ঢাকা ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
টেকনাফে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মোটরসাইকেল শোডাউন অতিথির স্মৃতি গল্প থেকে ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১২তম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা হরমুজে ইরানের ড্রোন উৎক্ষেপণ, পাল্টা রাডার সাইট লক্ষ্যবস্তু করল যুক্তরাষ্ট্র চাক্তাই খালে নির্মাণাধীন সেতুর ধীরগতি সহ্য করা হবে না: চসিক মেয়র ডেঙ্গু প্রতিরোধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী আর্জেন্টিনার জার্সি পরলেই দাঁতের চিকিৎসা ফ্রি! ঘাঘট নদীতে গোসলে নেমে বেরোবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু সাতকানিয়ায় কৃষিজমি ও পাহাড় রক্ষায় অবৈধ ইটভাটা বন্ধের দাবি বরগুনায় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু হাতিয়ায় ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ জমি নিয়ে বিরোধে রণক্ষেত্র খুলশি, আহত ১০ ফটিকছড়িতে মনজুর-সনিসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা কুয়েত ও বাহরাইনে ৭টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান সোনারগাঁয় বাবার মৃত্যুর খবর দিতে গিয়ে ছেলের ঝুলন্ত মরদেহের সন্ধান এআই মামলা: ডিএমপি মাত্র দুটি নম্বর থেকে এসএমএস পাঠায়, অন্যগুলো ভুয়া ঈশ্বরগঞ্জে বসতঘর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার হরিপুর সীমান্তে বিএসএফের হাতে দুই বাংলাদেশি আটক লালমনিরহাটে ৩ সীমান্ত পয়েন্টে পুশইন ব্যর্থ, লোকজন ফিরিয়ে নিল বিএসএফ ইতিহাস, সৌন্দর্য আর প্রশান্তির পরভো শহরে এক দিন চন্দনাইশে দ্রুতগামী অটোরিকশার ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যু রাসুল (সা.) এর খাদ্য তালিকায় কেন দুধ ছিল সেরা নওগাঁ সীমান্তে ১৭ ব্যক্তিকে শূন্যরেখা থেকে সরিয়ে নিল বিএসএফ গাইবান্ধায় দুই ভুয়া সরকারি কর্মকর্তা গ্রেপ্তার মাইজদীতে কিশোর গ্যাংয়ের ১৮ সদস্যকে পুলিশে দিল ছাত্রদল রংপুরে মাদকমুক্ত সামজ গঠনে শিক্ষার্থীদের শপথ অবৈধ বিদেশিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে: রণধীর জয়সওয়াল মহেশখালীতে হিটস্ট্রোকে জেলের মৃত্যু কিমের আমন্ত্রণে উ. কোরিয়া সফরে যাচ্ছেন শি জিনপিং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা: ইসরায়েলের হাতে বিকল্প কী লতাপাতায় ঢাকা ২ কোটি টাকার সেতু, পাঁচ বছরেও শেষ হয়নি প্রকল্প
Nagad desktop

অস্তিত্বসংকটে গড়াই

প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৯:৩০ এএম
অস্তিত্বসংকটে গড়াই
কুষ্টিয়ার কুমারখালী পৌরসভার বর্জ্য গড়াই নদীতে ফেলা হয়েছে। কুমারখালী পৌর এলাকা থেকে তোলা। ছবি: খবরের কাগজ

গড়াই নদীকে বলা হয় মিঠাপানির আধার। নদী সংশ্লিষ্টদের মতে, কুষ্টিয়া অঞ্চল থেকে সুন্দরবন এবং এর জীববৈচিত্র্য ধরে রাখতে গড়াই নদীর ভূমিকা অপরিসীম। এ জন্য মিঠাপানির আধার এই নদীকে প্রকৃতির আশীর্বাদ হিসেবে ধরা হয়। তাই এই নদীকে বাঁচাতে গেল কয়েক বছরে দফায় দফায় হাজার কোটি টাকা খরচ করে খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়। গড়াইকে রক্ষায় বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে সরকার। কিন্তু তাতে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। একদিকে প্রভাবশালী মহলের কালো থাবায় নদী দখল হচ্ছে। অন্যদিকে কুষ্টিয়া ও কুমারখালী পৌরসভার বর্জ্যসহ বিভিন্ন কল-কারখানার বর্জ্য সরাসরি নদীতে ফেলা হচ্ছে। এতে নদীটি ব্যাপক হারে দূষিত হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে নদীতে ভরা যৌবন থাকলেও খনন কাজের অনিয়মের কারণে শুকনা মৌসুমে খরস্রোতা নদীটি মরা খালে পরিণত হয়।

