে থাকা মাশরাফি এখনো দেননি অবসরের ঘোষণা। ২০২০ এর মার্চ পরবর্তী অংশটাকে তার অবসরকালীন সময় ধরে নেওয়া যায় হয়তো। কিন্তু মাঠে দাঁড়িয়ে ভক্ত ও সমর্থকদের সামনে অবসরের ঘোষণা দিতে পারেননি এবং আর দেওয়ার সুযোগ নেই বললেই চলে।

২০২২ সালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ চলাকালীন আকস্মিক চট্টগ্রামের একটি হোটেলে অশ্রুসিক্ত নয়নে অবসরের ঘোষণা দেন তামিম ইকবাল। তার এমন সিদ্ধান্ত হতবাক করে দেয় সবাইকে। পর দিন মাশরাফি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে অবসর ভেঙে ফিরে দুই ম্যাচ মাঠে নামলেও বহু নাটকীয়তায় বিশ্বকাপে আর যাওয়া হয়নি। এরপর তার দলে ফেরা কিংবা না ফেরা নিয়েও হয়েছে অনেক জল্পনা। সবশেষ জানুয়ারির ১০ তারিখ তামিম নিজেই ফেসবুকে এক পোস্টে জানিয়ে দেন জাতীয় দলের সঙ্গে তার দূরত্ব আর ঘুচবে না। টি-টোয়েন্টিতে যেভাবে ফেসবুকে অবসর নিয়েছিলেন, একইভাবে পুনরায় ফেসবুকেই বিদায় বলে দেন।

তামিমের ফেসবুক অবসর শুরু ২০২২ সালে টি-টোয়েন্টি দিয়ে। তার দেখানো পথে একই বছর ফেসবুকে টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নেন মুশফিকও। সদ্যসমাপ্ত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দলীয় ব্যর্থতার দায় এসে পড়ে সিনিয়র ক্রিকেটারদের ওপরও। রান আসেনি মুশফিক কিংবা মাহমুদউল্লাহ কারও ব্যাটেই। সমালোচনার মুখেই বলা যায় ওয়ানডে থেকে মুশফিক দেন অবসরের ঘোষণা। যেই হোম অব ক্রিকেটে দিনের পর দিন ঘাম ঝরিয়েছেন সেখানে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে অবসর না নিয়ে ফেসবুককেই বেছে নিয়ে বঞ্চিত করেছেন নিজের ভক্ত ও সমর্থকদের। টেস্টকে বিদায় জানিয়েছেন ২০২১ সালে জিম্বাবুয়েতে আর গেল বছর ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টিতে।

সবশেষ ব্যতিক্রম কিছু করেননি রিয়াদও। ক্রিকেট পাগল জাতির সমর্থকদের আশা ছিল পঞ্চপাণ্ডবের বিদায় গ্যালারিতে বসে দেখার, কিন্তু সেটি হলো কই! ফর্মের সঙ্গে লড়াই করতে করতেই বোধহয় মাহমুদউল্লাহও ফেসবুক স্ট্যাটাসকেই নিজেকে গুটিয়ে নেওয়ার সেরা মাধ্যম ভেবেছেন। শ্রীলঙ্কার মাটিতে ওয়ানডে দিয়ে ২০০৭ সালে শুরু মাহমুদউল্লাহর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার। একই বছর কেনিয়ার নাইরোবিতে টি-টোয়েন্টি ও ২০০৯ সালে উইন্ডিজে শুরু তার টেস্ট ক্যারিয়ার। কিন্তু তিনি টেস্ট থেকে অবসর নেন ২০২১ সালে জিম্বাবুয়ের মাটিতে। গেল বছর টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নেন ভারতের মাটিতে। ঘরের মাঠে কোনো এক সিরিজ খেলে ওয়ানডেকে বিদায় জানানোর গুঞ্জন থাকলেও, সেটিকে ভুল প্রমাণ করে ফেসবুককেই বেছে নিলেন রিয়াদ। টেস্ট ও টি-টোয়েন্টিতে বিদেশের মাটিতে অবসর নেওয়া একমাত্র তিনিই পেয়েছেন জিম্বাবুয়ে ও ভারতে পঞ্চপান্ডবদের মধ্যে গার্ড অব অনার।

