ঢাকা ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
শাকিরার সুরের মূর্ছনায় বিশ্বকাপের বর্ণিল উদ্বোধন দর্শকের ভালোবাসাই আমার জীবনের সেরা প্রাপ্তি: সূচরিতা বিইউপি মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন ক্লাবের আয়োজনে আনস্ক্রিপ্টেড ১.০ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট দলে তাওহিদ-রবিউল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা বাংলাদেশের খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস পরাশক্তিরা যেদিন মাঠ ছেড়েছিল কান্নাভেজা চোখে দেশে ফের ভূমিকম্প অনুভূত আবারও রক্তাক্ত কাশ্মীর, সংঘর্ষে নিহত ১৬ সরকারের এই বাজেট ঐতিহাসিক প্রস্তাবিত বাজেট রাজনৈতিক চমকবাজি ছাড়া আর কিছু নয়: জাসদ ক্রিকেটার নাসির-তামিমাকে খালাস দেওয়ার পেছনে বিচারকের পর্যবেক্ষণ জাতীয় সংসদের জন্য বরাদ্দ ২৯১ কোটি টাকা বাজেট ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ: ইসি পাবে ৪ হাজার ৪০১ কোটি টাকা বড় বাজেটের বোঝা কী জনগণের ঘাড়েই, প্রশ্ন বাসদের আবাসন বৃত্তির অর্থ পাচ্ছে জবি শিক্ষার্থীরা ‘ফাঁপা’ বাজেটে বৈষম্য বাড়বে: সিপিবি জুনের শেষে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর: ডেপুটি স্পিকার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টাইগারদের ওয়ানডে সিরিজ জয় যশোরে স্ত্রীকে বেঁধে রেখে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা ও নদী রক্ষায় ১০ হাজার কোটির বেশি টাকার মহাপরিকল্পনা আইসিটিতে লক্ষ্য জিডিপির ১০ শতাংশ, স্টার্টআপে বিশেষ গুরুত্ব ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনা সমর্থক বিশ্বকাপ উন্মাদনা যেন দুর্ঘটনার কারণ না হয় মূল্যস্ফীতি ও সাধারণ মানুষের বাস্তবতা প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে দুইদিন ব্যাপী ফল উৎসব দোকানপাট-শপিংমল খোলা থাকবে রাত ৯টা পর্যন্ত যাদের পাশে বসলে দুঃখ কমে, শান্তি বাড়ে বাজেটের প্রস্তাবিত অর্থবিলে স্বাক্ষর করলেন রাষ্ট্রপতি খরচ বাড়লে বিপাকে পড়বে সাধারণ জনগণ
Nagad desktop

ডিপিএল চলাকালীন ড্রেসিংরুমে মোবাইল নিষিদ্ধ

প্রকাশ: ০৩ মে ২০২৬, ১০:৫৭ এএম
আপডেট: ০৩ মে ২০২৬, ১১:৪০ এএম
ডিপিএল চলাকালীন ড্রেসিংরুমে মোবাইল নিষিদ্ধ
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রাণ ফেরাতে আবারও মাঠে নামছে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল)। ২০২৫-২৬ মৌসুম শুরু হচ্ছে ৪ মে, আর পর্দা নামবে ১১ জুন। দীর্ঘ বিরতির পর এই টুর্নামেন্ট ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই তৈরি হয়েছে নতুন উদ্দীপনা। গত শুক্রবার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয় বিসিবি এবং টুর্নামেন্ট কমিটি। গতকাল (২ মে) সংবাদ সম্মেলনে স্পন্সর প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশের অনুষ্ঠানে জানানো হয় কঠোর এক নিয়মের কথা।

সবচেয়ে আলোচিত সিদ্ধান্ত এসেছে ড্রেসিংরুম শৃঙ্খলা নিয়ে। বিসিবির অ্যাডহক কমিটির প্রধান তামিম ইকবাল স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ম্যাচ চলাকালীন কোনো খেলোয়াড় ড্রেসিংরুমে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। মাঠে প্রবেশের আগেই ফোন জমা দিতে হবে, যাতে খেলার সময় পুরো মনোযোগ থাকে ক্রিকেটে।

