ঢাকা ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
টেকনাফে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মোটরসাইকেল শোডাউন অতিথির স্মৃতি গল্প থেকে ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১২তম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা হরমুজে ইরানের ড্রোন উৎক্ষেপণ, পাল্টা রাডার সাইট লক্ষ্যবস্তু করল যুক্তরাষ্ট্র চাক্তাই খালে নির্মাণাধীন সেতুর ধীরগতি সহ্য করা হবে না: চসিক মেয়র ডেঙ্গু প্রতিরোধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী আর্জেন্টিনার জার্সি পরলেই দাঁতের চিকিৎসা ফ্রি! ঘাঘট নদীতে গোসলে নেমে বেরোবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু সাতকানিয়ায় কৃষিজমি ও পাহাড় রক্ষায় অবৈধ ইটভাটা বন্ধের দাবি বরগুনায় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু হাতিয়ায় ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ জমি নিয়ে বিরোধে রণক্ষেত্র খুলশি, আহত ১০ ফটিকছড়িতে মনজুর-সনিসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা কুয়েত ও বাহরাইনে ৭টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান সোনারগাঁয় বাবার মৃত্যুর খবর দিতে গিয়ে ছেলের ঝুলন্ত মরদেহের সন্ধান এআই মামলা: ডিএমপি মাত্র দুটি নম্বর থেকে এসএমএস পাঠায়, অন্যগুলো ভুয়া ঈশ্বরগঞ্জে বসতঘর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার হরিপুর সীমান্তে বিএসএফের হাতে দুই বাংলাদেশি আটক লালমনিরহাটে ৩ সীমান্ত পয়েন্টে পুশইন ব্যর্থ, লোকজন ফিরিয়ে নিল বিএসএফ ইতিহাস, সৌন্দর্য আর প্রশান্তির পরভো শহরে এক দিন চন্দনাইশে দ্রুতগামী অটোরিকশার ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যু রাসুল (সা.) এর খাদ্য তালিকায় কেন দুধ ছিল সেরা নওগাঁ সীমান্তে ১৭ ব্যক্তিকে শূন্যরেখা থেকে সরিয়ে নিল বিএসএফ গাইবান্ধায় দুই ভুয়া সরকারি কর্মকর্তা গ্রেপ্তার মাইজদীতে কিশোর গ্যাংয়ের ১৮ সদস্যকে পুলিশে দিল ছাত্রদল রংপুরে মাদকমুক্ত সামজ গঠনে শিক্ষার্থীদের শপথ অবৈধ বিদেশিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে: রণধীর জয়সওয়াল মহেশখালীতে হিটস্ট্রোকে জেলের মৃত্যু কিমের আমন্ত্রণে উ. কোরিয়া সফরে যাচ্ছেন শি জিনপিং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা: ইসরায়েলের হাতে বিকল্প কী লতাপাতায় ঢাকা ২ কোটি টাকার সেতু, পাঁচ বছরেও শেষ হয়নি প্রকল্প
Nagad desktop

আইন বিষয়ে গ্র্যাজুয়েটদের কিছু উপযুক্ত ক্যারিয়ার

প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০১:০৪ পিএম
আইন বিষয়ে গ্র্যাজুয়েটদের কিছু উপযুক্ত ক্যারিয়ার
মডেল: জেসিকা রহমান ছবি: খবরের কাগজ

আইন-সংক্রান্ত সবচেয়ে পরিচিত ক্যারিয়ারটি অবশ্যই অ্যাটর্নি। তবে আইন বিষয়ের গ্র্যাজুয়েট হিসেবে ছাড়াও বেশ কিছু ক্যারিয়ারের অপশন আছে। তেমনই কিছু ক্যারিয়ারের তালিকা নিয়ে সাজানো এই আর্টিকেল। বিস্তারিত জানাচ্ছেন আফসানা আক্তার