ক্যারিয়ারের শুরুর দিন থেকে প্রতিপক্ষকে চ্যালেঞ্জ করে যাওয়া সাকিবই দেখিয়েছিলেন মাঠ থেকে অবসরের আগ্রহ। পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সংসদ সদস্য হওয়ায় সেটি আর সম্ভব হয়নি। অদূর ভবিষ্যতে ঘরের মাঠে সাকিবের অবসর সম্ভাবনাও ক্ষীণ বলা চলে। ওয়ানডে থেকে অবসর না নিলেও তিনি টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নিয়েছেন। যেখানে শেষ ম্যাচ রয়েছে প্রবাসে। গত বছর নাগপুরে ভারতের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের আগে তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলে টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় জানাবেন। কিন্তু রাজনৈতিক কারণে তা আর সম্ভব হয়নি। নাগপুরেই তিনি জানিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের বিপক্ষেই ছিল তার শেষ ম্যাচ। যেটি তিনি খেলেছিলেন সেন্ট লুসিয়ায়। ওয়ানডেতে অবসরের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলে কিন্তু তাকে দলেই নেওয়া হয়নি।

ঘরের মাঠ থেকে অবসরের সম্ভাবনা আছে শুধু মুশফিকুর রহিমের। যদি তা তার পরিকল্পনার সঙ্গে মেলে। আর যদি কী-বোর্ড চেপে নেন, তবে দেশের সমর্থকদের বঞ্চিত করার ষোলোকলাই পূর্ণ হবে!

মাঠে হেঁটেই সফল মেসি

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৬, ০১:১৭ এএম
মাঠে হেঁটেই সফল মেসি
ছবি: সংগৃহীত

লিওনেল মেসি ইতোমধ্যেই এই বিশ্বকাপে দুই ম্যাচে পাঁচটি গোল করেছেন। আর তিনি সেটি করেছেন ম্যাচের বেশিরভাগ সময় যেন পার্কে হেঁটে বেড়ানোর মতো খেলেই।

আধুনিক ফুটবলের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো উচ্চ-তীব্রতার দৌড় ও প্রেসিং। কিন্তু আর্জেন্টিনাকে মনোযোগ দিয়ে দেখলে দেখা যায়, মেসি বেশিরভাগ সময় হাঁটেন, ধীরে জগিং করেন কিংবা একেবারেই স্থির দাঁড়িয়ে থাকেন।

আলজেরিয়ার বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচে মেসি মাত্র ৭ কিলোমিটার দৌড়েছেন, যা গড়ে প্রতি মিনিটে প্রায় ৯৪টি পদক্ষেপের সমান। তুলনায়, একই ম্যাচে তার সতীর্থ এনজো ফার্নান্দেজ গড়ে প্রায় ১৫০টি পদক্ষেপ নিয়েছেন। তবুও মেসি ম্যাচ শেষ করেছেন একটি হ্যাটট্রিক নিয়ে, যা ছিল বিশ্বকাপে তার প্রথম হ্যাটট্রিক।

প্রথম ম্যাচডের পর, মাঠের খেলোয়াড়দের মধ্যে সবচেয়ে কম দূরত্ব অতিক্রম করা খেলোয়াড়দের শীর্ষ তিনজনের একজন ছিলেন মেসি। কিন্তু তিনি এমনটা কেন করেন? প্রায় ৩৯ বছর বয়সে এসে, উচ্চ-তীব্রতার ফুটবল খেলার পরিবর্তে মেসি শক্তি সঞ্চয় করে রাখেন সেই মুহূর্তগুলোর জন্য, যেগুলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ- বিল্ড-আপ প্লে এবং আক্রমণভাগের শেষ তৃতীয়াংশে।

