ঢাকা ২৮ আষাঢ় ১৪৩১, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪

হুয়াওয়ে আইসিটি কম্পিটিশন: গ্লোবাল রাউন্ডে অংশ নিতে চীনে বাংলাদেশ দল

প্রকাশ: ২২ মে ২০২৪, ০৬:০১ পিএম
আপডেট: ২২ মে ২০২৪, ০৬:০১ পিএম
হুয়াওয়ে আইসিটি কম্পিটিশন: গ্লোবাল রাউন্ডে অংশ নিতে চীনে বাংলাদেশ দল
ছবি: সংগৃহীত

হুয়াওয়ে আইসিটি কম্পিটিশন ২০২৩-২৪ এর আঞ্চলিক পর্বে বিজয়ের পর গ্লোবাল রাউন্ডে অংশ নিতে চীন সফরে যাচ্ছে বাংলাদেশ দল। রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) তিন শিক্ষার্থীর এই দলটি গতরাতে চীনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করে। এই তিন শিক্ষার্থী হলেন শুভম আগরওয়ালা, রাকেশ কর এবং মো. মাজহারুল ইসলাম।

এর আগে দলটি ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় হুয়াওয়ে আইসিটি কম্পিটিশনের এশিয়া প্যাসিফিক (এপিএসি) পর্বে ১৪টি দেশের ছয় হাজার ৪০০ জন শিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে তৃতীয় স্থান অর্জন করে। এরই ধারাবাহিকতায় তাঁরা চীনের শেনঝেনে চূড়ান্ত পর্বে অংশ নিতে যাচ্ছে। চূড়ান্ত এই পর্বে ৪০টি দেশ থেকে ৫২০ জনের বেশি শিক্ষার্থী ও ১৭০ জন শিক্ষক অংশ নিচ্ছেন। এই চূড়ান্ত পর্ব মূলত একটি দলীয় প্রতিযোগিতা, যেখানে ১৭৪টি দল রয়েছে।  দলগেুলো চার আলাদা- আলাদা ট্র্যাকে প্রতিযোগিতা করবে। এই ট্র্যাকগুলো হলো নেটওয়ার্ক ট্র্যাক, ক্লাউড ট্র্যাক, কম্পিউটিং ট্র্যাক ও ইনোভেশন ট্র্যাক। নেটওয়ার্ক ট্র্যাকে অন্য ৫১টি দলের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করবে বাংলাদেশ।

প্রতিযোগিতার পাশাপাশি ছয় দিনের এই সফরে অংশগ্রহণকারীরা প্রযুক্তি ও সাংস্কৃতিক মতবিনিময় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ, হুয়াওয়ের রিসার্চ ও ডেভেলপমেন্ট সেন্টার এবং প্রধান কার্যালয় পরিদর্শন, ও চীনের ঐতিহ্য সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবেন।

হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়ার বোর্ড মেম্বার লি জংশেং বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে আসছি। হুয়াওয়ে আইসিটি কম্পিটিশন এর মধ্যে একটি। শুরু থেকেই খুব অল্প সময়ের মধ্যে এটি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদেরকে গ্লোবাল ফাইনালে উঠতে দেখে আমি খুবই আনন্দিত। আমি ফাইনালে তাদের সাফল্য কামনা করি।'

রুয়েটের উপাচার্য ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘হুয়াওয়ের এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা ইতোমধ্যেই তাদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ পেয়েছে। আমি এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানাই। আমার ছাত্রদেরকে চূড়ান্ত পর্যায়ে যেতে দেখে খুবই খুশি হয়েছি। চূড়ান্ত পর্বে তারা অনেক দেশের অংশগ্রহণকারীদের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। আমি তাদের সাফল্য কামনা করি।'

দেশে একটি শক্তিশালী আইসিটি ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে হুয়াওয়ে দ্বিতীয় বারের মতো বাংলাদেশে হুয়াওয়ে আইসিটি প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছে। গত অক্টোবরে শুরু হওয়া এবারের প্রতিযোগিতায় ২৫টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এক হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেয়। হুয়াওয়ে আইসিটি কম্পিটিশন শুরুর পর এবারই প্রথম সরাসরি এতো বড় আয়োজনের মাধ্যমে চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। তরুণদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও জ্ঞান আরও বৃদ্ধি করার মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশের রূপান্তর গতিশীল করতে এই ধরনের বিভিন্ন প্রতিযোগিতা আয়োজন করে হুয়াওয়ে।