আইনজীবী

আপনি যদি আইন বিষয়ের গ্র্যাজুয়েট হয়ে থাকেন, তাহলে এই ক্যারিয়ার নিয়ে আপনাকে বলার খুব বেশি কিছু নেই। আইনের যেকোনো গ্র্যাজুয়েটের কাছে সবচেয়ে পরিচিত ক্যারিয়ার এটি। একজন আইনজীবী হিসেবে আপনি করপোরেট, ট্যাক্স ইত্যাদি যেকোনো বিষয়ে স্পেশালাইজেশন করতে পারেন অথবা সাধারণ প্র্যাকটিসও করতে পারেন, যা আপনাকে সব বিষয়েই অল্প অল্প কাজ করার সুযোগ দেবে।

প্যারালিগ্যাল

প্যারালিগ্যালরা আইন-সংক্রান্ত কাজ করা হয় এমন যেকোনো অফিস, করপোরেশন বা সরকারি প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাদের মূল কাজ হলো কেসের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ ও রিসার্চে আইনজীবীকে সাহায্য করা। যেহেতু এই কাজের জন্য আইন বিষয়ে প্রচুর ধারণা প্রয়োজন, তাই আইন নিয়ে পড়াশোনা থাকা এই পেশায় অনেক কার্যকরী।
মোট কথা, একজন প্যারালিগ্যাল হিসেবে আপনি আইন নিয়েই কাজ করবেন, কিন্তু আইনজীবীদের পেশায় থাকা অতিরিক্ত চাপগুলো আপনাকে নিতে হবে না।

আইনি সেক্রেটারি

লিগ্যাল সেক্রেটারিদের অনেকেই প্যারালিগ্যালদের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলে। কিন্তু তাদের দৈনন্দিন কাজ প্যারালিগ্যাল বা লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্টদের থেকে আলাদা। সেক্রেটারিদের মূল কাজ হলো বিভিন্ন আইনি কাগজপত্র তৈরি ও ফাইল করা। এ ছাড়া অভিজ্ঞ ও প্রতিভাবান সেক্রেটারিদের বিভিন্ন ম্যানেজমেন্ট ভিত্তিক দায়িত্ব পালন করতেও দেখা যায়।

প্রভাষক

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা যেকোনো বিষয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি অন্যতম জনপ্রিয় পেশা। আইনও তা থেকে ভিন্ন নয়। এলএলবি কোর্স আছে এমন যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে আপনি প্রভাষক হিসেবে চাকরির চেষ্টা করতে পারেন। তবে এই চাকরির জন্য সাধারণত উচ্চতর শিক্ষা, অন্তত এলএলএম ডিগ্রি থাকার প্রয়োজন হয়।

যারা সব সময় নতুন কিছু শিখতে ও শেখাতে পছন্দ করেন, শিক্ষকতা তাদের জন্য একদম উপযুক্ত একটি ক্যারিয়ার।

ম্যানেজমেন্ট কনসালটেন্ট

দক্ষতা ও কার্যকারিতার সঙ্গে একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান চালানোয় ম্যানেজমেন্ট কনসালটেন্টদের ভূমিকা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। অর্থনীতির পরিবর্তন থেকে শুরু করে টিমের সদস্যদের ভুলত্রুটি পর্যন্ত যেকোনো সমস্যাই একটি কোম্পানির ম্যানেজমেন্টকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। ম্যানেজমেন্ট কনসালটেন্ট হিসেবে আপনার কাজ হবে এ ধরনের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজমেন্টে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে সাহায্য করা।
এই পেশায় আপনি সরাসরি আইন নিয়ে কাজ না করলেও আইন সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে পরোক্ষভাবে সাহায্য করতে পারবেন প্রতিনিয়তই।

কমপ্লায়েন্স অফিসার

একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান চালাতে বিভিন্ন ধরনের ও মাত্রার নিয়মকানুন মেনে চলতে হয়। কিছুদিন পরপরই আবার জারি হয় নতুন আইন। একটি কোম্পানির পক্ষে এতসব আইন ও নিয়মের দিকে খেয়াল রাখা প্রায়ই কঠিন হয়ে পড়ে। তখন তাদের দরকার হয় একজন কমপ্লায়েন্স অফিসার।
কমপ্লায়েন্স অফিসারের দায়িত্ব হচ্ছে একটি কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রণীত সব আইন মেনে চলছে কি না, তা নিশ্চিত করা। 