কুষ্টিয়া জেলার হরিপুর ইউনিয়নের প্রবাহমান প্রমত্তা পদ্মা নদী থেকে গড়াইয়ের উৎপত্তি। গড়াই নদী দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের মিঠাপানির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস। দখলে-দূষণের কারণে একসময়ের প্রমত্তা নদী দিন দিন তার অস্তিত্ব হারাচ্ছে। অথচ এই অঞ্চলের প্রকৃতি, জীবনযাত্রা এবং সংস্কৃতিতে নদীটির রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা।

কুষ্টিয়া শহরের হরিপুর গড়াই নদী এলাকায় ছোট থেকে বেড়ে উঠেছেন সাংবাদিক ও সমাজকর্মী হাসান আলী। তিনি বলেন, ‘একসময় এই নদীর গভীরতা ছিল। বাণিজ্যিক কাজেও এই নদীর ভূমিকা ছিল। কিন্তু পলি এবং বালু জমে এর গভীরতা নষ্ট হতে থাকে। নদীর গতিপথে বাধা সৃষ্টি হয়। নদী রক্ষার দায়িত্বে থাকা কর্তাব্যক্তিরা সময় মতো ব্যবস্থা না নেওয়ায় এক শ্রেণির মানুষ নদী এলাকায় স্থাপনা নির্মাণ করতে শুরু করেন। তখন থেকে শুরু হয় নদীর পাড় দখল। আবার অনিয়মের কারণে নদীর খননকাজ সঠিক না হওয়ায় দিন দিন নদীটি মরে যেতে বসেছে। এই নদীকে ঘিরে বহু মানুষের জীবিকা ছিল। যা দিনে দিনে নদীর মতোই হারিয়ে যেতে বসেছে। কিন্তু এগুলো দেখার মতো কেউ নেই।’

নদীর তীরবর্তী এলাকা অর্থাৎ কুষ্টিয়া সদরের কিছু অংশ, কুমারখালী আর খোকসা উপজেলা ঘিরে গড়ে উঠেছে অর্ধশত ডায়িং কারখানা। এসব কারখানার কোনো বর্জ্যশোধনাগার ব্যবস্থা নেই। কারখানার অপরিশোধিত রাসায়নিক মিশ্রিত বর্জ্য সরাসরি গড়াই নদীতে ফেলা হয়। এ ছাড়াও কুমারখালী ও খোকসা উপজেলায় ভালো ড্রেনেজব্যবস্থা না থাকায় শিল্পকারখানা ছাড়াও গড়াই নদী দূষণের অন্যতম কারণ শহরের বর্জ্য। সচেতনতার অভাবে নদীতীরের মানুষরা প্রতিদিন সেখানে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য ফেলছেন।
 
এদিকে কুষ্টিয়া শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে কয়েক বছর আগে ‘স্টিপ-টু’ প্রকল্পের আওতায় পৌরসভা ৫টি পয়োনিষ্কাশন ড্রেন নির্মাণ করে। ড্রেনের মুখ গড়াই নদীতে সংযুক্ত করা হয়। পৌর এলাকায় ৪ লক্ষাধিক মানুষের বসবাস। কিছু বাসাবাড়ির টয়লেটসহ বিভিন্ন বর্জ্য ফেলার চ্যানেল পৌরসভার এই ড্রেনে সংযুক্ত হয়েছে। এসব বাসাবাড়ি ছাড়াও শহরের কল-কারখানা, হাসপাতাল, ক্লিনিক, হাট-বাজারসহ প্রায় সব ধরনের বর্জ্য প্রতিনিয়ত গড়াই নদীতেই আছড়ে পড়ে। এতে সরকারের গড়াই নদী রক্ষার প্রকল্প ভেস্তে যেতে বসেছে। নদী হারাচ্ছে তার স্বাভাবিক নাব্য। দূষিত হয়ে পানি থেকে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। বিভিন্ন প্রজাতির মাছসহ হুমকির মুখে পড়েছে জীববৈচিত্র্য।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরিবেশবিদ গৌতম কুমার রায় বলেন, ‘দখলের মাধ্যমে গড়াইকে ছোট করে ফেলা হচ্ছে। আবার এই নদী থেকে প্রতিনিয়ত অবৈধভাবে বালু তোলা হচ্ছে। সেই সঙ্গে বিভিন্ন কল-কারখানার বর্জ্য নদীতে ফেলা হচ্ছে। এতে করে নদীটিকে সরাসরি হত্যা করা হচ্ছে। আবার বালু উত্তোলনের ফলে নদীর তলদেশে গঠন দুর্বল হয়ে নড়ে যাচ্ছে। ফলে দেখা দিচ্ছে নদী ভাঙন।’
নদী নিয়ে কাজ করে ‘নদী পরিব্রাজক দল’। সংগঠনটির সভাপতি খলিলুর রহমান মজু বলেন, ‘বিভিন্ন কারণে আমাদের এই নদীটি দূষণ হচ্ছে। এ বিষয়ে আমরা বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে কথা বলেছি। স্মারকলিপি দিয়েছি। তারপরও নদী দূষণের বিষয়ে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।’ 