/আবরার জাহিন

গ্যালাক্সি ওয়াচ আল্ট্রায় থাকবে নতুন বায়োঅ্যাকটিভ সেন্সর

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৪, ১১:৩০ এএম
আপডেট: ১০ জুলাই ২০২৪, ১১:৩০ এএম
গ্যালাক্সি ওয়াচ আল্ট্রায় থাকবে নতুন বায়োঅ্যাকটিভ সেন্সর
ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ কোরিয়ান প্রযুক্তি জায়ান্ট স্যামসাংয়ের দ্বিবার্ষিক ‘গ্যালাক্সি আনপ্যাকড ইভেন্ট’ আয়োজিত হচ্ছে আজ। প্রযুক্তি সংশ্লিষ্টরা ধরণা করছেন, এই ইভেন্টে গ্যালাক্সি জেড ফোল্ড সিক্স, জেড ফ্লিপ সিক্স, গ্যালাক্সি ওয়াচ রিং, গ্যালাক্সি ওয়াচ সেভেন, ওয়াচ আল্ট্রা ও গ্যালাক্সি বাডস থ্রি সিরিজ উন্মোচন করবে স্যামসাং। আয়োজনের ভিডিও টিজারেও ফোল্ডেবল ফোন উন্মোচনের ইঙ্গিত মিলেছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার টেক জায়ান্টটি নিশ্চিত করেছে আসন্ন গ্যালাক্সি ওয়াচে নিজেদের বায়োঅ্যাকটিভ সেন্সরের সর্বশেষ সংস্করণ থাকবে। এই সেন্সর ডিজাইন করা হয়েছে সুস্থতার উন্নত পূর্বাভাস ও প্রতিরোধমূলক ফিচারের জন্য।

স্যামসাংয়ের তথ্যমতে, বায়োঅ্যাকটিভ সেন্সরের সর্বশেষ সংস্করণ স্বাস্থ্য পরিমাপের মান উন্নত করবে। এই সংস্করণে তিনটি প্রধান আপগ্রেড আসবে। এগুলো হলো, উন্নত ফটোডায়োড, অতিরিক্ত এলইডি রঙের অন্তর্ভুক্তি ও এই উপাদানগুলোর সর্বোত্তম বিন্যাস।

নতুন সেন্সরে রয়েছে নীল, হলুদ, বেগুনি ও অতিবেগুনি এলইডি রং। সেই সঙ্গে বাড়ানো হয়েছে সবুজ, লাল ও ইনফ্রারেড এলইডি রঙের সংখ্যা। এলইডি ও ফটোডায়োডগুলোর কৌশলগত সংযুক্তি এবং বিন্যাস স্বাস্থ্যের আরও সঠিক তথ্য দেবে।

নতুন বায়োঅ্যাকটিভ সেন্সরের উন্নত ফটোডায়োডসহ সবুজ, লাল এবং ইনফ্রারেড এলইডিগুলোর অবস্থান হৃদস্পন্দ, ঘুমের মান, রক্তচাপ, রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা ও মানসিক চাপসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যের মাপকাঠিতে নির্ভুল এবং কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। এটি ব্যায়ামের সময় আগের সেন্সরের তুলনায় হৃদস্পন্দ ৩০ শতাংশ সঠিক পরিমাপ করবে।  এই উন্নতি ছাড়াও বিভিন্ন রঙের এলইডি ও পুনর্বিন্যাসকৃত ফটোডায়োড প্রতিরোধমূলক সুস্থতার জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করে। এই সেন্সর একটি উন্নত গ্লাইকেশন অ্যান্ড প্রোডাক্টস (এজিইএস) সূচক চালু করা যাবে।

/আবরার জাহিন

 

কৌশলে বাড়ান ইনস্টাগ্রামের ফলোয়ার

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৪, ০২:০৫ পিএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৪, ০২:০৫ পিএম
কৌশলে বাড়ান ইনস্টাগ্রামের ফলোয়ার