দৃশ্যটি কিছুটা অদ্ভুত, খেলা তার চারপাশে চলতে থাকলেও মেসি ধীর পায়ে মাঠে হাঁটছেন। তবুও এটা স্পষ্ট যে, এটি একজন প্রতিভাবানের প্রতারণাময় সেরা রূপ, যিনি নিষ্ক্রিয়তার ভান করে প্রতিপক্ষের মার্কারদের নজর এড়িয়ে যান।

এরপর তিনি সঠিক সময়টি বেছে নেন ডিফেন্ডারদের মাঝখানে ফাঁকা জায়গায় ঢুকে পড়ার জন্য, যেখানে নিজের বিধ্বংসী ড্রিবলিং ও বল নিয়ন্ত্রণের দক্ষতা দিয়ে তিনি প্রতিপক্ষের রক্ষণে তাণ্ডব চালাতে পারেন। অস্ট্রিয়া ম্যাচে তার রেকর্ডগড়া ১৭তম বিশ্বকাপ গোলেও সেটিই দেখা গেছে।

ডালাস স্টেডিয়ামে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের ৩৭ মিনিট ৩৮ সেকেন্ডে, মেসি ডান দিক থেকে বল পেয়ে মাঝমাঠ দিয়ে এগিয়ে যাওয়া থিয়াগো আলমাদাকে পাস দেন। আক্রমণটি যখন অস্ট্রিয়ার গোলমুখে গতি পাচ্ছিল, তখন মেসি যেন নিজের স্কুটারে চেপে ছুটে চললেন, পল ওয়ানারকে পেছনে ফেলে সামনে বিশাল ফাঁকা জায়গা পেয়ে আবার জগিংয়ে ফিরে গেলেন।

ফাকুন্দো মেদিনা যখন বলটি বক্সে পাঠান, তখন আলমাদা প্রথম স্পর্শেই শট নিতে পারতেন। কিন্তু তিনি বলটি নিজের পেছনে যেতে দেন, যেখানে অস্ট্রিয়ান ডিফেন্ডারদের অগোচরে বক্সের কিনারায় এসে পৌঁছেছিলেন মেসি। তিনি নিখুঁতভাবে বলটি নিচের কোণে পাঠিয়ে অস্ট্রিয়ার প্রতিরোধ ভেঙে দেন।

এটি সেই ধরনের গোল, যা তিনি তার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে অসংখ্যবার করেছেন। সেই নির্দিষ্ট দৌড়, সেই জগিং, ফাঁকা জায়গায় পৌঁছে যাওয়ার ক্ষমতা এবং গোলরক্ষকের নাগালের বাইরে বল পাঠানোর দক্ষতা- সবই তিনি পরিপূর্ণভাবে আয়ত্ত করেছেন।

মেসি নিজেই এই বৈশিষ্ট্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন, ‘আমি সবসময় এমন দলেই খেলেছি, যারা খেলায় নিয়ন্ত্রণ নিতে চায়, বার্সেলোনায়ও যেমন ছিল, এখন আর্জেন্টিনাতেও তেমন। তাই আমি খেলা থেকে নিজেকে কিছুটা বিচ্ছিন্ন করে আমার মার্কারকে হারানোর চেষ্টা করি। এতে আমরা যখন বল পুনরুদ্ধার করি, তখন আক্রমণ শুরু করা বা পাল্টা আক্রমণের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আমি একটু বেশি সময় পাই এবং ভালো অবস্থানে থাকতে পারি।’

‘আমি যখন হাঁটি, তখন প্রতিপক্ষের অবস্থান বিশ্লেষণ করি, আমরা বল ছাড়া কীভাবে অবস্থান নিয়েছি তা দেখি, মার্কারের কাছ থেকে সরে যাওয়ার চেষ্টা করি এবং পাল্টা আক্রমণ শুরু করার সুযোগ তৈরি করি।’

