ঢাকা ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
এআই মামলা: ডিএমপি মাত্র দুটি নম্বর থেকে এসএমএস পাঠায়, অন্যগুলো ভুয়া ইতিহাস, সৌন্দর্য আর প্রশান্তির পরভো শহরে এক দিন রাসুল (সা.) এর খাদ্য তালিকায় কেন দুধ ছিল সেরা নওগাঁ সীমান্তে ১৭ ব্যক্তিকে শূন্যরেখা থেকে সরিয়ে নিল বিএসএফ গাইবান্ধায় দুই ভুয়া সরকারি কর্মকর্তা গ্রেপ্তার মাইজদীতে কিশোর গ্যাংয়ের ১৮ সদস্যকে পুলিশে দিল ছাত্রদল রংপুরে মাদকমুক্ত সামজ গঠনে শিক্ষার্থীদের শপথ অবৈধ বিদেশিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে: রণধীর জয়সওয়াল মহেশখালীতে হিটস্ট্রোকে জেলের মৃত্যু কিমের আমন্ত্রণে উ. কোরিয়া সফরে যাচ্ছেন শি জিনপিং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা: ইসরায়েলের হাতে বিকল্প কী লতাপাতায় ঢাকা ২ কোটি টাকার সেতু, পাঁচ বছরেও শেষ হয়নি প্রকল্প গরমে কমেছে কাজের গতি নিজেই নিজেকে গড়ছে এআই, শঙ্কা অ্যানথ্রোপিকের বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে সম্মত খরা, বন্যা ও খাদ্যসংকটের ঝুঁকিতে ভারত, চীন ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া দিনাজপুরের: সুই-সুতো আর কি-বোর্ডে নির্যাতিত নারীদের নতুন স্বপ্ন পুতিনকে আলোচনায় বসতে জেলেনস্কির খোলাচিঠি রাজশাহী অঞ্চলে তাপপ্রবাহে হাঁসফাঁস দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতাপার্টির’ বিক্ষোভ আজ ইসলামী ব্যাংকের কারণেই আরেকটি ৫ আগস্ট ঘটে যেতে পারে বায়ুদূষণে বদলে যাচ্ছে ভ্রূণের জিন জলাবদ্ধতা ও দুর্গন্ধে নাকাল ঘিওর বাজার ছায়ানটে শুরু হলো দুই দিনের নজরুল উৎসব রাজধানীবাসীকে ফেরাতে সিটি বাসও গেছে ঢাকার বাইরে ৬ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ৬ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল মে মাসে মব হামলায় নিহত ৩২: এমএসএফ ‘নতুন পুরাতন মিলিয়ে ভালোই বোর্ড হবে’ শাহজালালের কার্গো শেডে আগুন
Nagad desktop

ব্যবসা ব্যর্থ হওয়ার ৫টি প্রধান কারণ

প্রকাশ: ১১ মার্চ ২০২৬, ০৪:১৯ পিএম
ব্যবসা ব্যর্থ হওয়ার ৫টি প্রধান কারণ
ছবি: খবরের কাগজ

ব্যবসা সাধারণত মানুষ জীবিকার প্রয়োজনেই করে থাকেন। তবে অনেকেই আছেন, যারা শখের বশেও ব্যবসায় যুক্ত হন। বিশেষ করে করোনা মহামারির সময় ছোট থেকে বড়— অসংখ্য নতুন ব্যবসা গড়ে উঠেছে। আশপাশে তাকালেই দেখা যায়, অন্তত দুই-তিনজন মানুষ কোনো না কোনোভাবে ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।

একটি ব্যবসা শুরু করার আগে নানা মানুষের কাছ থেকে নানা ধরনের পরামর্শ পাওয়া যায়— কেউ একটি কাজ করতে বলেন, আবার কেউ অন্য কিছু করার পরামর্শ দেন। কিন্তু খুব কম মানুষই আপনাকে স্পষ্ট করে বলবে, কোন কাজটি করা উচিত নয়।

বাংলাদেশে প্রতিদিনই কেউ না কেউ এ রকম নতুন ব্যবসা শুরু করার জন্য মনস্থির করছে এবং কেউ কেউ ব্যবসা শুরু করার প্রথমেই অনেক টাকা ইনভেস্ট করে ফেলেন। টাকার পাশাপাশি অনেক কর্মীও নিয়োগ দিয়ে ফেলেন তারা। কিন্তু তারা কি চূড়ান্ত সফলতা পাচ্ছেন? নিশ্চয়ই না। বিজনেসে ব্যর্থ হওয়ার কারণে তারা হয়তো হতাশায় ভুগছেন। এখন হয়তো তারা মাথায় হাত দিয়ে ভাবছেন- কি ভুলের কারণে ব্যবসাটা ধ্বংস হয়ে গেল। হুট করে যারা ব্যবসা শুরু করেন তারা হরহামেশাই কিছু ভুল করেন, যার জন্য তাদের ব্যবসা ধ্বংস হয়ে যায়। যে ৫টি ভুলের কারণে একজন ব্যবসায়ীর ব্যবসা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে তা নিচে তুলে ধরা হলো।

