ঢাকা ৯ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
নারী কেলঙ্কারির ঘটনায় বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক আরিফ উদ্দিন বরখাস্ত ডান প্রান্তে রাফিনহার জায়গায় খেলতে প্রস্তুত মার্টিনেল্লি সিভিল সার্জনকে ‘ভাই’ বলায় ক্ষিপ্ত, বললেন ‘মহোদয় বলতে হবে’ সন্ত্রাসী ইমনের গ্রেপ্তার নিয়ে সিএমপির ব্যাখ্যা আইসক্রিমপ্রেমীদের জন্য সেভয়-এর নতুন চমক মানিকগঞ্জে মারিয়া হত্যা মামলার বিচার দাবিতে মানববন্ধন তারেক রহমানকে নিয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর ফেসবুক পেজে ভিডিওতে হাবিবের গান চাপমুক্ত থাকার ৭টি কার্যকর উপায় ৩০ হাজার মামলার জটে স্থবির শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম: শিক্ষামন্ত্রী লালমোহনে ব্রিজ ভেঙে খাদে ট্রাক, চালক নিহত ঈশ্বরদীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে যুবদলের মিছিল ঘুষ কেলেঙ্কারি: দেবীগঞ্জের পিআইও বদলি বান্দরবান ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা নেই: জেলা প্রশাসন নিজেকে শ্রেষ্ঠ করে তোলার গুণটি কী? মারা গেছেন নৃত্য পরিচালক জাকির হোসেন দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচ শেষেই বিদায় নিল ৪ দল ফ্রান্সের কাছে হারলেও গর্বিত ইরাকি সমর্থকেরা টোল আদায়ে অনিয়ম: শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২০ সেপ্টেম্বর জুলাই অভ্যুত্থান: ঢাবির ৩ শিক্ষক বরখাস্ত, অব্যাহতি আরও ২ জনের রাঙামাটিতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ১৬ অ্যান্টি-করোসিভ প্রেম কাপ্তাই হ্রদে নাব্যসংকটে লঞ্চ চলাচল সীমিত, ভোগান্তিতে ৫ লাখ মানুষ কবর থেকে তোলা হচ্ছে না সালমান শাহর মরদেহ মেহেরপুরে জেলা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ফুটবল বিশেষজ্ঞ বউ ডাকসুর জিএস গোলাম রাব্বানীর পদ বাতিল ঢাবির রোকেয়া হলে কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে মালির মৃত্যু আক্রমণের ধারা নষ্ট করতে চান না টুখেল উখিয়ায় ৪০ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদককারবারি গ্রেপ্তার নাশকতার পরিকল্পনা ছিল কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের: ডিএমপি কমিশনার

আবেগের মিশ্র অনুভূতির উল্লাস প্রোটিয়াদের

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৫, ০৭:৪১ পিএম
আবেগের মিশ্র অনুভূতির উল্লাস প্রোটিয়াদের
ছবি: সংগৃহীত

কাইল ভেরাইন্নের ড্রাইভ থেকে জয়সূচক রানের পর উল্লাসের আর সীমা নেই দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটারদের। গ্যালারিতে থাকা দর্শকদের মাঝেও নেই উল্লাসের কমতি। ১৯৯৮ সালের উইল ইন্টারন্যাশনাল কাপের পর ২০২৫ সালের টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ শিরোপা। 

দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে চলা আইসিসি শিরোপার খরাটা এবার মিটলো। যা মেটাতে পুড়াতে হয়েছে অনেক কাঠখড়। তাই তো এই শিরোপা উল্লাস ছিল আবেগের মিশ্র অনুভূতিতে ভরা। গ্যালারিতে চোখ পড়লেই দেখা যায় আনন্দে কাঁদছেন প্রোটিয়া দর্শকরা।

আর কাঁদবেই বা না কেন? এই পরম আরাধ্য শিরোপা যে গায়ের সঙ্গে লেপ্টে থাকা চোকার্স তকমাকে বিদায় করেছে। 

