সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধির দাবি করে আগামী ১২ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত সরকারকে সময় বেঁধে দিয়েছেন চাকরিপ্রত্যাশী একদল সাধারণ শিক্ষার্থীরা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে সারাদেশে কঠোর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারিও দেন তারা।
শনিবার (৪ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতিতে চাকরিপ্রত্যাশী সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দের ব্যানারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী শরিফুল হাসান শুভ বলেন, ‘সাম্প্রতিক বিভিন্ন অস্থিরতা, সেশন জট এবং অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির ফলে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ে শিক্ষাজীবন সম্পন্ন করতে পারেনি। ফলে তারা সরকারি চাকরিতে আবেদন করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, যা অত্যন্ত অন্যায় ও বৈষম্যমূলক।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি তার ৩১ দফা ইশতেহারের ২৩ তম দফা অর্থাৎ আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সর্বনিম্ন বয়সসীমা ৩৫ বছর বৃদ্ধি করার বিষয়ে বর্তমান সরকার প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী’র সম্মতি থাকা সত্ত্বেও সরকারের পক্ষ থেকে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যায়নি। আশ্বাস, সুপারিশ থাকা সত্বেও আমাদের দাবির বিষয়টি আলোর মুখ দেখেনি বরং বার-বার প্রতারিত হয়েছি।’
আলটিমেটাম দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ওই শিক্ষার্থী বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা অস্থায়ীভাবে সর্বনিম্ন ৩৭-৪০ বছর এবং স্থায়ীভাবে সর্বনিম্ন আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ৩৫ বছর বৃদ্ধি করতে সরকারকে এপ্রিল মাসের ১২ তারিখ পর্যন্ত আলটিমেটাম দেওয়া হচ্ছে। অন্যথায় সারা বাংলাদেশের চাকরির প্রত্যাশী শিক্ষার্থীদের নিয়ে কঠোর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।’
আরিফ জাওয়াদ/নাঈম