লিগ শুরুর আগে ক্লাবগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠকের কথাও তুলে ধরেন তামিম। অতীতের সমস্যাগুলো যেন আর না ফিরে আসে, সে লক্ষ্যেই শুরু থেকে সব পক্ষকে নিয়ে আলোচনা করে আস্থা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

অনিক/

শাকিরার সুরের মূর্ছনায় বিশ্বকাপের বর্ণিল উদ্বোধন

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১২:২২ এএম
আপডেট: ১২ জুন ২০২৬, ১২:২৬ এএম
শাকিরার সুরের মূর্ছনায় বিশ্বকাপের বর্ণিল উদ্বোধন
ছবি: সংগৃহীত

ফুটবলপ্রেমীদের চার বছরের অপেক্ষার অবসান। মেক্সিকোর ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়াম থেকে শুরু হলো ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের বর্ণাঢ্য আসর। শাকিরার সুরের মূর্ছনায় বিশ্বকাপের বর্ণিল উদ্বোধন হলো।

আসরটির প্রথম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পারফর্ম করেন পপতারকা শাকিরাসহ বার্না বয়, জে বালভিন, মানা, বেলিন্ডা, ড্যানি ওশান ও লিলা ডাউনসরা।

একটি ট্রফি, তিনটি আয়োজক দেশ, আর তিনটি উদ্বোধনী মঞ্চ। বিশ্বকাপের দীর্ঘ ইতিহাসে এমন দৃশ্য আগে কখনো দেখা যায়নি। ফুটবলের সবচেয়ে বড় উৎসব এবার শুধু মাঠের প্রতিযোগিতায় নয়, আয়োজনের ধরনেও লিখছে নতুন ইতিহাস।

১৯৩০ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে বিশ্বকাপ বহুবার মহাদেশ পেরিয়েছে, আয়োজক বদলেছে, বেড়েছে দল ও দর্শক। কিন্তু উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বরাবরই সীমাবদ্ধ থেকেছে একটি দেশ, একটি শহর আর একটি মঞ্চে। ২০০২ বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল দুই দেশ জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া। শুধু সিউলেই আয়োজিত হয়েছিল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। জাপান পায়নি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সুযোগ। 

২০২৬ বিশ্বকাপ সেই প্রচলিত ছবিটাই বদলে দিল। প্রথমবারের মতো তিন আয়োজক; যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা। তিন দেশেই হচ্ছে উদ্বোধনী আয়োজন। অর্থাৎ বিশ্বকাপ শুরু হয়েছে এক শহরে নয়, তিন ভিন্ন সংস্কৃতি ও তিন আলাদা আবহে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেক্সিকোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করে সাজানো হয়েছিল আদিবাসী শিল্পীদের পরিবেশনা, লোকসংগীত এবং ঐতিহ্যবাহী ‘পাপেল পিকাডো’ শিল্পের প্রদর্শনী। বিশ্বকাপের অফিসিয়াল গান ‘দাই দাই (লেটস গো)’ পরিবেশন করেন  কলম্বিয়ান তারকা শাকিরা ও নাইজেরিয়ার বার্না বয়ের। দুজনের পারফর্ম রীতিমতো মুগ্ধ ছড়িয়েছে স্টেডিয়ামসহ গোটা বিশ্বে। 

এ ছাড়া বিশ্বকাপের অফিসিয়াল অ্যালবামের শিল্পীদের মধ্যে আলেহান্দ্রো ফার্নান্দেজ, বেলিন্ডা, ড্যানি ওশান, জে বালভিন, লিলা ডাউনস, লস অ্যাঞ্জেলেস আজুলস, মানা এবং দক্ষিণ আফ্রিকার টাইলার মঞ্চে পারফর্ম করেন। 

চঞ্চল/এসএন

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট দলে তাওহিদ-রবিউল

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১১:৩৮ পিএম
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট দলে তাওহিদ-রবিউল
তাওহিদ হৃদয় ও রবিউল হক