আক্ষেপে ভরা এই তকমা বিদায় করে আনন্দের অশ্রু দিয়ে উল্লাস করাটাই তো স্বাভাবিক। 

সাধারণত বলা হয় - সাংস্কৃতিকভাবেই আবেগ নিয়ন্ত্রণে পারদর্শী এশিয়ার বাইরের মানুষরা। এর বাইরের মানুষরা লুকিয়ে রাখতে সক্ষম তাদের আবেগ।

কিন্তু, সব মিথ্যা হয়ে যায় সফলতা ও ব্যর্থতার চিত্র সামনে এলে।

তখন আর আবেগ নিয়ন্ত্রণে পারদর্শী মানুষরাও নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়। এই কারণেই তো দক্ষিণ আফ্রিকার দর্শকদের চোখে এই অশ্রু। যাকে বলা হয় আনন্দাশ্রু। 

গেল ২৭ বছরে একের পর এক হোঁচট খাওয়ার পর, পরম আরাধ্য শিরোপা ধরা দিলে তো আবেগ আর নিয়ন্ত্রণে থাকার কথা নয়।

তুমুল পেশাদারত্বের পরিচয় দিয়ে আবেগ লুকানোর দক্ষতা ক্রিকেটাদেরও রয়েছে। তবে মাঝেমধ্যে দুঃখের ভার বইতে গিয়ে তা আর নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না। যেমন ২০১৫ ওয়ানডে বিশ্বকাপের কথা নিশ্চয়ই সবার মনে আছে। হট ফেবারিট হয়ে বিশ্বকাপে গিয়েও স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১ বল বাকি থাকতে ডেল স্টেইনকে মিড উইকেট বাউন্ডারিতে ছক্কা মেরে ৪ উইকেটের জয়ে ফাইনালে পা রাখে কিউইরা। ম্যাচশেষে কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছাড়েন এবি ডি ভিলিয়ার্স। অশ্রুসিক্ত নয়নে মাটিতে বসে পড়েন মরনে মরকেল।

এর ঠিক আগের বছর বাংলাদেশের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও বিদায়টা সেমিফাইনল থেকে। আসরের রানার্সআপ ভারতের কাছে সেমির ম্যাচে পরাজিত হতে হয়েছিল ৬ উইকেটের ব্যবধানে।

২০১৭ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সেমিফাইনালে পা রাখতে পারেনি ভিলিয়ার্সের দল। বাদ পড়েছিল গ্রুপ পর্ব থেকেই। ৯ ম্যাচে ৩ জয় নিয়ে ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপে আসর শেষ করেছিল পয়েন্টস টেবিলের সাতে অবস্থান করে।

তবে দারুণভাবে ফিরে আসে ২০২৩ বিশ্বকাপে। ৯ ম্যাচে ৭ জয় নিয়ে জায়গা করে নেয় সেমিফাইনালে। কিন্তু সবচেয়ে বড় যেই নকআউট বাধা, সেটি আর টপকাতে পারেনি। সেমিতে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হার ৩ উইকেটে।

বিরাট আশা নিয়ে ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে পা রেখে এইডেন মার্করামের দল। প্রথমবারের মতো ফাইনালে পা রাখলেও জিততে জিততে হেরে যায় মাত্র ৭ রানের ব্যবধানে। 

তবে সকল আক্ষেপ ঘুচিয়ে ২০২৫ সালে এসে ২৭ বছরের ট্রফিখরা কাটিয়ে স্বপ্নের আইসিসি ট্রফিতে চুমু দিল দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটাররা। চোকার্স তকমাটায় অখুশি ছিলেন প্রোটিয়া ক্রিকেটাররাও। যেটি মুছে ফেলতে তাদের এত এত পরিশ্রম অবশেষে আলোর মুখ দেখেছে। এমন দিনে আনন্দ করতে গিয়ে কেঁদে দেওয়াটাই তো স্বাভাবিক। 