সঠিক পরিকল্পনার অভাব

ব্যবসা করতে গেলে সবার আগে দরকার পরিকল্পনা। প্রতিটি সফল ব্যবসার পেছনেই লুকিয়ে আছে তাদের যুগোপযোগী পরিকল্পনা। পরিকল্পনা ছাড়া কোনো কিছুই ঠিকঠাকমতো করা সম্ভব নয়। একটা ব্যবসা শুরু করার আগে সেই ব্যবসা নিয়ে আপনার থাকতে হবে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা। ৫ বছর পর আপনি আপনার ব্যবসাটাকে কোন অবস্থায় দেখতে চান তার একটা ডেমো তৈরি করুন এবং সে অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যান। একটা টু ডু লিস্ট তৈরি করুন। যাতে দিনের কোনো কাজই মিস না হয়ে যায়। এভাবে পরিকল্পনামাফিক কাজ করলে আপনার ব্যবসায় সফলতা আসতে বাধ্য।

মানসম্পন্ন নেতৃত্ব প্রদানের অভাব

ধরুন আপনি একটি বিজনেস কোম্পানি শুরু করলেন, আস্তে আস্তে কর্মীর সংখ্যা বাড়ালেন। তা হলে অফিসের কর্তৃত্ব করবে কে? নিশ্চয়ই আপনি। এখন আপনাকে আপনার অবস্থান ঠিক রাখতে হলে দরকার সঠিক নেতৃত্ব প্রদানের সক্ষমতা। সবাই কিন্তু একজন লিডার হিসেবে নেতৃত্ব প্রদানের ক্ষমতা রাখে না। আর এটাই একটা ব্যবসা ধ্বংসের মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায়। একজন লিডারের কাজ তার লিডারশিপ মেইনটেইন করা। একজন লিডার কিংবা অফিসের বসকে অবশ্যই তার কর্মীদের কাজের প্রতি আগ্রহী করে গড়ে তোলার জন্য মোটিভেট করতে হবে। শুধু রক্ষণশীল, কট্টরপন্থি হয়ে কখনোই একটা বিজনেস কোম্পানি চালানো যায় না। আপনাকে বিনয়ের সঙ্গে নেতৃত্ব প্রদান করতে হবে। প্রতিটি কর্মীর দিকে খেয়াল রাখতে হবে তারা কেমন কাজ করছে। একজন লিডারের কাজ হলো তার নেতৃত্বের স্থান বজায় রেখে কর্মীদের কাজের প্রতি ইন্সপায়ার এবং মোটিভেট করা। তাই কোম্পানিতে নেতৃত্ব প্রদানে সঠিক লোক না থাকলে সেই কোম্পানির ধ্বংস অনিবার্য।

কাস্টমারকে ম্যানেজ করতে না পারা

আপনি একজন ব্যবসায়ী হলে আপনাকে অবশ্যই কাস্টমারকে ম্যানেজ করার সক্ষমতা থাকতে হবে। হতে পারে সেটা আপনার অফিসের কর্মী কিংবা কাস্টমার। একজন কাস্টমারকে আপনি ম্যানেজ করতে ব্যর্থ হলে তার থেকে অবশ্যই খারাপ ফিডব্যাক পাবেন। যেমন- মিস ম্যানেজমেন্ট, নানা ধরনের কমপ্লেইন, সমালোচনা ইত্যাদি। এমনকি আপনি যদি আপনার অফিসের কর্মীদের ম্যানেজ করতে না পারেন, তা হলে সেটা হবে আপনার বিজনেসের জন্য ক্ষতিকর। কারণ অফিসকর্মীদের ম্যানেজ করতে না পারা মানে তাদের কাছ থেকে ভালো আউটপুট পাওয়ার আশা ছেড়ে দেওয়া। তাই ব্যবসা যাতে ধ্বংস না হয়, তার জন্য আপনাকে ঠিকমতো সবাইকে ম্যানেজ করার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে।