এই কৌশল মেসিকে এই বয়সেও আর্জেন্টিনার জার্সিতে নিজের সেরা সংস্করণ তুলে ধরতে সাহায্য করেছে। বিশ্বকাপে প্রথম দুই ম্যাচে আর্জেন্টিনার হয়ে সবচেয়ে বেশি ১৩টি শট নিয়েছেন মেসিই। একই সঙ্গে এখন অবধি তিনিই টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা।

আসলে আর্জেন্টিনার প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি এমনভাবেই দলটি সাজিয়েছেন, যাতে মেসিকে রক্ষণে খুব বেশি অবদান রাখতে না হয়। দলীয় তালিকায় মেসির অবস্থান আক্রমণের ডান পাশে দেখানো হলেও, মাঠের যেকোনো জায়গায় খেলার স্বাধীনতা রয়েছে তার। ডান দিকে তার রক্ষণাত্মক দায়িত্ব প্রায়ই সামলে নেন রদ্রিগো ডি পল ও নাহুয়েল মলিনা।

তবে এভাবে খেলা মেসির জন্য নতুন কিছু নয়। দ্য অ্যাথলেটিকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ বিশ্বকাপে মেসি ৫ কিলোমিটারেরও বেশি পথ হেঁটেছিলেন। ২০২১ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত আর্জেন্টিনার চক্রটিকে দেশটির ইতিহাসের অন্যতম সফল সময় হিসেবে ধরা হয়, আর সেই সাফল্যের বড় অংশই এসেছে মেসির আক্রমণাত্মক গুণাবলিকে সর্বোচ্চভাবে কাজে লাগানোর মতো দল গঠনের মাধ্যমে। সম্ভবত এ কারণেই আর্জেন্টিনা এই বিশ্বকাপেও তাদের শিরোপাজয়ী দলের ১৭ জন সদস্যকে ধরে রেখেছে।

তবে নকআউট পর্বে আরও শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে একজন খেলোয়াড়ের রক্ষণাত্মক অবদান না থাকা আর্জেন্টিনার জন্য ক্ষতির কারণ হবে কি না, সেটি এখনো দেখার বিষয়। কিন্তু বর্তমান ফর্ম বিবেচনায়, মেসিকে থামানোর ক্ষমতা কি আদৌ কোনো দলের আছে, যখন তিনি নিজের সেরা ফুটবলটা খেলছেন হাঁটতে হাঁটতেই?

অনিক/

রোনালদোর রেকর্ডের রাতে পর্তুগালের গোল উৎসব

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৬, ০১:০৬ এএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৬, ০১:৩২ এএম
রোনালদোর রেকর্ডের রাতে পর্তুগালের গোল উৎসব
ছবি: সংগৃহীত

ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছিল পর্তুগাল। সেই ম্যাচে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পারফরম্যান্স নিয়ে হয়েছে সমালোচনা। তবে দ্বিতীয় ম্যাচেই জ্বলে উঠলেন তিনি। জোড়া গোলে রেকর্ড গড়ার পাশাপাশি দিলেন সমালোচনার জবাব। সুবাদে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে পর্তুগাল জিতল ৫-০ গোলে। 

মঙ্গলবার (২৩ জুন) হিউস্টনের এনআরজি স্টেডিয়ামে উজবেকিস্তানকে রীতিমতো উড়িয়ে দিয়েছে রবার্তো মার্তিনেজের শিষ্যরা। পর্তুগালের হয়ে নুনো মেন্দেস ও রাফায়েল লিয়াও একটি করে গোল করেছেন। বাকি একটি গোল ছিল আত্মঘাতী। 

উজবেকিস্তানের জাল খুঁজে নিয়ে রোনালদো সময় নেন মাত্র ৬ মিনিট। জোয়াও ক্যানসেলোর নিচু ক্রস থেকে প্রথম ছোঁয়াতেই শক্তিশালী শটে বল জালে জড়ান তিনি। তাতেই ৬ বিশ্বকাপে গোল করার অনন্য কীর্তি গড়েন পর্তুগিজ সুপারস্টার।