ডান প্রান্তে রাফিনহার জায়গায় খেলতে প্রস্তুত মার্টিনেল্লি

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৩:৩৬ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০৩:৩৬ পিএম
ডান প্রান্তে রাফিনহার জায়গায় খেলতে প্রস্তুত মার্টিনেল্লি
ফরোয়ার্ড গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপে ব্রাজিল জাতীয় দলে রাফিনহার জায়গায় ডান প্রান্তে খেলতে কোচ কার্লো আনচেলত্তির অধীনে নিজের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন ফরোয়ার্ড গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি। নিউ জার্সির 'দ্য রিজ' হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে আর্সেনালের এই তারকা স্বীকার করেন যে, বাম প্রান্তে খেলতেই তিনি বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, তবে প্রয়োজনে ডান প্রান্তেও তিনি সমান পারদর্শী।

২৪ বছর বয়সী এই ফুটবলার বলেন, ‘আমাদের আক্রমণভাগে দারুণ সব মানসম্পন্ন খেলোয়াড় রয়েছে। আমি বাম উইঙ্গে খেলতে পছন্দ করলেও আর্সেনালের হয়ে ডান প্রান্তেও বেশ কিছু ম্যাচ খেলেছি। কোচ আনচেলত্তির অধীনে ফ্রান্সের বিপক্ষে ম্যাচেও আমি কিছুটা সময় ডান দিকে খেলেছিলাম। বাকিটা কোচের সিদ্ধান্তের ওপর ছেড়ে দিচ্ছি। প্রত্যেকেই নিজেকে প্রস্তুত রাখার জন্য কঠোর পরিশ্রম করছে, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তিনিই নেবেন।’

তিনি রসিকতা করে বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে বাম প্রান্ত আমার প্রিয় হলেও আর্সেনালে বেশ কয়েকবার ডান প্রান্তে খেলেছি। সেখানে আমি বেশ স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। কোচ যদি আমাকে রাইট-ব্যাক হিসেবেও খেলাতে চান, আমি বলব তিনি আমাকে সেখানে নামাতে পারেন।’

ব্রাজিলের পরবর্তী ম্যাচ স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে। এই ম্যাচে মার্টিনেল্লিকে মুখোমুখি হতে হবে ইংলিশ ফুটবলের কিছু পরিচিত মুখের, যাদের মধ্যে রয়েছেন লিভারপুলের লেফট-ব্যাক রবার্টসন এবং অ্যাস্টন ভিলার স্ট্রাইকার ম্যাকগিন। ম্যাচটি বেশ কঠিন হবে বলেই পূর্বাভাস দিচ্ছেন এই স্ট্রাইকার।

মার্টিনেল্লির ভাষ্যে, ‘ম্যাচটি অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হতে যাচ্ছে। তাদের দলে ম্যাকগিন ও রবার্টসনের মতো বেশ কয়েকজন বিশ্বমানের খেলোয়াড় আছেন, যাদের বিপক্ষে আমরা প্রিমিয়ার লিগে নিয়মিত খেলি। জয়ের জন্য তারা নিশ্চিতভাবেই তাদের সবটুকু উজাড় করে দেবে। তবে আমরাও দারুণ প্রস্তুতি নিচ্ছি এবং আশা করি জয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে পারব।’

পাপ্পু/রিফাত/

দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচ শেষেই বিদায় নিল ৪ দল

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০২:৫৭ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০৩:২৬ পিএম
দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচ শেষেই বিদায় নিল ৪ দল
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার যৌথ আয়োজনে বসা ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ধাপের ম্যাচগুলো ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। এই আসরে গ্রুপ পর্বের সেরা তৃতীয় স্থান অধিকারী দলগুলোরও পরের রাউন্ডে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে সমীকরণ এত সহজ হওয়ার পরও শেষ ৩২-এর রেস থেকে ইতোমধ্যেই ছিটকে গেছে ৪টি দল। বিদায় নিশ্চিত হওয়া দলগুলো হলো— হাইতি, তুরস্ক, তিউনিসিয়া এবং জর্ডান।

ফিফা এই বিশ্বকাপের জন্য ‘অলিম্পিক টাইব্রেকার’ নিয়ম নির্ধারণ করায় গ্রুপ পর্বের একটি ম্যাচ বাকি থাকতেই এই দলগুলোর বিদায়ঘণ্টা বেজে গেছে।