সঠিক মার্কেটিং জ্ঞানের অভাব

কিছু কিছু ভুল আছে যা ব্যবসাকে একেবারেই ধ্বংস করে দিতে পারে। এ ভুলটাও ঠিক এমন। ব্যবসা শুরু করলেন অথচ মার্কেটিং কীভাবে করতে হয় তা জানলেন না, তা হলে আপনার ব্যবসা টিকবে না। মার্কেটিং হলো আপনার বিজনেসের প্রোডাক্টগুলোর প্রচার-প্রচারণা চালানো। আপনার প্রোডাক্টগুলো কেন অন্য সব বাজারের প্রোডাক্টগুলো থেকে আলাদা, তা জনগণকে জানানো যায় মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে। অনলাইন বিজনেসগুলোর মার্কেটিং ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় করা হয়। আপনি আপনার বিজনেসের মার্কেটিং বিভিন্ন ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া, যেমন- ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম ইত্যাদির মাধ্যমে করাতে পারবেন। এখন যদি প্রশ্ন জাগে আপনার মনে, এই সোশ্যাল মিডিয়ায় কীভাবে আমি বিজনেস মার্কেটিং করব? হ্যাঁ, আপনি আপনার বিজনেসের মার্কেটিং করবেন বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাডভারটাইজিংয়ের মাধ্যমে। তবে মনে রাখবেন মার্কেটিং যেমন বিক্রয় বাড়ায়, তেমনি অতিরঞ্জিত মার্কেটিং করলে সেটা আপনার বিজনেসের জন্য বরং ক্ষতি।

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মধ্যে শুধু সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং নয়, আপনি আপনার বিজনেসের জন্য সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং, ই-মেইল মার্কেটিং, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ইত্যাদির মাধ্যমে বিজনেসের মার্কেটিং করতে পারবেন এবং অতি সহজে টার্গেটেড কাস্টমার খুঁজে পাবেন। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের মাধ্যমে আপনি আপনার কমার্শিয়াল ওয়েবসাইটকে সবার হাতের নাগালে পৌঁছে দিতে পারবেন। কারণ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে কিওয়ার্ডগুলোকে সার্চ ইঞ্জিনের অ্যালগরিদম মেনে বৈধ উপায়ে অপটিমাইজড করা হয়। যার ফলে কিওয়ার্ডগুলো গুগলের ফার্স্ট পেজে র‌্যাংক করে। কোনো কাস্টমার আপনার ওয়েবসাইটের কিওয়ার্ড লিখে সার্চ করলে আপনার ওয়েবসাইটটিতে বিদ্যমান কিওয়ার্ডগুলো সার্চ ইঞ্জিনের ফার্স্ট পেজে শো করবে এবং স্বভাবতই একজন মানুষ সার্চ ইঞ্জিনের ফার্স্ট পেজে থাকা ওয়েবসাইটগুলোতেই ক্লিক করবে এবং সেখান থেকে তারা তাদের পছন্দসই প্রোডাক্ট ক্রয় করবে। 

কাস্টমারদের মন জয় করা

কাস্টমারদের মন জয় করতে না পারা ব্যবসা ধ্বংসের অন্যতম একটি কারণ। ধরুন আপনি একটি ড্রেস কিনতে গেলেন দোকানে। সেখানে আপনাকে অনেকগুলো ড্রেস দেখাল, কিন্তু আপনাকে ড্রেসটা কেনার জন্য কেউ ইম্প্রেস করল না কিংবা ড্রেসটা কোন ফেব্রিকস দিয়ে তৈরি, পরে আরামদায়ক কি না, কতটুকু কাপড় আছে এর কিছুই আপনাকে বলল না। সত্যি কথা বলতে কি, আপনি ওই দোকান থেকে ড্রেসটি কখনোই কিনবেন না। বরং যে দোকানদার বিনয়ী, যে আপনাকে তার প্রোডাক্টসের ডিটেইলস বলবে এবং পাশাপাশি আপনাকে প্রোডাক্টটি কেনার জন্য ইম্প্রেস করবে, আলটিমেটলি আপনি তার থেকেই প্রোডাক্টটি কিনবেন। অনলাইন বিজনেসের ক্ষেত্রে ও কাস্টমারদের মন এভাবেই জয় করতে হয়। আপনি যদি মানুষের মন জয় করতে না পারেন, কাস্টমারদের প্রশ্নের উত্তর দিতে বিরক্ত বোধ করেন, তা হলে আপনি এই পেশায় মানানসই নন। দিন শেষে একজন সফল ব্যবসায়ী সে, যে কাস্টমারদের প্রোডাক্টটি ক্রয় করার জন্য ইনফ্লুয়েন্স করতে পারবে।

আপনি যদি একজন নতুন ব্যবসায়ী হয়ে থাকেন, তা হলে উপরে উল্লিখিত ৫টি ভুল এড়িয়ে চলুন। 

 

তারেক/

চাকরি দিচ্ছে ওয়ালটন, রয়েছে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:২০ পিএম
চাকরি দিচ্ছে ওয়ালটন, রয়েছে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা
ছবি: সংগৃহীত

ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির কাস্টমস, ভ্যাট এবং ডিইডিও কমপ্লায়েন্স বিভাগ সিনিয়র এক্সিকিউটিভ পদে জনবল নিয়োগের জন্য এ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। গত ২ জুন থেকেই আবেদন নেওয়া শুরু হয়েছে। আবেদন করা যাবে আগামী ৬ জুন পর্যন্ত।

আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরো বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

এক নজরে ওয়ালটনে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬

প্রতিষ্ঠানের নাম: ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি

চাকরির ধরন: বেসরকারি চাকরি

প্রকাশের তারিখ: ২ জুন ২০২৬

পদ সংখ্যা: ১টি

লোকবল নিয়োগ: নির্ধারিত নয় 

আরো পড়ুন: আকর্ষণীয় বেতনে এনসিসি ব্যাংকে চাকরির সুযোগ

আবেদন করার মাধ্যম: অনলাইন

আবেদন শুরুর তারিখ: ২ জুন ২০২৬

আবেদনের শেষ তারিখ: ৬ জুন ২০২৬

অফিশিয়াল ওয়েবসাইট: https://www.waltonhil.com

আবেদন করার লিংক: অফিশিয়াল নোটিশের নিচে

প্রতিষ্ঠানের নাম: ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি

পদের নাম: সিনিয়র এক্সিকিউটিভ

বিভাগ: কাস্টমস, ভ্যাট এবং ডিইডিও কমপ্লায়েন্স

পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়

শিক্ষাগত যোগ্যতা: অ্যাকাউন্টিংয়ে বিবিএ/এমবিএ

অন্যান্য যোগ্যতা: এনবিআর/ভ্যাট অডিট, ডিইডিও (ডিউটি ​​ড্রব্যাক) পরিচালনার অভিজ্ঞতা। এনবিআর অনুমোদিত ভ্যাট সফটওয়্যার ব্যবহারের দক্ষতা এবং এমএস এক্সেলে পারদর্শী। 

অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ২ থেকে ৫ বছর 

চাকরির ধরন: ফুলটাইম

কর্মক্ষেত্র: অফিসে 

প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়) 

বয়সসীমা: উল্লেখ নেই 

কর্মস্থল: ঢাকা (বসুন্ধরা)

বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে 

অন্যান্য সুবিধা: মোবাইল বিল, মুনাফার অংশ, প্রভিডেন্ট ফান্ড, বিমা, দুপুরের খাবার সুবিধা, প্রতি বছর ইনক্রিমেন্ট, বছরে ২টি উৎসব বোনাস। 

আবেদন যেভাবে: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন। 

আবেদনের শেষ সময়: ৬ জুন ২০২৬

তারেক/

চাকরির পাশাপাশি যেভাবে বাড়তি আয় করবেন

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ১২:২০ পিএম
চাকরির পাশাপাশি যেভাবে বাড়তি আয় করবেন
ছবি: খবরের কাগজ

বর্তমান সময়ে অধিকাংশ চাকরিজীবীর আয় একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যেই থাকে। মাস শেষে নির্ধারিত বেতন হাতে এলেও ব্যয়ের তালিকা কিন্তু প্রতিনিয়ত বাড়তেই থাকে। নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ, পরিবার পরিচালনা ও হঠাৎ আসা অতিরিক্ত ব্যয় সামলাতে গিয়ে অনেকেই আর্থিক চাপে পড়ে যান। যত হিসাব করেই চলা হোক না কেন, অনেক সময় নির্দিষ্ট আয়ে সব প্রয়োজন মেটানো কঠিন হয়ে পড়ে। তাই স্বচ্ছন্দ জীবনযাপন নিশ্চিত করতে চাকরির পাশাপাশি বাড়তি আয়ের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে।

আরো পড়ুন: প্রাণখোলা হাসিতে অফিস হোক প্রাণবন্ত

এছাড়া চাকরির ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা এখন খুবই সাধারণ বিষয়। যেকোনো সময় কর্মক্ষেত্রে পরিবর্তন আসতে পারে, যা আর্থিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত আয়ের একটি উৎস অনেকটাই ভরসা জোগায়। আবার সবকিছু স্বাভাবিক থাকলেও বাড়তি উপার্জন মানে নিজের ও পরিবারের জন্য আরও ভালো কিছু করার সুযোগ তৈরি হওয়া। একটু বেশি সঞ্চয়, নিজের শখ পূরণ কিংবা ভবিষ্যতের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নেও এটি সহায়ক। নিজের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও অবসর সময় কাজে লাগিয়ে সহজেই বাড়তি আয়ের পথ তৈরি করা সম্ভব। ফুল টাইম চাকরির পাশাপাশি অতিরিক্ত উপার্জনের কিছু কার্যকর উপায় জেনে নিতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং শুরু করুন

