ঢাকা ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ধামরাইয়ে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে এসে প্রেমিকার আত্মহত্যা শাবিপ্রবিতে ৩২৫ গবেষকের অংশগ্রহণে ওশেনোগ্রাফি বিভাগের সিম্পোজিয়াম আর্জেন্টিনার উত্তাপে গলে গেল আইসল্যান্ড ক্যাম্প থেকে পালিয়ে সীমান্তে মাছ ধরায় ১৯ রোহিঙ্গা আটক বাড়ছে না বিড়ির দাম সারাদেশে মাঝারি ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপোতে অংশ নেবে বিসিসিসিআই ইসলামী ব্যাংকের সিআরআরে বড় ধরনের ঘাটতি আক্কেলপুরে একদিনে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার একদিনেই বদলে গেল চবির দুই উপ-উপাচার্য কক্সবাজারে মা-মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৬ রাজশাহীতে বর্ষার আগেই ডেঙ্গুর অশনিসংকেত বিদেশি কোচদের চোখে নতুন ইতিহাস ল্যাবএইডে ডেঙ্গুবিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত আবেগের বিয়েতে ঝুঁকিতে পড়ছে মেয়েরা শখ থেকে স্বাবলম্বী গৃহবধূ, ঘরের ছাদ যেন ক্যাকটাস রাজ্য ইসরায়েলের সামরিক অভিযান: লেবাননে সাড়ে ৩ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত ইসরায়েলি কারাগারে বন্দিদের ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতন বরিশাল বিভাগে ৫ বছরে নদীগর্ভে বিলীন ১২০ বর্গ কিমি ভুট্টা চাষে বিপর্যয়, চাষিদের স্বপ্ন এখন পচে-গলে পড়ে আছে মাঠে বড় বাজেট, বড় ঘাটতি, বড় চ্যালেঞ্জ ১০ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ১০ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল সিলেটে নামকরণ-নামহরণ চলছেই! ঢাবি পড়ুয়া জন্মান্ধ রাজিয়ার বেঁচে থাকার সংগ্রাম ১০ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি পটিয়ায় যুবক খুন কাপ্তাই হ্রদে ডুবে চবি শিক্ষার্থীর  মৃত্যু জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁতীদলের আলোচনা সভা সরকারি বাঙলা কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা ১০ জুলাই
Nagad desktop

অব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের হিসাব অধ্যায়ের ৮টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, দ্বাদশ শ্রেণির হিসাববিজ্ঞান ২য় পত্র

প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৫, ০৫:০৬ পিএম
অব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের হিসাব অধ্যায়ের ৮টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, দ্বাদশ শ্রেণির হিসাববিজ্ঞান ২য় পত্র
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- সংগৃহীত

প্রথম অধ্যায় : অব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের হিসাব

(গত ৭ অক্টোবর প্রকাশের পর)

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

৩৫। অব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের নগদ অর্থের প্রবাহ জানার জন্য নিচের কোনটি প্রস্তুত করে?
ক) আয়-ব্যয় বিবরণী    
খ) লাভ-ক্ষতি বিবরণী
গ) প্রাপ্তি ও প্রদান হিসাব    
ঘ) নগদ প্রবাহ বিবরণী

৩৬। চলতি বছরের চাঁদা প্রাপ্তি ৫,০০০ টাকা এবং অগ্রিম চাঁদা প্রাপ্তি ৩,০০০ টাকা হলে, প্রাপ্তি ও প্রদান হিসাবে চাঁদা হিসেবে কত টাকা দেখানো হবে?
ক) ২,০০০ টাকা    
খ) ৩,০০০ টাকা
গ) ৫,০০০ টাকা    
ঘ) ৮,০০০ টাকা

৩৭। একটি সমিতির সদস্য সংখ্যা ১০০ জন। মাথাপিছু চাঁদার পরিমাণ ৫০ টাকা এবং কোনো এক বছরের প্রাপ্ত চাঁদার পরিমাণ ৮,০০০ টাকা। এতে বিগত বছরের বকেয়া চাঁদা ৭০০ টাকা আছে এবং আগামী বছরের প্রাপ্ত চাঁদাও আছে। অগ্রিম চাঁদার পরিমাণ কত?
ক) ২,৩০০ টাকা    
খ) ৩,৭০০ টাকা
গ) ৫,৩০০ টাকা    
ঘ) ৫,৫০০ টাকা

