দিনাজপুরের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যন্ত্রাংশ ক্রয়সংক্রান্ত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে দিনাজপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এই অভিযান পরিচালিত হয়l
দিনাজপুর দুর্নীতি দমন কমিশন সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেনের নেতৃত্বে এনফোর্সমেন্ট টিম এই ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করে।
সম্প্রতি দিনাজপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের বেশ কিছু যন্ত্রাংশ কেনার পাশাপাশি প্রশিক্ষণার্থীদের ভর্তি ফিসহ বেশ কিছু ক্ষেত্রে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রাথমিকভাবে সত্যতা পেয়েছে দুদক।
এক পর্যায়ে আভিযানিক দলের প্রধান ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে দিনাজপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে মালামাল ক্রয় ও ছাত্রছাত্রী ভর্তি সংক্রান্ত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের প্রেক্ষিতে এনফোর্সমেন্ট টিম অভিযান পরিচালনা করে।’
অভিযানের শুরুতে দিনাজপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ মাসুদ রানার সঙ্গে সাক্ষাতের চেষ্টা করলেও তাকে কার্যালয়ে পাওয়া যায়নি বলে জানান ইসমাইল হোসেন।
তিনি বলেন, ‘ ইলেকট্রিক্যাল ডিপার্টমেন্টে গিয়ে একটি মেটাট্রনিক ইন্টিগ্রেশন ট্রেনিং যন্ত্র উদ্ধার করি। টেন্ডারে যন্ত্রটি মেইড ইন চায়না উল্লেখ থাকলেও আসল যন্ত্রটি মেড ইন বাংলাদেশ।এমনকি যন্ত্রটি অচল।’
অভিযানে আরও বেশ কয়েকটি যন্ত্র কেনার ক্ষেত্রে অনিময়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে দুদক।
২০০৬ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ মাসুদ রানা দায়িত্ব পালন করেছেন বলে জানা গেছে।
দুদক জানায় এই সময়কালে প্রায় তিন কোটি টাকার অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গেছে।
তদন্তের প্রতিবেদন দ্রুত দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হবে বলে জানান ইসমাইল।
সুলতান মাহমুদ/নাইমুর/