নীতি বিশ্লেষক

আইনসভা সংস্থা, বড় কোনো করপোরেশন বা নন-প্রফিট অর্গানাইজেশনের একজন অবিচ্ছেদ্য অংশ হচ্ছেন নীতি বিশ্লেষক। পলিসি তৈরি, আইনপ্রণেতা ও ম্যানেজারদের পরামর্শ দেওয়া এবং সংশ্লিষ্টদের ব্রিফিং দেওয়া একজন নীতি বিশ্লেষকের কাজের অংশ। তাদের আরও একটি কাজ হচ্ছে তথ্য সংগ্রহ এবং রিসার্চের মাধ্যমে জনমত বিশ্লেষণ ও প্রভাবিত করা।

অনলাইনে ডকুমেন্ট সন্ধানকারী

বর্তমান যুগে ম্যাসেজ, ডকুমেন্ট, তথ্য, কন্ট্র্যাক্ট সবকিছুই অনলাইনে সংরক্ষণ করা হয়। তাই এসব ডকুমেন্ট খুঁজে বের করাও হয়ে উঠেছে একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। প্রয়োজন মেটাতে এখন আইন সংস্থাগুলো অনলাইনে ডকুমেন্ট সন্ধানকারী পদে নিয়মিত নিয়োগ দিচ্ছে। এই প্রফেশনালদের কাজ কিন্তু শুধু ডকুমেন্ট খুঁজে বের করা নয়। বরং তারা আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে এসব তথ্য শনাক্ত এবং সংরক্ষণও করে থাকেন। ফৌজদারি আদালতের মামলা থেকে শুরু করে সীমান্ত বিবাদ পর্যন্ত সবখানেই এখন ই-ডিসকভারি এজেন্টদের ভূমিকা অপরিহার্য।

 

তারেক/

চাকরি দিচ্ছে ওয়ালটন, রয়েছে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:২০ পিএম
চাকরি দিচ্ছে ওয়ালটন, রয়েছে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা
ছবি: সংগৃহীত

ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির কাস্টমস, ভ্যাট এবং ডিইডিও কমপ্লায়েন্স বিভাগ সিনিয়র এক্সিকিউটিভ পদে জনবল নিয়োগের জন্য এ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। গত ২ জুন থেকেই আবেদন নেওয়া শুরু হয়েছে। আবেদন করা যাবে আগামী ৬ জুন পর্যন্ত।

আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরো বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

এক নজরে ওয়ালটনে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬

প্রতিষ্ঠানের নাম: ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি

চাকরির ধরন: বেসরকারি চাকরি

প্রকাশের তারিখ: ২ জুন ২০২৬

পদ সংখ্যা: ১টি

লোকবল নিয়োগ: নির্ধারিত নয় 

আরো পড়ুন: আকর্ষণীয় বেতনে এনসিসি ব্যাংকে চাকরির সুযোগ

আবেদন করার মাধ্যম: অনলাইন

আবেদন শুরুর তারিখ: ২ জুন ২০২৬

আবেদনের শেষ তারিখ: ৬ জুন ২০২৬

অফিশিয়াল ওয়েবসাইট: https://www.waltonhil.com

আবেদন করার লিংক: অফিশিয়াল নোটিশের নিচে

প্রতিষ্ঠানের নাম: ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি

পদের নাম: সিনিয়র এক্সিকিউটিভ

বিভাগ: কাস্টমস, ভ্যাট এবং ডিইডিও কমপ্লায়েন্স

পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়

শিক্ষাগত যোগ্যতা: অ্যাকাউন্টিংয়ে বিবিএ/এমবিএ

অন্যান্য যোগ্যতা: এনবিআর/ভ্যাট অডিট, ডিইডিও (ডিউটি ​​ড্রব্যাক) পরিচালনার অভিজ্ঞতা। এনবিআর অনুমোদিত ভ্যাট সফটওয়্যার ব্যবহারের দক্ষতা এবং এমএস এক্সেলে পারদর্শী। 

অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ২ থেকে ৫ বছর 

চাকরির ধরন: ফুলটাইম

কর্মক্ষেত্র: অফিসে 

প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়) 

বয়সসীমা: উল্লেখ নেই 

কর্মস্থল: ঢাকা (বসুন্ধরা)

বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে 

অন্যান্য সুবিধা: মোবাইল বিল, মুনাফার অংশ, প্রভিডেন্ট ফান্ড, বিমা, দুপুরের খাবার সুবিধা, প্রতি বছর ইনক্রিমেন্ট, বছরে ২টি উৎসব বোনাস। 

আবেদন যেভাবে: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন। 

আবেদনের শেষ সময়: ৬ জুন ২০২৬

তারেক/

চাকরির পাশাপাশি যেভাবে বাড়তি আয় করবেন

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ১২:২০ পিএম
চাকরির পাশাপাশি যেভাবে বাড়তি আয় করবেন
ছবি: খবরের কাগজ

বর্তমান সময়ে অধিকাংশ চাকরিজীবীর আয় একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যেই থাকে। মাস শেষে নির্ধারিত বেতন হাতে এলেও ব্যয়ের তালিকা কিন্তু প্রতিনিয়ত বাড়তেই থাকে। নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ, পরিবার পরিচালনা ও হঠাৎ আসা অতিরিক্ত ব্যয় সামলাতে গিয়ে অনেকেই আর্থিক চাপে পড়ে যান। যত হিসাব করেই চলা হোক না কেন, অনেক সময় নির্দিষ্ট আয়ে সব প্রয়োজন মেটানো কঠিন হয়ে পড়ে। তাই স্বচ্ছন্দ জীবনযাপন নিশ্চিত করতে চাকরির পাশাপাশি বাড়তি আয়ের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে।

আরো পড়ুন: প্রাণখোলা হাসিতে অফিস হোক প্রাণবন্ত

এছাড়া চাকরির ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা এখন খুবই সাধারণ বিষয়। যেকোনো সময় কর্মক্ষেত্রে পরিবর্তন আসতে পারে, যা আর্থিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত আয়ের একটি উৎস অনেকটাই ভরসা জোগায়। আবার সবকিছু স্বাভাবিক থাকলেও বাড়তি উপার্জন মানে নিজের ও পরিবারের জন্য আরও ভালো কিছু করার সুযোগ তৈরি হওয়া। একটু বেশি সঞ্চয়, নিজের শখ পূরণ কিংবা ভবিষ্যতের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নেও এটি সহায়ক। নিজের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও অবসর সময় কাজে লাগিয়ে সহজেই বাড়তি আয়ের পথ তৈরি করা সম্ভব। ফুল টাইম চাকরির পাশাপাশি অতিরিক্ত উপার্জনের কিছু কার্যকর উপায় জেনে নিতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং শুরু করুন

যদি আপনার কর্মক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সিং কোনো সমস্যা না হয় এবং এটি আপনাকে কোনো আইনি সমস্যায় না ফেলে, তবে আপনার অবসর সময়ে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন। আপনি লিখতে পারেন, একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে পারেন, প্রোগ্রামিং বা ডিজিটাল মার্কেটিংয়েও কাজ করতে পারেন। এতে নিজের দক্ষতা প্রমাণের পাশাপাশি আপনি দ্রুতই অর্থশালী হয়ে উঠবেন।

কোচিং করাতে পারেন

আপনি যদি কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষ হন তবে অনলাইনে টিউটরিং বা কোচিং শুরু করতে পারেন। আপনি কারুশিল্প শেখাতে পারেন, কোনো অনলাইন প্ল্যাটফর্মের সঙ্গেও যুক্ত হতে পারেন যেখানে আপনি যে ক্ষেত্রে ভালো সে বিষয়ে কোর্স শেখাতে পারেন। এভাবে আপনি আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাতে এবং আয়ের পথ তৈরি করতে পারবেন।

রুম বা সম্পত্তি ভাড়া দিন

আপনার যদি একটি অতিরিক্ত রুম থাকে, তাহলে সেটি দিয়ে হতে পারে আপনার বাড়তি আয়ের সুযোগ। অতিরিক্ত রুমটি আপনি ভাড়া দিতে পারেন। এতে খালি পড়ে থাকা রুমটি দিয়ে আপনি খুব সহজেই উপার্জনের পথ তৈরি করে নিতে পারবেন। একইভাবে আপনার গাড়িটিও কাজে লাগাতে পারেন। ভাড়া দিয়ে খুব সহজেই বাড়তি উপার্জন করতে পারেন।

