ঢাকা ১০ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
২৪ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি মেক্সিকোর চোখ গ্রুপসেরায়, দ.কোরিয়ার সামনে নকআউট নিশ্চিতের সুযোগ অপেক্ষা ফুরাচ্ছে ওচোয়ার! ইংল্যান্ডকে জিততে দিল না ঘানা মায়ের মৃত্যুতে দেশে ফিরে গেলেন ফ্রান্সের কোচ অতঃপর দেম্বেলে… প্রথমার্ধে ইংল্যান্ডকে রুখে দিল ঘানা বিশ্বকাপে ইরানের সফর নীতি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলের ক্যানভাসে চিরযৌবন নেইমারে ভয় নেই স্কটল্যান্ডের মাঠে হেঁটেই সফল মেসি রোনালদোর রেকর্ডের রাতে পর্তুগালের গোল উৎসব ৪১ বছরেও থামেননি রোনালদো, ভাঙলেন মেসির রেকর্ড পর্তুগিজ কিংবদন্তিতে ছাড়িয়ে শীর্ষে রোনালদো রোনালদোর বিশ্বরেকর্ড, প্রথমার্ধে উজবেকিস্তানের জালে ৩ গোল পর্তুগালের গোল করেই ইতিহাস গড়লেন রোনালদো ফ্রান্স ম্যাচ নিয়ে ভাবছেন না হালান্ড তৃণমূল থেকে ফিরহাদ-অরূপসহ ৮ নেতা বহিষ্কার উপদেষ্টা জাহেদের ফেরা ছিল তার নিজের সিদ্ধান্ত: জয়সওয়াল কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় সিএফমোটো বাংলাদেশের নতুন শোরুম উদ্বোধন পর্তুগালের একাদশে ২ পরিবর্তন ব্লিং লেদার প্রোডাক্টস লিমিটেড ঘুরে দেখলেন রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি বিস্ফোরক সংকটে বন্ধ মধ্যপাড়া পাথরখনির উত্তোলন কার্যক্রম জলবায়ু অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর হরমুজ প্রণালিতে রেকর্ড তেল রপ্তানির তথ্য দিলেন ট্রাম্প কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণবিরোধী মানববন্ধন আলোচিত কৃষক কবির হোসেন আর নেই ‘জুয়া প্রতিরোধ বিল, ২০২৬’ সংসদে উত্থাপন আদব মানুষকে সম্মানিত করে, আদবহীনতা মর্যাদা নষ্ট করে: ছারছীনার পীর ছাহেব কারা পাবেন হেদায়েতের এই পরম নিয়ামত?

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ এহসান মানি বললেন, ‘সংলাপ ছাড়া সংকটের সমাধান নেই’

প্রকাশ: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:২৬ পিএম
এহসান মানি বললেন, ‘সংলাপ ছাড়া সংকটের সমাধান নেই’
ছবি: সংগৃহীত

ক্রিকেট যখন দুই দেশের মানুষের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে তোলে, তখন রাজনীতি সেখানে বাধা হয়ে দাঁড়ালে ক্ষতিটা হয় পুরো খেলাটিরই- এমনটাই মনে করেন এহসান মানি। আইসিসির সাবেক সভাপতি ও পিসিবির সাবেক চেয়ারম্যান সম্প্রতি দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে চলমান সংকট নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন এভাবেই। একইসঙ্গে ক্রিকেট প্রশাসনের পুরোনো দর্শনের কথা নতুন করে সামনে আনেন তিনি। মানির মতে, একসময় ক্রিকেট পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল খেলাটির স্বার্থ, রাজনীতি নয়। তিনি স্মরণ করেন জগমোহন ডালমিয়া, মাধবরাও সিন্ধিয়া ও ইন্দরজিৎ সিং বিন্দ্রার মতো প্রশাসকদের সময়ের কথা, যখন সিদ্ধান্ত নেওয়া হতো একটাই প্রশ্ন মাথায় রেখে: ক্রিকেটের জন্য কী ভালো? সাক্ষাৎকারটির চুম্বক অংশ তুলে ধরা হলো খবরের কাগজের পাঠকদের জন্য-

আপনি কি মনে করেন, বিষয়টি এখনও সমাধান করা সম্ভব? ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ কি হওয়া উচিত বা হতে পারে?