৩৮। ২/৩ অংশ ভাড়া প্রদান ৭,৫০০ টাকা হলে ভাড়া বাবদ খরচ কত দেখানো হবে?
ক) ৮,০০০ টাকা    
খ) ৯,০০০ টাকা
গ) ১১,২৫০ টাকা    
ঘ) ১২,০০০ টাকা

৩৯। প্রাপ্তি প্রদান হিসাবের সমাপনী জের বলতে বোঝায়-
i. হাতে নগদের উদ্বৃত্ত
ii. ব্যাংক জমার উদ্বৃত্ত
iii. আয় বা ক্ষতি
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii         খ) i ও iii
গ) ii ও iii        ঘ) i, ii ও iii

আরো পড়ুন : অব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের হিসাব অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, দ্বাদশ শ্রেণির হিসাববিজ্ঞান ২য় পত্র

৪০। মূলধন জাতীয় প্রাপ্তি হলো-
i. আজীবন সভ্যের চাঁদা
ii. চাঁদা
iii. ঋণ গ্রহণ
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii         খ) i ও iii
গ) ii ও iii        ঘ) i, ii ও iii

৪১। মুনাফা জাতীয় ব্যয় হলো-
i. বেতন
ii. আপ্যায়ন খরচ
iii. খবরের কাগজ বিক্রয়
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii        খ) i ও iii
গ) ii ও iii        ঘ) i, ii ও iii

৪২। স্বপ্নচারী ডিবেটিং ক্লাব ০১-০৫-২০২৫ তারিখে তার সদস্যদের কাছ থেকে চাঁদা বাবদ ১,০০,০০০ টাকা পেল। ওই চাঁদা প্রাপ্তির ফলে প্রতিষ্ঠানের-
i. সম্পদ বাড়বে    
ii. দায় বাড়বে
iii. মূলধন তহবিল বাড়বে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও ii        খ) i ও iii
গ) ii ও iii        ঘ) i, ii ও iii

উত্তর: ৩৫. গ, ৩৬. ঘ, ৩৭. ক, ৩৮. গ, ৩৯. ক, ৪০. খ, ৪১. ক, ৪২. খ।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, হিসাববিজ্ঞান বিভাগ
সিদ্ধেশ্বরী কলেজ, ঢাকা

কবীর

জীবের আবাসস্থল অধ্যায় থেকে ১টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৩:৩১ পিএম
জীবের আবাসস্থল অধ্যায় থেকে ১টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান
স্থলজ উদ্ভিদ। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত


প্রথম অধ্যায় : জীবের আবাসস্থল 

অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর 

প্রশ্ন: সামুদ্রিক পরিবেশের প্রাণীদের অভিযোজনের ক্ষেত্রগুলো কী কী? উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: সামুদ্রিক পরিবেশের প্রাণীদের অভিযোজনের ক্ষেত্রগুলো হলো–
i. লবণাক্ত পানি ও প্রবল চাপ সহ্য করার অভিযোজন
উদাহরণ: সামুদ্রিক মাছ।
সমুদ্রের পানি লবণাক্ত এবং এর গভীর পানিতে চাপ বেশি থাকে। সামুদ্রিক মাছ এসব প্রতিকূল অবস্থার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম। এদের দেহের ভেতরের গঠন এমনভাবে অভিযোজিত যে লবণাক্ত পরিবেশেও তারা স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকতে পারে।
ii. দেহের গঠনের অভিযোজন।
উদাহরণ: সামুদ্রিক মাছ।
সামুদ্রিক মাছের দেহ মাঝখানে চওড়া এবং মাথা ও লেজের দিকে সরু হয়। মাছের এই ধরনের দেহগঠন পানির মধ্যে সহজে চলাচল করতে এবং প্রবল স্রোতের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে সাহায্য করে।