বিশ্বকাপ ফুটবলের ডামাডোলে অন্য সব কিছুই আড়ালে পড়ে গেছে। নতুবা বড় করে সংবাদ হতো জিম্বাবুয়ে সফরে একটি মাত্র টেস্ট খেলার জন্য ঘোষিত বাংলাদেশ দল নিয়ে। যেখানে চমক হয়ে এসেছেন তাওহিদ হৃদয় ও রবিউল হক। দলে ফিরেছেন দুই পেসার সৈয়দ খালেদ আহমেদ ও তাসান মাহমুদ। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ না হওয়াতে জিম্বাবুয়ে সফরে বিশ্রামে রাখা হয়েছে মেহেদী হাসান মিরাজ, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা ও শরিফুল ইসলামকে।

সাদা বলে রঙিন পোশাকে দলের নিয়মিত কান্ডারি তাওহিদ হৃদয়। জিম্বাবুয়ে সফরে একমাত্র টেস্টের জন্য নির্বাচকরা তাকে দলে বিবেচনা করেছেন। তাওহিদ হৃদয়ের জন্য এবার সরাসরি টেস্ট দলে সুযোগ পাওয়া প্রথম হলেও এর আগে তিনি টেস্ট দলে ডাক পেয়েছিলেন ২০২৪ সালে শ্রীলঙ্কা সফরে মুশফিকুর রহিমের পরিবর্তে। কিন্তু খেলা হয়নি। এবার তার অভিষেক হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। তিনি প্রথম শেণির ম্যাচ খেলেছেন ১৬টি, ৩ সেঞ্চুরি আর ৪ হাফ সেঞ্চুরিতে মোট রান ৯৮৩। সর্বোচ্চ ইনিংস ২১৭ রানের।

তাওহিদ হৃদয়ের চেয়েও বড় চমক ছিল রবিউল হকের সুযোগ পাওয়া। রংপুর বিভাগের হয়ে প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলা এই পেসার সুযোগ পেয়েছেন নিয়মিত তিন পেসারকে বিশ্রাম দেওয়াতে। ৩২টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলে তিনি উইকেট পেয়েছেন ১০৯টি। ৫ উইকেট পেয়েছেন ৪ বার। ব্যাটিংও মোটামুটি ভালো করে থাকেন তিনি। ২টি ফিফটি আছে তার প্রথম সর্বোচ্চ ইনিংস ৭০ রানের।

সাকিব আল হাসানের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে কাউন্টি ক্রিকেটে খেলা হাসান মাহমুদ দলে ফিরেছেন এক সিরিজ পর। পাকিস্তানের বিপক্ষে তিনি সর্বশেষ সিরিজে ছিলেন না চোটের কারণে। তার মতো করে আয়ারল্যান্ড সিরিজের পর পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ মিস করে আবার দলে ফিরেছেন আরেক পেসার সৈয়দ খালেদ আহমেদ। পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে দলে থাকলেও কোনো ম্যাচ না খেলে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছেন ব্যাটার অমিত হাসান। এবারও তার খেলার সম্ভাবনা কম। কারণ কোনো ব্যাটারকে বিশ্রাম দেওয়া হয়নি। আবার বাড়তি হিসেবে নেওয়া হয়েছে তাওহিদ হৃদয়কে।

বাংলাদেশ টেস্ট দল: নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), সাদমান ইসলাম, মাহমুদুল হাসান জয়, তানজিদ হাসান, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, লিটন কুমার দাস, তাইজুল ইসলাম, নাঈম হাসান, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, ইবাদত হোসেন চৌধুরী, হাসান মাহমুদ, তাওহিদ হৃদয়, অমিত হাসান, রবিউল হক।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা বাংলাদেশের

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১১:২৯ পিএম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ছবি: সংগৃহীত