ব্যক্তিগতভাবে আমি ক্রিকেটে রাজনীতি ঢোকার বিপক্ষে। জগমোহন ডালমিয়া কিংবা তার আগেও মাধবরাও সিন্ধিয়া বা ইন্দরজিৎ সিং বিন্দ্রার সময় ক্রিকেটে রাজনীতির প্রশ্নই ছিল না। তখন একটাই বিষয় গুরুত্বপূর্ণ ছিল- ক্রিকেটের জন্য যা ভালো, সেটাই সবার জন্য ভালো। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে ভারত ও পাকিস্তান যদি বিশ্বকাপে একে অপরের বিপক্ষে না খেলে, তা ক্রিকেটের জন্য মোটেও ভালো নয়।

সংকট সমাধানে আপনি কী করতেন?

আইসিসি চেয়ারম্যান হিসেবে আমি সবসময় অন্য বোর্ডের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতাম, অন্য কারও সঙ্গে নয়। খোলাখুলি আলোচনা করলে সমস্যা বিশ্লেষণ করা যায় এবং সমাধানের পথ বের করা যায়। আইসিসিতে কিংবা পিসিবির চেয়ারম্যান হিসেবে আমার সময়েও ভারতের সঙ্গে বা অন্য কোনো দেশের সঙ্গে আমার কখনও সমস্যা হয়নি, কারণ সমস্যা থাকলে সদস্যদের সর্বোত্তম স্বার্থে কাজ করাই ছিল আমার দায়িত্ব।

আপনি যদি ক্ষমতায় থাকতেন, তাহলে কী করতেন?

আইসিসি চেয়ারম্যান হিসেবে আমি অবশ্যই সমাধানের চেষ্টা করতাম। কোনো সদস্যকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দিতে কেউ চাইতাম না। পিসিবি একটি অবস্থান নিয়েছে। আমি চাইতাম তারা অবস্থান না নিয়ে আলোচনায় বসুক। মানুষকে কথা বলতে হয়, হুমকি দিতে বা পদক্ষেপ নিতে নয়। তবে এটি দুই পক্ষ থেকেই হওয়া উচিত ছিল।

সত্যি বলতে, যখন জয় শাহ ও আইসিসি এই সিদ্ধান্ত (বাংলাদেশকে বাদ দেওয়া) নেয়, তখন পাকিস্তান ছাড়া সবাই একমত ছিল। বোর্ডের সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া উচিত। কিন্তু পিসিবি মনে করেছে এটি অন্যায় বা রাজনৈতিক। তখনই বিষয়টি থামিয়ে দেওয়া উচিত ছিল এবং জয় শাহ ও মহসিন নকভির কথা বলা উচিত ছিল। আমার মনে হয়, পিসিবি হতাশা থেকেই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে, কারণ তাদের উপেক্ষা করা হচ্ছিল।

শ্রীলঙ্কা যে পিসিবিকে বয়কট না করার অনুরোধ জানিয়েছে, সে বিষয়ে আপনার মত কী?

শ্রীলঙ্কা বিসিসিআই যা বলবে, সেটাই করবে। এটাই আজকের ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতা। পিসিবির সঙ্গে কথা বলা উচিত ছিল আইসিসি চেয়ারম্যানের। আমার সময়েও অনেক সমস্যা ছিল, ডালমিয়ার সময়েও ছিল। যেমন, রবার্ট মুগাবে শ্বেতাঙ্গ কৃষকদের জমি দখল করায় ইংল্যান্ড ও জিম্বাবুয়ের মধ্যে সমস্যা হয়েছিল। আমি বলেছিলাম, বড় বিষয়টি দেখুন। আমরা ক্রিকেটকে এগিয়ে নিতে ও রক্ষা করতে এসেছি। আপনি এতে রাজনীতি ঢোকাচ্ছেন। যদি এটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত হয়, তাহলে সরকারের স্পষ্ট সিদ্ধান্ত দরকার। ভিসা না দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।

তারা বার্তা বুঝেছিল এবং পিছু হটেছিল। ইংল্যান্ড দল খুব অনিচ্ছাসত্ত্বেও জিম্বাবুয়ে গেলে আমি তাদের সঙ্গে গিয়েছিলাম দেখানোর জন্য যে তারা নিরাপদ। আইসিসি পুরো দায়িত্ব নিচ্ছে। এ ধরনের ছোট ছোট উদ্যোগ বড় বার্তা দেয়। পিসিবি ও আইসিসির চেয়ারম্যানরা একে অপরের সঙ্গে কথা বলছেন না- জগমোহনের সময়ে এমন পরিস্থিতি কল্পনাও করা যেত না। তিনি সমাধান খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে অসাধারণ ছিলেন।

আপনার কি এখনও আশা আছে যে ম্যাচটি হতে পারে?