আরো পড়ুন : জীবের আবাসস্থল অধ্যায় থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান

iii. পাখনা ও লেজের অভিযোজন
উদাহরণ: সামুদ্রিক মাছ।
সামুদ্রিক মাছের পাখনা ও লেজ শক্তিশালী হয়। এগুলো মাছকে দ্রুত সাঁতার কাটতে এবং দিক পরিবর্তনে সাহায্য করে।
iv. দীর্ঘ সময় বাতাস ধরে রাখার অভিযোজন
উদাহরণ: তিমি ও ডলফিন।
সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণীদের ফুসফুস দীর্ঘ সময় ধরে বাতাস জমা রাখতে পারে। এর ফলে তারা দীর্ঘ সময় পানির নিচে অবস্থান করতে পারে এবং প্রয়োজনে উপরে উঠে আবার শ্বাস নেয়।
v. আত্মরক্ষা ও শিকারের অভিযোজন
উদাহরণ: বিভিন্ন সামুদ্রিক প্রাণী।
সামুদ্রিক পরিবেশের কিছু প্রাণী আত্মরক্ষা ও শিকারের জন্য আলো, রং পরিবর্তন এবং বিষাক্ত তরল ব্যবহার করতে পারে। এসব অভিযোজন তাদের শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করে এবং খাদ্য সংগ্রহে সাহায্য করে।

লেখক : সাবেক শিক্ষক
ফকিরের,পুল সরকারি প্রাথমিক, বিদ্যালয়, ঢাকা

কবীর

ছয় বিষয়ের অনার্স কোর্স কি আসলেই বাতিল হচ্ছে? যা জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০১:১৩ পিএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ০১:৪৮ পিএম
ছয় বিষয়ের অনার্স কোর্স কি আসলেই বাতিল হচ্ছে? যা জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
ডা. জাহেদ উর রহমান

বাংলা, ইতিহাস দর্শনসহ ছয়টি বিষয়ে অনার্স (সম্মান) কোর্স বাতিল হতে পারে বলে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের বিষয়ে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি জানান, সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানোর আগ পর্যন্ত এই খবরটিকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

মঙ্গলবার ( জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘এই বিষয়গুলোতে অনার্স থাকবে না, আমি এমনটা মনে করি না। তবে এগুলো কতগুলো জায়গায় বা কয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ে রাখা হবে, তা নিয়ে আলোচনা হতেই পারে।’

দেশের কর্মসংস্থান দক্ষ জনগোষ্ঠীর প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, প্রতি বছর দেশে প্রায় ২১ থেকে ২২ লাখ মানুষ কর্মবাজারে প্রবেশ করেন। কিন্তু সরকারি বেসরকারি খাত মিলিয়ে সর্বোচ্চ সাত থেকে আট লাখের বেশি মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব হয় না। তাই দক্ষ জনগোষ্ঠী গড়ে তোলার ওপর জোর দিচ্ছে সরকার।

আজহার/অমিয়/

পড়ে পাওয়া গল্প থেকে ৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১১:১৮ এএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ১১:১৯ এএম
পড়ে পাওয়া গল্প থেকে ৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা
‘পড়ে পাওয়া’ রচনাটির লেখক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

গল্প : পড়ে পাওয়া

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

১। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পৈতৃক বাড়ি পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার কোন গ্রামে? 
(ক) বারাকপুরে     (খ) নির্বিষখোলায়        
(গ) অম্বরপুরে      (ঘ) চাঁপাতলীতে

২। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় কত সালের কত তারিখে জন্মগ্রহণ করেন? 
(ক) ১৮৯০ সালের ১ মার্চ    
(খ) ১৮৯৩ সালের ১৫ মে
(গ) ১৮৯৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর    
(ঘ) ১৮৯৫ সালের ২৭ জুন

৩। ‘পড়ে পাওয়া’ রচনাটির লেখক কে? 
(ক) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়    
(খ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
(গ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়    
(ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

