সাম্প্রতিক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আবারও স্বাভাবিক হচ্ছে একাডেমিক পরিবেশ। শিক্ষকদের পরামর্শে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর থেকে পুরোদমে ক্লাস-পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এবং শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতারের সভাপতিত্বে সিনেট কক্ষে এক মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য ও ফটোগ্রাফি শাখার প্রশাসকের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
সভায় উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার বলেন, “শিক্ষার্থীরা যাতে কোনো ভুল তথ্যে প্রভাবিত না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। সাম্প্রতিক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা নিবৃত্ত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আন্তরিক ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়নি, বরং ক্যাম্পাসের পাশের গ্রামে এই নির্দেশনা ছিল।” তিনি শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে একাডেমিক কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান বলেন, “শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ সকলের সহযোগিতা খুবই প্রয়োজন।” তিনি সব বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের সভাপতি ও পরিচালককে দ্রুত একাডেমিক কমিটির বৈঠক করে ক্লাস-পরীক্ষা চালুর অনুরোধ জানান।
অন্যদিকে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. কামাল উদ্দিন বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শিক্ষার্থীবান্ধব কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। আগামী রবিবার থেকে একাডেমিক কার্যক্রম পুরোদমে চালু করতে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।”
সভায় উপস্থিত শিক্ষক, ডিন, প্রভোস্ট ও কর্মকর্তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম সচল রাখতে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন। তারা মনে করেন, শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা অপরিহার্য।
এসএন/