সম্মানের সঙ্গে বলছি, বিষয়টি আবার বাংলাদেশের ইস্যুতেই ফিরে আসে, কারণ আইসিসি তাদের টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দিয়েছে এবং পিসিবি সঙ্গে সঙ্গে অসন্তোষ জানিয়েছে। তখন আইসিসির উচিত ছিল পিসিবির সঙ্গে যোগাযোগ করা।

কারগিলের সময় (১৯৯৯) পাকিস্তান-ভারত ক্রিকেট সাত বছরের বেশি সময় বন্ধ ছিল। আমি ভারতে গিয়েছিলাম। পি চিদাম্বরম, যশবন্ত সিং সহ অন্যদের সঙ্গে বিসিসিআইয়ের সহায়তায় দেখা করি। ভারতের সরকার ন্যায্যভাবে বলেছিল, এক বছর সময় দিতে। এরপর ২০০৪ সালে ভারত পাকিস্তান সফর করে, যা ছিল বিশাল সফল। পরে পাকিস্তানও ভারতে যায়। তাই মানুষে-মানুষে যোগাযোগই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এটা আমি ডালমিয়ার কাছ থেকে শিখেছি।

মহসিন নকভি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও। এটি কি তার জন্য কঠিন অবস্থান?

রাজনীতিবিদদের নিজেদের মন সম্পর্কে স্পষ্ট হওয়া উচিত। শরদ পাওয়ার ভারতের একজন শক্তিশালী রাজনৈতিক নেতা ছিলেন। সিন্ধিয়াও সরকারের অংশ ছিলেন। তখন এমন সমস্যা ছিল না। তাই আমার মনে হয়, এই ক্ষেত্রে আইসিসির উচিত ছিল সঙ্গে সঙ্গে পিসিবির সঙ্গে কথা বলা। পিসিবি অসন্তোষ প্রকাশ করলে তারা উপেক্ষিত হয়েছিল। তারা প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, যা ভুল। আমার মনে হয়, পিসিবিরই আইসিসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত ছিল।

আমাদের হাতে এখনও সময় আছে। সবকিছু কি ঠিক করা সম্ভব?

কিছুই অসম্ভব নয়। তবে আলোচনা সঠিক পর্যায়ে হতে হবে। কে কার সঙ্গে কথা বলছে, আমি জানি না। কিন্তু চেয়ারম্যান থেকে চেয়ারম্যানের মধ্যে আলোচনা হওয়া উচিত।

বাণিজ্যিক মূল্য বেশি বলেই কি পাকিস্তান শুধু এই একটি ম্যাচ বয়কট করছে, অথচ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ বা থাইল্যান্ডে নারী ম্যাচে ভারতের সঙ্গে খেলছে?

এটি পারস্পরিক সম্মানের অভাবে নেমে আসে। কে ঠিক, কে ভুল- আমি তা বলছি না। তবে সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি ঘটনার কারণে পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে। ভারতীয় খেলোয়াড়দের পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের সঙ্গে হাত মেলাতে অস্বীকৃতি, পিসিবি চেয়ারম্যানের কাছ থেকে ট্রফি নিতে ভারতীয় দলের অস্বীকৃতি। এসব ব্যক্তিগত পর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের ওপর প্রভাব ফেলে। আইসিসি হস্তক্ষেপ করেনি। ক্রিকেটে ‘স্পিরিট অব ক্রিকেট’ বলে একটি বিষয় আছে। দুই পক্ষ থেকেই রাজনীতি ক্রিকেটে ঢুকেছে, যা ক্রিকেটের ক্ষতি করছে।

এক বছর আগে আমি ইসিবির সঙ্গে আইসিসির শাসনব্যবস্থা সংস্কার নিয়ে কথা বলেছিলাম, কারণ বোর্ডে কোনো স্বাধীন পরিচালক নেই, সবাই নিজ নিজ বোর্ডের প্রতিনিধি। আমি একই সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিলাম। তারা বলেছিল, হ্যাঁ, আমাদের এটি ঠিক করতে হবে। এরপর আর যোগাযোগ করেননি। স্পষ্টতই আইসিসির ভেতরে প্রতিরোধ ছিল। সমস্যা লুকিয়ে রাখা যায়, কিন্তু মৌলিকভাবে সমাধান না করলে তা বারবার ফিরে আসবে।

পাকিস্তান যদি বেছে বেছে শুধু এই একটি ম্যাচ না খেলে, আইনি দিক থেকে কী হতে পারে?

