পরাজয়টা এখন নিত্যসঙ্গী ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জয়ের দেখা পাওয়াটা যেন অবাক করার মতো ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে দলটির জন্য। টানা ৯ আন্তর্জাতিক ম্যাচে হারের তিক্ত স্বাদের পর জেসন হোল্ডারের ঝলকে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে জিতেছিল ক্যারিবিয়ানরা। কিন্তু পরের ম্যাচেই আবার হারের ধারায় প্রত্যাবর্তন উইন্ডিজদের।
পাকিস্তানের কাছে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ১৩ রানে হেরে সিরিজ খুইয়েছে শাই হোপের দল। টানা দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজ হার তাদের।
সোমবার (৪ আগস্ট) পাকিস্তানের ১৯০ রানের লক্ষ্যের জবাবে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭৬ রান পর্যন্ত করতে পেরেছে স্বাগতিকরা। ফলে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছে পাকিস্তান।
শুরুতে জয়ের তাড়না নিয়েই খেলতে থাকা উইন্ডিজের উদ্বোধনী জুটি হয় ৪৪ রানের। জুয়েল অ্যান্ড্রুকে ব্যক্তিগত ২৪ রানে ফিরিয়ে সেই জুটি ভাঙেন হাসান আলী। অন্য ওপেনার অলিক অ্যাথানেজ খেলতে থাকেন দায়িত্ব নিয়ে। অধিনায়ক শাই হোপ তিনে নেমে হতাশ করেন। আউট হন ৭ রান করে। ৪০ বলে ৬০ রান করে অ্যাথানেজ ফিরলে ১১০ রানে পতন হয় স্বাগতিকদের ৩ উইকেটের।
শেরফান রাদারফোর্ড জয়ের লক্ষ্যে ছুটতে থাকলেও ১২ বলে ১৫ রান করা রস্টন চেজ পারছিলেন না কাঙ্ক্ষিত ব্যাটিংটা করতে। পরে তিনি রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন দলের স্বার্থ বিবেচনায়। তাতে অবশ্য শেষ পর্যন্ত আর কোনো লাভ হয়নি। আগের ম্যাচের নায়ক জেসন হোল্ডার এই ম্যাচে রানের খাতাই খুলতে পারেননি। চেজের দ্বারা অপচয় হওয়া বলগুলোই কাল হয়ে দাঁড়ায়। রাদারফোর্ড আউট হওয়ার আগে করেন ৩৫ বলে ৫১ রান। শেষ ২৪ বলে ৪৯ রান দরকার ছিল স্বাগতিকদের। কিন্তু সেটি নিতে পারেনি দলটি। ২০ ওভার শেষে ৬ উইকেটে ১৭৬ রান পর্যন্ত করার পরও কমতি থাকে ১৩ রান। সেটিই সিরিজ নির্ধারিত ম্যাচে পরাজয়ের ব্যবধান। পাকিস্তানের হয়ে ফাহিম আশরাফ ছাড়া সবাই পেয়েছেন ১টি করে উইকেট।
এর আগে, টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ১৩৮ রানের বিশাল উদ্বোধনী জুটি গড়েন শাহিবজাদা ফারহান ও সাইম আইয়ুব। ফারহান ৭৬ ও সাইম করেন ৬৬ রান। বাকি ব্যাটাররা কেউ ২০ এর কোটা ছুঁতে না পারলেও খেলেন কিছু ক্যামিও ইনিংস। হাসান নওয়াজ ৭ বলে ১৫, খুশদিল শাহ ৬ বলে ১১ ও ৩ বলে ১০ রান করেন ফাহিম আশরাফ।
নিলয়/