যদি আপনার কর্মক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সিং কোনো সমস্যা না হয় এবং এটি আপনাকে কোনো আইনি সমস্যায় না ফেলে, তবে আপনার অবসর সময়ে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন। আপনি লিখতে পারেন, একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে পারেন, প্রোগ্রামিং বা ডিজিটাল মার্কেটিংয়েও কাজ করতে পারেন। এতে নিজের দক্ষতা প্রমাণের পাশাপাশি আপনি দ্রুতই অর্থশালী হয়ে উঠবেন।

কোচিং করাতে পারেন

আপনি যদি কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষ হন তবে অনলাইনে টিউটরিং বা কোচিং শুরু করতে পারেন। আপনি কারুশিল্প শেখাতে পারেন, কোনো অনলাইন প্ল্যাটফর্মের সঙ্গেও যুক্ত হতে পারেন যেখানে আপনি যে ক্ষেত্রে ভালো সে বিষয়ে কোর্স শেখাতে পারেন। এভাবে আপনি আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাতে এবং আয়ের পথ তৈরি করতে পারবেন।

রুম বা সম্পত্তি ভাড়া দিন

আপনার যদি একটি অতিরিক্ত রুম থাকে, তাহলে সেটি দিয়ে হতে পারে আপনার বাড়তি আয়ের সুযোগ। অতিরিক্ত রুমটি আপনি ভাড়া দিতে পারেন। এতে খালি পড়ে থাকা রুমটি দিয়ে আপনি খুব সহজেই উপার্জনের পথ তৈরি করে নিতে পারবেন। একইভাবে আপনার গাড়িটিও কাজে লাগাতে পারেন। ভাড়া দিয়ে খুব সহজেই বাড়তি উপার্জন করতে পারেন।

অপ্রয়োজনীয় জিনিস বিক্রি করুন

আমাদের প্রায় সবার বাড়িতেই অনেক অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র থাকে। হয়তো বছরের পর বছর পড়ে আছে কিন্তু কোনো কাজে লাগছে না। হতে পারে, সেই জিনিসটিই অন্য কারও অনেক প্রয়োজন কিন্তু অর্থ সংকটের কারণে কিনতে পারছে না। এমন অবস্থায় আপনার সেই পড়ে থাকা জিনিসটা যদি অনলাইনে বিক্রির বিজ্ঞাপন দেন, খুব দ্রুতই বিক্রি হয়ে যাবে। এতে আপনার বাড়ি থেকে জঞ্জাল কমবে, আবার বাড়তি আয়েরও সুযোগ হবে।

অনলাইন সার্ভে অংশগ্রহণ করুন

অনলাইন সার্ভে ও মার্কেট রিসার্চ স্টাডিতে অংশগ্রহণ আপনাকে অতিরিক্ত অর্থ উপার্জনে সহায়তা করতে পারে। হ্যাঁ, পেআউটগুলো ছোট, কিন্তু এটি আপনাকে কিছুটা হলেও বাড়তি আয়ের সুযোগ করে দেবে। তাই এই কাজে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারেন। অবসর সময়ে অনলাইন সার্ভে ও মার্কেট রিসার্চের মাধ্যমে আয় করতে পারেন।

সতর্কতা

চাকরির পাশাপাশি আয় করতে গিয়ে কখনোই অর্থের দিকে ঝুঁকে পড়া যাবে না। এমনটা হলে মূল পেশায় খুবই খারাপ প্রভাব পড়বে। একপর্যায়ে চাকরিতে সমস্যা হবে আপনার। এতে আপনিই বিপদে পড়বেন। এ জন্য সততার সঙ্গে কাজ করতে হবে আপনাকে। আবার অতিরিক্ত অর্থের লোভে অনৈতিক কোনো ব্যবসায় বিনিয়োগ করা থেকেও দূরে থাকতে হবে। মনে রাখবেন, বাড়তি উপার্জনের আশায় অর্থের লোভে নিজেকে ভাসিয়ে দেওয়া যাবে না।

তারেক/

ক্লায়েন্টের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার উপায়

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০১:০৪ পিএম
ক্লায়েন্টের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার উপায়
ছবি: খবরের কাগজ

ক্লায়েন্টের চাহিদা ও পছন্দ ভালোভাবে বুঝতে পারলে পণ্য বা সেবা বিক্রি করা অনেক সহজ হয়ে যায়। বিশেষ করে যেসব প্রতিষ্ঠানের একাধিক পণ্য বা সেবা রয়েছে, তাদের জন্য একই গ্রাহকের কাছে বিভিন্ন পণ্য উপস্থাপন করা বড় একটি চ্যালেঞ্জ। ব্যবসায়িক ভাষায় এটিকে ক্রস সেলিং বলা হয়। সফলভাবে এটি করতে হলে ক্লায়েন্টের সঙ্গে আন্তরিক ও বিশ্বাসভিত্তিক সম্পর্ক তৈরি করা জরুরি। পাশাপাশি নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখাও গুরুত্বপূর্ণ। ক্লায়েন্টের সঙ্গে কার্যকরভাবে কীভাবে আলাপ চালিয়ে যাবেন, সে বিষয়ে কিছু বিষয় নিচে তুলে ধরা হলো—

দিনকাল কেমন যাচ্ছে? ব্যবসা কেমন যাচ্ছে?

