ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
জনদুর্ভোগ নিরসন ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবি ডা. শফিকুর রহমানের ভারতীয় সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে ধীরাজ শেঠ ‘তুই আসামি, চোখ নামিয়ে কথা বল’—ওসির বিরুদ্ধে নাঈম হাসানের অভিযোগ প্রযুক্তিদক্ষ তরুণরাই গড়বে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী সোনারগাঁওয়ে উচ্চশিক্ষার নতুন দিগন্ত, বিশ্ববিদ্যালয় ও পলিটেকনিক হবে: শিক্ষামন্ত্রী জলবায়ু-সহনশীল ও পরিবেশ-বান্ধব পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ বিআইপির আলোচিত সিনেমার সিক্যুয়েল নিয়ে জয়া টেইলর সুইফটের নতুন রেকর্ড পরকালের আয়নায় আপনার কর্মফল দেখেছেন কি? সাংবাদিকতায় দলীয় লেজুড়বৃত্তিমুক্ত পরিবেশ প্রয়োজন: মোস্তফা কামাল আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফনের তারিখ ঘোষণা নিজেকে সমকামী বলে কটাক্ষের জবাব দিলেন মৌনী ফ্যাশনে বিশ্বকাপ মাদক কারবারে হাজার কোটিপতির উত্থান, দাবি ভূমিমন্ত্রীর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা: পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপের মঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরে প্রশংসিত সঞ্জয় বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র এআই উদ্ভাবনে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির কৃতিত্ব, ফাইনালে ‘কগনিভার্স’ ‘সবুজ সাথী’ সম্মাননায় ভূষিত সিলেট সিটি করপোরেশন ঈশ্বরগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের ঝটিকা মিছিল ঘরেই মিলবে কৃত্রিম দিনের আলো চকরিয়া থেকে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির যাত্রা শুরু রাজশাহীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন ভূমিমন্ত্রী বিদেশি ঋণনির্ভর ও লুটপাটের বাজেট জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করবে না: গোলাম পরওয়ার শহিদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত ও পরিবারকে সহায়তা প্রধানমন্ত্রীর রংপুরে অভিনব উপায়ে দল পরিবর্তন করলেন ব্রাজিল সমর্থক সহধর্মিণীকে সঙ্গে নিয়ে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে তারেক রহমান আইভিএফে যমজ সন্তানের জন্ম, ডিএনএ পরীক্ষায় মিলল না বাবা-মায়ের পরিচয় ১০ জেলা হাসপাতালে আইসিইউ চালু হচ্ছে রবিবার মানুষকে রোগ সম্পর্কে সচেতন করছে তথ্যপ্রযুক্তি
Nagad desktop

ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প বন্যা পুনর্বাসনেও অগ্রণী বাকৃবি

প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৪, ০১:৫০ পিএম
ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প বন্যা পুনর্বাসনেও অগ্রণী বাকৃবি
ছবি: সংগৃহীত

সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে, কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ছোট্ট গ্রাম বাকশীমূল। বর্ষায় বন্যায় ভেসে যাওয়া বাড়িঘর, ক্ষতিগ্রস্ত খামার এবং ভাঙা স্বপ্ন নিয়ে এখানে চলছে বেঁচে থাকার সংগ্রাম। কৃষকরা একে অন্যকে বলছেন, ‘কীভাবে আবার শুরু করা যায়?’ তাদের সেই নতুন শুরুর গল্পে আশার আলো হয়ে এসেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) পিএইচডি শিক্ষার্থীদের একটি দল।

ঠিক একই সময় লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার কৃষকরাও ঘুরে দাঁড়ানোর আশায় বিভোর। তাদের এই ঘুরে দাঁড়ানোর সংগ্রামে শামিল হয়েছেন ‘অ্যাগ্রি স্টুডেন্টস অ্যালায়েন্স বাংলাদেশ’ সংগঠনের বাকৃবির শিক্ষার্থীরা। বীজধানের প্রত্যাশায় সারা দিন অপেক্ষা করাও যেন হার মেনে যায় শেষ বেলার হাসিতে।

বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া, ভেঙে যাওয়া স্বপ্ন পুনর্গঠনের এই মহাযজ্ঞে বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে বাকৃবি শিক্ষার্থীরা এগিয়ে এসেছেন কৃষকের মাঠে, হাতে তুলে নিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের ঘুরে দাঁড়ানোর হাতিয়ার- ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল, উন্নত ঘাসের বীজ, সার, কীটনাশক ও পশু চিকিৎসাসেবা। শুধু ত্রাণ নয়, তারা তৈরি করেছেন এক দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, যেন কৃষকরা এই ক্ষতি কাটিয়ে নিজ পায়ে দাঁড়াতে পারেন। তাইতো তারা একেকটি দল হয়ে ছড়িয়ে পড়েছেন দেশের একেকটি জেলায়। ছড়িয়ে দিয়েছেন মানবতা।

বীজধানে নতুন স্বপ্নের বুনন
‘আজ গ্রামে আসছেন বাকৃবির শিক্ষার্থীরা।’ ঠিক এই কথাটা শোনার পর মুহূর্তেই সারা গ্রামে ছড়িয়ে যায়। কুমিল্লা থেকে নোয়াখালী, ফেনী থেকে লক্ষ্মীপুর, যেখানেই গেছেন বাকৃবি শিক্ষার্থীরা, সকাল থেকেই শুরু হয়ছে অন্যরকম প্রাণচাঞ্চল্য। উদ্দেশ্য কৃষকদের মাঝে বীজ বিতরণ করে নতুন স্বপ্নের বীজ বপন করা। কয়েক ধাপে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ২০০, কুমিল্লার দেবিদ্বারে ৫০ এবং ফেনীর সোনাগাজীতে ৫০, লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে ৪০, রায়পুরে ৪০ এবং রামগঞ্জে ২০ কৃষককে ২০ শতাংশ জমির জন্য বিনা ধান-১৭ বীজধানের চারা, সার ও কীটনাশক দেওয়া হয় অ্যাগ্রি স্টুডেন্টস অ্যালায়েন্স বাংলাদেশের পক্ষ থেকে। আর বুড়িচংয়ের বাকশীমূল গ্রামে বাকৃবির পিএইচডি স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের ক্যাম্পেইনে ২০০ খামারিকে উন্নত অস্ট্রেলিয়ান সুইট জাম্বু হাইব্রিড ঘাসের বীজ এবং পাকচুং ঘাসের কাটিং সরবরাহ করা হয়। তাদের প্রতিশ্রুতি এই ঘাস একবার রোপণ করলে তা ৪ থেকে ৫ বছর উৎপাদন দেবে। এমনকি ৩ বিঘা জমিতে একটি প্যাকেটের বীজ দিয়েই চারা উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

গবাদিপশুর জন্য স্বাস্থ্যসেবা
কুমিল্লায় পিএইচডি শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পেইনে ২০০ গরুকে লাম্পি স্কিন রোগের টিকা দেওয়া হয়েছে। অভিজ্ঞ পশু চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গরু ও ছাগলের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ওষুধ সরবরাহ এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শও দেওয়া হয়। বাকৃবির ভেটেরিনারি অনুষদের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীদের অন্য আরেকটি ক্যাম্প পরিচালিত হয় শেরপুরে। এ সময় ৩০০ খামারির পশুদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ করা হয়। ক্যাম্পে প্রায় ১০০টি গরুকে তড়কা ও বাদলা রোগের ভ্যাকসিন এবং ৫০টি ছাগলকে পিপিআর ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। তাদের এই উদ্যোগ যেন আশ্রয়হীন খামারিদের মনে নতুন আশার সঞ্চার করে।