অপ্রয়োজনীয় জিনিস বিক্রি করুন

আমাদের প্রায় সবার বাড়িতেই অনেক অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র থাকে। হয়তো বছরের পর বছর পড়ে আছে কিন্তু কোনো কাজে লাগছে না। হতে পারে, সেই জিনিসটিই অন্য কারও অনেক প্রয়োজন কিন্তু অর্থ সংকটের কারণে কিনতে পারছে না। এমন অবস্থায় আপনার সেই পড়ে থাকা জিনিসটা যদি অনলাইনে বিক্রির বিজ্ঞাপন দেন, খুব দ্রুতই বিক্রি হয়ে যাবে। এতে আপনার বাড়ি থেকে জঞ্জাল কমবে, আবার বাড়তি আয়েরও সুযোগ হবে।

অনলাইন সার্ভে অংশগ্রহণ করুন

অনলাইন সার্ভে ও মার্কেট রিসার্চ স্টাডিতে অংশগ্রহণ আপনাকে অতিরিক্ত অর্থ উপার্জনে সহায়তা করতে পারে। হ্যাঁ, পেআউটগুলো ছোট, কিন্তু এটি আপনাকে কিছুটা হলেও বাড়তি আয়ের সুযোগ করে দেবে। তাই এই কাজে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারেন। অবসর সময়ে অনলাইন সার্ভে ও মার্কেট রিসার্চের মাধ্যমে আয় করতে পারেন।

সতর্কতা

চাকরির পাশাপাশি আয় করতে গিয়ে কখনোই অর্থের দিকে ঝুঁকে পড়া যাবে না। এমনটা হলে মূল পেশায় খুবই খারাপ প্রভাব পড়বে। একপর্যায়ে চাকরিতে সমস্যা হবে আপনার। এতে আপনিই বিপদে পড়বেন। এ জন্য সততার সঙ্গে কাজ করতে হবে আপনাকে। আবার অতিরিক্ত অর্থের লোভে অনৈতিক কোনো ব্যবসায় বিনিয়োগ করা থেকেও দূরে থাকতে হবে। মনে রাখবেন, বাড়তি উপার্জনের আশায় অর্থের লোভে নিজেকে ভাসিয়ে দেওয়া যাবে না।

তারেক/

আকর্ষণীয় বেতনে এনসিসি ব্যাংকে চাকরির সুযোগ

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০৬:২০ পিএম
আপডেট: ০৩ জুন ২০২৬, ০৬:৪৩ পিএম
আকর্ষণীয় বেতনে এনসিসি ব্যাংকে চাকরির সুযোগ
ছবি: সংগৃহীত

ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স (এনসিসি) ব্যাংক পিএলসি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকটি সিনিয়র ম্যানেজার পদে জনবল নিয়োগের জন্য এ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। গত ২ জুন থেকেই আবেদন নেওয়া শুরু হয়েছে। আবেদন করা যাবে আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত। 

আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরো বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

এক নজরে এনসিসি ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬

প্রতিষ্ঠানের নাম: ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স (এনসিসি) ব্যাংক পিএলসি

চাকরির ধরন: বেসরকারি চাকরি

প্রকাশের তারিখ: ২ জুন ২০২৬

পদ সংখ্যা: ১টি

লোকবল নিয়োগ: নির্ধারিত নয় 

আবেদন করার মাধ্যম: অনলাইন

আরো পড়ুন: কর্মসংস্থান ব্যাংকে ২৮৭ জনের বড় নিয়োগ, আবেদন অনলাইনে

আবেদন শুরুর তারিখ: ২ জুন ২০২৬

আবেদনের শেষ তারিখ: ১৫ জুন ২০২৬

অফিশিয়াল ওয়েবসাইট: https://www.nccbank.com.bd

আবেদন করার লিংক: অফিশিয়াল নোটিশের নিচে

প্রতিষ্ঠানের নাম: ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স (এনসিসি) ব্যাংক পিএলসি