ইনস্টাগ্রাম এখন দুনিয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় ছবি ও ভিডিওভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। বর্তমানে এই প্ল্যাটফর্মে ১০০ কোটিরও বেশি সক্রিয় ব্যবহারকারী রয়েছে। এই সামাজিকমাধ্যমে যার যত বেশি ফলোয়ার বা অনুসারী রয়েছে, তার পোস্ট তত বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। আর যত বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে ইনস্টাগ্রাম পোস্ট পৌঁছাবে, তত বেশি ব্র্যান্ড, ব্যবসা অথবা ব্যক্তিগত প্রভাব তৈরিতে ভূমিকা রাখবে। এ জন্য অনেকে ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের ফলোয়ার বাড়াতে আগ্রহী হন। আজ জানাব ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ার বাড়ানোর কৌশল:

সম্পূর্ণ প্রোফাইল: ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল একজন ব্যক্তির ডিজিটাল পরিচয় বহন করে। তাই বায়োতে নিজের পরিচয় ও আগ্রহের বিষয় উল্লেখ করুন। স্পষ্ট ও আকর্ষণীয় প্রোফাইল ছবি ব্যবহার করুন। অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট ও ওয়েবসাইটের লিংক যোগ করুন।

আকর্ষণীয় কনটেন্ট: আধেয় বা কনটেন্টের মাধ্যমে অনুসারীদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপিত হয়। তাই ভালো মানের ছবি ও ভিডিও পোস্ট করুন। ক্যাপশনে প্রাসঙ্গিক ও আকর্ষণীয় বিষয় লিখুন। ট্রেন্ডিং হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করুন।

নিয়মিত পোস্ট: শুধু ভালো মানের কনটেন্ট পোস্ট করলেই হবে না, তা হতে হবে নিয়মিত। প্রতি সপ্তাহে অন্তত দুটি আধেয় দেওয়ার পরিকল্পনা করুন। একটি ক্যালেন্ডার অনুসারে নির্দিষ্ট সময়ে পোস্ট করুন।

ফলোয়ারদের সঙ্গে যোগাযোগ: মন্তব্যের মাধ্যমে ফলোয়ারদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখুন। তাদের প্রশ্নের উত্তর দিন ও মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানান। এর ফলে ফলোয়ারের সঙ্গে দ্বিমুখী যোগাযোগ হবে।

হ্যাশট্যাগ: প্রাসঙ্গিক হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে কনটেন্ট আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব। কোন কনটেন্টের জন্য কোন হ্যাশট্যাগ প্রাসঙ্গিক তা নিশ্চিত করুন।
অন্যদের সঙ্গে সহযোগিতা: ইনস্টাগ্রামের অন্য জনপ্রিয় নির্মাতা, ব্র্যান্ড ও ব্যবহারকারীর সঙ্গে অংশীদারত্ব করলে, আরও বিস্তৃত পরিসরের অডিয়েন্সের কাছে পৌঁছানো সম্ভব।

প্রতিযোগিতা ও উপহার: ফলোয়ারদের জন্য নিয়মিত প্রতিযোগিতা ও উপহারের ব্যবস্থা করুন।

পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ: ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের পারফরম্যান্স নিয়মিত বিশ্লেষণ করুন। বিভিন্ন ম্যাট্রিক্স দেখে বোঝা যাবে কোন কৌশলটি কাজ করছে ও কোন জায়গায় উন্নতি করতে হবে। পারফরম্যান্স বিশ্লেষণের ফলাফল অনুযায়ী কনটেন্টের পরিকল্পনা করুন।

/আবরার জাহিন

 

গুগল ম্যাপস আনছে মাল্টি-কার নেভিগেশন ফিচার

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৪, ০৬:১০ পিএম
আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৪, ০৬:১০ পিএম
গুগল ম্যাপস আনছে মাল্টি-কার নেভিগেশন ফিচার
ছবি: সংগৃহীত

গুগল ম্যাপস ব্যবহারকারীদের জন্য সুখবর! দলীয় ভ্রমণকে আরও সহজ করে তোলার জন্য সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগল তাদের ‘গুগল ম্যাপস’ অ্যাপসে নতুন ফিচার নিয়ে আসছে। নতুন ফিচারটির নাম ‘মাল্টি-কার নেভিগেশন’। এই ফিচারের সাহায্যে এক সঙ্গে একাধিক গাড়ির নেভিগেশন করা যাবে। অর্থাৎ এর মাধ্যমে বিভিন্ন স্থান থেকে একই গন্তব্যে পৌঁছানো যাবে। এতে দলীয় ভ্রমণের ক্ষেত্রে একে অপরের থেকে পথ হারানোর চিন্তা থাকবে না।