এরপর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন নুনো মেন্দেস। ১৭ মিনিটে ফ্রি-কিক পেয়ে পুরো স্টেডিয়াম যেন রোনালদোর আরেকটি জাদুকরী মুহূর্ত দেখায় অপেক্ষায় ছিল। বলের পেছনে দাঁড়িয়ে নিজের চিরচেনা ভঙ্গিতে বুক ফুলিয়ে প্রস্তুতিও নেন পর্তুগিজ অধিনায়ক। সবাই যখন রোনালদোর শটের অপেক্ষায়, ঠিক তখনই চমক দেন তিনি। শেষ মুহূর্তে বল ছেড়ে দেন রোনালদো, আর সুযোগটি লুফে নেন নুনো মেন্দেস। বাঁ পায়ের দুর্দান্ত নিচু শটে বল পাঠিয়ে দেন জালে।

ম্যাচের ৩০ মিনিটে উজবেকিস্তানের আজিজ গানিয়েভ গোল করেন। কিন্তু গোল করার আগে জোয়াও কানসেলোকে ফাউল করায় ভিএআরে গোলটি বাতিল হয়। এরপর গোল তো হয়নি উল্টো গোল হজম করে উজবেকিস্তান। ম্যাচের ৩৯ মিনিটে ব্রুনো ফার্নান্দেসের পাস থেকে ডান পায়ের নিখুঁত শটে গোলরক্ষক আবদুভোহিদ নেমাতভকে পরাস্ত করে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন রোনালদো। তাতেই বিশ্বকাপে পর্তুগালের জার্সিতে সর্বোচ্চ গোলের (১০) রেকর্ড গড়েন তিনি। 

বিরতিতে যাওয়ার আগে হ্যাটট্রিক করার সুযোগ এসেছিল রোনালদোর সামনে। জোয়াও ক্যানসেলোর নিচু ক্রসে বল পেয়ে গোলরক্ষকের ওপর দিয়ে সূক্ষ্মভাবে টোকা দেন। কিন্তু বল গোললাইনে যাওয়ার আগেই তা ক্লিয়ার করেন আবদুকদির খুসানভ। ফলে হ্যাটট্রিকের আনন্দ থেকে বঞ্চিত থাকতে হয় রোনালদোকে। দ্বিতীয়ার্ধেও হ্যাটট্রিক করার মতো একাধিক সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু জালের দেখা পাননি তিনি। 

ম্যাচের ৬০ মিনিটে পর্তুগালকে গোল উপহার দেন উজবেক গোলরক্ষক নেমাতভ। পর্তুগালের কর্নারটি নিচু গতিতে বক্সের ভেতরে আসে। সেখানে খেলোয়াড়দের জটলায় নিজেদের জালে বল জড়ায় উজবেকিস্তান। এরপর অবশ্য রোনালদোর একটি শট ঠেকিয়ে দেন নেমাতভ। ম্যাচের ৭৫ মিনিটে তার নেওয়া শট বক্সেই ঠেকিয়ে দেন রোনালদো। এরপর এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বাঁ পায়ে জোরালো শট নেন। নেমাতভ সেই শট ঠেকিয়ে দিয়ে রোনালদোকে হ্যাটট্রিক করতে দেননি। 

ম্যাচের শেষের দিকে স্কোরশিটে নাম লেখান রাফায়েল লিয়াও। ম্যাচের ৮৭ মিনিটে নেলসন সেমেদোর ক্রস ঠেকিয়ে দেন উজবেক ডিফেন্ডার। কিন্তু তা ফাঁকায় পেয়ে যেন লিয়াও। সেখান থেকে ডান পায়ের শটে বল জালে জড়ান তিনি। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার আগে আরও একবার সুযোগ পেয়েছিলেন রোনালদো। চেষ্টা করেও তা জালে জড়াতে পারেননি তিনি। তাতে শেষ পর্যন্ত ৫-০ গোলে জয় পায় পর্তুগাল। 