প্রতিটি সাক্ষাতের শুরুতেই আমরা এই দুটি প্রশ্ন করে থাকি। মাঝে মধ্যে এই দুটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার মাধ্যমে ক্লায়েন্টের চাহিদা জানা যায় এবং তা নিয়ে এক ঘণ্টারও বেশি আলাপ করা যায়।

নিজের কোম্পানি সম্পর্কে বক্তব্য দিন

প্রতিটি প্রতিষ্ঠানেরই নিজস্ব পরিচিতিমূলক বক্তব্য থাকে যেখানে কোম্পানির পরিচিতি ও কর্মপরিধি উল্লেখ থাকে। এছাড়া কখন ক্লায়েন্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে তাও জিজ্ঞেস করে নেওয়া হয়। পুরো বক্তব্য দুই-তিন মিনিটের বেশি হবে না, এর বেশি হলেই ক্লায়েন্ট তার মনোযোগ হারিয়ে ফেলবে।

আপনার লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও মূল চ্যালেঞ্জগুলো কী কী? 

এই ওপেন এন্ডেড প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলে আপনার ক্লায়েন্ট তার কাছে যা কিছু গুরুত্বপূর্ণ তা নিয়ে কথা বলবে। এর মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারবেন কোথায় আপনার ক্লায়েন্টকে আপনি সাহায্য করতে পারবেন বা পরবর্তী সাক্ষাতের এজেন্ডা নির্ধারণ করে দেবে যখন আপনি জানবেন ক্লায়েন্টের চাহিদা পূরণে আপনার পণ্য/সেবাই সঠিক সমাধান।

আরো পড়ুন: কর্মসংস্থান ব্যাংকে ২৮৭ জনের বড় নিয়োগ, আবেদন অনলাইনে

ক্লায়েন্টের সঙ্গে আলাপ করলে যে করেই হোক পরবর্তী সাক্ষাতের ক্ষেত্র তৈরি করে নিতে হবে। চলমান আলাপের মাধ্যমেই ক্লায়েন্টের আয় বৃদ্ধি, নতুন ক্লায়েন্ট বা বেশি করে ক্রস সেলিং করার সুযোগ আসে। আপনার কাজ হবে ক্লায়েন্টদের কাছ থেকে এবং তাদের ব্যাপারে যত বেশি তথ্য পাওয়া যায় তা নিশ্চিত করা এবং আপনার কাজ ছাড়া আপনার ব্যাপারে যত কম কথা বলা যায় সেদিকে খেয়াল রাখা। প্রতিটি আলাপের পর তাদের কাছে আপনি নির্দিষ্ট কোনো প্রস্তাবনা বা সম্ভাব্য সমাধান দিতে পারেন আর দেখবেন যে আপনার ক্লায়েন্টই আপনার সঙ্গে পরবর্তী সময়ে দেখা করার আগ্রহ প্রকাশ করবে। প্রাসঙ্গিক আলাপের মাধ্যমে বেশি বেশি ক্রস সেলিংয়ের সুযোগ তৈরি হয় যা আপনার ব্যবসাকে লাভবান করবে।

তারেক/

কর্মক্ষেত্রের জটিলতা সামলানোর কৌশল

প্রকাশ: ০২ জুন ২০২৬, ০২:৫০ পিএম
কর্মক্ষেত্রের জটিলতা সামলানোর কৌশল
ছবি: খবরের কাগজ

অফিস মানেই ব্যস্ততা আর কাজের চাপ। কর্মক্ষেত্রে চাপ থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। তবে অনেক সময় সেই চাপ এতটাই বেড়ে যায় যে, তা সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। এর প্রভাব পড়ে মানসিক অবস্থার ওপরও। আর কাজের চাপের পাশাপাশি যদি অফিস পলিটিক্স যোগ হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। সবকিছু সামলাতে গিয়ে নিজের মানসিক স্বস্তি ধরে রাখাও তখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।