একই সঙ্গে নির্বাচকরা দুটি সিরিজের জন্য একত্রে দল ঘোষণা করেছেন। দুটি দলই ১৫ সদস্যের। একটি জিম্বাবুয়ে সফরে একমাত্র টেস্টের জন্য। অপরটি ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য। দলে ফিরেছেন তিন পেসার তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও নাহিদ রানা। এই তিনজনকে জায়গা দিতে বাদ পড়েছেন রিপন মণ্ডল ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

এই সিরিজের জন্য তাওহিদ হৃদয়কে সহ-অধিনায়ক করা হয়েছে। এই দায়িত্বে ছিলেন সাইফ হাসান। কিন্তু তিনি নিজে এই দায়িত্ব থেকে সরে যেতে চেয়েছেন। তাই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাওহিদ হৃদয়কে। তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ চলমান। এরপর চট্টগ্রামে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু হবে ১৭ জুন। পরের দুইটি ম্যাচ যথাক্রমে ১৯ ও ২১ জুন।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে এই তাসকিন-মোস্তাফিজ-নাহিদ রানাকে বিশ্রামে রাখা হয়েছিল। দুই ম্যাচের সিরিজ ১-১ ড্র হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের গুরুত্ব বিবেচনা করে নির্বাচকরা তিন পেসাকেই দলে ফিরিয়েছেন। প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন বলেন, ‘আমাদের জন্য এই সিরিজটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখানে ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের একটা ব্যাপার আছে, যা আমরা অনুসরণ করে থাকি। এখানে আমরা আমাদের সম্ভাব্য সেরা দল দেওয়ার চেষ্টা করেছি।’

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের পর দুটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন রিপন মণ্ডল। উইকেট নিয়েছিলেন ৩টি। তাকে বাদ দেওয়ার কারণ হিসেবে প্রধান নির্বাচক বলেন, ‘গত সিরিজে আমরা তাকে দেখেছিলাম কিছু নতুন খেলোয়াড় দেখার জন্য। আমরা তাকে আবার সুযোগ দেব।’ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেই প্রথমবারের মতো ডাক পেয়েছিলেন অলরাউন্ডার আব্দুল গাফফার সাকলাইন। তিনি কোনো ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি। কিন্তু টিকে গেছেন। আমরা নতুন একজন অলরাউন্ডার খুঁজছি। যে কারণে তাকে (আব্দুল গাফফার সাকলাইনকে) আরেকটি সুযোগ দিয়েছি।

বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দল: লিটন কুমার দাস (অধিনায়ক), পারভেজ হোসেন ইমন, তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান, শামীম হোসেন, তাওহিদ হৃদয় (সহ-অধিনায়ক), নুরুল হাসান সোহান, শেখ মেহেদি হাসান, নাসুম আহমেদ, রিশাদ হোসেন, শরিফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা, আব্দুল গাফফার সাকলাইন।

বিশ্বকাপের অঘটনগুলো পরাশক্তিরা যেদিন মাঠ ছেড়েছিল কান্নাভেজা চোখে

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১০:৫৪ পিএম
পরাশক্তিরা যেদিন মাঠ ছেড়েছিল কান্নাভেজা চোখে
ছবি: সংগৃহীত

ফিফা বিশ্বকাপ মানেই শুধু চ্যাম্পিয়ন আর সুপারস্টারদের গল্প নয়, বরং আন্ডারডগ বা পিছিয়ে থাকা দলগুলোর রূপকথাও এর অন্যতম সৌন্দর্য। টুর্নামেন্টের ইতিহাসে অনেক অখ্যাত মুখও এই মঞ্চে এসে জ্বলে উঠেছেন। ছোট দল হলেও অনেকে ফেভারিটদের স্বপ্ন গুঁড়িয়ে দিয়েছে। এই অবিশ্বাস্য জয়গুলো বিশ্বকাপের ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করেছে। এমন কিছু ম্যাচের গল্প নিয়েই এই প্রতিবেদন-