একমাত্র ক্ষতিগ্রস্ত হবে খেলাটাই। পাকিস্তান বলবে ফোর্স মাজিউর- যেমন ভারত পাকিস্তানে খেলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। তারা বলবে, সরকারের নির্দেশ, আমরা তার বিরুদ্ধে যেতে পারি না। ভারতও একই কথা বলবে। আইনজীবীরা একে অপরের যুক্তিতে ফাঁক খুঁজবে। এতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও কঠিন হয়ে যাবে, আর ক্ষতিটা হবে ক্রিকেটেরই।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী যা বলেছেন, তার পরেও কি ইউ-টার্ন সম্ভব?

সত্যি বলতে, আমি খুব বেশি আশা রাখি না, যদি না আলোচনা সর্বোচ্চ পর্যায়ে হয়। আমি চাইতাম জয় শাহ নিজে পাকিস্তানে গিয়ে বিষয়টি মেটানোর উদ্যোগ নিতেন। আমি নিজেও ভারতে গিয়ে প্রাসঙ্গিক মন্ত্রীদের সঙ্গে দেখা করেছি। তখন ক্রীড়ামন্ত্রী সুনীল দত্তের সঙ্গে দেখা করা ছিল সত্যিই আনন্দের। তাই যদি উভয় পক্ষের সদিচ্ছা থাকে, তারা সমাধান খুঁজে পাবে। শুধু দূত পাঠালে বার্তা আদান-প্রদানই হবে। তাই চেয়ারম্যানদের সরাসরি বৈঠক করা উচিত।

অনিক/

ইংল্যান্ডকে জিততে দিল না ঘানা

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৬, ০৪:১২ এএম
আপডেট: ২৪ জুন ২০২৬, ০৪:২৫ এএম
ইংল্যান্ডকে জিততে দিল না ঘানা
ছবি: সংগৃহীত

হতাশাময় এক ম্যাচ কাটাল ইংল্যান্ড। গ্রুপ পর্বের গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে ঘানার বিপক্ষে জয় তুলে নিতে ব্যর্থ হয়েছে টমাস টুখেলের শিষ্যরা। শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য ড্রয়ে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই মাঠ ছাড়তে হয়েছে থ্রি লায়ন্সদের।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) বাংলাদেশ সময় রাতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ঘানার সংগঠিত রক্ষণভাগের সামনে বারবার আটকে যায় ইংল্যান্ডের আক্রমণ। পুরো ম্যাচজুড়ে শৃঙ্খলাবদ্ধ ও আত্মত্যাগী ফুটবল উপহার দেয় আফ্রিকান দলটি।

এই ড্র ঘানার জন্য যেন জয়ের সমান। ব্ল্যাক স্টারসদের রক্ষণভাগ এতটাই দৃঢ় ছিল যে, ইংল্যান্ডের তারকাবহুল আক্রমণও তাদের ভাঙতে পারেনি। ফলে মূল্যবান এক পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়ে ঘানা।

ম্যাচের শেষ দিকে আক্রমণের গতি বাড়ায় ইংল্যান্ড। একের পর এক সুযোগও তৈরি করে তারা। তবে ভাগ্য এবং ঘানার গোলরক্ষক বেঞ্জামিন আসারে তাদের সামনে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান।

শেষ মুহূর্তে বুকায়ো সাকার জোরালো শট দুর্দান্ত দক্ষতায় রুখে দেন আসারে। এরপর লিয়াম ও’রাইলির হেড ক্রসবারের নিচে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বলে হ্যারি কেইনের নেওয়া শট উড়ে যায় বারের ওপর দিয়ে। আর যোগ করা সময়ের শেষ দিকে মার্ক গেহির লুপিং হেডও গোললাইন থেকে ক্লিয়ার করে বিপদমুক্ত করে ঘানার রক্ষণভাগ।