অফিসে কাজের ফাঁকে সহকর্মীদের সঙ্গে একটু আড্ডা বা গল্প হতেই পারে। তবে সেটি যেন সীমার মধ্যেই থাকে। কারণ, আড্ডা শেষে আবার মনোযোগ ফিরিয়ে আনতে হয় কাজেই। কর্মক্ষেত্রে সব সময় যে অনুকূল পরিবেশ পাওয়া যাবে, এমনটা ভাবার সুযোগ নেই। কাজ করতে গিয়ে নানা ধরনের অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারে। তাই আগে থেকেই জানা দরকার, কোন পরিস্থিতিতে কীভাবে নিজেকে সামলে নিতে হবে।

সহকর্মী কটু কথা বললে

আপনার কোনো সহকর্মী হয়তো আপনাকে কড়া ভাষায় কথা বলেছে। আপনিও মনে মনে চাচ্ছেন তার চেয়েও কড়া ভাষায় উত্তর দিতে। এমনটা যদি করেন তাহলে ভুল করবেন। সহকর্মীর কড়া ভাষার উত্তর দিতে যাবেন না। কারণ, এটি তর্ক বাড়িয়ে দেবে। অফিসে শান্তি বজায় রাখার জন্য আপনি শান্ত থাকার চেষ্টা করুন। সহকর্মী যদি আপনার প্রিয় কেউ হন তবে তাকে বুঝতে চেষ্টা করুন। হতে পারে তিনি খুব বেশি কাজের চাপে এমনটা করছেন। মনে রাখবেন–তর্কে তর্ক বাড়ে। 

বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিলে

কোনো কাজের ক্ষেত্রে গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি হলে মনোবল হারানো চলবে না। নিজের মনোবল শক্ত করে অন্যদের ভরসা দিন। মনে রাখবেন–সব সমস্যার সমাধান আছে। সমস্যা গুরুতর হলে শান্তভাবে বসুন এবং চিন্তা করুন এর সমাধান কীভাবে করবেন। একজন সিনিয়রের সঙ্গে কথা বলুন, যিনি সমস্যাটি গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন।

আরো পড়ুন: কর্মসংস্থান ব্যাংকে ২৮৭ জনের বড় নিয়োগ, আবেদন অনলাইনে

সব কাজ মেইলের মাধ্যমে করুন। মৌখিক আলোচনা গুজবের জন্ম দিতে পারে। তাই কাজের প্রমাণ রাখুন।

খোলামেলা আলোচনা করুন

আপনার যুক্তিতে ‘সঠিক’, কিন্তু বসের মতে ‘বেঠিক’–অধিকাংশ সময় এরকম দোটানায় জড়িয়েই বসের সঙ্গে আপনার দ্বন্দ্ব তৈরি হতে পারে। এরকম পরিস্থিতিকে কী করবেন? এমন পরিস্থিতিতে ব্যাপারটি নিয়ে আপনার বসের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করুন। দেখবেন সমাধান বের হয়ে আসছে।

কাজের ক্রেডিট অন্য কেউ নিলে

অনেক সময় দেখা যায়, আপনি খেটেখুটে একটি সফল প্রজেক্ট দাঁড় করিয়েছেন। কিন্তু সেই কাজের পুরো কৃতিত্বই বিভাগীয় প্রধান নিয়ে নিচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে আপনি কী করবেন? আপনি বলবেন, ‘আমার পয়েন্ট স্পটলাইট করার জন্য ধন্যবাদ’। আপনি সংযমের সঙ্গে কথাগুলো বলুন। ভদ্রভাবে কথা বলে অনেক কিছুই সহজ করা সম্ভব। এতে আপনাদের যিনি বস, তিনিও বুঝে যাবেন যে কাজটি আপনার। আপনি যে কাজটি করে দিয়েছেন, তার বিস্তারিত প্রমাণ নিজের কাছে রাখুন। যাতে করে পরবর্তী সময়ে কোনো প্রশ্ন উঠলে সামাল দিতে পারেন।

অফিসে বেশি সময় থাকতে বললে

অনেক সময় দেখা যায়, সিনিয়ররা তার অধীনস্থ কর্মীদের বেশি সময় অফিসে থাকতে এক প্রকার বাধ্য করেন। এমন পরিস্থিতিতে রেগে গেলে চলবে না। মাথা ঠাণ্ডা রাখতে হবে। বিনয়ের সঙ্গে বলুন, আপনার অন্য জায়গায় কাজ রয়েছে। আপনি যে এই কাজে অপারগ তা সুন্দরভাবে বুঝিয়ে বের হয়ে আসুন। সেই সঙ্গে যখন আপনার সিনিয়রের মন ভালো থাকে তখন তার সঙ্গে বসে কাজের সময়ের সীমা নির্ধারণ করে ফেলুন।