যুক্তরাষ্ট্র ১: ০ ইংল্যান্ড
১৯৫০ বিশ্বকাপ

১৯৫০ বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বের ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্র ১-০ গোলে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে সবাইকে চমকে দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের সেই দলটা সৌখিন খেলোয়াড়ে ভরা ছিল। একজন ছিলেন পিয়ন, একজন শববাহী গাড়িচালক, একজন থালাবাসন ধোয়ার কর্মী ও একজন পেইন্ট স্ট্রিপার। টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেভারিট হিসেবে আসা ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এই ফলটি ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা অঘটন হিসেবে বিবেচিত হয়। ম্যাচের একমাত্র গোলটি আসে ৩৮ মিনিটে। গোলটি করেন নিউইয়র্কের এক হোটেলের হাইতিয়ান থালাবাসন ধোয়ার কর্মী ও ফরোয়ার্ড জো গেটজেনস।

পশ্চিম জার্মানি ৩: ২ হাঙ্গেরি
১৯৫৪ বিশ্বকাপ

এটি ছিল ‘মিরাকল অব বার্ন’। নাৎসি শাসন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সামাজিক ও অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলে উঠতে থাকা পশ্চিম জার্মানি ফাইনালে হারিয়ে দেয় ‘ম্যাজিকাল ম্যাজিয়ার্স’ হাঙ্গেরিকে। নান্দর হিদেকুতি, সান্দর কোকসিস, জোল্টান চিবর ও ফেরেঙ্ক পুসকাসের মতো খেলোয়াড়দের নিয়ে গড়া হাঙ্গেরি দলকে সর্বকালের অন্যতম সেরা দল বলা হতো। ১৯৫০ থেকে ১৯৫৬ সালের মধ্যে তারা কেবল বার্নের এই ফাইনাল ম্যাচটিই হেরেছিল ও নিজেদের ৫০টি ম্যাচের মধ্যে ৪২টিতে জিতেছিল।

এর আগে গ্রুপপর্বে জার্মানিকে ৮-৩ গোলে হারিয়েছিল হাঙ্গেরি। ফাইনালেও অষ্টম মিনিটের মধ্যেই তারা ২-০ গোলে এগিয়ে যায়। তবে পশ্চিম জার্মানি দ্রুত ঘুরে দাঁড়ায় এবং ১৮ মিনিটের মধ্যে মাক্স মরলক ও হেলমুট রানের গোলে সমতা ফেরে।

হাঙ্গেরি আক্রমণাত্মক খেলে গেলেও জার্মান গোলরক্ষক টনি টুরেক বেশ কয়েকটি দুর্দান্ত সেভ করেন। এরপর ৮৪ মিনিটে হেলমুট রান ডি-বক্সের প্রান্ত থেকে গোল করে জার্মানির অবিশ্বাস্য জয় নিশ্চিত করেন। এই জয়টি ছিল যুগান্তকারী। জার্মান ইতিহাসবিদ জোয়াকিম ফেস্ট লিখেছেন, ‘এটি ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানদের ওপর চেপে বসা সমস্ত বোঝা থেকে এক ধরনের মুক্তি। ১৯৫৪ সালের ৪ জুলাই নির্দিষ্ট কিছু দিক থেকে জার্মান প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা দিবস।’

উত্তর কোরিয়া ১: ০ ইতালি
১৯৬৬ বিশ্বকাপ

১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ডে নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপেই চমক সৃষ্টি করে পিয়ংইয়ংয়ে দারুণ অভ্যর্থনা পেয়েছিল উত্তর কোরিয়ার ফুটবলাররা। ‘চলিমা’ (একটি পৌরাণিক ডানাওয়ালা ঘোড়া যা সাধারণ মানুষের পক্ষে আরোহণ করা অসম্ভব, যা দেশটির বিপ্লবী উদ্দীপনার প্রতীক) তাদের শেষ গ্রুপ ম্যাচে ঐতিহ্যবাহী ইতালিকে ১-০ গোলে পরাজিত করে। হাফ-টাইমের তিন মিনিট আগে জয়সূচক গোলটি করেন তৎকালীন সেনা করপোরাল পার্ক দো-ইক। ২০০২ সালে ইংল্যান্ডে ফিরে পার্ক বলেছিলেন, ‘সেদিন আমি শিখেছিলাম ফুটবল মানে শুধু জয়ী হওয়া নয়। যখন আমি গোলটি করেছিলাম, মিডলসব্রোর মানুষ আমাদের মনে স্থান দিয়েছিল। আমি শিখেছিলাম যে ফুটবল খেলা কূটনৈতিক সম্পর্কের উন্নতি করতে পারে এবং শান্তি প্রচার করতে পারে।’