তবে ড্রয়ের পরও গ্রুপ ‘এল’-এর শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে ইংল্যান্ড। দুই ম্যাচে তাদের পয়েন্ট চার। সমান ম্যাচে সমান পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে অবস্থান করছে ঘানা। অন্যদিকে পয়েন্টশূন্য পানামা তিনে ও ক্রোয়েশিয়া আছে টেবিলের তলানিতে। তারা অবশ্য এক ম্যাচ করে কম খেলেছে।

সালমান/

মায়ের মৃত্যুতে দেশে ফিরে গেলেন ফ্রান্সের কোচ

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৬, ০৩:৫৯ এএম
মায়ের মৃত্যুতে দেশে ফিরে গেলেন ফ্রান্সের কোচ
দিদিয়ের দেশম। ছবি: সংগৃহীত

ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশমের মা মারা গেছেন। মায়ের মৃত্যুতে বিশ্বকাপ ছেড়ে দেশে ফিরে গেলেন তিনি। ফলে নরওয়ের বিপক্ষে ফ্রান্সের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ডাগআউটে দেখা যাবে না ৫৭ বছর বয়সী এই কোচকে। 

মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ফরাসি ফুটবল ফেডারেশন (এফএফএফ)।

মঙ্গলবার সকালে মায়ের মৃত্যুর খবর পান দিদিয়ের দেশম। এরপর এফএফএফ সভাপতি ফিলিপ দিয়ালিও তাকে শেষকৃত্যে অংশ নেওয়ার জন্য দেশে ফেরার অনুমতি দেন।

এক বিবৃতিতে ফেডারেশন জানায়, ‘অত্যন্ত বেদনাদায়ক এই সময়ে আমরা প্রধান কোচের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। তাকে শক্ত থাকার আহ্বান জানাই এবং পুরো ফুটবল পরিবারের সমর্থন তার সঙ্গে রয়েছে।’

ফলে নরওয়ের বিপক্ষে ফ্রান্সের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে দলের সঙ্গে থাকবেন না দেশম। শুক্রবার (২৬ জুন) বোস্টনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই ম্যাচে গ্রুপ ‘আই’-এর শীর্ষস্থান নির্ধারিত হবে।

এফএফএফ জানিয়েছে, দেশমের অনুপস্থিতিতে সহকারী কোচ গাই স্টেফেন দলের দায়িত্ব পালন করবেন। দেশম ফিরে না আসা পর্যন্ত তিনিই দলের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

দেশমের অধীনে ২০১৮ সালে রাশিয়া বিশ্বকাপে শিরোপা জেতে ফ্রান্স। এ ছাড়া ২০২২ কাতার বিশ্বকাপেও দলকে ফাইনালে তুলেছিলেন তিনি, যদিও টাইব্রেকারে আর্জেন্টিনার কাছে হেরে রানার্সআপ হতে হয় ফরাসিদের।

চলতি বিশ্বকাপে দুর্দান্ত শুরু করেছে ফ্রান্স। প্রথম দুই ম্যাচে সেনেগালকে ৩-১ এবং ইরাককে ৩-০ গোলে হারিয়ে ইতোমধ্যে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে তারা। 

সালমান/

অতঃপর দেম্বেলে…

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৬, ০৩:৪০ এএম
অতঃপর দেম্বেলে…
উসমান দেম্বেলে। ছবি: সংগৃহীত

উসমান দেম্বেলের বুক থেকে নিশ্চয়ই বড় এক পাথর সরে গেল! ব্যালন ডি’অর জয়ী তারকার ক্যাবিনেটে কি নেই? বিশ্বকাপ জিতেছেন, ক্লাব ফুটবলে সব বড় ট্রফিরই দেখা পেয়েছেন। এর পরও একটা না পারার হাহাকার তার মনে ছিলই। বিশ্বকাপের মঞ্চে যে একটা গোল ছিল না তার। অবশেষে এই না পারার দুঃখ মোচন হয়েছে পিএসজি ফরোয়ার্ডের। সোমবার রাতে ইরাকের বিপক্ষে ফ্রান্সের ৩-০ গোলের জয়ে জালের দেখা পেয়েছেন ২৯ বছর বয়সী তারকা।

