১৭ ওভার শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোর্ডে রান ছিল ৩ উইকেট হারিয়ে ১১৪। তাতে মনে হচ্ছিল ১৫০ এর আশেপাশে সংগ্রহ দাঁড় করাবে। কিন্তু শেষ ৩ ওভারে ৫১ রান নিয়ে ১৬৫ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে উইন্ডিজ।
শেষ ওভারে বোলিং করতে আসা তানজিম হাসান সাকিবের ওপর চড়াও হন উইন্ডিজ ব্যাটার রভম্যান পাওয়েল। টানা ৩ বলে ৩ ছক্কা হাঁকিয়ে ওই ওভারে ২২ রানের ২০ রানই নেন তিনি।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) টস হেরে ফিল্ডিংয়ে নামে বাংলাদেশ দল। শুরুতে অবশ্য তেমনকোনো চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়নি স্বাগতিক বোলারদের। পাওয়ারপ্লেতে কোনো উইকেট না হারালেও বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ৩৬ রান সংগ্রহ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
৫৯ রানে অ্যালিক অ্যাথানেজকে ফিরিয়ে প্রথম উইকেট তুলে নেন রিশাদ হোসেন। ২৭ বলে ৩৪ রান করে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে ব্যাট ও গ্লাভস হয়ে বল গিয়ে আঘাত হানে স্টাম্পে।
আক্রমণে ফিরে তাসকিন পরপর দুই বলে দুই উইকেট নিয়ে সাজঘরে ফেরান ব্র্যান্ডন কিং (৩৩) ও শেরফান রাদারফোর্ডকে (০)। তাসকিনের স্লোয়ারে বিভ্রান্ত হয়ে বড় তানজিম হাসান সাকিবের হাতে ক্যাচ দেন কিং। পরের বলে উইকেটে আসা রাদারফোর্ড রানের খাতা না খুলেই ক্যাচ দেন উইকেটের পেছনে লিটনের গ্লাভসে। ৮২ রানে দ্বিতীয় ও তৃতীয় উইকেট হারায় সফরকারীরা। সম্ভাবনা জাগালেও হ্যাটট্রিক করতে পারেননি তাসকিন।
এরপর কিছুটা হাত খুলে খেলতে থাকেন অধিনায়ক শাই হোপ। পরের ওভারে রিশাদকে টানা দুই ছক্কা মারেন। নিজের শেষ ওভারে তাসকিন খরচ করেন ১৫ রান। তাকে ছক্কা মারেন হোপ ও চার মারেন পাওয়েল।
১৯ ওভারের শেষ বলে মোস্তাফিজুর রহমানকে ছক্কা মেরে হাত খোলা শুরু করেন শততম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে নামা পাওয়েল। শেষ ওভারে তানজিমকে ৩ ছক্কা মেরে দলকে ১৬৫ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহে পোঁছে দেন তিনি।
পাওয়েল ৪৪ ও হোপ ৪৬ রান করে অপরাজিত ছিলেন ম্যাচে। বাংলাদেশের হয়ে দুটি উইকেট শিকার করেন তাসকিন ও ১টি উইকেট পান রিশাদ।
নিলয়/