মিডলসব্রোর বাসিন্দারা সত্যিই এই এশিয়ান দলটির প্রেমে পড়েছিলেন। কোয়ার্টার ফাইনালে ইউসেবিওর পর্তুগালের কাছে ৫-৩ গোলে দলের পরাজয় দেখতে তাদের প্রায় ৩০০০ সমর্থক লিভারপুলে ভ্রমণ করেছিলেন।

উত্তর আয়ারল্যান্ড ১: ০ স্পেন
১৯৮২ বিশ্বকাপ

উত্তর আয়ারল্যান্ডের মিডফিল্ডার টমি ক্যাসিডি স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘ফাইনাল বাঁশিতে আমরা শুরুতে উদযাপন করিনি। আমরা কেবল বিস্ময় নিয়ে প্রায় ১০ সেকেন্ড একে অপরের দিকে তাকিয়ে ছিলাম।’ বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জনকারী তৎকালীন ক্ষুদ্রতম দেশটি স্বাগতিক স্পেনের বিপক্ষে কানায় কানায় পূর্ণ মেস্তায়া স্টেডিয়ামে এক অঘটন ঘটায়। স্প্যানিশরা দারুণভাবে শুরু করেছিল ও কয়েকটি সেটপিস থেকে গোলের কাছাকাছি পৌঁছেছিল। তবে প্রথমার্ধ গোলশূন্য ছিল।

দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর কয়েক মিনিট পর, বিলি হ্যামিল্টন ডান উইংয়ে চ্যালেঞ্জ এড়িয়ে একটি ক্রস পাঠান। স্প্যানিশ গোলরক্ষক লুইস আরকোনাডা বলটি কেবল আটকে দিলেও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি। বক্সে ওত পেতে থাকা গ্যারি আর্মস্ট্রং বলটি জোরালো শটে দুই ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষককে পরাস্ত করে জালে পাঠান।

সেনেগাল ১: ০ ফ্রান্স
২০০২ বিশ্বকাপ

তৎকালীন লিগ ওয়ানের দল লেন্সের নিয়মিত খেলোয়াড় পাপা বুবা ডিওপের ৩০ মিনিটের একটি গোল ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের বিরুদ্ধে সেনেগালকে এক অত্যাশ্চর্য জয় এনে দেয়। ডেভিড ত্রেজেগে এবং থিয়েরি অঁরি যথাক্রমে পোস্টে এবং ক্রসবারে আঘাত করলেও ফরাসিরা গোল করতে ব্যর্থ হয়। কোচ ব্রুনো মেতসু ৪-১-৩-২ কম্বিনেশনে দল খেলিয়েছিলেন, যেখানে অধিনায়ক আলিও সিসে ব্যাক ফোরের সামনে সুইপার হিসেবে খেলেন।

সেনেগালের রক্ষণভাগ মাঝমাঠের ঠিক পেছনে থেকে ওপরে এসে চাপ সৃষ্টি করায় ফ্রান্সের আক্রমণভাগ মাঝমাঠে জায়গা পায়নি ও তাদের স্ট্রাইকারদের প্রতিপক্ষের অর্ধে নিঃসঙ্গ দেখাচ্ছিল। লেন্সের আরেক খেলোয়াড় এল হাদজি দিউফ ছিলেন সেনেগালের আক্রমণের মূল চালিকাশক্তি। তিনি নিজের গতি এবং নিখুঁত নিয়ন্ত্রণ ব্যবহার করে ফ্রান্সের প্রবীণ সেন্ট্রাল ডিফেন্স জুটি মার্সেল ডেসাইলি এবং ফ্রাঙ্ক লেবোফকে তটস্থ করে তোলেন। তার ক্রস থেকেই বুবা ডিওপ গোলটি করেছিলেন।