নিজের ১৩তম বিশ্বকাপ ম্যাচে এসে গোলের দেখা পেলেন দেম্বেলে। এই যে এতদিন গোল করতে পারেননি, এ নিয়ে কানাঘোষা কম হয়নি। পিএসজির হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ২০২৫ সালে ব্যালন ডি’অর ও ‘ফিফা দি বেস্ট’ পুরস্কার জিতে নেন তিনি। এর পরও সমালোচকরা প্রশ্ন তুলছিলেন- ফ্রান্সের এই দলে দেম্বেলে আদৌ নিজেকে মানিয়ে নিতে পেরেছেন কি না? বিশেষ করে সেনেগালের বিপক্ষে ফ্রান্সের প্রথম ম্যাচের পর। ৩-১-এ জয়ী ম্যাচটিতে দেম্বেলেকে একপর্যায়ে বদলিও করেন ফ্রান্স কোচ দিদিয়ের দেশম। সেটা দেখে অনেকে এও বলছিলেন, দেম্বেলে বুঝি দেশমের কৌশলের সঙ্গে ঠিক খাপ খাওয়াতে পারছেন না। 

অবশ্য ইরাক ম্যাচের আগে অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে এসব সমালোচনার জবাব দেন। দেম্বেলের পাশে দাঁড়িয়ে বলেন, ‘উসমান ব্যালন ডি’অর জয়ী। দলের সবাই তার পাশে আছে এবং তাকে বিশ্বাস করে। সে দলের অপরিহার্য একজন। সে অনেক বছর ধরে খেলছে এবং ফ্রান্স দল কীভাবে খেলে সে ভালো করেই জানে।’

এমবাপ্পে সেনেগাল ম্যাচের পর ইরাকের বিপক্ষেও জোড়া গোল পেয়েছেন। যার একটি তিনি করেছেন দেম্বেলের এসিস্ট থেকেই। সতীর্থকে দিয়ে গোল করার পর নিজেও জাল খুঁজে নিয়ে দীর্ঘ এক অপেক্ষার ইতি টানেন তিনি। বিশ্বকাপ ও ইউরো মিলিয়ে নিজের ২০তম ম্যাচে এসে মেজর টুর্নামেন্টে গোল। বলতেই হয়, বুক থেকে বড় পাথরটা সরাতে পরেছেন দেম্বেলে।

এই দেম্বেলেকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত ফরাসি কোচ দিদিয়ের দেশমও। শিষ্যকে ঘিরে তৈরি হওয়া সমালোচনার প্রসঙ্গ টেনে বলেছেন, ‘উসমানের প্রতি একটু সদয় হোন। তাকে নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। এখানে এসে তাকে সেই পদ্ধতির সঙ্গে আবার মানিয়ে নিতে হচ্ছে, যেটায় সে সারা বছর খেলে না।’ 

অধিনায়ক ও কোচ দুই ভূমিকাতেই বিশ্বকাপ জেতা এই কিংবদন্তি আরও বলেন, ‘উসমানের ওপর আমার পূর্ণ আস্থা আছে। সে নিজেও সেটা জানে। সে এমন কেউ নয়, যে নিজেকে নিয়ে সংশয়ে ভুগবে। আজ সে যা করেছে, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সে ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেওয়ার মতো একজন খেলোয়াড়।’

অপেক্ষা ফুরাচ্ছে ওচোয়ার!

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৬, ০৫:০০ এএম
অপেক্ষা ফুরাচ্ছে ওচোয়ার!
গিয়ের্মো ওচোয়া। ছবি: সংগৃহীত

অবশেষে অপেক্ষার অবসান হতে চলেছে মেক্সিকোর কিংবদন্তি গোলরক্ষক গিয়ের্মো ওচোয়ার। চেকিয়ার বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক মেক্সিকোর শুরুর একাদশে দেখা যেতে পারে অভিজ্ঞ এই গোলরক্ষককে। ইএসপিএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোচ হাভিয়ের আগিরে এই ম্যাচে ওচোয়াকে শুরু থেকেই খেলানোর পরিকল্পনা করছেন।

বিশ্ব ফুটবলের দুই মহাতারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও লিওনেল মেসির মতো ওচোয়াও আছেন ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপ স্কোয়াডে। তবে পার্থক্য হলো; এবার মাঠে নামলে সেটি হবে তার মাত্র চতুর্থ বিশ্বকাপ।