ছাগল ও মুরগি, নতুন জীবনের হাতিয়ার
শেরপুরে বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনের জন্য ৭২ অসহায় নারীকে বিনামূল্যে অধিক ডিম ও মাংস উৎপাদনশীল ফাওমি, রড আইল্যান্ড রেড জাতের মুরগি দেওয়া হয়। প্রতিজনকে ৪টি করে মুরগি এবং ১টি করে মোরগসহ মোট ৩৬০টি মোরগ-মুরগি বিতরণ করা হয়। এদিকে পিএইডি শিক্ষার্থীদের কর্মসূচির আরেকটি বিশেষ দিক ছিল বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১১ দরিদ্র পরিবারের মাঝে ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল বিতরণ। এর মধ্য দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো আবার নতুন করে নিজেদের অর্থনৈতিক ভিত্তি মজবুত করতে পারবে। এ সময় গিয়াস উদ্দিন নামে এক কৃষক এই ছাগল পেয়ে কাঁদতে কাঁদতে বললেন, ‘ছাগল পাইয়া আমি অনেক খুশি। স্যারদের আল্লাহ ভালো করুক। উনারা আমাদের জন্য একটা সিঁড়ি তৈরি করে দিয়ে গেলেন, যাতে এই ছাগল পালার মাধ্যমে আমরা ওই সিঁড়ি বাইয়া উঠবার পারি।’

বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ও সচেতনতা
বিশেষায়িত এসব ক্যাম্পেইনের বিশেষজ্ঞরা শুধু সেবা দিয়েই থেমে থাকেননি। তারা কৃষকদের শিখিয়েছেন মাছ চাষ, পশুপালন এবং উন্নত ঘাস চাষের কৌশল। প্রতিটি কৃষক হাতে পেয়েছেন প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক লিফলেট, যা ভবিষ্যতে তাদের খামারের উন্নয়নে সহায়তা করবে। প্রতিটি টিম যখন যেখানেই গেছেন তাদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, স্থানীয় উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা, ভেটেরিনারি সার্জনসহ অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞরা পাশে থেকে সমর্থন ও পরামর্শ দিয়ে প্রতিটি খামারির মনে সাহস জোগান।

এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা
এই কর্মসূচির মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা যে শুধু ত্রাণ পেয়েছেন, তা নয়; তারা পেয়েছেন নতুন করে বেঁচে থাকার সাহস, একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা। সত্যিই, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রমাণ করেছেন, ত্রাণ শুধু সাময়িক নয়, সঠিক পরিকল্পনা ও উদ্যোগের মাধ্যমে তা হয়ে উঠতে পারে স্বপ্ন বুননের সিঁড়ি।

 কলি

 

এআই উদ্ভাবনে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির কৃতিত্ব, ফাইনালে ‘কগনিভার্স’

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:১০ পিএম
এআই উদ্ভাবনে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির কৃতিত্ব, ফাইনালে ‘কগনিভার্স’
মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ‘কগনিভার্স’ দল। ছবি:খবরের কাগজ

দেশের অন্যতম বৃহৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিযোগিতা ‘দ্য ইনফিনিটি এআই বিল্ডফেস্ট ২০২৬’-এর চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নিয়েছে সিলেটের মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ‘কগনিভার্স’ দল।

রাজধানীর ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতার ফাইনাল রাউন্ডে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অসংখ্য মেধাবী দল ও প্রতিযোগীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এই সাফল্য অর্জন করেন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স ও প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী রাতুল সাহা রায় (৫৯তম ব্যাচ), শুভ সূত্রধর (৫৯তম ব্যাচ) এবং অনিদ্র পাল (৬২তম ব্যাচ)।

শনিবার (১৩ জুন) মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির জনসংযোগ শাখা সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ শাখা জানায়, ‘দ্য ইনফিনিটি এআই বিল্ডফেস্ট ২০২৬’ মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তথ্যপ্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান তৈরির একটি জাতীয় প্রতিযোগিতা। এতে অংশগ্রহণকারী দলগুলো বাস্তব সমস্যার প্রযুক্তিভিত্তিক সমাধান, বুদ্ধিমান সফটওয়্যার, যন্ত্রশিক্ষণ এবং আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির ব্যবহারিক প্রয়োগ উপস্থাপন করে। মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ‘কগনিভার্স’ দল জিওগ্রাফি ও অ্যাস্ট্রনমি বিষয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আলোকে সমস্যার সমাধান নিয়ে কাজ করে চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নেয়।

প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করে বাংলাদেশ ক্লাউড ক্যাম্প, সহ-আয়োজক হিসেবে ছিল ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি। এছাড়া বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান প্রতিযোগিতাটির কৌশলগত, প্রযুক্তিগত ও করপোরেট অংশীদার হিসেবে যুক্ত ছিল। প্রযুক্তি সহযোগীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস, লাভেবল, রোবাস্ট, ক্যারিয়ার ক্যানভাস, ডায়ানাহোস্ট এবং অ্যাস্ট্রোনাস টেকসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।