পদের নাম: সিনিয়র ম্যানেজার

বিভাগ: ট্রানসাকশান ব্যাংকিং অ্যান্ড ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট (এভিপি-এসএভিপি)

পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয় 

শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি

অন্যান্য যোগ্যতা: বাণিজ্যিক ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং, ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট, কর্পোরেট ব্যাংকিং, ব্যাংকিং অপারেশন বা সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে দক্ষতা। 
অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ৮ বছর 

চাকরির ধরন: ফুলটাইম

কর্মক্ষেত্র: অফিসে 

প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়) 

বয়সসীমা: উল্লেখ নেই 

কর্মস্থল: ঢাকা 

বেতন: আকর্ষণীয় বেতন প্যাকেজ

অন্যান্য সুবিধা: ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী

আবেদন যেভাবে: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন। 

আবেদনের শেষ সময়: ১৫ জুন ২০২৬

তারেক/

ক্লায়েন্টের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার উপায়

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০১:০৪ পিএম
ক্লায়েন্টের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার উপায়
ছবি: খবরের কাগজ

ক্লায়েন্টের চাহিদা ও পছন্দ ভালোভাবে বুঝতে পারলে পণ্য বা সেবা বিক্রি করা অনেক সহজ হয়ে যায়। বিশেষ করে যেসব প্রতিষ্ঠানের একাধিক পণ্য বা সেবা রয়েছে, তাদের জন্য একই গ্রাহকের কাছে বিভিন্ন পণ্য উপস্থাপন করা বড় একটি চ্যালেঞ্জ। ব্যবসায়িক ভাষায় এটিকে ক্রস সেলিং বলা হয়। সফলভাবে এটি করতে হলে ক্লায়েন্টের সঙ্গে আন্তরিক ও বিশ্বাসভিত্তিক সম্পর্ক তৈরি করা জরুরি। পাশাপাশি নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখাও গুরুত্বপূর্ণ। ক্লায়েন্টের সঙ্গে কার্যকরভাবে কীভাবে আলাপ চালিয়ে যাবেন, সে বিষয়ে কিছু বিষয় নিচে তুলে ধরা হলো—

দিনকাল কেমন যাচ্ছে? ব্যবসা কেমন যাচ্ছে?

প্রতিটি সাক্ষাতের শুরুতেই আমরা এই দুটি প্রশ্ন করে থাকি। মাঝে মধ্যে এই দুটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার মাধ্যমে ক্লায়েন্টের চাহিদা জানা যায় এবং তা নিয়ে এক ঘণ্টারও বেশি আলাপ করা যায়।

নিজের কোম্পানি সম্পর্কে বক্তব্য দিন

প্রতিটি প্রতিষ্ঠানেরই নিজস্ব পরিচিতিমূলক বক্তব্য থাকে যেখানে কোম্পানির পরিচিতি ও কর্মপরিধি উল্লেখ থাকে। এছাড়া কখন ক্লায়েন্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে তাও জিজ্ঞেস করে নেওয়া হয়। পুরো বক্তব্য দুই-তিন মিনিটের বেশি হবে না, এর বেশি হলেই ক্লায়েন্ট তার মনোযোগ হারিয়ে ফেলবে।

আপনার লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও মূল চ্যালেঞ্জগুলো কী কী? 

এই ওপেন এন্ডেড প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলে আপনার ক্লায়েন্ট তার কাছে যা কিছু গুরুত্বপূর্ণ তা নিয়ে কথা বলবে। এর মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারবেন কোথায় আপনার ক্লায়েন্টকে আপনি সাহায্য করতে পারবেন বা পরবর্তী সাক্ষাতের এজেন্ডা নির্ধারণ করে দেবে যখন আপনি জানবেন ক্লায়েন্টের চাহিদা পূরণে আপনার পণ্য/সেবাই সঠিক সমাধান।