২০০৬ ও ২০১০ বিশ্বকাপে পুরো সময় বেঞ্চেই কাটাতে হয়েছিল তাকে। এরপর ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২; টানা তিন আসরে গোলপোস্টের নিচে ছিলেন মেক্সিকোর অন্যতম নির্ভরতার প্রতীক। বিশেষ করে বড় ম্যাচে তার একের পর এক স্মরণীয় সেভ বিশ্বকাপ ইতিহাসে আলাদা জায়গা করে দিয়েছে।

এবারের বিশ্বকাপে ইতোমধ্যেই নিজেদের গ্রুপসেরা নিশ্চিত করেছে মেক্সিকো। ‘এ’ গ্রুপ থেকে শেষ ৩২-এ জায়গা নিশ্চিত করে ফেলা দলটি গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকালে চেকিয়ার বিপক্ষে।

ম্যাচটি হবে মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক এস্তাদিও আসতেকায়। যে মাঠ ওচোয়ার কাছে শুধুই একটি স্টেডিয়াম নয় বরং নিজের ফুটবল জীবনের সবচেয়ে পরিচিত ঠিকানা। মেক্সিকোর শীর্ষ লিগ লিগা এমএক্সের ক্লাব আমেরিকায় ক্যারিয়ারের বড় সময় কাটিয়েছেন তিনি। তাই বিশ্বকাপের সম্ভাব্য শেষ অধ্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলতে পারেন নিজের সবচেয়ে পরিচিত মঞ্চেই।

আগামী মাসে ৪১ বছরে পা দিতে যাওয়া ওচোয়ার জন্য এটি হতে পারে বিশ্বকাপে দ্বাদশ ম্যাচ এবং জাতীয় দলের জার্সিতে ১৫৩তম উপস্থিতি। বিশ্বকাপ শুরুর আগেই তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন; এই আসর শেষেই জাতীয় দলকে বিদায় জানাবেন। এমনকি পেশাদার ফুটবল থেকেও সরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

মেক্সিকো ও পুরো কনক্যাকাফ অঞ্চলের অন্যতম সফল গোলরক্ষক হিসেবে ধরা হয় ওচোয়াকে। তার নেতৃত্বে তিনবার কনক্যাকাফ গোল্ড কাপ জিতেছে মেক্সিকো; ২০১৫, ২০১৯ ও ২০২৩ সালে। এই টুর্নামেন্টে তার খেলা ১৭ ম্যাচের মধ্যে মেক্সিকো জিতেছে ১৪টি, ড্র করেছে দুটি এবং হেরেছে মাত্র একবার।

মেক্সিকোর চোখ গ্রুপসেরায়, দ.কোরিয়ার সামনে নকআউট নিশ্চিতের সুযোগ

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৬, ০৬:০০ এএম
মেক্সিকোর চোখ গ্রুপসেরায়, দ.কোরিয়ার সামনে নকআউট নিশ্চিতের সুযোগ
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘এ’-তে শেষ রাউন্ডের ম্যাচগুলোই ঠিক করে দেবে বাকি সমীকরণ। স্বাগতিক মেক্সিকো টানা দুই জয়ে ইতোমধ্যে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে। ৬ পয়েন্ট নিয়ে তারা আছে শীর্ষে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা দক্ষিণ কোরিয়ার সংগ্রহ ৩ পয়েন্ট। অন্যদিকে ১ পয়েন্ট করে নিয়ে এখনো আশা বাঁচিয়ে রেখেছে চেক প্রজাতন্ত্র ও দক্ষিণ আফ্রিকা। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল ৮টায় একসঙ্গে মাঠে নামবে চার দল। মেক্সিকোর প্রতিপক্ষ চেক প্রজাতন্ত্র, আর দক্ষিণ আফ্রিকা খেলবে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে। দুই ম্যাচের ফলেই চূড়ান্ত হবে গ্রুপের শেষ চিত্র।

মেক্সিকো ইতোমধ্যেই শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করেছে। তবে নিজেদের দর্শকদের সামনে শতভাগ সাফল্য ধরে রেখে গ্রুপসেরা হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে নামবে হাভিয়ের আগিরের দল। দুই ম্যাচে ৬ পয়েন্টের পাশাপাশি এখন পর্যন্ত কোনো গোলও হজম করেনি স্বাগতিকরা। দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২-০ ও দক্ষিণ কোরিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে আছে তারা।