এ সাফল্যের জন্য ‘কগনিভার্স’ দল এখন অভিনন্দিত হচ্ছে। মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি জিওগ্রাফি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির (মুগাস) সভাপতি ও ইইই বিভাগের সিনিয়র লেকচারার আহমেদ ইসতিয়াকুর রহমান অভিনন্দন বার্তায় দলের সদস্যদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এই অর্জন অত্যন্ত গৌরবের। জাতীয় পর্যায়ের এমন প্রতিযোগিতায় চূড়ান্ত পর্বে পৌঁছানো তাদের মেধা, সৃজনশীলতা ও কঠোর পরিশ্রমের স্বীকৃতি।’ মুগাসের কোষাধ্যক্ষ ও সিএসই বিভাগের লেকচারার ইশরার নাজাহ চৌধুরী বলেন, ‘এই সাফল্য বর্তমান ও ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি ও গবেষণাভিত্তিক কর্মকাণ্ডে আরও উৎসাহিত করবে।’

অভিনন্দন জানিয়েছেন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী। এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন, ‘জাতীয় পর্যায়ের এই অর্জন কেবলই ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরঞ্চ এটি মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির প্রযুক্তিগত শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনী চিন্তা ও চর্চারও একটি উজ্জ্বল প্রতিফলন।’ ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান তানভীর এমও রহমান চৌধুরী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করে বলেন, ‘ধারাবাহিকভাবে শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তির স্বাক্ষর রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম আরও সমুন্নত রাখবে।’

এসএন/

পরিবেশ রক্ষায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ জাককানইবির এক শিক্ষার্থীর

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:২৩ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:৩৩ পিএম
পরিবেশ রক্ষায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ জাককানইবির এক শিক্ষার্থীর
ছবি: সংগৃহীত

ট্রেন ছুটে চলেছে নড়াইল থেকে ঢাকার পথে। আর ওই ছুটে চলা সময়েই প্রকৃতিকে সাজানোর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) শিক্ষার্থী শেখ সাকিবুর রহমান। তিনি নড়াইল থেকে ঢাকায় রূপসী বাংলা এক্সপ্রেসে যাওয়ার পথে এবং জাহানাবাদ এক্সপ্রেসে ঢাকা থেকে নড়াইলে ফেরার পথে রেললাইনের দুই ধারে ২০ হাজার খেজুর বীজ ও এক হাজার কাঁঠালের বীজ ছড়িয়েছেন।

মঙ্গলবার (৯ জুন) গাছ বন্ধু নেটওয়ার্কের সহযোগিতায় তিনি গাছের বীজ ছড়ানোর মতো মহৎ একটি কাজ করেন।

শেখ সাকিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের একজন শিক্ষার্থী। বীজ ছড়ানোর বিষয়ে তিনি খবরের কাগজকে বলেন, কিছু পাগলামিতে যদি কিছু জীবনের জন্ম হয় তো আমি এমন পাগলামি বারবার করতে চাই। গাছ আমাদের বন্ধু। আর তাল গাছ, খেজুর গাছ এগুলো বজ্রপাত প্রতিরোধী। এজন্য গাছ লাগানোর ক্ষেত্রে আমি এই দুটো গাছ বেশি লাগাই যেন বজ্রপাতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি না হয়। কিন্তু আজ পৃথিবীতে অতিরিক্ত হারে গাছ কাটা হচ্ছে। যা নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করছে প্রকৃতিতে। চারিদিকে যখন গাছ কাটার মহোৎসব চলছে, তখন আমি প্রকৃতিতে কিছু প্রাণের সঞ্চার করার জন্য এই বীজ ছড়িয়েছি। সবুজ ছড়িয়ে পড়ুক সারা বিশ্বে।

উল্লেখ্য, তিনি এর আগেও এমন সামাজিক কাজকর্ম করেছেন। গত ১১ মে নিজ উদ্যোগে নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবন সংলগ্ন পুকুরের প্লাস্টিক ও অপচনশীল বর্জ্য পরিষ্কার করেন।