হাইতি (‘সি’ গ্রুপ)
নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের কাছে ১-০ গোলে হেরেছিল হাইতি। এরপর দ্বিতীয় ম্যাচে ব্রাজিলের কাছে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত হয় তারা। ফলে কোনো পয়েন্ট না পেয়ে ‘সি’ গ্রুপের তলানিতে রয়েছে দলটি। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে হাইতি যদি মরক্কোকে হারিয়েও দেয়, এবং স্কটল্যান্ড যদি ব্রাজিলের কাছে হেরে যায়— তাহলেও হাইতির পয়েন্ট হবে ৩, যা স্কটল্যান্ডের সমান। কিন্তু মুখোমুখি লড়াইয়ের নিয়মে স্কটল্যান্ড এগিয়ে থাকায় হাইতির আর পরের রাউন্ডে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

তুরস্ক (‘ডি’ গ্রুপ)
অলিম্পিক টাইব্রেকারের গ্যাঁড়াকলে পড়ে বিদায় নিয়েছে তুরস্কও। প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ২-০ গোলে হারার পর, দ্বিতীয় ম্যাচে প্যারাগুয়ের কাছে ১-০ ব্যবধানে হেরে বসে তারা। শেষ ম্যাচে তুরস্ক যদি স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়েও দেয়, তাহলেও তাদের পয়েন্ট হবে ৩, যা অস্ট্রেলিয়া বা প্যারাগুয়ের সমান হতে পারে। কিন্তু এই দুই দলেরই মুখোমুখি লড়াইয়ে হেরে যাওয়ায় টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যেতে হচ্ছে তুর্কিদের।

তিউনিসিয়া (‘এফ’ গ্রুপ)
এদিকে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়া অন্য দলটি হলো তিউনিসিয়া। সুইডেনের কাছে ৫-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করার পর বরখাস্ত করা হয় তাদের কোচকে। নতুন কোচ হিসেবে হার্ভে রেনার্ডের অভিষেক হলেও ভাগ্য বদলায়নি দলটির; দ্বিতীয় ম্যাচে জাপানের কাছে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত হয় তারা। তিউনিসিয়া তাদের শেষ ম্যাচ খেলবে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে। সেই ম্যাচে তারা জিতলে এবং জাপান যদি সুইডেনকে হারায়, তবে সুইডেনের সমান পয়েন্ট হবে তিউনিসিয়ার। কিন্তু ইউরোপীয় দলটির কাছে প্রথম ম্যাচে হেরে যাওয়ায় অলিম্পিক টাইব্রেকার নিয়মে কপাল পুড়ছে তিউনিসিয়ারও।

জর্ডান (‘জে’ গ্রুপ)
গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে আলজেরিয়ার কাছে ২-১ গোলে হেরে বিদায় নিশ্চিত হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ জর্ডানেরও। আর্জেন্টিনা ও অস্ট্রিয়ার সঙ্গে একই গ্রুপে থাকা জর্ডান এখনো কোনো পয়েন্ট পায়নি। এই গ্রুপে আলজেরিয়া ও অস্ট্রিয়ার পয়েন্ট ৩ করে, আর টানা দুই জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে রয়েছে আর্জেন্টিনা। জর্ডান যদি তাদের শেষ ম্যাচে লিওনেল স্কালোনির আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে কোনো অলৌকিক জয়ও তুলে নেয়, তাহলেও লাভ হবে না। কারণ ৩ পয়েন্ট নিয়ে তারা অস্ট্রিয়া বা আলজেরিয়াকে ধরলেও, মুখোমুখি লড়াইয়ে এই দুই দলের কাছেই হেরে যাওয়ায় বিদায় নিতে হচ্ছে তাদের।

পাপ্পু/রিফাত/

ফ্রান্সের কাছে হারলেও গর্বিত ইরাকি সমর্থকেরা

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০২:৫৪ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০২:৫৮ পিএম
ফ্রান্সের কাছে হারলেও গর্বিত ইরাকি সমর্থকেরা
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপে সাবেক চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের কাছে ৩-০ গোলে হারলেও নিজেদের দলের পারফরম্যান্স নিয়ে গর্ব ও আনন্দ প্রকাশ করেছেন ইরাকি সমর্থকেরা। চার দশক পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ইরাকের প্রত্যাবর্তনই তাদের কাছে সবচেয়ে বড় অর্জন।