কুষ্টিয়ার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাশিদুর রহমান বলেন, ‘নদীর নাব্য ফেরাতে সরকার ড্রেজিংয়ের মতো বেশ কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছিল। সেগুলোর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। আর অবৈধ দখল বলতে যা বোঝায়- সেগুলো এক নম্বর খতিয়ানভুক্ত। যার উচ্ছেদ করা আমাদের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না। তবে জেলা প্রশাসন যখন এসব বিষয়ে পদক্ষেপ নেন তখন আমরা তাদের সহযোগিতা করে থাকি।’

টেকনাফে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মোটরসাইকেল শোডাউন

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১২:১০ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ১২:১১ পিএম
টেকনাফে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মোটরসাইকেল শোডাউন
ছবি: খবরের কাগজ

ফুটবলপ্রেমীদের উৎসবমুখর অংশগ্রহণে কক্সবাজারের টেকনাফে অনুষ্ঠিত হয়েছে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য বাইক শোডাউন ও কনসার্ট। এ অনুষ্ঠানে অংশ নেন শতাধিক মোটরসাইকেল আরোহী ও বিপুলসংখ্যক দর্শক।

শুক্রবার (৫ জুন) দুপুর ২টায় টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রার মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের পতাকা, জার্সি ও বিভিন্ন ব্যানার নিয়ে শোভাযাত্রাটি টেকনাফ স্থলবন্দর এলাকা থেকে শুরু হয়ে মেরিন ড্রাইভ সড়ক প্রদক্ষিণ করে নির্ধারিত স্থানে গিয়ে শেষ হয়।

বাইক শোডাউন শেষে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কনসার্ট। এতে কক্সবাজারের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ইফতি ও সংগতি সঙ্গীত পরিবেশন করেন। তাদের প্রাণবন্ত পরিবেশনায় উপস্থিত দর্শক, ফুটবলপ্রেমী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যায়। গান, সঙ্গীত ও আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় এক মিলনমেলায়।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে সাবেক ফুটবল খেলোয়াড় হেলাল উদ্দিন জানান, খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে তরুণ সমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করা এবং সুস্থ বিনোদনের পরিবেশ গড়ে তোলাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

শাহীন/আমান

ঘাঘট নদীতে গোসলে নেমে বেরোবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১১:৩১ এএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ১২:০১ পিএম
ঘাঘট নদীতে গোসলে নেমে বেরোবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু
ছবি: খবরের কাগজ

রংপুরের ঘাঘট নদীতে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী শিহাব শাহরিয়ারের মৃত্যু হয়েছে।

শিহাব শাহরিয়ার বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সহসভাপতি ছিলেন।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (৫ জুন) শিক্ষার্থী শিহাব তার তিন বন্ধুর সঙ্গে রংপুর নগরীর পানবাড়ি ব্রিজসংলগ্ন ঘাঘট নদীতে গোসল করতে নামেন। একপর্যায়ে তিনি পানিতে তলিয়ে যান। তার বন্ধুরা সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও শিহাবকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।

ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিহাবকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শিহাবের বাড়ি রংপুরের দর্শনা এলাকায়। তার আকস্মিক মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। 

এদিকে শিহাবের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলী। তিনি বলেন, শিহাবের অকাল মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তিনি শুধু একজন মেধাবী শিক্ষার্থীই ছিলেন না, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়াঙ্গনেও তার অবদান ছিল প্রশংসনীয়। তার এমন আকস্মিক চলে যাওয়া পরিবার, সহপাঠী ও বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মোহসীনা আহসান-ও শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি মৃতের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

আজম হোসেন/তামান্না রুপা/

সাতকানিয়ায় কৃষিজমি ও পাহাড় রক্ষায় অবৈধ ইটভাটা বন্ধের দাবি

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১১:২২ এএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ১১:৫৭ এএম
সাতকানিয়ায় কৃষিজমি ও পাহাড় রক্ষায় অবৈধ ইটভাটা বন্ধের দাবি
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় প্রতিনিয়ত কৃষিজমি ও পাহাড় কেটে পরিবেশ ধ্বংসের জন্য দায়ী অবৈধ ইটভাটা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল ১০টায়  উপজেলার পশ্চিম ছনখোলা গ্রামের সর্বস্তরের জনসাধারণের ব্যানারে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