নেদারল্যান্ডস ৫: ১ স্পেন
২০১৪ বিশ্বকাপ

নিজেদের অনন্য পজিশন-ভিত্তিক পাসিং ফুটবলের মাধ্যমে ২০০৮ সালের ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ জেতার পর বিশ্ব ফুটবলে আধিপত্য বিস্তার করেছিল স্পেন। ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় তারা প্রথম বিশ্বকাপ জেতে এবং ২০১২ সালে আরও একটি ইউরোপীয় মুকুট নিজেদের করে নেয়। ডিফেন্ডিং বিশ্ব ও ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন হিসেবে স্পেন ২০১৪ বিশ্বকাপে অন্যতম ফেভারিট দল হিসেবে প্রবেশ করেছিল। কিন্তু নিজেদের প্রথম ম্যাচেই নেদারল্যান্ডসের কাছে তারা ৫-১ গোলে বিধ্বস্ত হয়, যারা তখন বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে ১৫ নম্বরে ছিল। রবিন ফন পার্সি ও আরিয়েন রবেন দুটি করে গোল করেন। এতে স্পেন ৫-১ গোলে পরাজিত হয় এবং পরে গ্রুপপর্ব থেকেই বিদায় নেয়। এটি ডাচদের জন্য এক রকম প্রতিশোধের ম্যাচও ছিল। কারণ ২০১০ বিশ্বকাপের ফাইনালে তারা স্পেনের কাছে হেরেছিল।

স্পেনের বিপর্যয় এখানেই শেষ হয়নি; পরের ম্যাচে চিলির কাছে ২-০ গোলে হেরে যায় তারা। ফলে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা ছিটকে যায় আগেভাগেই।

পর্তুগাল ০: ১ মরক্কো
২০২২ বিশ্বকাপ

২০২২ বিশ্বকাপে মরক্কোর রূপকথা সবাইকে ছুঁয়ে গিয়েছিল। প্রথম আফ্রিকান এবং আরব দেশ হিসেবে সেমিফাইনালে ওঠেছিল তারা। এই পথে কোয়ার্টার ফাইনালে পর্তুগালকে ১-০ গোলে হারা তারা। একমাত্র গোলটি করেন ইউসেফ এন-নেসিরি।

আটলাস লায়ন্সরা ইউরোপ এবং দক্ষিণ আমেরিকার বাইরে মাত্র তৃতীয় দল হিসেবে শেষ চারে জায়গা করে নেয়। এর আগে যা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র (১৯৩০) ও দক্ষিণ কোরিয়া (২০০২)।

পর্তুগালের বিপক্ষে এই ঐতিহাসিক জয়ের আগে মরক্কো গ্রুপপর্বে বেলজিয়ামকে স্তব্ধ করেছিল এবং শেষ ষোলোতে স্পেনকে টাইব্রেকারে বিদায় করেছিল। কোয়ার্টার ফাইনালটি অবশ্য বাড়তি তাৎপর্য বহন করছিল। কারণ মরক্কো এমন এক পর্তুগাল দলের মুখোমুখি হয়েছিল যার নেতৃত্বে ছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। মরক্কোর বিপক্ষে হেরে চোখের জলে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল রোনালদোকে।

অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টাইগারদের ওয়ানডে সিরিজ জয়

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৮:৫৪ পিএম
অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টাইগারদের ওয়ানডে সিরিজ জয়
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের ওয়ানডে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়াকে সিরিজ হারানোর কীর্তি গড়ল টাইগাররা।

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে দাপুটে জয় তুলে নিয়ে ইতিহাস গড়ল মেহেদী হাসান মিরাজের দল।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বৃষ্টি আইনে ৫ উইকেটের এই জয়ে শুধু ম্যাচই নয়, এক ম্যাচ হাতে রেখেই নিশ্চিত হয়ে গেল বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ওয়ানডে সিরিজ জয়।