এ ছাড়াও ১৬ মে তিনি বিভিন্ন দেয়াল ও বেলকনিতে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো ৪৫-৫০টি বটগাছের চারা সংগ্রহ করে ত্রিশাল উপজেলার বিভিন্ন রাস্তা ঘুরে ঘুরে রাস্তার পাশ দিয়ে ও বিভিন্ন ব্রিজের পাশে রোপণ করেন।

তাসনিম রাফি/তামান্না রুপা/

শাবিপ্রবি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ জ্বালানিপ্রতিষ্ঠানে ড. সাকিব

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১২:৩৫ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ১২:৪৩ পিএম
শাবিপ্রবি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ জ্বালানিপ্রতিষ্ঠানে ড. সাকিব
কর্মস্থলে সহকর্মীদের সঙ্গে ড. আহমেদ নাজমুস সাকিব। ছবি : সংগৃহীত

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) প্রাক্তন শিক্ষার্থী ড. আহমেদ নাজমুস সাকিব যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় জ্বালানিপ্রতিষ্ঠান ডিটিই এনার্জির সিনিয়র প্রকৌশলী পদে যোগদান করেছেন। 

এই অর্জন শুধু তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবদান। বহির্বিশ্বে ড. সাকিবের কর্মদক্ষতা বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সক্ষমতার আরেকটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। 

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড পলিমার সায়েন্স বিভাগের ১৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সাকিব যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ খাতের অন্যতম বড় প্রতিষ্ঠান ডিটিই এনার্জির বিদ্যুৎ, প্রাকৃতিক গ্যাস এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রতিষ্ঠানটি লাখো গ্রাহককে নিরবচ্ছিন্ন সেবা দেওয়ার পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন জ্বালানি প্রযুক্তির উন্নয়নেও কাজ করছে।

এমন একটি প্রতিষ্ঠানে সিনিয়র প্রকৌশলী হিসেবে ড. সাকিবের যোগদান তার দক্ষতা ও গবেষণা সক্ষমতার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বহন করে।

শাবিপ্রবির কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড পলিমার সায়েন্স বিভাগ থেকে একাডেমিক ভিত্তি গড়ে তোলা ড. সাকিব শুরু থেকেই গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনী কাজের প্রতি আগ্রহী ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে অর্জিত জ্ঞান, গবেষণাভিত্তিক প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি খাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে পৌঁছেছেন। 

তার পদায়নে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান বিশ্বে জ্বালানি খাতে প্রযুক্তিগত রূপান্তর এবং টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় দক্ষ প্রকৌশলীদের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। ড. আহমেদ নাজমুস সাকিবের এই সাফল্য বাংলাদেশের তরুণ প্রকৌশলীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

ইসফাক আলী/আজহার

গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির অগ্রণী ভূমিকা

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১২:১৮ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ১২:৩০ পিএম
গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির অগ্রণী ভূমিকা
ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ

প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ব্যবহারিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক প্রকৌশল শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ।

বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদে আধুনিক ল্যাবরেটরি, ফলাফলভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা বা Outcome-Based Education (OBE), ডিজিটাল লার্নিং প্ল্যাটফর্ম, গবেষণামুখী পরিবেশ এবং শিল্প-সংযুক্ত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

প্রকৌশল শিক্ষায় তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের বিষয় টিকে গুরুত্ব দিয়ে ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে বর্তমানে ৫৫টিরও বেশি আধুনিক ও সুসজ্জিত ল্যাবরেটরি রয়েছে।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং, মেকাট্রনিক্সসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ল্যাব কার্যক্রম, প্রজেক্ট ডিজাইন, গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর অনুশীলনের মাধ্যমে বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাচ্ছে।

বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার গুরুত্ব বিবেচনায় বিশ্ববিদ্যালয়টি একটি সমন্বিত ডিজিটাল লার্নিং প্ল্যাটফর্ম পরিচালনা করছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা লাইভ ক্লাস, লেকচার, অ্যাসাইনমেন্ট, একাডেমিক মূল্যায়ন, আলোচনা ফোরাম এবং অন্যান্য শিক্ষাসহায়ক কার্যক্রমে অংশ নিতে পারে। পাশাপাশি সমৃদ্ধ ই-লাইব্রেরির মাধ্যমে দেশি-বিদেশি গবেষণা জার্নাল, ই-বুক ও একাডেমিক প্রকাশনায় প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল শিক্ষা যুগোপযোগী কারিকুলামের পাশাপাশি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত Outcome-Based Education (OBE) কাঠামোর আলোকে পরিচালিত হয়। এই পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের শুধু পরীক্ষার ফলাফলের ওপর নয়, বরং সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা, উদ্ভাবনী চিন্তা, গবেষণার সামর্থ্য এবং পেশাগত প্রস্তুতির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের গুণগত মান নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের Institutional Quality Assurance Cell (IQAC) সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

IQAC-এর মাধ্যমে নিয়মিত একাডেমিক অডিট, পাঠদান পদ্ধতির মূল্যায়ন এবং ধারাবাহিক মানোন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষার উৎকর্ষ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে IQAC বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও সচেতনতামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করে থাকে।

ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের অন্যতম শক্তি হলো এর দক্ষ ও গবেষণামুখী শিক্ষকবৃন্দ। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০ জনের বেশি অভিজ্ঞ ও যোগ্যতাসম্পন্ন পূর্ণকালীন শিক্ষক রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৫০ জনের বেশি পিএইচডি ডিগ্রিধারী শিক্ষক ও গবেষক কর্মরত আছেন। তাঁদের শিক্ষা, গবেষণা ও একাডেমিক নেতৃত্ব শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সমৃদ্ধ শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করেছে।

ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ নিয়মিতভাবে গবেষণা কার্যক্রমে আর্থিক সহায়তা প্রদান, গবেষণা অনুদান বা Research Grant বরাদ্দ এবং বিভিন্ন গবেষণা প্রকল্পে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করে থাকে। শিক্ষক ও গবেষকদের আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা, জার্নাল প্রকাশনা, সম্মেলনে অংশগ্রহণ এবং উদ্ভাবনী উদ্যোগে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও তহবিল প্রদান করা হচ্ছে। এর ফলে গবেষণামুখী শিক্ষার পরিবেশ আরও সমৃদ্ধ হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীরাও গবেষণা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।

শিল্প-সংযোগ আরও শক্তিশালী করতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ১০০টিরও বেশি সমঝোতা স্মারক বা MoU স্বাক্ষরিত হয়েছে। এসব সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টার্নশিপ, শিল্প-সংযুক্ত প্রশিক্ষণ, যৌথ গবেষণা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কনসালটিং ফার্ম, নির্মাণপ্রতিষ্ঠান, সফটওয়্যার কোম্পানি এবং প্রযুক্তি খাতে
ইন্টার্নশিপ ও প্রকল্পভিত্তিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করছে।

নিয়মিত সেমিনার, ওয়ার্কশপ, ইন্ডাস্ট্রি ভিজিট, টেকনিক্যাল প্রতিযোগিতা এবং ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট কার্যক্রমের মাধ্যমেও শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষেত্র- উপযোগী দক্ষতা অর্জনে উৎসাহিত করা হয়।

কর্মজীবী ও ডিপ্লোমা প্রকৌশলী শিক্ষার্থীদের জন্যও বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষ একাডেমিক ব্যবস্থা রয়েছে। তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব ও সময়ের বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে শুক্রবার ও শনিবার তাত্ত্বিক ক্লাসের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ল্যাব ক্লাস পরিচালনা করা হয়। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সুবিধা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে পরিবহন সুবিধা প্রদান করা হয়।

শিক্ষার মানোন্নয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার প্রতিফলন হিসেবে ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন র‌্যাঙ্কিংয়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। WURI Ranking 2026-এ বিশ্বের উদ্ভাবনী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ১৩৩তম স্থান এবং বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ৪র্থ অবস্থান অর্জন করেছে।