এ সময় শতাধিক এলাকাবাসী ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে মানববন্ধনে অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- মোস্তাফিজুর রহমান, অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম, মোকতার আহমেদ, আক্কাস উদ্দিন ও খালেদ হোসাইন খোকনসহ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, 'স্থানীয়ভাবে পাহাড়খেকো হিসেবে পরিচিত বেশ কয়েকজন অবৈধ ইটভাটার মালিক প্রতিনিয়ত কৃষিজমির উপরিভাগের মাটি (টপসয়েল) ও পাহাড় কেটে পরিবেশ ধ্বংস করছেন। অথচ এই ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখেও উপজেলা প্রশাসন রহস্যজনকভাবে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন। ফসলি জমি ও পরিবেশ রক্ষায় এসব অবৈধ ইটভাটা দ্রুত সময়ের মধ্যে বন্ধের পাশাপাশি দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে'।

অভিযোগে আরও বলেন, 'মাঝেমধ্যে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযান পরিচালনা করা হলেও পরবর্তীতে অবৈধ ইটভাটার মালিকরা আরও বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠেন। মাটি কাটার ভয়াবহ চিত্র, পাহাড়খেকোদের তাণ্ডবের বিষয়ে ইতোমধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু তিনি এখনো পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেননি।

পরিশেষে বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অবৈধ ইটভাটাগুলোতে ইট তৈরির জন্য দেদারসে ফসলি জমি ও পাহাড় কাটার ফলে পরিবেশে মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। সংশ্লিষ্ট প্রশাসন যদি অনতিবিলম্বে এসব অবৈধ ইটভাটা বন্ধ না করে, তাহলে এলাকাবাসী পরিবেশ রক্ষায় বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।
  
সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খোন্দকার মাহমুদুল হাসান বলেন, 'অবৈধভাবে ফসলি জমি ও পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। ইতোমধ্যে ছনখোলা এলাকায় পাহাড় কাটার দায়ে বেশ কয়েকজনকে জরিমানার পাশাপাশি চট্টগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের মাধ্যমে মামলাও করা হয়েছে। যারা এসব অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে'।

আরিফুল ইসলাম/খাদিজা রুমি/

বরগুনায় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১১:১৭ এএম
বরগুনায় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু
খবরের কাগজ ইনফোগ্রাফ

বরগুনা সদর উপজেলায় বজ্রপাতে মো. মহিউদ্দিন নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে বরগুনা-পূরাকাটা মূল সড়কের পাশে মস্তুরটোনা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. মহিউদ্দিন বরগুনা সদর উপজেলার দক্ষিণ ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের কদমতলা বাজার এলাকার বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিজের কৃষিজমিতে কাজ করছিলেন মহিউদ্দিন। এ সময় হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয় এবং তিনি বজ্রাঘাতের শিকার হন।

গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল আলীম বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মহিউদ্দিন/আমান

জমি নিয়ে বিরোধে রণক্ষেত্র খুলশি, আহত ১০

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ১১:০৮ এএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ১১:৩০ এএম
জমি নিয়ে বিরোধে রণক্ষেত্র খুলশি, আহত ১০
মারমুখী অবস্থানে দুপক্ষ। ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী হিলভিউ ও ফয়’জ লেক-সংলগ্ন এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ছুরিকাঘাতে অন্তত ৮ থেকে ১০ জন আহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৫ জুন) রাতে দুই ঘণ্টাব্যাপী চলা এই সংঘর্ষে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।​ 

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফয়’জ লেক এলাকার একটি বিরোধপূর্ণ জমিতে দেয়াল নির্মাণ ও তা ভাঙা নিয়ে শুক্রবার রাতে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে খুলশী ও আকবর শাহ থানা পুলিশ এবং অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ ও স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালসহ বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে পাঠায়।

চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের শরীরে গুরুতর ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে।​

ঘটনাস্থলে উপস্থিত চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) উত্তর বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) আমিরুল ইসলাম খবরের কাগজকে বলেন, ফয়’জ লেক ও এর আশপাশের কিছু বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে খুলশী ও আকবর শাহ এলাকার দুটি পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

​তিনি আরও জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ শক্ত অবস্থান নেয় এবং উভয় পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এই ঘটনার পেছনে কারা নেতৃত্ব দিয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইফতেখারুল ইসলাম/থিও/