টস জিতে আগে ব্যাটিং করে ৪২ ওভারে ৮ উইকেটে ১৮৭ রান তুলেছিল সফরকারী অস্ট্রেলিয়া। পরে বৃষ্টি বাগড়ার কারণে আর ব্যাটিংয়ে নামেনি সফরকারীরা। বৃষ্টি আইনে বাংলাদেশের সামনে ৪১ ওভারে ১৯২ রানের লক্ষ্যমাত্রা দাঁড়ায়। 

ব্যাটিংয়ে নেমে ৩৫ ওভারে ৫ উইকেট হাতের রেখে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় স্বাগতিকরা। প্রথম ম্যাচে বৃষ্টি আইনে ৮৬ রানে জিতেছিল শান্ত-লিটনরা।

বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে ৪১ ওভারে ১৯২ রানের টার্গেট তাড়ায় ৩৬ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। দলের জয়ে ৪২ রান করে করেন সৌম্য সরকার ও নাজমুল হোসেন শান্ত। ৪০ ও ২২ রানে অপরাজিত থেকে জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন তাওহীদ হৃদয় ও মেহেদি হাসান মিরাজ।

আগে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া করে ৪২ ওভারে ১৮৭ রান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৫ রান করেন মার্নাস লাবুশেন। তিনি ৮৫ বলে তিন বাউন্ডারিতে ৫৫ রানে অপরাজিত থাকেন। ৪৮ বলে চারটি চার আর দুটি ছক্কার সাহায্যে ৫২ রান করে অপরাজিত থাকেন জেভিয়ার বার্টলেট।
বাংলাদেশ দলের হয়ে ৩টি করে উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান। ২ উইকেট নেন তানভির ইসলাম।

বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে বাংলাদেশের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪১ ওভারে ১৯২ রান। জয়ের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমেই ইনিংসের দ্বিতীয় বলে ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমের উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

এরপর দলের হাল ধরেন সৌম্য সরকার ও নাজমুল হোসেন শান্ত। দ্বিতীয় উইকেটে তারা ৯৩ বলে ৮৬ রানের জুটি গড়েন। দলীয় ৮৬ রানে আউট হয়ে ফেরেন দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে ফেরা সৌম্য সরকার। তিনি ৪৭ বলে ৫টি চার আর দুটি ছক্কার সাহায্যে ৪২ রান করে আউট হন।

সৌম্য আউট হওয়ার পর ব্যাটিংয়ে নামেন লিটন দাস। তার সঙ্গে জুটি গড়ার আগেই আউট হয়ে যান নাজমুল হোসেন শান্ত। তিনি দলীয় ৯৮ রানে তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরেন। তার আগে ৫৩ বলে ৫টি বাউন্ডারির সাহায্যে করেন ৪২ রান।

দলীয় ১২২ রানে চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরেন লিটন কুমার দাস। তিনি ১৮ বলে ২১ রান করে আউট হন। দলীয় ১৪৪ রানে পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরেন আগের ম্যাচে ম্যাচসেরা হওয়া মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। তিনি ১৪ বলে ১৫ রানের বেশি করতে পারেননি। 

এই জয়ের মধ্য দিয়ে শুধু একটি সিরিজই নিশ্চিত করেনি বাংলাদেশ, বরং ওয়ানডে ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নতুন এক ইতিহাসও লিখেছে। বিশ্বকাপের উদ্বোধনী উন্মাদনা আর জাতীয় বাজেটের আলোচনার দিনে ক্রিকেটের মঞ্চে সবচেয়ে বড় খবর হয়ে উঠেছে টাইগারদের এই সাফল্য।

এখন বাংলাদেশের সামনে আরেকটি লক্ষ্য। ১৪ জুন সিরিজের শেষ ম্যাচে মাঠে নামবে মিরাজের দল। সেই ম্যাচে জয় পেলেই প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করার অনন্য কীর্তিও গড়ে ফেলবে বাংলাদেশ।

এসএন/