দুই বাংলার জনপ্রিয় তারকা জয়া আসহান। বাংলাদেশের এই অভিনেত্রী সমানতালে কলকাতার সিনেমাতেও অভিনয় করেন। পশ্চিমবঙ্গেও তার অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগী রয়েছে। এবার আলোচিত সিনেমার সিক্যুয়েল নিয়ে রুপালি পর্দায় আসছেন জয়া আহসান। এই খবরটি নিজেই জানিয়েছেন অভিনেত্রী।
২০২৩ সালে মুক্তি পেয়েছিল জয়া অভিনীত কলকাতার সিনেমা ‘অর্ধাঙ্গিনী’। এর প্রধান তিন চরিত্রে অভিনয় করেন কৌশিক সেন, চূর্ণী গাঙ্গুলী ও জয়া আহসান। সুমনের (কৌশিক) অসুস্থতাকে কেন্দ্র করে তার সাবেক স্ত্রী শুভ্রা (চূর্ণী) ও বর্তমান স্ত্রী মেঘনার (জয়া) দেখা হওয়া এবং টানাপোড়েনের গল্পকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল অর্ধাঙ্গিনী সিনেমাটি। সাধারণ দর্শক থেকে সমালোচক–সবার কাছে সমাদৃত হয় সিনেমাটি। বাণিজ্যিক ক্ষেত্রেও সফলতা পায় সিনেমাটি। এই সিনেমার গানও দুই বাংলার শ্রোতা-দর্শকদের মন জয় করে। সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় তৈরি হয়েছে এই সিনেমার সিক্যুয়েল। এর নাম ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’।
গত বছরের জুনে ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ সিনেমার শুটিং শুরু করেছিলেন জয়া আহসান। এক বছর পর নির্মাতা কৌশিক গাঙ্গুলী জানালেন, সিনেমাটি দর্শকের সামনে আসতে আর মাত্র এক মাস বাকি। আগামী ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে বহুল আলোচিত এই সিনেমাটি।
নির্মাতা কৌশিক গাঙ্গুলী গণমাধ্যমকে জানান, প্রথম পর্বের গল্প যেখানে শেষ হয়েছিল, তার বছর দুয়েক পর একটি বিয়েকে কেন্দ্র করে আবার মুখোমুখি হয় সুমন, শুভ্রা ও মেঘনা। এবারও জয়ার সঙ্গে আছেন কৌশিক সেন ও চূর্ণী গাঙ্গুলী। এ তিনজনের সঙ্গে নতুন পর্বে যুক্ত হয়েছেন ইন্দ্রাশিস রায়।
নির্মাতা বলেন, ‘তিনটি চরিত্রের অনেক না জানা কথা এবার সামনে আসবে। মেঘনার সন্তান টিকলি এখন একটু বড় হয়েছে। কিন্তু সে জানে না, সুমনের সন্তান সে নয়। সেই সত্য আরও স্পস্ট হবে এবার। মূলত বাচ্চাটিকে কেন্দ্র করেই ক্রাইসিস তৈরি হয়। সেই জায়গায় দুই অর্ধাঙ্গিনীর রাস্তা আবার মিলে যায়।’
সিনেমাটি সম্পর্কে জয়া আহসান বলেন, ‘অর্ধাঙ্গিনীতে ভীষণ পরিণত একটা গল্প ছিল। সেই সিনেমার সিক্যুয়েলের অংশ হতে পারা খুব আনন্দের। আগের সিনেমাটি দর্শক আপন করে নিয়েছিলেন। সিক্যুয়েল নিয়েও তাদের অনেক প্রত্যাশা। সেই প্রত্যাশার চেয়ে বাড়তি কিছু ফিরিয়ে দেওয়াই আমাদের চ্যালেঞ্জ। আশা করি এটিও দর্শকদের মন জয় করবে।’
সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের মাঝে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে চলচ্চিত্রপ্রেমীরা মনে করছেন সেটা পূরণ করতে পারবে গল্প, অভিনয়, নির্মাণ ও গানের মাধ্যমে।