দুই ম্যাচে এক জয় ও এক ড্রয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে উঠে এসেছে পর্তুগাল। এক ম্যাচ কম খেলে ৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে কলম্বিয়া। এক পয়েন্ট তৃতীয় স্থানে ডিআর কঙ্গো। আর পয়েন্টশূন্য উজবেকিস্তান টেবিলের তলানিতে অবস্থান করছে। আজ সকালে গ্রুপের অন্য ম্যাচে মুখোমুখি হবে কলম্বিয়া ও কঙ্গো।

সালমান/

৪১ বছরেও থামেননি রোনালদো, ভাঙলেন মেসির রেকর্ড

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৬, ১২:৫৩ এএম
৪১ বছরেও থামেননি রোনালদো, ভাঙলেন মেসির রেকর্ড
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও লিওনেল মেসি

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে গতকালই জোড়া গোল করে আর্জেন্টাইন সুপারস্টার লিওনেল মেসি বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি বয়সে এক ম্যাচে দুই গোল করা দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে জায়গা করে নিয়েছিলেন। তবে সেই রেকর্ড একদিনও টিকল না। তার রেকর্ড ভাঙলেন পর্তুগিজ মহাতারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। 

মঙ্গলবার (২৩ জুন) উজবেকিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নেমে আবারও ইতিহাস গড়লেন রোনালদো। ৪১ বছর ১৩৮ দিন বয়সে জোড়া গোল করে তিনি মেসিকে ছাড়িয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসেন।

এর আগে জোড়া গোলের সময় মেসির বয়স ছিল ৩৮ বছর ৩৬৩ দিন। একদিনের ব্যবধানে সেই রেকর্ড ভেঙে নিজের অবস্থান আরও এগিয়ে নেন রোনালদো।

তবে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি বয়সে এক ম্যাচে দুই গোল করার রেকর্ডটি রয়েছে ক্যামেরুনের কিংবদন্তি রজার মিল্লার দখলে। তিনি ১৯৯৪ বিশ্বকাপে রাশিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন ৪২ বছর ৩৯ দিন বয়সে। সেই ম্যাচেই তিনি বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে এক ম্যাচে দুই গোল করা ফুটবলার হিসেবে অনন্য কীর্তি গড়েন।

সালমান/

পর্তুগিজ কিংবদন্তিতে ছাড়িয়ে শীর্ষে রোনালদো

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৬, ১২:২৪ এএম
পর্তুগিজ কিংবদন্তিতে ছাড়িয়ে শীর্ষে রোনালদো
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে নিষ্প্রভ পারফরম্যান্সের কারণে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তবে দ্বিতীয় ম্যাচেই দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ালেন পর্তুগিজ অধিনায়ক।

উজবেকিস্তানের বিপক্ষে প্রথমার্ধেই জোড়া গোল করেন তিনি। আর এই জোড়া গোলের সুবাদে বিশ্বকাপে পর্তুগালের জার্সিতে সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে এককভাবে উঠে গেলেন এই পর্তুগিজ তারকা।

ম্যাচের মাত্র ৬ মিনিটেই প্রথম গোলের দেখা পান রোনালদো। এর মাধ্যমে তিনি ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপ আসরে গোল করার অনন্য কীর্তিও গড়েন। এরপর প্রথমার্ধেই দ্বিতীয় গোল করে তিনি ছাড়িয়ে যান পর্তুগালের কিংবদন্তি ইউসেবিওকে।

এই অর্জনের মাধ্যমে বিশ্বকাপে পর্তুগালের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের মালিক এখন রোনালদো। তার গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০-এ। অন্যদিকে, ৯ গোল নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছেন ইউসেবিও। তালিকার তৃতীয় স্থানে আছেন পওলেতা, যিনি করেছেন ৪ গোল।