৪। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মায়ের নাম কী? 
(ক) বামাসুন্দরী দেবী    (খ) স্বর্ণকুমারী দেবী
(গ) মৃণালিনী দেবী       (ঘ) রানী বিলাসমনি

আরো পড়ুন : অতিথির স্মৃতি গল্প থেকে ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১২তম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা

৫। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাবার নাম কী? 
(ক) মহারাজ বন্দ্যোপাধ্যায় 
(খ) মহানন্দ বন্দ্যোপাধ্যায়
(গ) নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়    
(ঘ) নরেন বিশ্বাস

৬। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাবার পেশা কী ছিল? 
(ক) কবিরাজি                        (খ) শিক্ষকতা
(গ) কথকতা ও পৌরোহিত্য    (ঘ) ঠিকাদারি

৭। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ কীর্তি ও বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ হলো-
(ক) পথের পাঁচালী উপন্যাস     
(খ) অপরাজিত উপন্যাস
(গ) দুটোই    
(ঘ) একটিও নয়

উত্তর: ১. ক, ২. গ, ৩. ক, ৪. গ, ৫. খ, ৬. গ, ৭. গ।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় জোর: বাতিল হতে পারে ৬ বিষয়ে অনার্স কোর্স

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১০:৪৮ এএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ১১:১৬ এএম
প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় জোর: বাতিল হতে পারে ৬ বিষয়ে অনার্স কোর্স
ছবি: সংগৃহীত

দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী কর্মমুখী করতে বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের একটি নতুন খসড়া মডেল অনুযায়ী- বাংলা, ইতিহাস দর্শনসহ প্রায় ৬টি বিষয়ের অনার্স (সম্মান) কোর্স বাতিল করা হতে পারে। তবে এই বিষয়গুলো একেবারে বাদ না দিয়ে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

একই সঙ্গে আইটি (তথ্যপ্রযুক্তি) কারিগরি শিক্ষার পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। শিক্ষার সঙ্গে কর্মসংস্থানের সরাসরি সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সাইবার সিকিউরিটি, আউটসোর্সিং এবং অন্যান্য প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতাভিত্তিক বিষয়।

এছাড়া কলেজ পর্যায় থেকেই ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ চালু করা, ক্যারিয়ার সেন্টার প্রতিষ্ঠা এবং শিক্ষার্থীদের সাতটি বিদেশি ভাষা শেখানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে এখনো আলোচনা চলছে এবং সবার মতামত নিয়েই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী সনদনির্ভর শিক্ষার পরিবর্তে দক্ষতাভিত্তিক, প্রযুক্তিনির্ভর এবং বাস্তবমুখী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য শিক্ষামন্ত্রীকে নির্দেশনা দেন। পরবর্তীতে একাধিক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, সরকার এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে শুধু ডিগ্রি অর্জন নয়, বরং দক্ষ কর্মক্ষম মানবসম্পদ তৈরি হবে। দৈনিক ইত্তেফাকের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্যগুলো উঠে এসেছে।

শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা কর্মসংস্থানের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে পারছে না। ফলে দিন দিন শিক্ষিত তরুণ বেকারের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। বিশেষ করে উচ্চশিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্বের হার গত ১৩ বছরে প্রায় আট গুণ বেড়েছে অথচ দেশের ৮৫ শতাংশ কর্মসংস্থানই অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের।

দেশের সবচেয়ে বড় দুটি পাবলিক পরীক্ষা- এসএসসি এইচএসসির বিষয়ের সংখ্যা এবং পরীক্ষা গ্রহণের কর্মদিবস উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) এরই মধ্যে সংক্রান্ত একটি প্রাথমিক ধারণাপত্র কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের জন্য পাঠিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।

এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা শেষ করতে ২৫ থেকে ৩০ কর্মদিবস এবং এইচএসসিতে ৩০ থেকে ৩৫ কর্মদিবস বা তারও বেশি সময় লেগে যায়। দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পরীক্ষাকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় হাজার হাজার স্কুলে স্বাভাবিক পাঠদান বন্ধ থাকে। এতে অন্য শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শিখন ঘণ্টা (লার্নিং আওয়ার্স) মারাত্মকভাবে কমে যায়। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী পরীক্ষার কারণে পরীক্ষার্থীরাও অসহনীয় মানসিক চাপে ভোগে। এই জটলা শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ কমানোই সরকারের নতুন পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য।