কীভাবে কাজ করবে?
যুক্তরাষ্ট্রের পেটেন্ট ও ট্রেডমার্ক অফিসে জমা দেওয়া একটি পেটেন্টের তথ্যের বরাত দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম নিউজ এইটটিন জানিয়েছে, এই নতুন ফিচার বিভিন্ন স্থান থেকে একই গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য একাধিক ব্যবহারকারীকে সমন্বয় করবে।

এই ফিচারের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো হলো নোটিফিকেশন পাঠানো, গাড়ির অবস্থান জানানো ও ভ্রমণকারীদের কোন রাস্তায় মিলিত হলে সবচেয়ে ভালো হবে, তা সুপারিশ করা। এ ছাড়া এই নতুন ফিচার নিশ্চিত করবে, সকল গাড়ি একই সঙ্গে চলছে। এতে পথ হারানোর সম্ভাবনা কমে যাবে। দলের নেতৃস্থানীয় গাড়ির রুটের ওপর ভিত্তি করে রাস্তার সর্বশেষে অবস্থা ও ট্রাফিক সম্পর্কেও সিস্টেমটি সবাইকে আপডেট করবে।

নতুন ফিচারটি ব্যবহারকারীদের ক্যালেন্ডার সূচি ও মেসেজগুলোতে অ্যাক্সেস পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এটি একই গন্তব্যে একই সময়ে যাত্রা করার মতো কোনো গ্রুপকে চিহ্নিত করা হলে, এই সিস্টেম তাদের মাল্টি-কার নেভিগেশনে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়ে ভ্রমণটিকে সমন্বয় করবে। গুগল কবে নাগাদ মাল্টি-কার নেভিগেশন ফিচার চালু করবে, তা এখনো জানায়নি। এর আগে ম্যাপসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর ফিচার যুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে গুগল।

/আবরার জাহিন

 

জাপান সরকার ফ্লপি ডিস্ককে বিদায় জানাল

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৪, ০৬:১৪ পিএম
আপডেট: ০৭ জুলাই ২০২৪, ০৬:১৪ পিএম
জাপান সরকার ফ্লপি ডিস্ককে বিদায় জানাল
ছবি: সংগৃহীত

ফ্লপি ডিস্ক বর্তমান প্রযুক্তির যুগে সেকেলে মনে হতে পারে। তবে এখনো কিছু জায়গা ও সরকার রয়েছে, যারা মৌলিক কাজের জন্য ফ্লপি ডিস্ক ব্যবহার করে। জাপান সরকারও তেমনি মৌলিক কাজের জন্য এটি ব্যবহার ‍করেছে। তবে দেশটির ডিজিটাল এজেন্সি গত বুধবার সরকারি কম্পিউটার সিস্টেম পরিচালনা করতে একেবারে ফ্লপি ডিস্কের ব্যবহার না করার ঘোষণা দিয়েছে। জাপানের ডিজিটাল এজেন্সি পুরোনো সিস্টেমগুলোর প্রায় সবকিছুই বাতিল করে দিয়েছে।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম রয়টার্সের বরাত দিয়ে প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট এনগ্যাজেট এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ফ্লপি ডিস্ক ব্যবহারের প্রয়োজনীয় একমাত্র সিস্টেমটি এখনো চালু আছে, সেটি হলো গাড়ি পুনর্ব্যবহার পর্যবেক্ষণ করে এমন একটি পরিবেশ সিস্টেম।

জাপানের ডিজিটাল মন্ত্রী তারো কোনো এক সংবাদ সংস্থাকে বলেন, ‘আমরা ২৮ জুন ফ্লপি ডিস্কের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়ী হয়েছি।’

২০২২ সালে ডিজিটাল এজেন্সিতে নিয়োগ পাওয়ার পর নব্বই দশকের কম্পিউটার প্রযুক্তির বিরুদ্ধে অভিযানের ঘোষণা দেন। সে সময় তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এ বিষয়ে একটি পোস্ট দেন, যা ওই সময় ব্যাপক আলোচিত হয়েছে। জাপান প্রায় ১ হাজার ৯০০ সরকারি কার্যক্রমে ফ্লপি ডিস্ক ও ফ্যাক্স মেশিন, সিডি এবং মিনিডিস্কের মতো পুরোনো প্রযুক্তি ব্যবহৃত হতো।