সালমান/

রোনালদোর বিশ্বরেকর্ড, প্রথমার্ধে উজবেকিস্তানের জালে ৩ গোল পর্তুগালের

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১১:৫৩ পিএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৬, ১২:০৪ এএম
রোনালদোর বিশ্বরেকর্ড, প্রথমার্ধে উজবেকিস্তানের জালে ৩ গোল পর্তুগালের
ছবি: সংগৃহীত

প্রথম ম্যাচে ছিলেন নিষ্প্রভ। এ কারণে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়তে হয় ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে। তবে আজ উজবেকিস্তানের বিপক্ষে দারুণভাবে ফিরলেন, করলেন জোড়া গোল। প্রথম গোল করে ৬ বিশ্বকাপে গোল করার বিশ্বরেকর্ড গড়েন তিনি। শেষ পর্যন্ত প্রথমার্ধে ৩-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে গেছে পর্তুগাল।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) হিউস্টনের এনআরজি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় শুরু হওয়া ম্যাচের মাত্র ৬ মিনিটেই গোলের দেখা পান রোনালদো। জোয়াও ক্যানসেলোর নিচু ক্রস থেকে প্রথম ছোঁয়াতেই শক্তিশালী শটে বল জালে জড়ান তিনি। তাতেই ৬ বিশ্বকাপে গোল করার অনন্য কীর্তি গড়েন পর্তুগিজ সুপারস্টার।

ম্যাচের ১৭ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন নুনো মেন্দেস। ফ্রি-কিক পেয়ে পুরো স্টেডিয়াম যেন রোনালদোর আরেকটি জাদুকরী মুহূর্ত দেখায় অপেক্ষায় ছিল। বলের পেছনে দাঁড়িয়ে নিজের চিরচেনা ভঙ্গিতে বুক ফুলিয়ে প্রস্তুতিও নেন পর্তুগিজ অধিনায়ক। সবাই যখন রোনালদোর শটের অপেক্ষায়, ঠিক তখনই চমক দেন তিনি।

শেষ মুহূর্তে বল ছেড়ে দেন রোনালদো, আর সুযোগটি লুফে নেন নুনো মেন্দেস। বাঁ পায়ের দুর্দান্ত নিচু শটে বল পাঠিয়ে দেন জালে। গ্যালারিতে থাকা দর্শকরা তো বটেই, উজবেকিস্তানের গোলরক্ষক উতকির নেমাতভও সম্ভবত রোনালদোর শটের জন্যই প্রস্তুত ছিলেন। তাই মেন্দেসের অপ্রত্যাশিত প্রচেষ্টায় তিনি পুরোপুরি বিস্মিত হয়ে যান। 

ম্যাচের ৩০ মিনিটে উজবেকিস্তানের আজিজ গানিয়েভ দারুণ এক গোল করেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত গোল করার আগে জোয়াও কানসেলোকে ফাউল করায় ভিএআরে গোলটি বাতিল হয়। 

এরপর নিজের দ্বিতীয় গোলের দেখা পান রোনালদো। ম্যাচের ৩৯ মিনিটে ব্রুনো ফার্নান্দেসে পাস থেকে ডান পায়ের নিখুঁত শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন তিনি।

বিরতিতে যাওয়ার আগে হ্যাটট্রিক করার সুযোগ এসেছিল রোনালদোর সামনে। জোয়াও ক্যানসেলোর নিচু ক্রসে বল পেয়ে গোলরক্ষকের ওপর দিয়ে সূক্ষ্মভাবে টোকা দেন। কিন্তু বল গোললাইনে যাওয়ার আগেই তা ক্লিয়ার করেন আবদুকদির খুসানভ। ফলে হ্যাটট্রিকের আনন্দ থেকে বঞ্চিত থাকতে হয় রোনালদোকে।

সালমান/