সরকার ২০২৮ সাল থেকে যে নতুন শিক্ষাক্রম চালুর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে, তাতে নতুন চারটি বিষয় যুক্ত করার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন। এর মধ্যে চতুর্থ শ্রেণি থেকে ক্রীড়া সংস্কৃতি নিয়ে দুটি বিষয় পড়তে হবে। আর ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে যুক্ত হবেকারিগরি বৃত্তিমূলক শিক্ষাএবংলার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ (সুখে শিখন) এছাড়া নতুন শিক্ষাক্রমে বাংলা ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় একটি ভাষা শিক্ষায় গুরুত্ব দেওয়া হবে, যা কোনো একটি বিষয়ের সঙ্গেবড় অধ্যায়হিসেবে যুক্ত হতে পারে।

সোমবার ( জুন) বিকেলে সচিবালয়ে মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন নতুন শিক্ষাক্রমের এসব পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা প্রথমত বিদ্যমান শিক্ষাক্রমকে সঠিকভাবে পরিমার্জন করে, বাস্তব সম্মতভাবে এটাকে আমরা রিভাইজ করে এই ২০২৭ সালে দিচ্ছি। আর টোটাল চেইঞ্জ যেটা আশা করছেন, সেটা আমরা কাজ শুরু করেছি। ২০২৮ সালে গিয়ে আপনারা সেটা দেখতে পারবেন, এখন নয়। কারিকুলাম খুব সুন্দর হচ্ছে এবং চারটি নতুন বিষয় যুক্ত হচ্ছে।’

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন নতুন শিক্ষাক্রমে এই চারটি নতুন বিষয় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কথা জানান।

তিনি বলেন, ১৬ বছরের সব সমস্যা হয়তো এক দিনে বা এক বছরে সমাধান করা যাবে না। তবে আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের সর্বোচ্চ আন্তরিকতা রয়েছে। যতটা দ্রুত সম্ভব আমরা প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনব। এখানে কারিকুলামের ভেতরে একটি অংশ রয়েছে, যেখানে প্রয়োজনীয় সংযোজন, বিয়োজন পরিমার্জন করতে হবে। পাশাপাশি নতুন কিছু বিষয় আমরা যুক্ত করছি।‘

সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৩:১৮ পিএম
সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- খবরের কাগজ

নাটক : সিরাজউদ্দৌলা 

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: ‘একটা দিন, মাত্র একটা দিনও যদি ওই মসনদে মাথা উঁচু করে আমি বসতে পারতাম।’- ব্যাখ্যা করো। 

উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কের দ্বিতীয় দৃশ্যে মীর জাফরের এ সংলাপে ক্ষমতার প্রতি তার লোলুপ মানসিকতার প্রকাশ ঘটেছে।
মীর জাফর সিরাজউদ্দৌলার প্রধান সেনাপতি। আলীবর্দীর আমল থেকেই তার লোভ ছিল বাংলার মসনদের প্রতি। এ কারণেই সিরাজের শাসনকে তিনি মেনে নিতে পারেননি। সিরাজের জায়গায় নিজে সিংহাসনে বসার জন্য নানা ষড়যন্ত্র করেছেন। পবিত্র কোরআনে হাত রেখে শপথ করেও তিনি বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। তার বাড়িতে ষড়যন্ত্র সভার একপর্যায়ে জগৎশেঠ, রাজবল্লভসহ অন্যদের সঙ্গে আলোচনার সময় ওপরের বাক্যটি বলে তার সিংহাসনে বসার তীব্র আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেন এবং বাস্তবিক অর্থে স্বপ্ন-বিভোর হয়ে ওঠেন। 