জাপান ছাড়াও অনেক দেশ আধুনিক প্রযুক্তিতে তথ্য সংরক্ষণ করলেও দীর্ঘদিন ধরে ফ্লপি ডিস্কের ওপর নির্ভর করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী এখনো ১৯৭০ দশকের কম্পিউটার সিস্টেমে ‘স্ট্র্যাটেজিক অটোমেটেড কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম (এসএসিসিএস)’ পরিচালনা করতে ৮ ইঞ্চি ফ্লপি ডিস্ক ব্যবহার করেছে। এই সিস্টেমে পারমাণবিক উৎক্ষেপণ কোড গ্রহণ করা এবং সামরিক কেন্দ্র ও ফিল্ড সোর্সগুলোকে জরুরি বার্তা পাঠাতে ব্যবহার করা হয়েছে। ২০১৯ সালে আমেরিকার প্রতিরক্ষা বিভাগও সিস্টেমটি ব্যবহার করা বন্ধ করে দেয়।

/আবরার জাহিন

 

হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ইভেন্ট ফিচার

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৪, ০৬:০৭ পিএম
আপডেট: ০৭ জুলাই ২০২৪, ০৬:০৭ পিএম
হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ইভেন্ট ফিচার

প্রযুক্তি জায়ান্ট মেটার মালিকানাধীন মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ সম্প্রতি ‘ইভেন্ট’ নামে নতুন একটি ফিচার চালু করেছে। এই নতুন ফিচার ব্যবহারকারীদের গ্রুপে সহজে মিটিং ও আড্ডার আয়োজন করতে সাহায্য করবে। নতুন ফিচারটি ব্যবহার করে গ্রুপ অ্যাডমিনরা সহজেই ইভেন্ট তৈরি করতে পারবেন। যেখানে তারা ইভেন্টের নাম, ধরন (অডিও বা ভিডিও কল), তারিখ, সময় ও স্থান উল্লেখ করতে পারবেন।
এ ছাড়া গ্রুপের সদস্যরা ‘অ্যাকসেপ্ট’ বা ‘ডিক্লাইন’ অপশন ব্যবহার করে ইভেন্টে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারবেন। ইভেন্ট তৈরির পরও যেকোনো তথ্য পরিবর্তন করতে পারবেন অ্যাডমিন ও অংশগ্রহণকারীরা। এতে অংশ নেওয়ার জন্য ইভেন্ট অপশনে ক্লিক করে নিজেদের আগ্রহ প্রকাশ করতে পারেন গ্রুপের সদস্যরা। এর ফলে ইভেন্টে অংশ নিতে আগ্রহীদের প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যাবে।
 
হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ইভেন্ট তৈরির ধাপসমূহ: 

  • প্রথমে স্মার্টফোন থেকে হোয়াটসঅ্যাপের নির্দিষ্ট গ্রুপের চ্যাট বক্সে প্রবেশ করুন।
  • গ্রুপ চ্যাটের ডান দিকের নিচের অংশে থাকা পেপার ক্লিপ আইকনে ট্যাপ করে ‘ইভেন্ট’ আইকন নির্বাচন করুন।
  • এবার পরের পেজে ইভেন্টের নাম, ধরন, তারিখ ও সময় নির্বাচন করুন।
  • হোয়াটসঅ্যাপ কল লিংকের পাশের অপশনটি চালু করে মিটিংটি অডিও না ভিডিওর মাধ্যমে আয়োজন করা হবে, তা নির্বাচন করুন।
  • নিচে থাকা ‘সেন্ড’ আইকনে ট্যাপ করলেই ইভেন্ট তৈরি হয়ে যাবে। গ্রুপের অন্য সদস্যরা ইভেন্টে যোগ দেওয়ার বার্তা দেখতে পারবেন। 

হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ইভেন্ট ফিচারটি ব্যবহারকারীদের গ্রুপে আরও ভালোভাবে যোগাযোগ করতে সাহায্য করবে। বিশেষ করে যারা নিয়মিত গ্রুপ মিটিং বা আড্ডার আয়োজন করেন।

/আবরার জাহিন