সরাসরি ‘না’ বলবেন না

অফিসে কখনো কখনো এমন অনেক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে যখন আপনাকে না চাইলেও ‘না’ বলতে হবে। তবে এটি সরাসরি বলা যাবে না। বলতে হবে সঠিকভাবে কায়দা করে। যদি মনে করেন আপনার ওপর অতিরিক্ত কাজ বা দায়িত্ব চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে, তবে সুন্দরভাবে জানিয়ে দিন যে, আপনি একটি টিমের সঙ্গে কাজ করতে পারেন, আপনার পক্ষে একা এই কাজ করা সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে আপনাকে কৌশলী হতে হবে, অনুরোধটি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করবেন না। অনেক বসই ‘না’ শব্দটি সহ্য করতে পারেন না।

সমালোচনাকে এড়িয়ে চলুন

অফিসের সব সহকর্মী এক ধরনের হয় না। কিছু কিছু সহকর্মী পাবেন যারা আপনাকে সব সময় দমিয়ে রাখার চেষ্টা করবে। আপনি যা-ই করেন না কেন তারা আপনার সমালোচনা করবে। এ ধরনের বস আপনার নিজস্ব উন্নয়নের জন্য খুব বিপজ্জনক। পারলে সমালোচনাকে এড়িয়ে চলুন। এ ধরনের বসের সঙ্গে ঠাণ্ডা মাথায় কাজ করুন। যদি মানিয়ে নিতে না পারেন তাহলে এ ধরনের কর্মকর্তার অধীনে কাজ না করাই শ্রেয়।

তারেক/

কর্মসংস্থান ব্যাংকে ২৮৭ জনের বড় নিয়োগ, আবেদন অনলাইনে

প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৬, ০৬:৫১ পিএম
আপডেট: ০১ জুন ২০২৬, ০৭:০৮ পিএম
কর্মসংস্থান ব্যাংকে ২৮৭ জনের বড় নিয়োগ, আবেদন অনলাইনে
ছবি: সংগৃহীত

রাষ্ট্রমালিকানাধীন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ‘কর্মসংস্থান ব্যাংক’ বিভিন্ন শূন্য পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি তিনটি পদে মোট ২৮৭ জনকে স্থায়ীভাবে নিয়োগ দেবে। 

পদের বিবরণ ও বেতন স্কেল

১. সহকারী অফিসার (সাধারণ): পদসংখ্যা ১২৫। বেতন স্কেল: ১১,০০০–২৬,৫৯০ টাকা (গ্রেড–১৩)।

২. সহকারী অফিসার (ক্যাশ): পদসংখ্যা ৬৩। বেতন স্কেল: ১১,০০০–২৬,৫৯০ টাকা (গ্রেড–১৩)।

৩. ডাটা এন্ট্রি অপারেটর: পদসংখ্যা ৯৯। বেতন স্কেল: ৯,৩০০–২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড–১৬)।

আবেদনের যোগ্যতা ও বয়স

সহকারী অফিসার (সাধারণ ও ক্যাশ): যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ন্যূনতম দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। তবে শিক্ষাজীবনের কোনো স্তরেই তৃতীয় বিভাগ বা শ্রেণি গ্রহণযোগ্য নয়। প্রার্থীরা এই দুটি পদের যেকোনো একটিতে আবেদন করতে পারবেন।

আরো পড়ুন: প্রাণখোলা হাসিতে অফিস হোক প্রাণবন্ত

ডাটা এন্ট্রি অপারেটর: যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে (কোনো স্তরে তৃতীয় বিভাগ গ্রহণযোগ্য নয়)। কম্পিউটার টাইপিংয়ে প্রতি মিনিটে বাংলায় ২০ ও ইংরেজিতে ২০ শব্দের গতি এবং ন্যূনতম ছয় মাসের কম্পিউটার প্রশিক্ষণের সনদ থাকতে হবে।

বয়সসীমা: ১ মে ২০২৬ তারিখে আবেদনকারীর বয়স ১৮ থেকে সর্বোচ্চ ৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে।

আবেদন প্রক্রিয়া

আগ্রহী প্রার্থীদের টেলিটকের নির্ধারিত এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। অনলাইন ব্যতীত অন্য কোনো মাধ্যমে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। আবেদন ফি বাবদ সব পদের জন্য ১১২ টাকা (টেলিটক সার্ভিস চার্জসহ) এবং অনগ্রসর শ্রেণির (ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী, শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ) প্রার্থীদের জন্য ৫৬ টাকা আবেদন করার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জমা দিতে হবে।

আবেদন শুরু: ২৪ মে ২০২৬, সকাল ১০টা।

আবেদনের শেষ সময়: ২৩ জুন ২০২৬, বিকেল ৫টা।

তারেক/