অন্যদিকে চেক প্রজাতন্ত্রের সামনে সমীকরণ একটাই; জিততেই হবে। প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ২-১ গোলে হারের পর দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে ১-১ ড্র করেছে তারা। ফলে দুই ম্যাচ শেষে মাত্র ১ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে।

চেকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে ভারসাম্য রাখা। জয়ের জন্য আক্রমণে উঠতে হবে, কিন্তু তাতে পেছনে ফাঁকা জায়গা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি থাকবে। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেন মেক্সিকোর আক্রমণভাগের রাউল হিমেনেজ ও সান্তিয়াগো গিমেনেজ।

দুই দলের ইতিহাসও খুব সমৃদ্ধ নয়। এর আগে মোট তিনবার মুখোমুখি হয়েছে তারা। বিশ্বকাপে চেক প্রজাতন্ত্র নামে এটিই হবে প্রথম দেখা। সর্বশেষ ২০০০ সালে লুনার নিউ ইয়ার কাপে ২-১ গোলে জিতেছিল চেকরা। এর আগে ১৯৬২ বিশ্বকাপে চেকোস্লোভাকিয়ার কাছে ৩-১ গোলে হেরেছিল মেক্সিকো এবং ১৯৬১ সালের প্রীতি ম্যাচে জিতেছিল চেকোস্লোভাকিয়া।

দলীয় খবরেও বড় কোনো উদ্বেগ নেই। চেকদের আক্রমণে থাকবেন পাত্রিক শিক, মাঝমাঠে টমাস সউচেক। আর মেক্সিকোর হয়ে অভিজ্ঞ গোলরক্ষক গিয়ের্মো ওচোয়া, অধিনায়ক এডসন আলভারেজ এবং আক্রমণে রাউল হিমেনেজ-সান্তিয়াগো গিমেনেজ জুটি হতে পারে মূল ভরসা।

কোরিয়া-আফ্রিকার লড়াই 
গ্রুপের অন্য ম্যাচটি কার্যত বাঁচা-মরার লড়াই। দুই ম্যাচে মাত্র ১ পয়েন্ট নিয়ে তলানিতে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে একটাই পথ; জয়। ড্র করলে প্রায় নিশ্চিতভাবেই শেষ হয়ে যাবে তাদের বিশ্বকাপ অভিযান।

দক্ষিণ কোরিয়ার অবস্থান তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক। প্রথম ম্যাচে চেক প্রজাতন্ত্রকে ২-১ গোলে হারানোর পর দ্বিতীয় ম্যাচে মেক্সিকোর কাছে ১-০ গোলে হেরেছে তারা। তবু ৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে। নকআউট নিশ্চিত করতে অন্তত এক পয়েন্ট প্রয়োজন তাদের।

দক্ষিণ আফ্রিকা ২০১০ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপে ফিরে এসে এখনো নিজেদের সেরা ছন্দ খুঁজে পায়নি। দুই ম্যাচে মাত্র এক গোল করেছে দলটি। তবে চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে ড্র তাদের কিছুটা আত্মবিশ্বাস দিয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার শক্তি তাদের আক্রমণ ও অভিজ্ঞতা। সন হিউং-মিন, লি কাং-ইন ও হুয়াং হি-চানের মতো খেলোয়াড়রা যেকোনো সময় ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারেন। মাঝমাঠে হুয়াং ইন-বম ও আক্রমণে ও হিউন-গিউ ইতোমধ্যে এই টুর্নামেন্টে গোল করেছেন।

দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে লাইল ফস্টার, অসউইন অ্যাপোলিস ও এভিডেন্স মাকগোপা আক্রমণের দায়িত্বে থাকবেন। অধিনায়ক গোলরক্ষক রনওয়েন উইলিয়ামস এবং মাঝমাঠে তেবোহো মোকোয়েনার ওপরও থাকবে বাড়তি দায়িত্ব।

গ্রুপ ‘এ’-এর শেষ ম্যাচগুলোতে তাই দুই রকম গল্প। একদিকে মেক্সিকোর আধিপত্য ধরে রাখার মিশন, অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার নকআউট নিশ্চিতের লড়াই। আর চেক প্রজাতন্ত্র ও দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য এটাই শেষ সুযোগ।