প্রশ্ন: ‘ দৌলত আমার কাছে ভগবানের দাদামশায়ের চেয়ে বড়’- ব্যাখ্যা করো। 

উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের প্রথম অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যে উমিচাঁদের এ উক্তিতে অর্থের প্রতি তার লোলুপ মানসিকতার পরিচয় পাওয়া যায়। 
‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে নবাব সিরাজউদ্দৌলার অমাত্যদের অধিকাংশই ছিল অর্থলোভী ও বিশ্বাসঘাতক। তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থলোভী ও ব্যক্তিত্বহীন ছিল উমিচাঁদ। অর্থের জন্য তিনি একেক সময় একেকজনের পক্ষ নিতেন। ঘসেটি বেগমের সঙ্গে কথা বলার একপর্যায়ে উমিচাঁদ জানান যে, তিনি দৌলতের পূজারি। কারণ  দৌলত বা অর্থ তার কাছে ‘ভগবানের দাদামশায়ের চেয়েও বড়।’ এই অর্থের জন্যই তিনি নবাবকে ছেড়ে শওকতজঙ্গকে ক্ষমতায় আনতে সাহায্য করতে চান। একেকজন একেকরকম চাইলেও উমিচাঁদের চাওয়া কেবলই অর্থ। 

আরো পড়ুন : সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ৪টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র

প্রশ্ন: ‘তোমার ক্ষমতা ধ্বংস হবে সিরাজ’- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের প্রথম অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যে হিংসাপরায়ণ হয়ে ঘসেটি বেগম সিরাজউদ্দৌলাকে লক্ষ করে ওপরের উক্তিটি করেছিলেন, কারণ নবাব তাকে মতিঝিল প্রাসাদ থেকে গৃহবন্দি করতে সেনাপতি মোহনলালকে নির্দেশ দিয়েছিলেন।
নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে সরিয়ে যারা অর্থ ও ক্ষমতা লাভের জন্য ষড়যন্ত্র করেছিলেন, তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন ঘসেটি বেগম। সিরাজউদ্দৌলা নবাব হলে তা মেনে নিতে পারেননি ঘসেটি বেগম। তাই তিনি গোপনে মীর জাফর ও অন্যদের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করেন। নবাব সিরাজউদ্দৌলা ঘসেটি বেগমের এই কর্মকাণ্ড বুঝতে পেরে তাকে মতিঝিল থেকে নবাবের মায়ের কাছে নিয়ে যেতে চাইলে ক্ষুব্ধ হন ঘসেটি বেগম। আর তখনই তিনি নবাবকে উদ্দেশ্য করে এমন অভিশাপের উক্তিটি করেন।

প্রশ্ন: ‘আমার নালিশ আজ আমার বিরুদ্ধে’- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কের প্রথম দৃশ্যে প্রজাদের দুর্ভোগের জন্য অন্য কাউকে দোষারোপ না করে আত্মগ্লানি প্রকাশ করতে গিয়ে সিরাজউদ্দৌলা এ কথা বলেছেন, যেখানে মূলত নবাবের অসহায়ত্ব ও দুর্বলতা প্রকাশিত হয়েছে। 
বাংলার নবাব ব্রিটিশ বেনিয়া শক্তির কাছে অসহায় হয়ে পড়েন। তার সাম্রাজ্যের লবণ চাষিরা ইংরেজ কুঠিয়ালদের নির্যাতনের শিকার। নবাব এর প্রতিবিধানে কিছুই করতে পারেননি। তাই প্রকাশ্য দরবারে তিনি সব অমাত্যকে ডেকে জানান নবাব হিসেবে তার অযোগ্যতায় এসব ঘটছে। আসলে তিনি সবাইকে জানালেন বাংলার রাজনীতিতে বিদেশিরা  প্রভাব বিস্তার করেছেন এবং এর পেছনে ইন্ধন জোগাচ্ছেন নবাবের অধীন লোকেরাই, যাদের প্রধান মীর জাফর আলী খান। তার সামনেই এসব কথা বলে নবাব ক্ষোভ ও বাস্তবতাকে তুলে ধরেছেন। 

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

কবীর