ফিলাডেলফিয়ায় অনুষ্ঠিত ‘আই’ গ্রুপের ম্যাচে শক্তিশালী ফ্রান্সের বিপক্ষে ইরাক পরাজিত হলেও গ্যালারিতে উপস্থিত সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে কোনো ভাটা পড়েনি। ম্যাচ শেষে খেলোয়াড়দের দাঁড়িয়ে অভিবাদন জানান তারা। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ‘ইরাক, ইরাক’ স্লোগানে মুখর ছিল স্টেডিয়াম।

ইরাকি সমর্থক আলী আলকাবাসি বলেন, বিশ্বকাপে ইরাককে খেলতে দেখাই তাদের জন্য বড় আনন্দের বিষয়। তার মতে, ফলাফল প্রত্যাশিত হলেও দল শুধু রক্ষণে সীমাবদ্ধ না থেকে আক্রমণ গড়ে তোলার চেষ্টা করেছে, যা ইতিবাচক দিক।

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী ইরাকি-আমেরিকান হালাহ মেখান বলেন, চার দশক পর বিশ্বকাপে ইরাকের ফেরা যেন স্বপ্নপূরণ। তিনি এটিকে সমগ্র ইরাকি জনগণের জন্য গর্বের মুহূর্ত বলে উল্লেখ করেন। ফলাফল যাই হোক, দলটির পাশে থাকার কথাও জানান তিনি।

ম্যাচে ফ্রান্স শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে। ১৪তম মিনিটে কিলিয়ান এমবাপ্পের গোলে এগিয়ে যায় ফরাসিরা। এরপর আরও দুটি গোল করে জয় নিশ্চিত করে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তবে প্রতিটি গোলের পরও ইরাকি সমর্থকেরা দ্রুত ঘুরে দাঁড়িয়ে দলকে সমর্থন দিতে থাকেন।

টেক্সাসপ্রবাসী সমর্থক মোহাম্মদ আব্দুলজব্বার বলেন, ‘কিছু ভুল থাকলেও দলটি সাহসী ফুটবল খেলেছে এবং শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছে।’

বিশ্বকাপ যাত্রা শুধু ফুটবল নয়, ইরাকিদের জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবেও দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন জাতিগত ও ধর্মীয় পরিচয়ের মানুষ একসঙ্গে দলের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন। সমর্থকদের বিশ্বাস, এই দল দেশের মানুষকে আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ করবে।

পাপ্পু/রিফাত/

আক্রমণের ধারা নষ্ট করতে চান না টুখেল

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০১:৪৩ পিএম
আক্রমণের ধারা নষ্ট করতে চান না টুখেল
টুখেল। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের আক্রমণভাগের ফুটবলারদের স্বাভাবিক ছন্দ ও আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে ভিন্নধর্মী দর্শনের কথা জানিয়েছেন কোচ থমাস টুখেল। 

ঘানার বিপক্ষে ম্যাচের আগে তিনি বলেন, কোচিং স্টাফের প্রধান লক্ষ্য হলো খেলোয়াড়দের খেলায় অযথা হস্তক্ষেপ না করা।

ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়ে এল গ্রুপে দারুণ সূচনা করেছে ইংল্যান্ড। সেই ম্যাচে গোল করেছেন হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহাম, আর বদলি হিসেবে নেমে জালের দেখা পেয়েছেন মার্কাস রাশফোর্ড। এখন ঘানাকে হারাতে পারলেই গ্রুপের শীর্ষস্থান নিশ্চিত হবে থ্রি লায়ন্সদের।

সংবাদ সম্মেলনে টুখেল বিখ্যাত অস্ট্রিয়ান সঙ্গীত পরিচালক হার্বার্ট ফন কারায়ানের একটি উক্তি উল্লেখ করে বলেন, একজন কনডাক্টরের শিল্প হলো কখন ব্যাটন নামিয়ে রাখতে হবে তা জানা, যাতে অর্কেস্ট্রার সুরে ব্যাঘাত না ঘটে। তার মতে, ইংল্যান্ডের কোচিং প্যানেলও খেলোয়াড়দের স্বাভাবিক ছন্দ বজায় রাখার চেষ্টা করছে।

