কবিতা : শিক্ষাগুরুর মর্যাদা
(গত ১৪ সেপ্টেম্বর প্রকাশের পর)
বর্ণনামূলক প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন: একদিন সকালে বাদশাহ কী দেখতে পেলেন?
উত্তর: একদিন সকালে বাদশাহ আলমগীর দেখলেন, শাহজাদা তার শিক্ষকের পায়ে পানি ঢালছে, আর শিক্ষক নিজ হাতে পায়ের ধুলা ধুয়ে-মুছে সাফ করছেন।
প্রশ্ন: ‘প্রাণের চেয়েও মান বড়’- শিক্ষক এ কথা বললেন কেন?
উত্তর: একদিন সকালে বাদশাহ দেখেন আলমগীরের পুত্র শিক্ষকের পায়ে পানি ঢেলে দিচ্ছে আর শিক্ষক নিজ হাতে পা ধুয়ে সাফ করছেন। বাদশাহকে দেখে শিক্ষক ভীত হন। তার ভাবনা হলো, বাদশাহ নিশ্চয়ই তাকে চরম শাস্তি দেবেন। কিন্তু পরক্ষণে তার ভাবনা পাল্টে গেল। তিনি ভাবলেন, শিক্ষকের সম্মান সবার উপরে। প্রাণ যায় যাক। প্রাণের চেয়েও মান বড়।
প্রশ্ন: শিক্ষক কী বলে বাদশাহর সুনাম করলেন?
উত্তর: একদিন সকালে বাদশাহ আলমগীরের পুত্র শিক্ষকের পায়ে পানি ঢেলে দিচ্ছিল আর শিক্ষক নিজ হাতে পা সাফ করছিলেন। এ দৃশ্য বাদশাহ আলমগীর দেখেন। ফলে শিক্ষক মনে মনে ভয় পান এটা ভেবে, এমন স্পর্ধার কাজ কেউ কোনো দিন করেনি। কিন্তু পরক্ষণে তিনি মন থেকে ভয় মুছে ফেলেন এই ভেবে, ‘প্রাণের চেয়েও মান বড়’। তার পরদিন সকালে বাদশাহ আলমগীর শিক্ষককে ডেকে জানান তার পুত্র গুরুজনদের সম্মান করতে শেখেনি। তার পুত্র কেন নিজ হাতে শিক্ষকের পা ধুয়ে দেয়নি, এ জন্য বাদশাহ ব্যথিত হন। এ কথা শুনে শিক্ষক বলেন-
‘আজ হতে চির উন্নত হলো শিক্ষাগুরুর শির
সত্যই তুমি মহান উদার বাদশাহ আলমগীর।’
আরো পড়ুন : শিক্ষাগুরুর মর্যাদা কবিতার ২টি বর্ণনামূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা
প্রশ্ন: ক্ষ, স্ব, স্ম, স্ত-এর প্রত্যেকটি যুক্ত বর্ণ বিভাজন করো এবং যুক্ত বর্ণ ব্যবহার করে তিনটি করে শব্দ লেখ।
উত্তর: ক্ষ = ক্ + ষ।
শব্দ- ক্ষয়, শিক্ষা, সক্ষম।
স্ব = স্ + ব-ফলা।
শব্দ- স্বপ্ন, স্বার্থ, স্বস্তি।
স্ম = স্ +ম-ফলা।
শব্দ- স্মরণ, স্মৃতি, বিস্মিত।
স্ত্র = স্ + ত্ + র।
শব্দ- সশস্ত্র, অস্ত্র, ইস্ত্রি।
প্রশ্ন: বাদশাহ আলমগীর শিক্ষককে প্রথমে কী বললেন?
উত্তর: কবি কাজী কাদের নেওয়াজের ‘শিক্ষাগুরুর মর্যাদা’ কবিতায় বাদশাহ আলমগীরের মহানুভবতার পরিচয় পাওয়া যায়। একদিন সকালে বাদশাহ দেখেন তার পুত্র শিক্ষকের পায়ে পানি ঢেলে দিচ্ছে। শিক্ষক নিজ হাতে পা সাফ করছেন। এ দৃশ্য দেখে বাদশাহ আলমগীর পরদিন সকালে দূত মারফত শিক্ষককে কেল্লায় ডেকে নিয়ে যান। আর বললেন, তার পুত্র গুরুজনদের সম্মান করতে শেখেনি। তার পুত্র কেন নিজ হাতে শিক্ষকের পা ধুয়ে দেয়নি, এ জন্য বাদশাহ ব্যথিত হন।
লেখক : সহকারী শিক্ষক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বসুন্ধরা শাখা, ঢাকা
কবীর