আরো পড়ুন: কর্মসংস্থান ব্যাংকে ২৮৭ জনের বড় নিয়োগ, আবেদন অনলাইনে

ক্লায়েন্টের সঙ্গে আলাপ করলে যে করেই হোক পরবর্তী সাক্ষাতের ক্ষেত্র তৈরি করে নিতে হবে। চলমান আলাপের মাধ্যমেই ক্লায়েন্টের আয় বৃদ্ধি, নতুন ক্লায়েন্ট বা বেশি করে ক্রস সেলিং করার সুযোগ আসে। আপনার কাজ হবে ক্লায়েন্টদের কাছ থেকে এবং তাদের ব্যাপারে যত বেশি তথ্য পাওয়া যায় তা নিশ্চিত করা এবং আপনার কাজ ছাড়া আপনার ব্যাপারে যত কম কথা বলা যায় সেদিকে খেয়াল রাখা। প্রতিটি আলাপের পর তাদের কাছে আপনি নির্দিষ্ট কোনো প্রস্তাবনা বা সম্ভাব্য সমাধান দিতে পারেন আর দেখবেন যে আপনার ক্লায়েন্টই আপনার সঙ্গে পরবর্তী সময়ে দেখা করার আগ্রহ প্রকাশ করবে। প্রাসঙ্গিক আলাপের মাধ্যমে বেশি বেশি ক্রস সেলিংয়ের সুযোগ তৈরি হয় যা আপনার ব্যবসাকে লাভবান করবে।

তারেক/

কর্মক্ষেত্রের জটিলতা সামলানোর কৌশল

প্রকাশ: ০২ জুন ২০২৬, ০২:৫০ পিএম
কর্মক্ষেত্রের জটিলতা সামলানোর কৌশল
ছবি: খবরের কাগজ

অফিস মানেই ব্যস্ততা আর কাজের চাপ। কর্মক্ষেত্রে চাপ থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। তবে অনেক সময় সেই চাপ এতটাই বেড়ে যায় যে, তা সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। এর প্রভাব পড়ে মানসিক অবস্থার ওপরও। আর কাজের চাপের পাশাপাশি যদি অফিস পলিটিক্স যোগ হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। সবকিছু সামলাতে গিয়ে নিজের মানসিক স্বস্তি ধরে রাখাও তখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।

অফিসে কাজের ফাঁকে সহকর্মীদের সঙ্গে একটু আড্ডা বা গল্প হতেই পারে। তবে সেটি যেন সীমার মধ্যেই থাকে। কারণ, আড্ডা শেষে আবার মনোযোগ ফিরিয়ে আনতে হয় কাজেই। কর্মক্ষেত্রে সব সময় যে অনুকূল পরিবেশ পাওয়া যাবে, এমনটা ভাবার সুযোগ নেই। কাজ করতে গিয়ে নানা ধরনের অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারে। তাই আগে থেকেই জানা দরকার, কোন পরিস্থিতিতে কীভাবে নিজেকে সামলে নিতে হবে।

সহকর্মী কটু কথা বললে

আপনার কোনো সহকর্মী হয়তো আপনাকে কড়া ভাষায় কথা বলেছে। আপনিও মনে মনে চাচ্ছেন তার চেয়েও কড়া ভাষায় উত্তর দিতে। এমনটা যদি করেন তাহলে ভুল করবেন। সহকর্মীর কড়া ভাষার উত্তর দিতে যাবেন না। কারণ, এটি তর্ক বাড়িয়ে দেবে। অফিসে শান্তি বজায় রাখার জন্য আপনি শান্ত থাকার চেষ্টা করুন। সহকর্মী যদি আপনার প্রিয় কেউ হন তবে তাকে বুঝতে চেষ্টা করুন। হতে পারে তিনি খুব বেশি কাজের চাপে এমনটা করছেন। মনে রাখবেন–তর্কে তর্ক বাড়ে। 

বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিলে

কোনো কাজের ক্ষেত্রে গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি হলে মনোবল হারানো চলবে না। নিজের মনোবল শক্ত করে অন্যদের ভরসা দিন। মনে রাখবেন–সব সমস্যার সমাধান আছে। সমস্যা গুরুতর হলে শান্তভাবে বসুন এবং চিন্তা করুন এর সমাধান কীভাবে করবেন। একজন সিনিয়রের সঙ্গে কথা বলুন, যিনি সমস্যাটি গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন।

