চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালের প্রথম লেগে ইন্টার মিলানের বিপক্ষে রোমাঞ্চকর লড়াই শেষ হয়েছে ৩-৩ ব্যবধানে। দ্বিতীয় লেগে যে দল জিতবে সে দলই কাটবে ফাইনালের টিকিট।
এমন ম্যাচের আগে স্বাভাবিকভাবেই দুশ্চিন্তার ভেতর থাকতে হয় দুই দলকেই। দীর্ঘদিন চ্যাম্পিয়ন্স জিততে না পারা কাতালানদের দুশ্চিন্তার মাত্রাটা কিছুটা বেশি হবে বলে ধারণা করা হলেও, কোচ হান্সি ফ্লিক আছেন ব্যতিক্রম মনোভাবে।
বড় এই ম্যাচে মাঠে নামার আগে চাপমুক্ত থাকার কথাই বললেন বার্সেলোনার কোচ। শিষ্যদের তিনি শুনিয়েছেন উপভোগের মন্ত্র। কোনোপ্রকার চাপ দিতে চান না খেলোয়াড়দের ওপর।
এই মৌসুমে যেকোনো প্রতিযোগিতায় দারুণ পারফর্ম করে যাচ্ছে স্প্যানিশ ক্লাবটি। ইতোমধ্যেই জেতা হয়ে গেছে স্প্যানিশ সুপার কাপ ও কোপা দেল রের শিরোপা। সেই অভিজ্ঞতা এবার কাজে লাগবে বলেই মনে করেন বার্সা কোচ, ‘এ মৌসুমে আমরা দুটি শিরোপা জিতেছি। প্রত্যেক খেলোয়াড় মাঠে নামলেই উন্নতি করে। এটাই উন্নতির সেরা পরীক্ষা; তারা অনেক কিছু শেখে। এই ম্যাচে চাপ নেওয়া উচিত নয়; তাদের উপভোগ করা উচিত এবং সতীর্থদের সঙ্গে খেলা উচিত। আমরা হাল না ছেড়ে সেরা উপায়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাই।’
প্রথম লেগের ম্যাচটি ছিল বার্সেলোনার হোম গ্রাউন্ডে আর এবারের ম্যাচটি হবে ইন্টারের মাঠ মিলানের সান সিরোয়। আগের লেগে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ম্যাচটি হয় ৩-৩ গোলে ড্র। ফিরতি লেগ জিততে পারলেই পৌঁছে যাবে এক দশক পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে। সুযোগ থাকবে এক দশক পর শিরোপা জেতারও।
এই ম্যাচে চোট কাটিয়ে ফিরবেন রবার্ট লেভানডফস্কি। যদিও তাকে শুরুর একাদশে রাখা হবে না বলে জানিয়েছেন হান্সি ফ্লিক। চাপ দিতে চান না তিনি কোনো খেলোয়াডের ওপর, ‘মঙ্গলবারের ম্যাচটি আমাদের উপভোগ করতে হবে। এই পর্যায়ে খেলাটাই দারুণ ব্যাপারে। আমরা ফাইনালে ওঠার ক্ষমতা রাখি। আমি খেলোয়াড়দের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে চাই না; তাদের উপভোগ করতে হবে। আমি চাই তারা ঐক্যবদ্ধ থেকে লড়াই করুক।’