পাশাপাশি Financial Impact-Driven Technology Transfer (C8) ক্যাটাগরিতে ৭ম, Digital and AI Transformation in Strategy and Management (B3) ক্যাটাগরিতে ৮ম, Funding for Sustainability (B5) ক্যাটাগরিতে ১৫তম, Future-Oriented Responses to Global Uncertainty and
Geopolitical Risk (A7) ক্যাটাগরিতে ২১তম এবং Industrial Application (A3) ক্যাটাগরিতে ২৪তম স্থান অর্জন করেছে। একইভাবে QS Asia University Rankings 2026 এবং UI GreenMetric World University Rankings 2025-এও বিশ্ববিদ্যালয়টির অর্জন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এর ক্রমবর্ধমান গ্রহণযোগ্যতা, উদ্ভাবনী সক্ষমতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক উৎকর্ষতার স্বীকৃতি বহন করে।

ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ আধুনিক অবকাঠামো, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন কারিকুলাম, গবেষণামুখী শিক্ষা, শিল্প-একাডেমিক সহযোগিতা এবং দক্ষ শিক্ষকবৃন্দের সমন্বয়ে জাতীয় ও বৈশ্বিক চাহিদা পূরণে সক্ষম প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদ তৈরির লক্ষ্যে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে।দেশের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ওমানবসম্পদ বিকাশেও বিশ্ববিদ্যালয়টি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।

বিজ্ঞপ্তি

প্রাইম ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৩য় পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১১:০৩ এএম
প্রাইম ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৩য় পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
ছবি: খবরের কাগজ

প্রাইম ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (চটঅঅ)-এর উদ্যোগে প্রাইম ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে বহুল প্রতীক্ষিত ‘৩য় পুনর্মিলনী-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়।

শুক্রবার (১২ জুন) বেলা ১১টায় এই পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়। এই পুনর্মিলনীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও ব্যাচের বিপুল সংখ্যক অ্যালামনাই অংশগ্রহণ করেন। 

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মাহমুদ হাসান নিসান, সাংগঠনিক সম্পাদক ও আবু সালেহ, ইইই বিভাগ, প্রাইম ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাইম ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী দীন মোহাম্মদ খসরু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মীর সাহাবুদ্দীন, সাবেক চেয়ারম্যান, বোর্ড অব ট্রাস্টিজ, মামুন সোবহান, সদস্য, বোর্ড অব ট্রাস্টি, ফিরোজ মাহমুদ হোসাইন, সদস্য, বোর্ড অব ট্রাস্টিজ এবং প্রফেসর ড. আবদুর রহমান, উপ-উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) ও কোষাধ্যক্ষ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রাইম ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (চটঅঅ) এর সভাপতি এস. এম. মেহেদী আকরাম। এ উপলক্ষে আয়োজিত পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে বক্তারা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের বিভিন্ন কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যালামনাইদের মধ্যে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে সংগঠনটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।

এছাড়াও খোন্দকার হাসানুজ্জামান, আহ্বায়ক, ৩য় পুনর্মিলনী আয়োজক কমিটি, গোলাম সারোয়ার, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট (চটঅঅ) এবং বিভিন্ন বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন। তারা এ ধরনের আয়োজনকে অ্যালামনাইদের পারস্পরিক যোগাযোগ, পেশাগত নেটওয়ার্কিং এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে সক্রিয় অংশগ্রহণের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উল্লেখ করেন।

দিনব্যাপী এ আয়োজনে ছিল অ্যালামনাইদের মিলনমেলা, স্মৃতিচারণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, র‌্যাফেল ড্র, সম্মাননা প্রদান এবং প্রীতিভোজ। এছাড়া জনপ্রিয় ব্যান্ড ও সংগীতশিল্পীদের পরিবেশনায় অনুষ্ঠানে যোগ হয় এক বিশেষ মাত্রা। সাংস্কৃতিক পর্বে অংশ নেয় প্রাইম ইউনিভার্সিটির সাংস্কৃতিক দল, কারার সুফি ব্যান্ড, দাগ ব্যান্ডসহ দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পীরা।

প্রাইম ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন যে, এ পুনর্মিলনী অ্যালামনাইদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি তাদের সম্পৃক্ততা ও অবদানকে আরও গতিশীল করবে।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী অ্যালামনাই, অতিথি, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও আয়োজকদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা হয়।

অন্তরা/