আরো পড়ুন: কর্মসংস্থান ব্যাংকে ২৮৭ জনের বড় নিয়োগ, আবেদন অনলাইনে

সব কাজ মেইলের মাধ্যমে করুন। মৌখিক আলোচনা গুজবের জন্ম দিতে পারে। তাই কাজের প্রমাণ রাখুন।

খোলামেলা আলোচনা করুন

আপনার যুক্তিতে ‘সঠিক’, কিন্তু বসের মতে ‘বেঠিক’–অধিকাংশ সময় এরকম দোটানায় জড়িয়েই বসের সঙ্গে আপনার দ্বন্দ্ব তৈরি হতে পারে। এরকম পরিস্থিতিকে কী করবেন? এমন পরিস্থিতিতে ব্যাপারটি নিয়ে আপনার বসের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করুন। দেখবেন সমাধান বের হয়ে আসছে।

কাজের ক্রেডিট অন্য কেউ নিলে

অনেক সময় দেখা যায়, আপনি খেটেখুটে একটি সফল প্রজেক্ট দাঁড় করিয়েছেন। কিন্তু সেই কাজের পুরো কৃতিত্বই বিভাগীয় প্রধান নিয়ে নিচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে আপনি কী করবেন? আপনি বলবেন, ‘আমার পয়েন্ট স্পটলাইট করার জন্য ধন্যবাদ’। আপনি সংযমের সঙ্গে কথাগুলো বলুন। ভদ্রভাবে কথা বলে অনেক কিছুই সহজ করা সম্ভব। এতে আপনাদের যিনি বস, তিনিও বুঝে যাবেন যে কাজটি আপনার। আপনি যে কাজটি করে দিয়েছেন, তার বিস্তারিত প্রমাণ নিজের কাছে রাখুন। যাতে করে পরবর্তী সময়ে কোনো প্রশ্ন উঠলে সামাল দিতে পারেন।

অফিসে বেশি সময় থাকতে বললে

অনেক সময় দেখা যায়, সিনিয়ররা তার অধীনস্থ কর্মীদের বেশি সময় অফিসে থাকতে এক প্রকার বাধ্য করেন। এমন পরিস্থিতিতে রেগে গেলে চলবে না। মাথা ঠাণ্ডা রাখতে হবে। বিনয়ের সঙ্গে বলুন, আপনার অন্য জায়গায় কাজ রয়েছে। আপনি যে এই কাজে অপারগ তা সুন্দরভাবে বুঝিয়ে বের হয়ে আসুন। সেই সঙ্গে যখন আপনার সিনিয়রের মন ভালো থাকে তখন তার সঙ্গে বসে কাজের সময়ের সীমা নির্ধারণ করে ফেলুন।

সরাসরি ‘না’ বলবেন না

অফিসে কখনো কখনো এমন অনেক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে যখন আপনাকে না চাইলেও ‘না’ বলতে হবে। তবে এটি সরাসরি বলা যাবে না। বলতে হবে সঠিকভাবে কায়দা করে। যদি মনে করেন আপনার ওপর অতিরিক্ত কাজ বা দায়িত্ব চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে, তবে সুন্দরভাবে জানিয়ে দিন যে, আপনি একটি টিমের সঙ্গে কাজ করতে পারেন, আপনার পক্ষে একা এই কাজ করা সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে আপনাকে কৌশলী হতে হবে, অনুরোধটি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করবেন না। অনেক বসই ‘না’ শব্দটি সহ্য করতে পারেন না।

সমালোচনাকে এড়িয়ে চলুন

অফিসের সব সহকর্মী এক ধরনের হয় না। কিছু কিছু সহকর্মী পাবেন যারা আপনাকে সব সময় দমিয়ে রাখার চেষ্টা করবে। আপনি যা-ই করেন না কেন তারা আপনার সমালোচনা করবে। এ ধরনের বস আপনার নিজস্ব উন্নয়নের জন্য খুব বিপজ্জনক। পারলে সমালোচনাকে এড়িয়ে চলুন। এ ধরনের বসের সঙ্গে ঠাণ্ডা মাথায় কাজ করুন। যদি মানিয়ে নিতে না পারেন তাহলে এ ধরনের কর্মকর্তার অধীনে কাজ না করাই শ্রেয়।

তারেক/