টুখেলের ভাষ্যে, ফুটবলাররা শুরু থেকেই স্বাধীন মানসিকতা নিয়ে দলে এসেছে এবং তাদের সেই আত্মবিশ্বাস ধরে রাখাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। আক্রমণে স্বাধীনতা দেওয়ার পাশাপাশি দলগত রক্ষণেও সবাই ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছে। ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয়ার্ধে ইংল্যান্ডের হাই-প্রেসিংয়ের প্রশংসাও করেন তিনি।

ঘানার বিপক্ষে ম্যাচকে ভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন টুখেল। তার মতে, প্রতিপক্ষের খেলার ধরন আলাদা হওয়ায় পরিস্থিতি অনুযায়ী দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি থাকতে হবে।

এদিকে ইংল্যান্ড শিবিরে স্বস্তির খবর, চোট কাটিয়ে বুকায়ো সাকা পুরোপুরি অনুশীলনে ফিরেছেন। টুখেল জানিয়েছেন, পুরো স্কোয়াডই ফিট রয়েছে এবং সাকা ম্যাচের জন্য প্রস্তুত। তবে তিনি শুরুর একাদশে থাকবেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত করেননি।

পাপ্পু/রিফাত/

মৌলভীবাজারে মধ্যরাতে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের উচ্ছ্বাস

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০১:২৫ পিএম
মৌলভীবাজারে মধ্যরাতে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের উচ্ছ্বাস
মৌলভীবাজারে খেলা শেষে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের উচ্ছ্বাস। ছবি: খবরের কাগজ

মৌলভীবাজারে ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার দাপুটে জয়ের পর মধ্যরাতেই নেমে আসে উৎসবের আমেজ। দলের প্রাণভোমরা লিওনেল মেসির দুর্দান্ত নৈপুণ্যে ২-০ গোলের এই জয়ে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন ফুটবলপ্রেমীরা।
  
মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাত ১টা ১০ মিনিটে শহরের চৌমুহনী চত্বরে জড়ো হতে শুরু করেন আর্জেন্টিনার সমর্থকরা। গাড়ি ও মোটরসাইকেলের হর্ন, ভুভুজেলার তীব্র শব্দ আর উচ্ছ্বাসধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দল বেঁধে আসা সমর্থকদের কারও গায়ে প্রিয় দলের জার্সি, কারও হাতে আর্জেন্টিনার পতাকা। উল্লাসে মেতে ওঠা অনেকেই মোবাইল ফোনে মুহূর্তগুলো ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর আগে টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয় তুলে নিয়ে শক্ত অবস্থান জানান দেয় আর্জেন্টিনা। টানা দুই জয়ে সমর্থকদের প্রত্যাশাও ছুঁয়েছে নতুন উচ্চতা।

সমর্থকরা জানান, দলের প্রতিটি ম্যাচই তাদের কাছে আবেগের বিষয়। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে গোল পাওয়ার মুহূর্তে সেই আবেগ যেন বহুগুণ বেড়ে যায়।

সমর্থক শাহরিয়ার খান বলেন, আর্জেন্টিনা শুধু একটি দল নয়, এটি আমাদের আবেগের জায়গা।

আরেক সমর্থক এম এ হামিদ বলেন, মেসির অসাধারণ পারফরম্যান্সে আমি মুগ্ধ। দলের খেলা দেখে সত্যিই অনেক ভালো লেগেছে। আমরা চাই আর্জেন্টিনা এভাবেই এগিয়ে যাক।

টুর্নামেন্টের শুরুতেই এমন দুর্দান্ত পারফরম্যান্স শিরোপা ধরে রাখার আশা আরও জোরালো করেছে। নিজেদের সেরা খেলাটা ধরে রাখতে পারলে তিন বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের সামনে অপেক্ষা করছে আরও বড় সাফল্য, এমনটাই প্রত্যাশা মৌলভীবাজারের ফুটবলপ্রেমীদের।

পুলক পুরকায়স্থ/অদিতি/